ঢাকা, রবিবার, জুলাই ২১, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
HTML tutorial

চৌমুহনীতে রাস্তা উপর চলছে ব্যবসা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী রোগীসহ সাধারণ মানুষ।

সাইফুল ইসলাম ( নোয়াখালী জেলা সংবাদদাতা। )

প্রকাশিত: ২০ জুলাই, ২০২৪, ০১:৫৩ পিএম

চৌমুহনীতে রাস্তা উপর চলছে ব্যবসা, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থী রোগীসহ সাধারণ মানুষ।

নোয়াখালীর চৌমুহনী বাজার ফলমন্ডিতে চলাচলের রাস্তা উপর চলছে জমজমাট ফল ব্যবসা, স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী, রোগীসহ ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ। ব্যবসায়ীরা মানছেনা কোন আইনকানুন নিয়মনীতি।

সরকারি রাস্তার উপরের পাইকারি আড়তদারি করে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে জনগণের ভোগান্তি  চরম উঠেছে। কেউ বাধা দিলে মানছে না কোন বাধা, উল্টো হতে হয় লাঞ্ছিত। 

সরজমিনে দেখা যায় চৌমুহনী রেলগেইট থেকে উত্তর পূর্ব টক্কার পোল দিয়ে গনিপুর, নরোত্তমপুর, সহ চৌমুহনী সরকারি সালেহ আহমদ কলেজের শিক্ষার্থী, গনিপুর বালিকা স্কুলের শিক্ষার্থী সহ রাবেয়া হসপিটাল, নাবিলা হসপিটাল, শিশু হসপিটালের রোগীদের যাওয়ার বিকল্প পথ এটি হওয়ায় এবং সকাল বেলাই আড়তে বিভিন্ন ফলের গাড়ি গুলো আসার কারনে, একই সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস থাকায় এই জায়গা সৃষ্টি হয় যানজট। 
যার ফলে ভোগান্তির শেষ থাকেনা শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের। 

কিছু ব্যবসায়ী তাদের মাল মোকামে না নিয়ে রাস্তার উপরেই পাইকারি বিক্রি করতে দেখা যায়। যার ফলে মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। 
এই ব্যাপারে কথা বলতে গেলে অনেক সময়ে মানুষ ও যানবাহনের চালকদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের তর্কে লিপ্ত হতে দেখা গেছে, হাতাহাতি মারামারি ঘটনা ও ঘটেছে। 

কিছু দিন আগে ব্যবসায়ীরা ঝগড়া করা অবস্থা অন্য এক ব্যবসায়ী বাধা দিলে তারা বলে স্টেশন মাস্টার ও জিআরবি কে টাকা দিয়ে ব্যবসা করি। তাতে আপনার কি?
এছাড়াও এখানকার লেবারদের হাতে চৌমুহনী কলেজের ছাত্রী লাঞ্ছনার ঘটনা ও দুই একবার ঘটেছে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী।

এ ব্যাপারে চৌমুহনী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন একাধিক বার তাদের কে নির্দেশ দেওয়ার পর ও কিছু ব্যবসায়িরা দোকানের বাহিরে পাইকারি কারবার করে, তিনি পৌরসভার মেয়র কে কয়েকরার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ ও করেছেন।
৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রানা জানান ব্যবসায়ীরা তার কথা শুনেনা। অনেকেই স্থানীয় প্রভাব বিস্তার করে ব্যবসা করে আইন শৃংখলার তোয়াক্কা করে না। 

ফলমন্ডি সভাপতি আবদুস সাত্তার বক্তব্য নিতে গিয়ে প্রতিবেদকে জানান দীর্ঘদিন কিডনি রোগে ভোগার কারণে এ ব্যাপার তিনি জানেনা। কে বা কারা গাড়ি রাস্তার উপর লোড-আনলোড করে তার সম্পর্কে উনার জানা নেই।

চৌমুহনী ফাঁড়ি থানার দ্বায়িত্বে থাকা এস.আই সবজেল জানান মাঝে মাঝে কিছু অভিযোগ আমাদের কাছে আসে। যেহেতু এটা রেলওয়ের সম্পত্তি আর কেউ অফিসিয়াল ভাবে কোন নিদিষ্ট  অভিযোগ ও করেনি,তাই কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারিনি।

রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার কাছে জানতে চাইলে উনি এ বিষয়ে কোন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেনি।

চৌমুহনী পৌরসভা মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন পৌরসভার পক্ষ থেকে বারবার নোটিশ দেওয়ার পরেও কিছু ভাসমান ব্যবসায়ী রাস্তার উপর ব্যবসা করার অভিযোগ আমি শুনেছি।  প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে শীঘ্রই উচ্ছেদ অভিযান করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

সারাদেশ রিলেটেড নিউজ

alo