ঢাকা, রবিবার, জুলাই ২১, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৬ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
HTML tutorial

প্রিয় নবীজি(সা.) এর বেদনায় হযরত ফাতেমা (রা.) এর ক্রন্দন

মুফতি আহমাদ আলী

প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২৪, ১০:৫৪ এএম

প্রিয় নবীজি(সা.) এর বেদনায় হযরত ফাতেমা (রা.) এর ক্রন্দন

হযরত আবু সালাবা খোসানি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন,একবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কোন এক জিহাদের সফর হইতে ফিরিয়া মসজিদে প্রবেশ করিলেন এবং দুই রাকাত নামাজ আদায় করিলেন। কোন সফর থেকে ফিরিয়া আসার পর নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম মসজিদে প্রবেশ করিয়া দুই রাকাত নামাজ আদায় করিতে পছন্দ করিতেন। তারপর প্রথম হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর নিকট যাইতেন, অতঃপর আপন বিবিগণের শহীদ সাক্ষাৎ করিতেন। সুতরাং একবার সফর হইতে ফিরিয়া আপন বিবি গনের পূর্বে হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা এর ঘরে আসিলেন। হযরত ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ঘরের দরজায় আসিয়া নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম কে স্বাগতম জানাইলেন এবং তাহার চেহারায় অপর রেওয়ায়াতে আছে তাহার মুখ ও চোখের উপর চুম্বন করিতে লাগলেন ও কাঁদিতে লাগিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেন, কেন কাঁদিতেছ? তিনি বলিলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমি আপনার অবস্থা দেখিয়া কাঁদিতেছি, শরীরের রং পরিবর্তন হইয়া গিয়াছে এবং পোশাক মলিন ও পুরাতন হইয়া গিয়াছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, হে ফাতেমা, তুমি কাদিও না। আল্লাহ তা আলা তোমার পিতা কে এমন এক দ্বীন প্রেরণ করিয়াছেন, যাহাকে একদিন তিনি জমিনের বুকে সমস্ত পাকা কাঁচা ঘর ও পশমের তাঁবুর ভিতর প্রবেশ করাইয়া ছাড়িবেন। কেহ উহা গ্রহণ করিয়া ইজ্জত হাসিল করিবে, আর কেহ উহা গ্রহণ না করিয়া বেইজ্জত হইবে। এমনকি যেখানে রাত্রি পৌঁছিয়াছে  সেখান পর্যন্ত এই দ্বীন পৌঁছাইবে । অর্থাৎ সমস্ত দুনিয়াতে এই দিন পৌঁছাইবে।

 

alo