আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলে টিএফআই ও জেআইসি সেলে সংঘটিত গুম-খুনের ঘটনায় মানবতা বিরোধী অপরাধের দুই মামলায় জড়িত ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে আজ সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে হাজির করা হয়েছে।
বিচারপতি মোহাম্মদ গোলাম মোর্তজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইবুনাল-১ এর বিচারিক প্যানেলে এ মামলাগুলোর আনুষ্ঠানিক অভিযোগের শুনানি শুরু হয়েছে। দুই মামলায় মোট ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে — যার মধ্যে একটিতে ১৭ জন ও অন্যটিতে ১৩ জন। দুই মামলাতেই শেখ হাসিনার নাম রয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।
১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সকালে প্রিজন ভ্যানে করে ট্রাইবুনালে আনা হয়। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন —
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মেজর জেনারেল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুব আলম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারোয়ার বিন কাসেম, কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, মেজর জেনারেল মুশেখ মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন, মেজর জেনারেল কোভিদ আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মাহবুর রহমান সিদ্দিকী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী, এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুর হকসহ আরও কয়েকজন।
আসামিদের প্রত্যেকেই জামিন আবেদন করেছেন, যার শুনানি বর্তমানে চলছে। আদালত সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের শাসনামলে টিএফআই ও জেআইসি সেলে সংঘটিত গুম, খুন ও নির্যাতনের অভিযোগের ভিত্তিতেই এ দুই মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে, সকাল থেকে ট্রাইবুনাল এলাকা ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হাইকোর্ট মাজারগেট, মৎস্যভবন, কাকরাইলসহ একাধিক পয়েন্টে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশের সদস্যদের মোতায়েন দেখা গেছে।
সাংবাদিকদের প্রবেশ আজ ট্রাইবুনাল প্রাঙ্গণে সীমিত রাখা হয়েছে। তবে আদালতের ভেতরে শুনানি চলমান বলে জানা গেছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ট্রাইবুনালের পরবর্তী ব্রিফিং শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার ৩৩ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের চলমান কঠোর অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিসহ সর্বমোট ৩৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠ পর্যায়ে জোরদার অভিযান পরিচালনা করা হয়। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে থানা পুলিশ ডিবি ও অন্যান্য ইউনিট যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ তল্লাশি ও চেকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এতে প্রিভেন্টিভ মামলায় নিয়মিত মামলা মাদক সংক্রান্ত মামলা এবং আদালতের জারিকৃত পরোয়ানামূলে মোট ৩৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে একটি পৃথক অভিযানে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় ১ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায়, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ মাদক নির্মূল সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের এ ধরনের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে পুলিশ কাজ করছে এবং জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কোনো ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য থাকলে নিকটস্থ থানা অথবা পুলিশের নির্ধারিত হটলাইনে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের ব্যাপক অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ গ্রেপ্তার ২৫ ও নাগরপুরে জমি সংক্রান্ত হত্যাকাণ্ডে তিন আসামি আটক ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন মাদক নির্মূল এবং সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত নিয়মিত মামলা ও প্রিভেন্টিভ মামলায় মোট ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্র জানায় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মানিত পুলিশ সুপার (এসপি) টাঙ্গাইল মহোদয় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে সমন্বিত ও কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক জনবহুল এলাকা ও অপরাধপ্রবণ স্থানে একযোগে অভিযান চালানো হয়।অভিযানকালে মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করা হলে বিভিন্ন স্থান থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।এদিকে নাগরপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত একটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাগরপুর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত তিনজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায় গ্রেপ্তারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশ আরও জানায় গ্রেপ্তারকৃত অন্যান্যদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত আসামি নিয়মিত মামলার আসামি এবং আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী ব্যক্তিরাও রয়েছে। অভিযানে জেলার প্রতিটি থানা সক্রিয়ভাবে অংশ নেয় এবং রাতভর টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম জোরদার করা হয়। জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানান সাধারণ মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধমুক্ত জেলা গড়তে পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তারা।
সিনিয়র রিপোর্টার: একাকী কলেজছাত্রীকে রাতভর পাশবিক নির্যাতন। হাইওয়ে পুলিশের তৎপরতায় রক্ষা গ্রেপ্তার চালক-হেলপারসহ ৩ জন।একাকী এক নারীর জন্য একটি চলন্ত বাস যে কতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে তার নির্মম প্রমাণ মিলেছে ঢাকার রেডিও কলোনি থেকে আশুলিয়াগামী এক রাতের যাত্রায়। মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজের দর্শন বিভাগের ২৬ বছর বয়সী এক ছাত্রী সেই রাতে ঘর থেকে বের হয়েছিলেন স্বাভাবিক গন্তব্যের উদ্দেশ্যে। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তার জীবনের সেই যাত্রা রূপ নেয় বিভীষিকাময় দুঃস্বপ্নে।বাসে যাত্রী কমে আসার সুযোগ কাজে লাগিয়ে চালক হেলপার ও তাদের এক সহযোগী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওই তরুণীকে আটকে রাখে। প্রথমে ছিনিয়ে নেওয়া হয় তার স্বর্ণালংকার নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন। এরপর শুরু হয় সীমাহীন নিষ্ঠুরতা। রাতভর বিভিন্ন স্থানে বাস ঘুরিয়ে তাকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। ভয় দেখাতে নির্যাতনের দৃশ্য ভিডিও করাও হয় মুখ খুললেই তা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া যায়।স্বাভাবিক যাত্রা থেকে ভয়াল বন্দিত্বপুলিশ জানায় বুধবার (১৪ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ওই ছাত্রী সাভার পরিবহনের ‘চন্দ্রা-ঢাকা’ রুটের একটি বাসে ওঠেন। বাসে তখন মাত্র দু’জন যাত্রী ছিলেন। কিছু দূর যাওয়ার পর তারা নেমে গেলে বাসটি একপ্রকার যাত্রীশূন্য হয়ে পড়ে। এই সময়ই চালক ও হেলপার বাস থামিয়ে দরজা বন্ধ করে তাকে জিম্মি করে। চলন্ত বাসে সাহায্যের জন্য চিৎকার করলেও গভীর রাতের নিস্তব্ধতায় তার কণ্ঠস্বর হারিয়ে যায় অন্ধকারে। মৃত্যু আতঙ্কে কেটেছে পুরো রাতভিকটিমের ভাষ্য অনুযায়ী অভিযুক্তরা তাকে বারবার হত্যার হুমকি দেয়। প্রতিটি মুহূর্তে মনে হয়েছেআর হয়তো বেঁচে ফেরা হবে না। ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের ভয় দেখানো হয়, যাতে সে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ না হয়। অন্ধকার ভেদ করে মানবতার উপস্থিতি ভোরের দিকে যমুনাসেতু–টাঙ্গাইল–ঢাকা মহাসড়কের করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় বাসটির অস্বাভাবিক অবস্থান নজরে আসে হাইওয়ে পুলিশের। মধুপুর–এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার একটি টহল দল সন্দেহ হলে দ্রুত তৎপর হয়। এসআই মাহবুবুর রহমান জানান পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে অভিযুক্তরা ভিকটিমকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু আচরণে অসঙ্গতি ও এক ব্যক্তিরবাসে ছিনতাই হচ্ছে চিৎকার পুলিশের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে তোলে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ভিকটিম কান্নায় ভেঙে পড়ে পুরো ঘটনা জানায়।গ্রেপ্তার ও বিচার প্রক্রিয়াপরে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে করটিয়া আন্ডারপাস এলাকা থেকে বাসচালক মো. আলতাফ (২৫), হেলপার মো. সাগর (২৪) ও সহযোগী মো. রাব্বি (২১) কে গ্রেপ্তার করা হয়। মধুপুর–এলেঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. শরীফ জানান, ভিকটিম, গ্রেপ্তারকৃতরা ও বাসটি টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনের সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সমাজের আয়নায় এক ভয়ংকর প্রতিবিম্বএই ঘটনা শুধু একটি অপরাধ নয়—এটি গণপরিবহনে নারীর নিরাপত্তাহীনতাঅপরাধীদের দুঃসাহস এবং সামাজিক নজরদারির ঘাটতির নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরে।একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে দায়িত্বশীল ও মানবিক পুলিশি তৎপরতা চাইলে অন্ধকারের মাঝেও জীবনের আলো ফিরিয়ে আনা সম্ভব।এই ঘটনা আমাদের আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়— আইনের শক্তির সঙ্গে মানবিক বোধ জাগ্রত থাকলেই সমাজ নিরাপদ হয়।