পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার আফগান তালেবান প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করে তাদের “অবৈধ” আখ্যা দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তালেবান সরকার সীমান্তপারের হামলায় সহায়তা দিচ্ছে, বৈষম্যমূলক ফৌজদারি বিধান কার্যকর করছে এবং নারীদের অধিকার সীমিত করছে।
ইসলামাবাদে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী তারার বলেন, তালেবান বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে পাকিস্তানের ভেতরে হামলা চালানোর জন্য আশ্রয় ও সমর্থন দিচ্ছে। তিনি সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করেন—একটি শিয়া মসজিদে হামলা, একটি জেলা আদালতে আক্রমণ এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল গুলফার আহমেদের হত্যাকাণ্ড। তার দাবি, এসব “উসকানিমূলক” হামলার জবাবে পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী পাল্টা অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের নির্মূল করেছে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান পুনর্দখল করেছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, তালেবান সরকারের নতুন ফৌজদারি বিধানে সামাজিক অবস্থানভেদে নাগরিকদের শ্রেণিবিন্যাস করা হয়েছে এবং শাস্তির ক্ষেত্রেও ভিন্নতা রাখা হয়েছে। তার অভিযোগ, এতে দাসত্বের স্বীকৃতিও রয়েছে। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, আফগানিস্তানে নারী ও শিশুরা শিক্ষা, কর্মসংস্থান, জনসমাগমস্থলে প্রবেশ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নানা বিধিনিষেধের মুখে রয়েছে।
উল্লেখ্য, সীমান্ত এলাকায় তালেবান ও পাকিস্তানি বাহিনীর মধ্যে চলমান সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী তারারের এই মন্তব্য নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা।

