প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। এতে দায়িত্ব কমানো হয়েছে ৮ জন প্রতিমন্ত্রীর। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এতদিন কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু-কে এখন থেকে শুধু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে তার অধীনে থাকা দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইভাবে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা নুরুল ইসলাম নুর-এর দায়িত্ব কমিয়ে কেবল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সীমিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা ববি হাজ্জাজ-কে এখন থেকে শুধু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. শরীফুল আলম-কে কেবল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদ-এর দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস করে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের এই পুনর্বণ্টন সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা এবং মন্ত্রণালয়ভিত্তিক কাজের সমন্বয় জোরদারের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দায়িত্ব পুনর্গঠনের মাধ্যমে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে আরও বেশি মনোযোগ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
দেশে ১ লাখ ৩৬ হাজার টন জ্বালানি মজুদ দাম বাড়ার শঙ্কা নেই বিপিসি চেয়ারম্যান দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান মো.রেজানুর রহমান। তিনি বলেন বর্তমান মজুত পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কোনো শঙ্কা নেই। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। তবে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে তাতে আপাতত সরবরাহ বা দামের ক্ষেত্রে কোনো চাপ তৈরি হবে না। কত দিনের মজুত আছে?তিনি জানান নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে ইতোমধ্যে ৭টি জাহাজের এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে মজুত পরিস্থিতি হলো— ডিজেল: ১৪ দিনের অকটেন: ২৮ দিনের পেট্রোল: ১৫ দিনের ফার্নেস অয়েল: ৯৩ দিনের জেট ফুয়েল: ৫৫ দিনের চেয়ারম্যান বলেনবাআমরা পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যাপ্ত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকারবিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সরকার নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা না এলে দেশের বাজারে তাৎক্ষণিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা কম।এদিকে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল বিপিসির সর্বশেষ ঘোষণায় তা কিছুটা প্রশমিত হবে বলে মনে করছেন
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর রেলস্টেশন দিনে নীরবতা আর রাতে অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, রাতের অন্ধকারে স্টেশন চত্বরে মাদকসেবী ও জুয়াড়ুরা জমায়েত করে এবং পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ পতিতাবৃত্তির ঘটনাও ঘটে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র জানায়, যমুনা সার কারখানার সরবরাহ ও যোগাযোগ সুবিধার জন্য ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০০০ সালে ঢাকা–যমুনা সেতু–জামালপুর রেললাইন নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১১ সালে ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথের নির্মাণ শেষ হয়। এই লাইনে ৫২টি ব্রিজ-কালভার্ট ও চারটি রেলস্টেশন তৈরি করা হয়, যার একটি হেমনগর স্টেশন। উদ্বোধনের পর প্রথম আড়াই থেকে তিন বছর স্টেশনটি স্বাভাবিকভাবে চালু ছিল। কিন্তু এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এটি বন্ধ। বর্তমানে কোনো স্থায়ী জনবল নেই। স্টেশন মাস্টার, টিকিট ক্লার্ক ও নিরাপত্তাকর্মী অনুপস্থিত থাকায় অফিস কক্ষ, আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম নষ্ট বা চুরি হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দিনের বেলায় স্টেশন ফাঁকা থাকলেও রাতের অন্ধকারে এটি অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। স্টেশনের আবাসিক ভবন ও চত্বরে আগাছা, ঝোপঝাড় এবং ময়লা জমে আছে। পর্যাপ্ত আলো না থাকার কারণে রাতে পরিবেশ ভুতুড়ে মনে হয়। হেমনগর ও আশপাশের গ্রামবাসী দাবি করছেন, স্টেশনটি পুনরায় চালু হলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সুবিধা হবে। একই সঙ্গে এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমেও তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি আজ (২৭-০২-২০২৬) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমবায় সমিতির সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সমবায় সদস্যরা। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সমিতির বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুমোদন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে সমবায় সমিতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে সমবায় খাত আরও গতিশীল হবে। কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যায়ক্রমে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, বাসস্টেশন এবং দূরপাল্লার বাসে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ও ডিজিটাল সেবা সহজলভ্য করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের আইসিটি খাতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ উদ্যোগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু-র সঙ্গে পরামর্শক্রমে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় আইসিটি পার্ক স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের বিদ্যমান তিনটি বড় টেকপার্কে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব টেকপার্কে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আইটি রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মতবিনিময় সভায় তিনি সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এজন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুব হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষানবীশ) লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীনসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ দপ্তরের চলমান কার্যক্রম উপস্থাপন করেন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন, ই-সেবা সম্প্রসারণ ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, “প্রযুক্তিনির্ভর সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে এক জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর জেলা বিএনপির বিপ্লবী ও সফল সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ১৪১ নম্বর আসন জামালপুর–৪ (সরিষাবাড়ী) থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম (MP)। সভায় বক্তৃতাকালে প্রধান অতিথি বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। জনগণের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।” তিনি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মতবিনিময় সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আসন্ন সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভা শেষে উপস্থিত সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরিষাবাড়ীতে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
খুব শিগগিরই ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ: সালাহউদ্দিন আহমদ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র মিললেই অতি শিগগিরই আরও ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।আজ বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়-এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।মন্ত্রী বলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠপর্যায়ে জনবল জড়ানো এখন সময়ের দাবি। সে লক্ষ্যে কনস্টেবল পদে বৃহৎ পরিসরে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। তিনি আরও জানান পুলিশ সার্জেন্টের ১৮০টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যথাযথ লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এসব পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। পাশাপাশি সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াও চলমান থাকবে এবং সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) নিয়োগ দেওয়া হবে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন-এর মাধ্যমে। এ বিষয়ে নির্ধারিত সময়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ আজ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে পরিকল্পিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তিনি আশা প্রকাশ করেন জনবল বৃদ্ধি ও প্রশাসনিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে পুলিশি কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং জনগণ দ্রুত ও কার্যকর সেবা পাবে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে সরকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের তাৎক্ষণিক চাহিদা ও প্রত্যাশা পূরণে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।আজ রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়-এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর কার্যালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হলে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারে না। তাই সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে কাজ করছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অসাধু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মূল্য বৃদ্ধি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অস্বচ্ছ বাণিজ্যিক চক্র ভেঙে দিতে সরকার নতুন কৌশল ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করছে। প্রয়োজন হলে প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে সৃজনশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পরিবহন খাতের অনিয়ম ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন সড়ক ও গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। প্রথম ধাপে বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে কার্যক্রম শুরু করে ধাপে ধাপে তা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বিস্তৃত করা হবে। এ উদ্যোগ সফল করতে প্রশাসন, পুলিশ, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন। বৈঠকে ডিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট তাসকীন আহমেদ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন চাঁদাবাজি প্রতিরোধ এবং পরিবহন খাতে সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের সক্রিয় সহায়তা কামনা করেন। তিনি বলেন ব্যবসাবান্ধব নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। এ সময় ডিসিসিআই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব এইচ চৌধুরী ভাইস প্রেসিডেন্ট মো.সালেম সোলায়মান এবং সচিব ড.একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারীসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি আগামী ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল জেলায় দুই দিনের সরকারি সফরে আসছেন। সফরকালে তিনি জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিদর্শন, চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। এছাড়াও ডাক ও টেলিযোগাযোগ খাতের আধুনিকায়ন, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেবেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর–২০২৬ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। পরিদর্শনকালে তিনি এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত ফোর লেন উন্নীতকরণ কাজের অগ্রগতি, মহাসড়কের সার্বিক অবস্থা, ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টসমূহ এবং সম্ভাব্য যানজট নিরসনে গৃহীত প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন। একইসঙ্গে ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি যমুনা সেতু পূর্ব টোল প্লাজা ও কেপিআই পুলিশ ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন, মোবাইল প্যাট্রোলিং জোরদার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় পরিবহন চালক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানান এবং যাত্রীদের সচেতন হয়ে নিরাপদ ভ্রমণের অনুরোধ করেন। তিনি আরও বলেন, কোথাও কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, অনিয়ম বা যাত্রী হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা; সহকারী পুলিশ সুপার, কালিহাতি সার্কেল; জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের এই তৎপরতা সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আস্থার সঞ্চার করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অবৈধ দখলদারিত্ব ও মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পুলিশের উদ্যোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ দমনে জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ পুলিশ-এর টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার-এর নির্দেশে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাঠে নামে পুলিশের একটি বিশেষ টিম। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টাঙ্গাইল সদর সার্কেল) এইচ.এম. মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী এবং ডিবি (উত্তর) টাঙ্গাইলের অফিসার ইনচার্জ এ.বি.এম.এস দোহার সার্বিক তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মহড়ার অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল পৌর শহরের পার্কের বাজার, পাঁচ আনি ও ছয় আনি বাজার, ভিক্টোরিয়া রোড, নতুন বাসস্ট্যান্ড ও পুরাতন বাসস্ট্যান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকায় পুলিশের সদস্যরা হ্যান্ড মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা প্রদান করেন। চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের শিকার হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানাতে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। দিনব্যাপী মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ভিক্টর ব্যানার্জি, সেকেন্ড অফিসার রাফিউল করিম, ডিবি (উত্তর) ও ডিবি (দক্ষিণ) টাঙ্গাইলের অন্যান্য কর্মকর্তা ও ফোর্স সদস্যরা। সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও এতে অংশগ্রহণ করেন, যা কর্মসূচিকে আরও জনমুখী করে তোলে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অবৈধ দখলদারিত্ব ও মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানাতে জনসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ কন্ট্রোলরুম, টাঙ্গাইল (০১৩২০০৯৭২৯৮), টাঙ্গাইল সদর থানা অথবা ডিবি টাঙ্গাইলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের বিশেষ মহড়া ও অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়। পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টিম সার্বক্ষণিক মাঠে সক্রিয় রয়েছে। কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকলে কিংবা এমন তথ্য পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশের সব ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সভায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সেই নির্দেশনার অংশ হিসেবেই মাঠপর্যায়ে এই বিশেষ মহড়া পরিচালিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং নিম্নআয় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পুষ্টিকর খাদ্য পৌঁছে দিতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, সারাদেশে রমজানজুড়ে মাসব্যাপী সুলভমূল্যে খাদ্যদ্রব্য বিক্রি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং প্রায় ১০ লক্ষাধিক পরিবার ন্যায্যমূল্যে এসব পণ্য পাবে। এর ফলে বাজার ব্যবস্থাপনাও কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রমজান মাস উপলক্ষে জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর আয়োজিত টাঙ্গাইল শহরের পৌর উদ্যানে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সেদিক বিবেচনায় সরকারের এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলেও তিনি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, জেলার বাজারমূল্যের তুলনায় কম দামে পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে—যেমন গরুর মাংস যেখানে বাজারে প্রায় ৭০০ টাকা, সেখানে নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৬০০ টাকা। একইভাবে ডিমের দামও তুলনামূলক কম নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, রমজান মাসে মানুষের পুষ্টিকর খাদ্যের চাহিদা বাড়ে, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার নিশ্চিত করা জরুরি। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই মন্ত্রণালয় এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি পোলট্রি শিল্পের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং শিল্পটি টেকসইভাবে এগিয়ে যেতে পারে। জেলা প্রশাসক শরীফা হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন বিভাগের পরিচালক শাহজামান খান তুহিন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন। এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, খামারি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদারে চলমান উদ্যোগের অংশ হিসেবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ (২১-০২-২০২৬) তারিখে সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি আরও উল্লেখ করেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের আধুনিকায়ন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সনাতনী হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও স্থানীয় উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী মনোযোগসহকারে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন। সভা শেষে দেশের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) টাঙ্গাইলে অবস্থিত উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী হুজুরের মাজার জিয়ারত করেন।মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন নিপীড়িত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের এক অবিস্মরণীয় কণ্ঠস্বর। তার আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে গেলে ভাসানীর সংগ্রামী জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।এ সময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে মাজার এলাকায় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
সরকারের কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে নিম্নআয়ের মানুষের প্রোটিনের চাহিদা পূরণে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, রমজানজুড়ে তৃণমূল পর্যায়ের অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের কাছে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস পৌঁছে দিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জেলা পর্যায়ে বিশেষ বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করেছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সুলভমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্র মেরামতের যে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, তা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি জানান, সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড চালু করা, সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, “রমজানে প্রোটিনজাত পণ্যের বাজার যেন অস্থির না হয় এবং সাধারণ মানুষ যাতে ন্যায্যমূল্যে প্রয়োজনীয় খাদ্য কিনতে পারে—সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।” অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন প্রকল্পের পরিচালক শাহজামান খান তুহিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হেলাল উদ্দিন খান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এলডিডিপি প্রকল্পের পরিচালক ড. হারুন অর রশিদ। এ সময় জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. উম্মে ছালিমা সুমা এবং উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ সুলভমূল্যে পণ্য ক্রয় করতে অংশ নেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রমজান মাসে বাজারে প্রোটিনজাত খাদ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ইউনিট। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দকী আসাদ এবং সেক্রেটারি মো. খাইরুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী সদস্য অধ্যাপক মোঃ সফিউর রহমান বিপ্লব, মানিক রায়হান, মফিজ উদ্দিন, রোজিয়া সুলতানা ও আইরিন পারভীনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। আলোচনা সভায় বক্তারা ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাঙালির আত্মপরিচয় ও অধিকার আদায়ের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। অনুষ্ঠান শেষে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসক মোঃ শাহাদাত হোসেন মাসুদ। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ ও উপহার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং এতে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে দেশপ্রেম ও মাতৃভাষার প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয়।
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে উপজেলা প্রশাসন, দুর্গাপুর পৌরসভা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, পুলিশ প্রশাসন, বিএনপি, সিপিবি, প্রেসক্লাব, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের অংশগ্রহনে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের অংশগ্রহনে পুষ্পস্তবক অর্পন করা হয়। পরবর্তিতে সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে সুন্দর হাতের লিখা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন এর সঞ্চালনায়, ইউএনও আফরোজা আফসানা এর সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো. মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এম এ জিন্নাহ্, ওসি মাহমুদুল হাসান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রজলুর রহমান আনছারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার প্রমুখ। বক্তারা বলেন, মায়ের ভাষাকে রক্ষার জন্য ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজপথে আন্দোলন হয়। পাকিস্তানি সরকারি বাহিনীর গুলিতে প্রাণদান করে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেরা। সালাম-বরকত-রফিক-শফিক-জব্বার আরও কত নাম না-জানা সেসব শহীদের আত্মত্যাগে আমরা ফিরে পাই আমাদের প্রাণের ভাষা বাংলা। জাতিসংঘের স্বীকৃতির ফলে একুশে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে সারা বিশ্বে। আলোচনা শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তেন বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অপরদিকে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি‘র আয়োজনে আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা শেষে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতি বছরের মতো পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা আবারও দেখা দিয়েছে বাজারে। গেল বছর তুলনামূলকভাবে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও এবার পুরোনো চিত্রই ফিরে এসেছে। রোজার শুরুতেই লেবুসহ বিভিন্ন সবজি, মুরগি ও গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির পাশাপাশি আমিষজাত পণ্যের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বাজারে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে লেবু। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে লেবুর দাম দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। গেল সপ্তাহে বাজারে প্রতি হালি লেবু ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৪০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৬০ থেকে ৮০ টাকায় পৌঁছেছে। কিছু ক্ষেত্রে পাকা লেবু ১০০ টাকা হালিতেও বিক্রি হচ্ছে। দেশি কাগজি লেবুর তুলনায় এলাচি লেবুর দাম বেশি দেখা গেছে। টাঙ্গাইল পার্ক বাজারের সবজি বিক্রেতা শাহজাহান জানান, “একদাম ৮০ টাকা হালি। কেনার দামই বেশি, তাই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।” একই বাজারের আরেক বিক্রেতা জসিম বলেন, রোজা উপলক্ষে লেবুর চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। ইফতারিতে শরবত, মুড়িমাখা, হালিমসহ বিভিন্ন খাবারের সঙ্গে লেবুর ব্যবহার বেশি হওয়ায় পাইকারি বাজারেও দাম বেড়েছে। লেবুর দাম বাড়াকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে আলোচনা-সমালোচনা ও হাস্যরস। কেউ লিখছেন, “আপনার এলাকায় লেবুর ভরি কত?” আবার কেউ মজা করে বলছেন, “এবার মনে হয় লেবু ছাড়া শরবত বানাতে হবে।” বেসরকারি চাকরিজীবী সামিন খান বলেন, “মনে হচ্ছে এই দুদিনে লেবুতে ভিটামিনের পরিমাণ বেড়ে গেছে। ৮০ টাকা হালি দিয়ে কিনে অন্তত তাই মনে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের জন্য এটা কষ্টকর।”শুধু লেবু নয়, বাজারে মুরগির দামও বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ কেজিতে ২০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনালি মুরগি সপ্তাহের ব্যবধানে ৩০-৪০ টাকা বেড়ে ৩৫০-৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম ৬০০-৬৫০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৭০০-৭২০ টাকায় পৌঁছেছে।গরুর মাংসের বাজারেও দাম কিছুটা বেড়েছে। গেল সপ্তাহে প্রতি কেজি ৭৫০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া ও চাহিদা বাড়ার কারণে দাম বেড়েছে।ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজা এলেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেন। তারা বাজার মনিটরিং জোরদার ও প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি, যাতে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে কেনাকাটা করতে পারে।
কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন খাতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেই অনুযায়ী সর্বোচ্চ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে নিয়মিত মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের প্রোটিন চাহিদা পূরণে রাজধানী ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ ২৫টি স্থানে ন্যায্যমূল্যে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রির কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাজারে সরবরাহ ব্যবস্থাও স্থিতিশীল থাকবে বলে তিনি আশা করেন। রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের বাড়তি চাহিদা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং কোথাও কোনো ঘাটতি নেই। সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও তদারকির মাধ্যমে বাজার স্বাভাবিক রাখা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন তিনি। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলায় মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ সমাজ গড়তে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এসব বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কুমার মহন্তসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসন ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সবাই একযোগে কাজ করলে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত হবে।
শহিদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা:ভাষা শহিদদের স্মরণে সিক্ত জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হচ্ছে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় যারা প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন, সেই ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে অমর একুশের প্রথম প্রহরে রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে মানুষের ঢল নামে। একুশের প্রথম প্রহরে শ্রদ্ধা নিবেদন রাত ১২টা ১ মিনিটে ঘড়ির কাঁটা ছোঁয়ার সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহিদ মিনারের মূল বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। উল্লেখ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেঐতিহাসিক বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটিই তার প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন উপস্থিত ব্যক্তিবর্গপ্রধানমন্ত্রীর সাথে এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবগঠিত মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং অন্যান্য মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও উপদেষ্টাগণ। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তারা ভাষা আন্দোলনের মহান ত্যাগকে স্মরণ করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর পক্ষ থেকেও দলীয় প্রধান হিসেবে তারেক রহমান পৃথকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।দেশব্যাপী রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিদিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি আধা-সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে । রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় একুশের প্রভাতফেরি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও বাংলা একাডেমিতে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে । নিরাপত্তা ব্যবস্থা অমর একুশের এই আয়োজনকে ঘিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP) ও র্যাব সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ট্রাফিক বিভাগ থেকে বিশেষ রুট ম্যাপ কার্যকর করা হয়েছে।ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য আজ দিনব্যাপী শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে সর্বস্তরের মানুষের পদচারণা অব্যাহত থাকবে।
মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে আজ ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক গৌরবময় ও আবেগঘন দিন। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষায় এদেশের দামাল ছেলেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন। ভাষার অধিকারের প্রশ্নে আত্মত্যাগের এমন অনন্য নজির বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। সেই ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ দিনটি আজ সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করেছে জেলা পুলিশ, টাঙ্গাইল। দিবসটি উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় শহিদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), টাঙ্গাইল জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম পিপিএম-সেবা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারিবেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ,বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।মহান একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভাষা শহিদদের আদর্শ ধারণ করে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন জেলা পুলিশ টাঙ্গাইল।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।