ঢাকা

কালিহাতীতে পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

জ্বালানি বিক্রয়ে ওজন ও পরিমাপে অনিয়ম রোধ এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় টাঙ্গাইলের কালিহাতি ও এলেঙ্গা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি পরিচালিত এ অভিযানে কালিহাতি ও এলেঙ্গা এলাকার একাধিক ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রম তদারকি করা হয়। পরিদর্শনকালে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ এর বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।কালিহাতি ও এলেঙ্গায় ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ।ওজন ও পরিমাপে অনিয়ম দুই প্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা।ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ এবং জ্বালানি বিক্রয়ে ওজন ও পরিমাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইলের কালিহাতি ও এলেঙ্গা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে কালিহাতি উপজেলা ও এলেঙ্গা পৌর এলাকার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন ২০১৮ এর বিধান লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় দুইটি ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মেসার্স কালিহাতি ফিলিং স্টেশন এবং মেসার্স পার্টনার্স ফিলিং স্টেশন এলেঙ্গা এর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলায় মোট ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কালিহাতি টাঙ্গাইল। এ সময় ফিলিং স্টেশনগুলোর মিটার পরিমাপক যন্ত্র এবং বিক্রয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা হয়।প্রশাসন সূত্রে জানানো হয় জ্বালানি বিক্রয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা কিংবা আইন অমান্য করার সুযোগ দেওয়া হবে না। জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।জনস্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২৩, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নজরদারি

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নজরদারি ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল জেলায় সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও নিবিড় তত্ত্বাবধানে জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় নিয়মিতভাবে এই অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে অপরাধ দমন ও অপরাধীদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোড় ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হচ্ছে। অভিযানের অংশ হিসেবে মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার,ট্রাক,সিএনজি, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বৈধ কাগজপত্র যাচাইসহ সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে। অভিযানকালে অবৈধ যানবাহন ও আইন লঙ্ঘনকারী মোটরসাইকেল আটক করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে নিয়মিত প্রসিকিউশন দাখিল করা হচ্ছে। জেলা পুলিশের এই তৎপরতায় সাধারণ মানুষের মাঝে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানান জনসাধারণের সহযোগিতায় টাঙ্গাইলকে একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি যেকোনো অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য জেলা পুলিশকে জানাতে নাগরিকদের আহ্বান জানানো হয়েছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলার ৮টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। সভায় বক্তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচনকালীন সময়ের সার্বিক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ভোটারদের নিরাপত্তা এবং আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন নির্বাচনকালীন সময়ে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা জনগণের জানমালসহ সর্বোচ্চ জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রার্থী রাজনৈতিক নেতা-কর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইন মেনে দায়িত্বশীল আচরণ করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় একটি গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মতবিনিময় সভা শেষে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ জেলার ৮টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীগণসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ২১, ২০২৬ 0
কালিহাতীতে ছাত্রদলের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি শাস্তির দাবি স্থানীয়দের
কালিহাতীতে ছাত্রদলের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি শাস্তির দাবি স্থানীয়দের

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অনুসারী ও আত্মীয়স্বজনদের প্রভাব এখনো সক্রিয় রয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি এখন বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের ব্যানারে প্রভাব বিস্তার করছেন। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সোলায়মান আকন্দ। স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক নেতা-কর্মীর ভাষ্যমতে, সোলায়মান আকন্দ দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি অতীতে ছাত্রলীগের পদ পেতে ব্যর্থ হয়ে পরে ছাত্রদলে যোগ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর ঢাকা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন সোলায়মান আকন্দ। যমুনা নদী তীরবর্তী বাণিজ্যিক এলাকায়—বিশেষ করে বালুর ঘাট, গাড়ি পারাপার ও লোড-আনলোড পয়েন্টগুলোতে—চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ কাজে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এম এ বাতেন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ঝলকের সহযোগিতার কথাও অভিযোগে উঠে এসেছে। এছাড়া, সোলায়মান আকন্দের পরিবারের সদস্য ও আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল হাই আকন্দ বেনজির আহমেদ টিটুর নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত প্রায় ১২টি বালু উত্তোলন পয়েন্ট থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, আবদুল মোনায়েম লিমিটেডের বালু পরিবহনের রাস্তা বন্ধ করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এসব ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা থানা ও ডিবিতে ১০ থেকে ১২টি অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। এরই মধ্যে গোহালিয়াবাড়ীতে নতুন একটি প্রভাববলয় গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নতুন নেতৃত্ব হিসেবে আলোচনায় এসেছেন লুৎফর রহমান মতিনপন্থী আলম আকন্দ। স্থানীয় বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানান, আলম আকন্দের অতীতে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত থাকার কোনো প্রামাণ্য তথ্য তাদের জানা নেই। এতসব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দলীয় ও প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের প্রবীণ বিএনপি নেতারা বলেন, “আমাদের জানামতে এসব ব্যক্তি আগে কখনো বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। হঠাৎ করেই তাদের আবির্ভাব ঘটেছে।” এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পাওয়া যায়নি। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি , যুবদল ও ছাত্রদলের একাংশ।

MD.JAHIRUL ISLAM জানুয়ারী ২১, ২০২৬ 0
ভোট/গণভোট প্রচার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল

ভোট/গণভোট প্রচার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে ১৯ জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখ সোমবার এ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ভোট ও গণভোট প্রচার এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক এবং পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার। অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয় সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন নির্বাচন ও গণভোটে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে। এ সময় তিনি ভোট ও গণভোট চলাকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা গুজব প্রতিরোধ সহিংসতা দমন এবং যেকোনো ধরনের অনিয়মমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সার্বিক প্রস্তুতি ও প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয় নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এ ধরনের প্রচার কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোট ও গণভোট সম্পর্কে আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হচ্ছে। এ সময় টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাগণ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ সামাজিক ব্যক্তিবর্গ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও জনসমাবেশ

টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও জনসমাবেশ গণভোটে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান মাননীয় উপদেষ্টার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই সভায় অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। মতবিনিময় সভায় জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইলসহ জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসারবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক সমন্বয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় মাননীয় উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে নিরপেক্ষতা পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।তিনি বলেন গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং গণভোট। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন কোনো প্রকার অনিয়ম বিশৃঙ্খলা বা আইনবহির্ভূত কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না এবং এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।মতবিনিময় সভা শেষে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক বৃহৎ জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। জনসমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।জনসমাবেশে মাননীয় উপদেষ্টা বলেন গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। একটি শান্তিপূর্ণ স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোটই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মতামত প্রদানের আহ্বান জানান এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।তিনি আরও বলেন গণভোটে জনগণের মতামতই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি। তাই কোনো প্রকার বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাধারণ জনগণ গণভোট ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত উদ্যোগের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও রেলপথ মন্ত্রণালয়-এর মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান । উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকটাঙ্গাইল পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইলসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল); অফিসার ইনচার্জ (সকল); উপজেলা নির্বাচন অফিসার (সকল) ও জেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলের কর্মকর্তাবৃন্দ ।মতবিনিময় সভা শেষে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান । তিনি গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি স্বচ্ছ শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ মাদক দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর নজরদারী ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ জনগণের জন্য নিরাপদ নিরপেক্ষ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত রয়েছে।টাঙ্গাইল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় একযোগে এ বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থানা মোড় জেলা প্রবেশপথ বাসস্ট্যান্ড বাজার এলাকা ও জনবহুল স্থানে স্থাপিত চেকপোস্টে জেলা পুলিশের চৌকস সদস্যরা দিন ও রাতব্যাপী দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযান চলাকালে পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার ট্রাক বাস পিকআপ সিএনজি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি চালান। এ সময় যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ড্রাইভিং লাইসেন্স রেজিস্ট্রেশন ফিটনেস হেলমেট ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারের বিষয়গুলো যাচাই করা হয়। পাশাপাশি মাদক পরিবহন অবৈধ অস্ত্র বহন চোরাচালান ছিনতাই ও যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে একদিকে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ জোরদার হচ্ছে। পুলিশের উপস্থিতি ও তৎপরতায় অপরাধপ্রবণ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহে শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।বিশেষ চেকপোস্ট অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত তল্লাশি কার্যক্রমে মোট ৬৭৪টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪১০টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনানুগ শর্ত পূরণ না করায় ০৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। এছাড়া সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের দায়ে ০৪টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছেওযেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে পুলিশ জনগণের সহযোগিতা কামনা করে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা শুধু পুলিশের একক দায়িত্ব নয় বরং পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান করালেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল

পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান করালেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল বাংলাদেশ পুলিশের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে কনস্টেবল/নায়েক পদ থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত মোট ১৫ (পনেরো) জন পুলিশ সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে র‍্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন পদোন্নতি শুধুমাত্র একটি স্বীকৃতি নয় বরং এটি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের ক্ষেত্রে আরও বেশি সততা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব প্রদর্শনের অঙ্গীকার। তিনি নবপদোন্নত সদস্যদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের আস্থা অর্জনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।পুলিশ সুপার মহোদয় আরও বলেন শৃঙ্খলা নৈতিকতা ও মানবিক আচরণই একজন পুলিশ সদস্যের প্রকৃত পরিচয়। জনসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালন করলে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি সকলকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বাহিনীর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দসহ অন্যান্য অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মকর্তারা পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন। উল্লেখ পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের এই র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান অনুষ্ঠান জেলা পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি ও পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0
শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় টাঙ্গাইলে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বিএনপি মনোনীত টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ধানের শীষের এমপি পদপ্রার্থী এবং বিএনপি টাঙ্গাইল জেলা নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তার অবদান জাতি কখনো ভুলবে না। আজ আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি এবং মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করছি যেন তিনি তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।” তিনি আরও বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক। তার আদর্শ অনুসরণ করেই বিএনপি এদেশের মানুষের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাবে।” অনুষ্ঠানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
গোপালপুরে যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট, ১৫টি মোটরসাইকেল আটক

গোপালপুরে যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট, ১৫টি মোটরসাইকেল আটক টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে কাগজপত্র ও বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় ১৫টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গোপালপুর থানা মোড় এলাকায় বিজিও নং–৫২৭৪৫ ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ এরশাদ আলীর নেতৃত্বে একটি টহল দল এবং গোপালপুর থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এ চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। চেকপোস্ট চলাকালে বিভিন্ন মোটরসাইকেল তল্লাশি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় ১৫টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। পরে আটককৃত মোটরসাইকেলগুলো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোপালপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা যানবাহন চালকদের সড়ক আইন মেনে চলা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা এবং নিরাপদভাবে যানবাহন পরিচালনার বিষয়ে সচেতন করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার ৭৭ মোটরসাইকেল আটক

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার ৭৭ মোটরসাইকেল আটক জরিমানা আদায় সাড়ে তিন লাখ ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। নগর ও গ্রামীণ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, প্রবেশপথ এবং জনবহুল এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট। অভিযানে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, ট্রাক, সিএনজি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় চলমান অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পরিবহন রোধ, যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই এবং সাধারণ জনগণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।বিশেষ চেকপোস্ট অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যানবাহন তল্লাশি করা হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক মোটরসাইকেল আটক করা হয় এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানের সারসংক্ষেপ তল্লাশীকৃত মোট যানবাহন: ৭০৩টি তল্লাশীকৃত মোটরসাইকেল: ১,৫৭৪টি আটককৃত মোটরসাইকেল: ৭৭টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত প্রসিকিউশন: ৮১টি আদায়কৃত মোট জরিমানার পরিমাণ: ৩,৪২,০০০ (তিন লাখ বিয়াল্লিশ হাজার) টাকা জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানা বা পুলিশের নির্ধারিত নম্বরে জানালে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানাধীন বিভিন্ন নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক। বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) দুপুর ২টা ০০ মিনিটে শ্রীনগর থানাধীন বাঘড়া ইউনিয়নের বাঘড়া স্বরূপ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছত্রভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লিটল স্টার কিন্ডার গার্ডেন অ্যান্ড হাই স্কুল জাহানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাঠালবাড়ি আশরাফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুন্সীগঞ্জ জনাব সৈয়দা নুরমহল আশরাফী এবং পুলিশ সুপার মুন্সীগঞ্জ জনাব মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম মহোদয় কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবকাঠামোগত প্রস্তুতি, ভোটগ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু অবাধ গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (শ্রীনগর) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শ্রীনগরসহ প্রশাসন ও পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। কর্তৃপক্ষ জানান নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আজ ১১/০১/২০২৬ তারিখ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল-এর কার্যালয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয় । জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ র‍্যাব বিজিবি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা আনসার কমান্ডান্ট, টাঙ্গাইলসহ ১২টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ।টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক।সভায় টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতা সততা পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে জেলার সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ অপরাধ দমন কার্যক্রম এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি তিনি জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি র‍্যাব বিজিবি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা আনসার কমান্ডান্ট বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় আইন-শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা প্রশাসন কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসমূহ চিহ্নিতকরণ দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ যাতে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় সে লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহিংসতা কিংবা আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।তিনি আরও বলেন নির্বাচনকে ঘিরে গুজব অপপ্রচার ও সহিংসতার আশঙ্কা রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল স্টেকহোল্ডারের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলায় একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেড।শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় যমুনা সেনানিবাসের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১০ জন শিশুর মধ্যেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের স্টাফ অফিসার মেজর নাজমুস সালেহীন সৌরভ, যমুনা সেনানিবাসের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রতি বছরের মতো চলতি শীত মৌসুমেও অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের সেনাসদস্যরা দুর্গম ও চরাঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন মানবিক সহায়তা ওজনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত কার্যক্রম যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এ ধরনের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা বলেন শীতের এই সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়তা তাদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেড।শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় যমুনা সেনানিবাসের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১০ জন শিশুর মধ্যেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের স্টাফ অফিসার মেজর নাজমুস সালেহীন সৌরভ, যমুনা সেনানিবাসের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রতি বছরের মতো চলতি শীত মৌসুমেও অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের সেনাসদস্যরা দুর্গম ও চরাঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন মানবিক সহায়তা ওজনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত কার্যক্রম যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এ ধরনের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা বলেন শীতের এই সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়তা তাদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে সন্তোষ প্রকাশ করলেন পুলিশ সুপার ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢাকা জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ অফিসার ও ফোর্সদের অংশগ্রহণে এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।ঢাকা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান সুসজ্জিত অভিবাদন মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সালামি গ্রহণ করেন। পরে তিনি প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী অফিসার ও ফোর্সদের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।মাস্টার প্যারেডে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দোহার সার্কেল) জনাব মোঃ রাকিবুল হাসান ইশান। তার দক্ষ নেতৃত্বে প্যারেডটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।প্যারেড চলাকালে পুলিশ সুপার মহোদয় অফিসার ও ফোর্সদের শারীরিক ফিটনেস, টার্নআউট, কিটের মান এবং সামগ্রিক শৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে জিএস (গুড সার্ভিস) মার্ক প্রদান করেন। প্যারেড শেষে তিনি অংশগ্রহণকারীদের পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলাবোধের প্রশংসা করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।এ সময় পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে সততা, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব পুলিশিং আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্যারেড পরবর্তী সময়ে পুলিশ সুপার মহোদয় রিজার্ভ অফিস, আরআই অফিসসহ পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ খাইরুল আলম, জেলা পুলিশের সকল সার্কেল অফিসারগণ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জলকে দেখতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জলকে দেখতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ১২ জানুয়ারি হার্টের বাইপাস সার্জারি দোয়া চাইলেন সহকর্মী সাংবাদিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি ও সিনিয়র সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী ১২ জানুয়ারি তার হার্টের বাইপাস সার্জারি নির্ধারিত সহকর্মী এই সাংবাদিকের অসুস্থতার খবর জানার পর আজ সন্ধ্যায় তাকে দেখতে টাঙ্গাইল সদর পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকায় তার নিজ বাসভবনে যান বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে দলীয় মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।এ সময় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জলের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দ্রুত সুস্থতার জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানান এবং এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।সাক্ষাৎকালে সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জল তার সহকর্মী সাংবাদিক শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া কামনা করেন যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও সাংবাদিকতার দায়িত্বে ফিরতে পারেন।এদিকে একজন দায়িত্বশীল ও পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে মোল্লা তোফাজ্জলের অসুস্থতায় টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাংবাদিক সমাজ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা তার সফল অস্ত্রোপচার ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া অব্যাহত রেখেছেন।স্থানীয় রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও তার সুস্থতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
বিনিময় বাসে সাদত কলেজ শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ

বিনিময় বাসে সাদত কলেজ শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ করটিয়ায় বাস আটক দোষীদের শাস্তির দাবি টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে করটিয়া আসার পথে বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে সরকারি সাদত কলেজের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে করটিয়া এলাকায় ওই বাসটি আটক করা হয়।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ যাত্রাপথে বাসটির চালক ও স্টাফরা তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং একপর্যায়ে তার কাছ থেকে টিকিট কেড়ে নেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সরকারি সাদত কলেজের একটি অনলাইন শিক্ষার্থী গ্রুপে জানালে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।ঘটনার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সংগঠিত হয়ে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়া হাট বাইপাস এলাকায় অভিযুক্ত বাসটি আটক করেন। এ সময় তারা বাসে থাকা চালক ও স্টাফদের আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।শিক্ষার্থীরা বলেন একজন নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রকাশ্যে এমন অশালীন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও পথচারীরাও ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগ নেন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
নির্বাচনী দায়িত্বে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে টাঙ্গাইলে TOT কোর্স উদ্বোধন

নির্বাচনী দায়িত্বে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে টাঙ্গাইলে TOT কোর্স উদ্বোধন থাকবে পুলিশ জনপদে ভোট দিবেন নিরাপদে এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উদ্যোগে ইন্সপেক্টর থেকে কনস্টেবল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।এই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) টাঙ্গাইলের পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি)-এ নির্বাচনী দায়িত্ব সফলভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত TOT কোর্স এর চতুর্থ পর্যায়ের ২৫তম ধাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিকোর্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম, ডিআইজি। অনুষ্ঠানে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচন একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, আইনগত জ্ঞান ও পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—জনাব কাজী রুবাইয়াত রুমি,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)জনাব সাকিবুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) (প্রশাসন ও অর্থ),এছাড়াও পিটিসি টাঙ্গাইলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষকবৃন্দ এবং কোর্স পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর অংশগ্রহণকোর্সটিতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ থেকে মনোনীত মোট ৫০ জন পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণ করছেনপ্রশিক্ষণার্থীরা নির্বাচনী আইন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, আচরণবিধি বাস্তবায়ন, ঝুঁকি নিরূপণ, জনশৃঙ্খলা রক্ষা, সংঘাত ব্যবস্থাপনা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।পুলিশের ভূমিকা তুলে ধরলেন প্রধান অতিথিপ্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,থাকবে পুলিশ জনপদে, ভোট দিবেন নিরাপদে—এই প্রত্যয়ে পুলিশ বাহিনী জনগণের পাশে থেকে দায়িত্ব পালন করবে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই।তিনি আরও বলেন, এই TOT কোর্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন যা নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণেরগুরুত্বঅনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণার্থীদের মনোযোগ সহকারে কোর্সে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোর্সটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুদৃঢ় হবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
শীতে ১৫০ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার

পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে মানবিক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতীব্র শীতে ১৫০ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কষ্ট লাঘবে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) টাঙ্গাইল। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক চেতনা থেকে পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় এক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।পিটিসি টাঙ্গাইল ক্যাম্পাসের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম মহোদয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ড.এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান বিপিএম পিপিএম,এডিশনাল ডিআইজি (কারিকুলাম) এবং ডেপুটি কমান্ড্যান্ট জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমান (এডিশনাল ডিআইজি)। এ ছাড়া পিটিসি টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ প্রশিক্ষকবৃন্দ,কর্মরত পুলিশ সদস্য এবং স্টাফগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে পার্শ্ববর্তী ভাতকুড়া, ছাওয়ালী ও মহেড়া এলাকার দুস্থ,অসহায় প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মোট ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জন মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে স্বস্তির ছাপ ফুটে ওঠে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বলেন,পুলিশ শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, মানবিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন,শীত মৌসুমে দরিদ্র মানুষের কষ্ট অনেক বেশি বেড়ে যায়। এ সময় সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। পিটিসি টাঙ্গাইলের এ উদ্যোগ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুপ্রাণিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি শেষে উপকারভোগীরা পিটিসি টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং পুলিশ বাহিনীর মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো—আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও বাংলাদেশ পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শীর্ষ সপ্তাহ

শিক্ষাঙ্গন

নুরানী তালিমুল কুরআন বোর্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0