টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার ৭৭ মোটরসাইকেল আটক জরিমানা আদায় সাড়ে তিন লাখ ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। নগর ও গ্রামীণ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, প্রবেশপথ এবং জনবহুল এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট। অভিযানে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, ট্রাক, সিএনজি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় চলমান অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পরিবহন রোধ, যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই এবং সাধারণ জনগণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।বিশেষ চেকপোস্ট অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যানবাহন তল্লাশি করা হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক মোটরসাইকেল আটক করা হয় এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানের সারসংক্ষেপ তল্লাশীকৃত মোট যানবাহন: ৭০৩টি তল্লাশীকৃত মোটরসাইকেল: ১,৫৭৪টি আটককৃত মোটরসাইকেল: ৭৭টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত প্রসিকিউশন: ৮১টি আদায়কৃত মোট জরিমানার পরিমাণ: ৩,৪২,০০০ (তিন লাখ বিয়াল্লিশ হাজার) টাকা জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানা বা পুলিশের নির্ধারিত নম্বরে জানালে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষ্যে মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানাধীন বিভিন্ন নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বিক প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন মুন্সীগঞ্জ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসক। বুধবার (১৪ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) দুপুর ২টা ০০ মিনিটে শ্রীনগর থানাধীন বাঘড়া ইউনিয়নের বাঘড়া স্বরূপ চন্দ্র পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছত্রভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় লিটল স্টার কিন্ডার গার্ডেন অ্যান্ড হাই স্কুল জাহানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাঠালবাড়ি আশরাফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসাসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী কেন্দ্র পরিদর্শন করা হয়। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুন্সীগঞ্জ জনাব সৈয়দা নুরমহল আশরাফী এবং পুলিশ সুপার মুন্সীগঞ্জ জনাব মোঃ মেনহাজুল আলম পিপিএম মহোদয় কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবকাঠামোগত প্রস্তুতি, ভোটগ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনের প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্ঠু অবাধ গ্রহণযোগ্য নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (শ্রীনগর) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শ্রীনগরসহ প্রশাসন ও পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ। কর্তৃপক্ষ জানান নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আজ ১১/০১/২০২৬ তারিখ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল-এর কার্যালয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয় । জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ র্যাব বিজিবি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা আনসার কমান্ডান্ট, টাঙ্গাইলসহ ১২টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ।টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক।সভায় টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতা সততা পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে জেলার সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ অপরাধ দমন কার্যক্রম এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি তিনি জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি র্যাব বিজিবি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা আনসার কমান্ডান্ট বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় আইন-শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা প্রশাসন কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসমূহ চিহ্নিতকরণ দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ যাতে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় সে লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহিংসতা কিংবা আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।তিনি আরও বলেন নির্বাচনকে ঘিরে গুজব অপপ্রচার ও সহিংসতার আশঙ্কা রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল স্টেকহোল্ডারের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলায় একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেড।শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় যমুনা সেনানিবাসের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১০ জন শিশুর মধ্যেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের স্টাফ অফিসার মেজর নাজমুস সালেহীন সৌরভ, যমুনা সেনানিবাসের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রতি বছরের মতো চলতি শীত মৌসুমেও অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের সেনাসদস্যরা দুর্গম ও চরাঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন মানবিক সহায়তা ওজনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত কার্যক্রম যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এ ধরনের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা বলেন শীতের এই সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়তা তাদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেড।শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় যমুনা সেনানিবাসের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১০ জন শিশুর মধ্যেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের স্টাফ অফিসার মেজর নাজমুস সালেহীন সৌরভ, যমুনা সেনানিবাসের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রতি বছরের মতো চলতি শীত মৌসুমেও অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের সেনাসদস্যরা দুর্গম ও চরাঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন মানবিক সহায়তা ওজনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত কার্যক্রম যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এ ধরনের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা বলেন শীতের এই সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়তা তাদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে সন্তোষ প্রকাশ করলেন পুলিশ সুপার ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢাকা জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ অফিসার ও ফোর্সদের অংশগ্রহণে এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।ঢাকা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান সুসজ্জিত অভিবাদন মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সালামি গ্রহণ করেন। পরে তিনি প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী অফিসার ও ফোর্সদের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।মাস্টার প্যারেডে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দোহার সার্কেল) জনাব মোঃ রাকিবুল হাসান ইশান। তার দক্ষ নেতৃত্বে প্যারেডটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।প্যারেড চলাকালে পুলিশ সুপার মহোদয় অফিসার ও ফোর্সদের শারীরিক ফিটনেস, টার্নআউট, কিটের মান এবং সামগ্রিক শৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে জিএস (গুড সার্ভিস) মার্ক প্রদান করেন। প্যারেড শেষে তিনি অংশগ্রহণকারীদের পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলাবোধের প্রশংসা করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।এ সময় পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে সততা, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব পুলিশিং আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্যারেড পরবর্তী সময়ে পুলিশ সুপার মহোদয় রিজার্ভ অফিস, আরআই অফিসসহ পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ খাইরুল আলম, জেলা পুলিশের সকল সার্কেল অফিসারগণ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জলকে দেখতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ১২ জানুয়ারি হার্টের বাইপাস সার্জারি দোয়া চাইলেন সহকর্মী সাংবাদিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি ও সিনিয়র সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী ১২ জানুয়ারি তার হার্টের বাইপাস সার্জারি নির্ধারিত সহকর্মী এই সাংবাদিকের অসুস্থতার খবর জানার পর আজ সন্ধ্যায় তাকে দেখতে টাঙ্গাইল সদর পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকায় তার নিজ বাসভবনে যান বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে দলীয় মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।এ সময় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জলের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দ্রুত সুস্থতার জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানান এবং এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।সাক্ষাৎকালে সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জল তার সহকর্মী সাংবাদিক শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া কামনা করেন যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও সাংবাদিকতার দায়িত্বে ফিরতে পারেন।এদিকে একজন দায়িত্বশীল ও পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে মোল্লা তোফাজ্জলের অসুস্থতায় টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাংবাদিক সমাজ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা তার সফল অস্ত্রোপচার ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া অব্যাহত রেখেছেন।স্থানীয় রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও তার সুস্থতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
বিনিময় বাসে সাদত কলেজ শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ করটিয়ায় বাস আটক দোষীদের শাস্তির দাবি টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে করটিয়া আসার পথে বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে সরকারি সাদত কলেজের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে করটিয়া এলাকায় ওই বাসটি আটক করা হয়।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ যাত্রাপথে বাসটির চালক ও স্টাফরা তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং একপর্যায়ে তার কাছ থেকে টিকিট কেড়ে নেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সরকারি সাদত কলেজের একটি অনলাইন শিক্ষার্থী গ্রুপে জানালে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।ঘটনার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সংগঠিত হয়ে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়া হাট বাইপাস এলাকায় অভিযুক্ত বাসটি আটক করেন। এ সময় তারা বাসে থাকা চালক ও স্টাফদের আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।শিক্ষার্থীরা বলেন একজন নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রকাশ্যে এমন অশালীন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও পথচারীরাও ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগ নেন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী দায়িত্বে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে টাঙ্গাইলে TOT কোর্স উদ্বোধন থাকবে পুলিশ জনপদে ভোট দিবেন নিরাপদে এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উদ্যোগে ইন্সপেক্টর থেকে কনস্টেবল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।এই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) টাঙ্গাইলের পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি)-এ নির্বাচনী দায়িত্ব সফলভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত TOT কোর্স এর চতুর্থ পর্যায়ের ২৫তম ধাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিকোর্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম, ডিআইজি। অনুষ্ঠানে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচন একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, আইনগত জ্ঞান ও পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—জনাব কাজী রুবাইয়াত রুমি,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)জনাব সাকিবুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) (প্রশাসন ও অর্থ),এছাড়াও পিটিসি টাঙ্গাইলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষকবৃন্দ এবং কোর্স পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর অংশগ্রহণকোর্সটিতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ থেকে মনোনীত মোট ৫০ জন পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণ করছেনপ্রশিক্ষণার্থীরা নির্বাচনী আইন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, আচরণবিধি বাস্তবায়ন, ঝুঁকি নিরূপণ, জনশৃঙ্খলা রক্ষা, সংঘাত ব্যবস্থাপনা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।পুলিশের ভূমিকা তুলে ধরলেন প্রধান অতিথিপ্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,থাকবে পুলিশ জনপদে, ভোট দিবেন নিরাপদে—এই প্রত্যয়ে পুলিশ বাহিনী জনগণের পাশে থেকে দায়িত্ব পালন করবে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই।তিনি আরও বলেন, এই TOT কোর্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন যা নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণেরগুরুত্বঅনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণার্থীদের মনোযোগ সহকারে কোর্সে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোর্সটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুদৃঢ় হবে।
পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে মানবিক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতীব্র শীতে ১৫০ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কষ্ট লাঘবে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) টাঙ্গাইল। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক চেতনা থেকে পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় এক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।পিটিসি টাঙ্গাইল ক্যাম্পাসের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম মহোদয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ড.এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান বিপিএম পিপিএম,এডিশনাল ডিআইজি (কারিকুলাম) এবং ডেপুটি কমান্ড্যান্ট জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমান (এডিশনাল ডিআইজি)। এ ছাড়া পিটিসি টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ প্রশিক্ষকবৃন্দ,কর্মরত পুলিশ সদস্য এবং স্টাফগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে পার্শ্ববর্তী ভাতকুড়া, ছাওয়ালী ও মহেড়া এলাকার দুস্থ,অসহায় প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মোট ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জন মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে স্বস্তির ছাপ ফুটে ওঠে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বলেন,পুলিশ শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, মানবিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন,শীত মৌসুমে দরিদ্র মানুষের কষ্ট অনেক বেশি বেড়ে যায়। এ সময় সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। পিটিসি টাঙ্গাইলের এ উদ্যোগ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুপ্রাণিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি শেষে উপকারভোগীরা পিটিসি টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং পুলিশ বাহিনীর মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো—আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও বাংলাদেশ পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকা পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের ফোর্সদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং চলমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক দিক পর্যালোচনা করেন। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে জেলা পুলিশের সকল ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” পুলিশ সুপার আরও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় পুলিশ জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিদর্শনকালে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা পুলিশ যশোরের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত। ০৭/০১/২০২৬ খ্রিঃ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে যশোর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয়ের সভাপতিত্বে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কল্যাণ সভার শুরুতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদন সমূহ উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে উপস্থিত সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট তাদের সার্বিক সুবিধা-অসুবিধা উপস্থাপন করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের প্রস্তাবিত আবেদন গুলো শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সমাধান দেন। এরপর যশোর জেলা পুলিশে কর্মরত ০৬ (ছয়) জন পুলিশ পুলিশ সদস্যকে অবসর জনিত (পিআরএল) বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়।কল্যান সভা সঞ্চালনা করেন জনাব আবুল বাশার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), যশোর।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব রুহুল আমিনঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), যশো সকল সার্কেল কর্মকর্তাগণ ডাক্তার পুলিশ হাসপাতাল, আরআই পুলিশ লাইন্স, ডিআইও-১ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই প্রশাসন সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।সভা শুরুর আগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) চলতি মাসের বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন কল্যাণমূলক আবেদন উপস্থাপন করেন।পরবর্তীতে সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা তাঁদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুবিধা-অসুবিধাসহ সার্বিক বিষয়সমূহ পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে সকল বক্তব্য শোনেন এবং বেশ কিছু বিষয়ের তাৎক্ষণিক সমাধান প্রদান করেন।এছাড়াও যশোর জেলা পুলিশে কর্মরত ০৬ (ছয়) জন পুলিশ সদস্যকে অবসরজনিত (পিআরএল) বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন পুলিশ সুপার মহোদয়। কল্যাণ সভাটি সঞ্চালনা করেন জনাব আবুল বাশার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব রুহুল আমিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি)জেলার সকল সার্কেল কর্মকর্তা পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক আরআই পুলিশ লাইন্স, ডিআইও- সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (প্রশাসন)সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।
টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত টাঙ্গাইল, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং14°C মেঘলা 15°বাতাস উঃ-পঃ 2 km/hঝড়ো হাওয়ার দমকা 19 km/hআর্দ্রতা 88%ডিউ পয়েন্ট12° C চাপ 1018 mbমেঘে ঢাকা 100%দৃষ্টিগ্রাহ্যতা 15 কিমি মাটি থেকে মেঘের উচ্চতা (Cloud Ceiling)500 মি সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাতেও জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার প্রভাবে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে চরম দুরবস্থা। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে। শীতের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও খেটে খাওয়া মানুষজন। অনেকেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে কাজে বের হতে পারছেন না। ফলে দৈনন্দিন আয়-রোজগার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জেলার গ্রামাঞ্চলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বরসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষেরা খোলা আকাশের নিচে কিংবা অপ্রতুল বস্ত্রেই রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে টাঙ্গাইলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চালকদের সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালানোর আহ্বান জানিয়েছে। শীতের এই দুর্দশা মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা চাহিদার তুলনায় এখনও অপর্যাপ্ত বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে,শীতের এই তীব্রতা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
জিয়া পরিষদ কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা আহ্বায়ক শহিদ-উজ-জামান মুক্তা, সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল বাকের জিয়া পরিষদ কর্মসংস্থান ব্যাংকের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। শহিদ-উজ-জামান মুক্তাকে আহ্বায়ক এবং আব্দুল্লাহ আল বাকেরকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি জিয়া পরিষদের মহাসচিব প্রফেসর ড. এমতাজ হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে এ আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেন। নতুন এই কমিটির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নেতৃবৃন্দ। নতুন কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সহিদুজ্জামান স্বপন মিজানুর রহমান মিজান, মামুন হায়দার, নাসিমুল হক তালিম হোসেন নুরুজ্জামান,রাসেল আহমেদ ও আশরাফুজ্জামান মামুন। এছাড়া সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন কামরুজ্জামান, আনোয়ার হোসেন,রুহুল আমিন,রেজাউল করিম, আনিছুর রহমান,আশরাফুল আলম,মিজানুর রহমান,সাইফুল ইসলাম,আব্দুল আহাদ,গাজী গোলাম শোয়েব, সাখাওয়াত হোসেন,ওবায়দুর রহমান,এএসএম সরোয়ার মোর্শেদ, জাহাঙ্গীর আলম, তোফাজ্জল হোসেন,মহসিন আলম হিরা, মোস্তাফিজুর রহমান,মেহেদী হাসান,কামাল হোসেন ও ইউসুফ আলী তালুকদার। নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক ও কর্মসংস্থান ব্যাংক টাঙ্গাইল শাখায় কর্মরত শহিদ-উজ-জামান মুক্তা বলেন,এই কমিটি আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। একই সঙ্গে নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক আন্তরিকতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমরা সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যেতে চাই। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে জিয়া পরিষদ কর্মসংস্থান ব্যাংকের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হবে।
এই বছরের মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, শীত আরও বাড়ার আভাস ৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ রাজধানী ঢাকায় আজ রোববার মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী কয়েকদিন সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকালের তুলনায় সামান্য কম। শনিবার ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, যেখানে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যদিও গতকাল নওগাঁর বদলগাছী, পাবনা ও রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সে তুলনায় আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা রোববার দুপুরে জানান, রাজধানীতে শীতের অনুভূতি গতকালের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি বলেন, দিনের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা আবার কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও জানান, আজ রোববার থেকে আগামী দুই-এক দিন সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে পারে। তবে আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার এবং ১০ জানুয়ারি থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানান, কুয়াশার পরিমাণের ওপর তাপমাত্রা অনেকাংশে নির্ভর করে। কুয়াশা বেশি হলে তাপমাত্রা কমে যায় এবং শীতের অনুভূতিও তীব্র হয়। আগামী কয়েকদিন সারাদেশে কুয়াশা বাড়তে পারে। আজ সকাল ৯টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়,পাবনা,সিরাজগঞ্জ, যশোর কুষ্টিয়া,কুমিল্লা মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারাদেশেই শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে। এ ছাড়া সারাদেশের আবহাওয়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের ওপর দিয়ে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু, ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি হলে মাঝারি, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং ৪ ডিগ্রির নিচে নামলে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
যমুনা সেতুসহ টাঙ্গাইল মহাসড়কের চার স্থানে দুর্ঘটনা,দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল টোল আদায় আজ রবিবার (৪ জানুয়ারি ২০২৬) টাঙ্গাইলের যমুনা সেতুসহ ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের চারটি পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে যান চলাচলে চরম ভোগান্তি দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে যমুনা সেতুতে প্রায় দুই ঘণ্টা টোল আদায়ের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান সকাল থেকে ঘন কুয়াশা ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে। যমুনা সেতু এলাকায় দুর্ঘটনার পর উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যানজট নিরসনে সাময়িকভাবে টোল আদায় কার্যক্রম স্থগিত করে সেতু কর্তৃপক্ষ। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা ও যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেন।ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে এবং প্রায় দুই ঘণ্টা পর টোল আদায় পুনরায় চালু করা হয়। এ ঘটনায় বড় ধরনের কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে দুর্ঘটনা ও টোল কার্যক্রম বন্ধ থাকায় যাত্রী ও চালকদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীতকালীন কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় যানবাহন চালানোর ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানান।
পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র্যাংক ব্যাজ পরালেন পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। এ উপলক্ষে জেলা পুলিশ লাইন্সে এক সংক্ষিপ্ত ও মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে কনস্টেবল/নায়েক পদ থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) পদে ৬ জন, কনস্টেবল পদ থেকে এটিএসআই পদে ৩ জন এবং এএসআই (নিরস্ত্র) পদ থেকে এসআই (নিরস্ত্র) পদে ১ জন—মোট ১০ জন পুলিশ সদস্যকে র্যাংক ব্যাজ পরিধান করানো হয়।পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন— মোঃ রুবেল ছায়েদুর বাশার মোঃ মোশারফ হোসেন মোহাম্মদ সবুজ মিয়া মোঃ সিরাজুল ইসলামআরজিনা আকতার মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোঃ আব্দুল কাদের ইসলাম, মোহাম্মদ সজিব মিয়া এবং যতীন্দ্র চন্দ্র বর্মন। র্যাংক ব্যাজ পরিধান শেষে পুলিশ সুপার পদোন্নতি প্রাপ্ত সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সততা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে জনসেবা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও দায়িত্বশীল ও মানবিক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।পদোন্নতি প্রাপ্ত (০৬+০৩+০১) সর্বমোট= ১০ (দশ) জন পুলিশ সদস্যকে র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল। পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন মোঃ রুবেল ছায়েদুর বাশার, মোঃ মোশারফ হোসেন, মোহাম্মদ সবুজ মিয়া, মোঃ সিরাজুল ইসলাম আরজিনা আকতার, মোঃ সিরাজুল ইসলাম মোঃ আব্দুল কাদের ইসলাম মোহাম্মদ সজিব মিয়া যতীদ্র চন্দ্র বর্মন। র্যাংক ব্যাজ পরিধান শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব ও কর্তব্য সততা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ অন্যান্য অফিসারবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের ইছাপুর স্কেল প্রজেক্ট এলাকার একটি ফাঁকা স্থান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক সংলগ্ন স্কেল প্রজেক্ট এলাকায় এক ব্যক্তির নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা প্রথমে বিষয়টি লক্ষ্য করেন। পরে তারা কালিহাতী থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন এবং কখনো কখনো মহাসড়কের পাশে অবস্থান করতেন। স্থানীয়দের ধারণা, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন এবং তার কোনো স্থায়ী ঠিকানা ছিল না। কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের জানান, নিহত ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৪৫ থেকে ৫০ বছর হতে পারে। তার শরীরে আঘাতের কোনো সুস্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় কালিহাতী থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অতিরিক্ত কুয়াশায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ভয়াবহ শৃঙ্খল দুর্ঘটনা ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই এলাকায় একের পর এক চারটি ট্রাকের ধাক্কায় শৃঙ্খল দুর্ঘটনা ঘটেছে। সোমবার ভোরের দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান অতিরিক্ত কুয়াশার ফলে মহাসড়কে দৃশ্যমানতা ছিল অত্যন্ত কম। এ সময় একটি ট্রাকের পেছনে পরপর আরও তিনটি ট্রাক ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে দুর্ঘটনায় কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার পর পুলিশ ও হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন সরিয়ে নেয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে। কর্তৃপক্ষ চালকদের কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর আহ্বান জানিয়েছে। এদিকে শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশার কারণে মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (তারিখ) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান উপলক্ষে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বিদায়ী সভাপতি জাফর আহমেদ, নবাগত সভাপতি আতাউর রহমান আজাদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সহ-সভাপতি কাজী তাজউদ্দিন রিপন, দপ্তর ও পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্য মাসুম ফেরদৌস। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের জন্য ধৈর্য ও শক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। বক্তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী নেত্রী হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও দেশের রাজনৈতিক অগ্রগতিতে তার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। বুধবার বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং কয়েক লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বেগম খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।