রাজনীতি

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের তিন হেভিওয়েট নেতা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত দুইজন মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনীতি ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। মনোনয়নপত্র দাখিল না করা দুই নেতা হলেন— বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহসীন হলের সাবেক জিএস সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাব এবং কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক দিপু হায়দার খান। তারা দু’জনই গত ১৮ ডিসেম্বর নির্ধারিত সময়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। তিনজনের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী ষষ্ঠবারের মতো দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে বাকি দুই নেতা আর মনোনয়নপত্র জমা দেননি। এ নিয়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করলে সাংগঠনিক পদ-পদবী হারানোর শঙ্কা থেকেই তারা মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। আবার অনেকের ধারণা, দলীয় উচ্চপর্যায় থেকে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা না পাওয়ায় তারা শেষ পর্যন্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এগোননি। উল্লেখ্য, সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাব ১৯৯৬ সালে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষের প্রচারণা শুরু করেছিলেন। তবে কয়েকদিন পর দলীয় সিদ্ধান্তে তাকে বাদ দিয়ে আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। ঐ সময় থেকেই এই আসনকে কেন্দ্র করে দলীয় রাজনীতিতে নানা আলোচনা ও সমীকরণ তৈরি হয়। বিগত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনসহ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী মোট ছয়বার বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন। এর মধ্যে ১৫ ফেব্রুয়ারি ও ১২ জুন ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির দীর্ঘদিনের শক্ত অবস্থান থাকলেও পরবর্তী সময়ে তিনি আর বিজয় নিশ্চিত করতে পারেননি। এদিকে, এই আসনে বিএনপির জেলা রাজনীতিতে পরিচিত মুখ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য এবং বাংলাদেশ ইট প্রস্তুত মালিক সমিতির সভাপতি ফিরোজ হায়দার খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তার প্রার্থিতা স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এ বিষয়ে সাইদুর রহমান সাঈদ সোহরাবের ঘনিষ্ঠজন ও পৌর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি খন্দকার মোবারক হোসেন বলেন, “দলের সিদ্ধান্তের প্রতি পূর্ণ সম্মান ও আনুগত্য রেখে সাঈদ সোহরাব মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। তিনি সবসময় দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্যকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।” সব মিলিয়ে টাঙ্গাইল-৭ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত, সম্ভাব্য প্রার্থীদের অবস্থান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর উপস্থিতি আসন্ন নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-১ ও ৬ আসনে ভিন্ন পরিচয়ে লড়ছেন আওয়ামী লীগের তিন নেতা
টাঙ্গাইল-১ ও ৬ আসনে ভিন্ন পরিচয়ে লড়ছেন আওয়ামী লীগের তিন নেতা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় আসনে ভিন্ন রাজনৈতিক পরিচয়ে অংশ নিচ্ছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তিন নেতা। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে তারা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র জমা দেন। এই তিন নেতা হলেন— টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে তারেক শামস খান হিমু ও ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম এবং টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে অ্যাডভোকেট ইলিয়াস হোসেন মনি। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে তারেক শামস খান হিমু টাঙ্গাইল-৬ আসনে জাতীয় পার্টি (জেপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারেক শামস খান হিমু। তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। জানা যায়, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। মনোনয়ন না পেয়ে সে সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। তারেক শামস খান হিমু নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ তেবাড়িয়া গ্রামের মৃত হুমায়ুন হোসেন খানের ছেলে। এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম একই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম। তিনি যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি দেলদুয়ার উপজেলার কাতুলী গ্রামের মুহাম্মদ মজনু মিয়ার ছেলে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচনের প্রস্তুতি আমি আগেই সম্পন্ন করেছি। এখন জনগণের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। মা, খালা, বোন ও ভাবিদের কাছে গিয়ে তাদের সমস্যার কথা শুনেছি। এসব সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দেব।” তিনি আরও বলেন, “আমি আমার মনোনয়নপত্রের সঙ্গে চার হাজার ৯০১ জন ভোটারের স্বাক্ষর সংযুক্ত করেছি। ২০১৮ সালে দলীয় মনোনয়ন চেয়েও পাইনি। ২০২৪ সালে মনোনয়ন না চেয়েও স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছি। এবারও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছি। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের ভালোবাসাই আমাকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নেবে।” টাঙ্গাইল-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইলিয়াস হোসেন মনি টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন অ্যাডভোকেট ইলিয়াস হোসেন মনি। তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদের নেতা ছিলেন এবং গত ১৩ নভেম্বর জাতীয় পার্টিতে যোগদান করেন। তিনি ধনবাড়ী উপজেলার নরিল্যা গ্রামের মরহুম তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে। এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট ইলিয়াস হোসেন মনি বলেন, “আমি আওয়ামী লীগের কোনো সক্রিয় বা পদধারী নেতা ছিলাম না। তবে টাঙ্গাইল জেলা বারে সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। এবার জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-১ আসনে নির্বাচন করছি।” নির্বাচন অফিসের বক্তব্য এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “আমাদের কাছে এ ধরনের কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই। কেউ যদি দলের মার্কামারা বা পরিচিত নেতা হন, তাহলে আমরা চিনতে পারি। তবে সাধারণ প্রার্থী হিসেবে এলে আলাদা করে চেনার সুযোগ নেই।” জেলার সামগ্রিক নির্বাচনী চিত্র জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনে মোট ৮৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৭ জন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভিন্ন পরিচয়ে সাবেক ও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাদের অংশগ্রহণ এবারের নির্বাচনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং টাঙ্গাইলের নির্বাচনী মাঠকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলেছে।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১, ২০২৬ 0
উৎসবমুখর পরিবেশে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে ৬৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা
উৎসবমুখর পরিবেশে টাঙ্গাইলের আটটি আসনে ৬৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনে মোট ৬৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসব মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। এর আগে জেলার আটটি আসন থেকে মোট ৮৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলায় এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩৩ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৭ জন। আসন্ন নির্বাচনে জেলার আটটি সংসদীয় আসনে মোট ১ হাজার ৬৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের সমর্থকদের উপস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয় এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আসনভিত্তিক মনোনয়নপত্র জমার চিত্র টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর ও ধনবাড়ী) এ আসন থেকে ৯ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম, বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মুহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হারুন অর রশীদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোন্তাজ আলী ও আসাদুল ইসলাম। টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর ও ভূঞাপুর) এ আসনে ৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ৫ জন জমা দেন। বিএনপির প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু ছাড়াও জামায়াতের হুমায়ুন কবির, গণ অধিকার পরিষদের শাকিল উজ্জামান, ইসলামী আন্দোলনের মনোয়ার হোসেন সাগর এবং জাতীয় পার্টির হুমায়ুন কবির তালুকদার মনোনয়নপত্র জমা দেন। টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) এ আসনে ৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ৭ জন প্রার্থী জমা দেন। বিএনপির প্রার্থী এস এম ওবায়দুল হক এবং বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সাবেক মন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ ছাড়াও এনসিপির সাইফুল্লাহ হায়দার, ইসলামী আন্দোলনের রেজাউল করিম, জামায়াতের হোসেনী মোবারক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান মিয়া ও আইনিন নাহার মনোনয়নপত্র জমা দেন। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) এ আসনে ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ৭ জন প্রার্থী জমা দেন। বিএনপির প্রার্থী লুৎফর রহমান, জাতীয় পার্টির লিয়াকত আলী, জামায়াতের খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, ইসলামী আন্দোলনের আলী আমজাদ হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, আব্দুল হালিম মিঞা ও মো. শাহ আলম তালুকদার মনোনয়নপত্র জমা দেন। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) এ আসনে সর্বোচ্চ ১৪ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন, যার মধ্যে ১১ জন জমা দেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দেন। টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) ১৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ১২ জন প্রার্থী জমা দেন। এতে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত, গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দলের পাশাপাশি একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী অংশ নেন। টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) এ আসনে ৯ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ৬ জন জমা দেন। বিএনপি, জামায়াত, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) ১১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচন প্রস্তুতি ও সময়সূচি সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “উৎসবমুখর পরিবেশে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রার্থীদের নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।” তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাই: ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি আপিল দায়ের: ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহার: ২০ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দ: ২১ জানুয়ারি এবারের নির্বাচনে টাঙ্গাইল জেলার আটটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১, ২০২৬ 0
নোয়াখালীতে ৬ আসনে ৬২ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল ; জামায়াতের নেই কোন বিদ্রোহী প্রার্থী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে আনন্দমুখর পরিবেশে নোয়াখালীর ৬টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৬২জন প্রার্থী।   সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৮৮জন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে ছয়টি সংসদীয় আসনে ৬২জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করে।   এর মধ্যে, নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ৮ জন, নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ১০ জন, নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে ৭ জন, নোয়াখালী-৪ ( সদর-সুবর্ণচর) আসনে ৮ জন, নোয়াখালী-৫ ( কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট এবং সদরের দুই ইউনিয়ন) আসনে ১৫জন, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ১৪জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এদের মধ্যে বিএনপির ৬ জন ও জামায়াতে ইসলামের ৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। অপরদিকে, নোয়াখালী-৬ আসনে বিএনপির শক্তিশালী বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন দুজন। তারা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিম ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য প্রকৌশলী তানভীর উদ্দিন রাজীব। নোয়াখালী ২ আসনে কাজী মোহাম্মদ মফিজুর রহমান ও নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসীম উদ্দীন মওদুদ স্বতন্ত্র প্রাথী হয়েছেন।   এ ছাড়া, ছয়টি আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। তারা হলেন, নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলীয় প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক, নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় প্রার্থী বরকত উল্ল্যা বুলু, নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ - কবিরহাট এবং সদরের ২ ইউনিয়ন) আসনের বিএনপির প্রার্থী ফখরুল ইসলাম, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম। উল্লেখ্য, সংশোধন করা তফসিল অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের সময় ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

মুক্তধ্বনি ডেক্স ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
টাঙ্গাইল-৪ আসনে ভোটের লড়াই: মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন ৭ প্রার্থী
টাঙ্গাইল-৪ আসনে ভোটের লড়াই: মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন ৭ প্রার্থী

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে মোট ৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। যদিও এ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দেন।সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় নির্ধারিত ছিল। শেষ দিনে কালিহাতী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রার্থীদের উপস্থিতি ও নেতাকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।কালিহাতী উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়নপত্র গ্রহণ শেষে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী নির্ধারিত দিনে যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীরা হলেন—জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য লুৎফর রহমান মতিন,স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলা নায়েবে আমির ও কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কালিহাতী উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি আলী আমজাদ হোসেন,স্বতন্ত্র প্রার্থী জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হালিম মিঞা,এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ডাক্তার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর আজীবন সদস্য ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য অধ্যাপক ডা. শাহ আলম তালুকদার।এদিকে মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেও শেষ পর্যন্ত দাখিল করেননি তিনজন প্রার্থী। তারা হলেন— বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটো, এনসিপির টাঙ্গাইল জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য মেহেদী হাসান বিন সিদ্দিক এবং বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিস কালিহাতী উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে আপত্তি থাকলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করা হবে। এরপর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এ আসনে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

নাদিম তালুকদার ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
মডেল টাঙ্গাইল গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

মডেল টাঙ্গাইল গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টায় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শরীফা হকের কাছে তিনি তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি মো.হাসানুজ্জামিল শাহীন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী।মনোনয়নপত্র দাখিল শেষে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন সন্ত্রাস মাদক ও চাঁদাবাজিমুক্ত কিশোর গ্যাংমুক্ত নিরাপদ ও আধুনিক টাঙ্গাইল গড়ার যে অঙ্গীকার তিনি করেছেন, ইনশাআল্লাহ সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করবেন। জনগণের ভালোবাসা ও দোয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত হলে টাঙ্গাইল সদরকে উন্নয়ন ও সুশাসনের ক্ষেত্রে একটি মডেল টাঙ্গাইল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ। আগামী দিনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নেতৃত্বে ধানের শীষের পক্ষে সব ভেদাভেদ ভুলে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব। ব্যক্তি নয় দল বড়- আর দলের চেয়েও দেশ বড় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের এই আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমরা সামনে এগিয়ে যাব। তিনি সবাইকে ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।এর আগে গত ৪ ডিসেম্বর বিএনপি থেকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরে ২১ ডিসেম্বর তিনি জেলা নির্বাচন অফিস থেকে জেলা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এদিকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মনোনয়নপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। উল্লেখ্য প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইল-৫ আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাকে প্রায় ৩৫০টি হয়রানিমূলক মামলার মুখোমুখি হতে হয় এবং ১২ দফা কারাভোগ করেন। এ সময়ে তিনি মোট প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে ছিলেন এবং টানা ৪৬ দিন রিমান্ডে থাকতে হয় তাকে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
টাঙ্গাইল-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী এবং টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক খ. আহমেদুল হক শাতিলসহ দলের নেতাকর্মীরা। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল সদর এলাকার আপামর জনগণের কাছে তিনি দোয়া প্রার্থনা করছেন। জনগণের সমর্থন ও দোয়া নিয়ে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে টাঙ্গাইল সদরকে চাঁদাবাজমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত ও নিরাপদ উন্নয়নের একটি মডেল শহর হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের সন্তান হিসেবে তিনি কোনো অন্যায় করবেন না এবং কোনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবেন না। সবাইকে নিয়ে মিলেমিশে একটি আদর্শিক ও শান্তিপূর্ণ টাঙ্গাইল গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদরবাসীর রায়ের মাধ্যমে জাতীয় সংসদে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি এলাকাবাসীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

নাদিম তালুকদার ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
গাজীপুর–৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফজলুল হক মিলনের মনোনয়ন দাখিল, উৎসবমুখর পরিবেশ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে গাজীপুর–৫ (কালীগঞ্জ, পূবাইল ও বাড়িয়া) সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকের ফজলুল হক মিলন আজ সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। মনোনয়ন দাখিলকে কেন্দ্র করে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় প্রাঙ্গণ ছিল উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত। সকাল থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে স্লোগান, ব্যানার-ফেস্টুন ও বিজয়ের প্রত্যাশায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব হুমায়ুন কবির মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জনাব খালেকুজ্জামান বাবলুসহ কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তাদের উপস্থিতিতে মনোনয়ন দাখিলের কর্মসূচি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীরা বলেন, ফজলুল হক মিলন একজন ত্যাগী, পরীক্ষিত ও জনবান্ধব নেতা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে সুদৃঢ় করেছেন। তার নেতৃত্বে গাজীপুর–৫ আসনে উন্নয়ন, সুশাসন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন অধ্যায় সূচিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মনোনয়ন দাখিল শেষে ফজলুল হক মিলন বলেন, “গাজীপুর–৫ আসনের জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়ে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। ইনশাআল্লাহ নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।” গণতন্ত্রের ধারাবাহিক অভিযাত্রায় এই মনোনয়ন দাখিল গাজীপুর–৫ আসনের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা, প্রত্যাশা ও সম্ভাবনার আলো ছড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

মুক্তধ্বনি ডেক্স ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
টাঙ্গাইল-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল

টাঙ্গাইল-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলেন সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর ২০২৫) নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়ন ফরম দাখিল করেন।মনোনয়ন জমাদানকালে সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং সমর্থকরা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তাদের সমর্থন জানান। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল বলেন, তিনি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং বাসাইল ও সখীপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে চান। সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা ও মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন তিনি। উল্লেখ্য টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনটি বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এ আসনে মনোনয়ন দাখিলের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর ২০২৫) দুপুরে তিনি টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ সময় বিএনপির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।মনোনয়নপত্র জমা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আহমেদ আযম খান বলেন,দেশে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে বাসাইল ও সখীপুর উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবো।তিনি আরও বলেন এই আসনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন ও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত। নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা স্বাস্থ্য যোগাযোগ ব্যবস্থা ও যুবসমাজের উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনটি রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সংসদীয় আসন। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫ 0
ইসলামের সবচেয়ে বড় হেফাজতকারী দল বিএনপি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
ইসলামের সবচেয়ে বড় হেফাজতকারী দল বিএনপি: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে দলটির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ইসলামের সবচেয়ে বড় হেফাজতকারী রাজনৈতিক দল হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি কখনো ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে না; বরং ইসলামকে সম্মান করে এবং তার আদর্শকে ধারণ করে রাজনীতি করে। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের গড়াশিন এলাকায় আয়োজিত এক ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তনের পরই ঘোষণা দিয়েছেন—বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে। আল্লাহ সুযোগ দিলে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশ পরিচালনার অঙ্গীকার করেছেন তিনি। এ ক্ষেত্রে সকল ধর্ম ও মতের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, বিএনপি হানাহানি, বিভেদ ও সংঘাতের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঐক্য ও স্থিতিশীলতার মধ্য দিয়েই পরিচালিত হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও ভবিষ্যতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছেন। টাঙ্গাইল-৫ আসনের এই প্রার্থী বলেন, জনগণ যদি আমাকে দায়িত্ব দেন, তাহলে টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, মাদক, কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি নিরাপদ জেলা হিসেবে গড়ে তুলব—ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনগণের সহযোগিতা এবং দোয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তিনি আরও দৃঢ়ভাবে বলেন, আমি নিজে কখনো কোনো অন্যায় করব না এবং কোনো অন্যায়কেও প্রশ্রয় দেব না। জনগণের জানমাল রক্ষা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ওয়াজ মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আজিম উদ্দিন বিপ্লব, কলেজ শাখার সাবেক ছাত্রদল সভাপতি জাদিদুল হক জাদিদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

নাদিম তালুকদার ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫ 0
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনকালীন পরিবেশ অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য অনুকূল নয়। শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের নেতৃত্বাধীন দলটি জানায়, অতীতে বিভিন্ন নির্বাচনে অনিয়ম, ভোটাধিকার হরণ এবং প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক ভূমিকার কারণে জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও পরিবেশ প্রয়োজন, তা বর্তমানে অনুপস্থিত। নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি বলেও উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায় দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ অংশগ্রহণ করবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার।

নাদিম তালুকদার ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫ 0
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: টাঙ্গাইল -৪ আসন থেকে  স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: টাঙ্গাইল -৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমানে কার্যক্রম স্থগিত থাকা রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা সদরে অবস্থিত তার নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেন। এ সময় দলীয় নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সভায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “গত কয়েকদিন ধরে আমি গভীর দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে ছিলাম—নির্বাচনে অংশ নেবো কি নেবো না। আমি সবসময় জনগণের মতামত ও জনরায়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাজনীতি করে এসেছি। আমার কর্মী-সমর্থক এবং কালিহাতী এলাকার সাধারণ মানুষের আগ্রহ, ভালোবাসা ও অনুরোধের প্রতি সম্মান জানিয়েই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর নির্ধারিত দিনে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের পরপরই তিনি গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করবেন বলেও জানান। আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, “আমি কালিহাতীর মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণে অতীতেও কাজ করেছি, ভবিষ্যতেও কাজ করতে চাই। জনগণের সমর্থন পেলে এলাকার অসমাপ্ত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে আবারও সক্রিয় ভূমিকা রাখবো।” তার এ ঘোষণার পর কালিহাতী উপজেলাজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে টাঙ্গাইল-৪ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলতে পারে। উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা আবদুল লতিফ সিদ্দিকী কালিহাতী অঞ্চলে একজন পরিচিত ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তার নির্বাচনী সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

নাদিম তালুকদার ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫ 0
সুনামগঞ্জে দু”দিনব্যাপপী শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৮তম জন্মোৎসব উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা

সুনামগঞ্জে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৮তম শুভ জন্মোৎসব উদযাপন উপলক্ষ্যে দুই দিনব্যাপি অনুষ্ঠান চলছে। শহরের সরকারি জুবিলী স্কুল মাঠে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সমবেত বিনতি প্রার্থনা, নাম জপ ও সদ্গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে দুই দিনব্যাপি উৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে ১৩৮ তম জন্ম-মহোৎসব উদযাপন কমিটি ও সৎসঙ্গ বিহার সুনামগঞ্জের উদ্যোগে শহরে সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়(বালুর) মাঠ থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় বালুর মাঠে গিয়ে ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান,কুইজ প্রতিযোগিতা, কর্মী সম্মেলন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, নীলা কীর্ত্তন,ধর্ম সভা ও উপস্থিত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৩৮ তম জন্ম-মহোৎসব উদযাপন কমিটি ও সৎসঙ্গ বিহার সুনামগঞ্জের সভাপতি শ্রী রঞ্জিত কুমার তালুকদার,সাধারন সম্পাদক শ্রী দিবাকর দাসসহ অনেকেই। সবারই প্রত্যাশা বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সুনামগঞ্জ হচ্ছে সম্প্রীতির একটি নিদর্শন। এই জেলায় যুগ যুগ ধরে হিন্দু.মুসলিম,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের মানুষের মাঝে সম্প্রীতির যে একটি মিলবন্ধন রয়েছে তা আগামী প্রজন্ম ও ধরে রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মুক্তধ্বনি ডেক্স ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫ 0
সুনামগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আনিসুল হকের সমর্থনে জামালগঞ্জের সাচনা বাজারে মোটর শোভাযাত্রা ও বিশাল জনসমাবেশ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে সুনামগঞ্জ-১(জামালগঞ্জ,তাহিরপুর,মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এবং তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনিসুল হকের সমর্থনে মোটর শোভাযাত্রা,মিছিলসহ জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজারে এক বিশাশ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।   বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে সাচনা বাজারে এক বিশাল জনসভায় অনুষ্ঠিঠত হয়।  এ্ জন সভাটি যেনা জনসমুদ্রে পনিরণত হয়।    জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির  সাবেক সভাপতি নুরুল হক আফিন্দির সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপিরসিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন  সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ -১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব আনিসুল হক। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন,জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবুল কালাম আজাদ, জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন,তাহিরুর উপজেলা বিএনরি যুগ্ম আহবায়ক মোজাম্মেল হোসেন,জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য আলী আহমদ মুরাদ,আলীম উদ্দিন হেলাল,আলী আক্তার মুরাদ,নুরে আলম,জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নাজিম উদ্দিন,বাবুল মিয়া,মালিক বড়ূয়াসহ জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ¦ আনিসুল হক বলেছেন, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে আমাদের দলের চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে বিনা কারণে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর অন্যায়ভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। কিন্ত তারা দেশের জন্য দেশের মাুনষের কথা চিন্তা করে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে শেখ হাসিসনার মতো পালিয়ে যাননি । দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত জনগনের কল্যাণে ৩১ দফার বিষয়বস্তুগুলো সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে জনগনকে জানিয়ে আগামীতে ধানের শীষের পক্ষে গনজোয়ার সৃষ্টি করতে চাই। তিনি বলেন এই আসনে হিন্দু,মুসলিম ,বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবাই আমরা একে অপরের ভাই। এখানে কোন ধর্মীয় জাতিগোষ্ঠি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের দল রাজনীতি করে না

মুক্তধ্বনি ডেক্স ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫ 0
১৭ বছরের নির্যাতনে বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়েছে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
১৭ বছরের নির্যাতনে বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়েছে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে দেশের জনগণ ভালো থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের কলেজগেট এলাকায় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পরিচিত সভা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান কখনো জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেননি। বিএনপি সবসময় জনগণের পক্ষে রাজনীতি করেছে। তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির নেতাকর্মীরা নির্যাতনের শিকার হলেও তারা আরও ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল। উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটনসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

নাদিম তালুকদার ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫ 0
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে টাঙ্গাইলে বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি, ট্রেন–বাস রিজার্ভ
তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে টাঙ্গাইলে বিএনপির ব্যাপক প্রস্তুতি

দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। এ উপলক্ষে জেলা বিএনপি ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে টাঙ্গাইল থেকে একটি ট্রেন রিজার্ভ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রায় চার শতাধিক গাড়িতে করে প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে জেলার শীর্ষস্থানীয় নেতারা গত কয়েক দিন ধরে ধারাবাহিক বৈঠক ও সভা করেছেন। এসব সভায় ঢাকায় যাতায়াত, অবস্থান ও সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ট্রেন রিজার্ভের পাশাপাশি শতাধিক বাস ও গাড়িবহর নিয়ে ঢাকায় রওনা হবেন নেতাকর্মীরা। এছাড়া উপজেলা থেকে জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ আগের দিনই ঢাকায় পৌঁছাবেন। এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল মুক্তধ্বনি ডটকমকে বলেন, “তারেক রহমান দেশে ফিরছেন—এতে আমরা অত্যন্ত উৎফুল্ল। সারা দেশের নেতাকর্মীরা তাকে বরণ করে নেবে। তার প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার সব উপজেলার নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেবেন। আশা করছি চার শতাধিক গাড়িতে নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাবেন। এছাড়া মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কারেও অনেকে যাবেন। মঙ্গলবার থেকেই নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।” অন্যদিকে জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন মুক্তধ্বনি ডটকমকে বলেন, “কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। জেলা থেকে সব পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সেখানে অংশ নেবেন। এরই মধ্যে টাঙ্গাইল সদর থেকে একটি ট্রেন ও শতাধিক বাস রিজার্ভ করা হয়েছে। তবে বেশিরভাগ নেতাকর্মী আগের দিনই ঢাকায় চলে যাবেন।”

নাদিম তালুকদার ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫ 0
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা অঙ্গীকার করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা অঙ্গীকার করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা । টাঙ্গাইলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা বিষয়ে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা এক বিশেষ অনুষ্ঠানে শপথবাক্য পাঠ করেছেন। রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ দুপুরে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় অনুষ্ঠিত আন্তঃদলীয় সম্প্রীতি সংলাপ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিভিন্ন দলের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে ডেমোক্রেচি ইন্টারন্যাশনাল, এবং সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ, টাঙ্গাইল।অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রার্থীরা কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের মনোনীত প্রার্থী সুলতাল সালাউদ্দিন টুকু,জামায়াতে ইসলামের মনোনীত প্রার্থী আহসান হাবিব মাসুদ,গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী ফাতেমা রহমান বীথি,জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী মাসুদুর রহমান রাসেল।শান্তি ও দায়িত্ববোধের অঙ্গীকার সংলাপে প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি দেন— পারস্পরিক সম্মান ও রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রাখা,দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে শান্তি বজায় রাখা,দলে বা এলাকায় কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হলে তা নিরসনে সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা।প্রার্থীরা জানান, সম্ভাব্য সংঘাতের ঝুঁকি দেখা দিলে দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তা প্রশমিত করা হবে। সহিংসতার পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে আক্রমণাত্মক না হয়ে শান্তিপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের অঙ্গীকারও করেন তারা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব ও বক্তারা ডেমোক্রেচি ইন্টারন্যাশনালের সভাপতি একেএম মনিরুল হক অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন— জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার তৌহিদুল ইসলাম বাবু,সম্প্রতির সংলাপ পাঠ করেন রকসি মেহেদী।অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ছাড়াও জেলার বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচনী তথ্য ও বিশেষ টোকা বিএনপি চেয়ারপার্সন তারেক রহমান ভোটার হবেন ২৭ ডিসেম্বর, জানিয়েছেন সুলতাল সালাউদ্দিন টুকু।খুলনা বিভাগের ৭৯৬টি কেন্দ্র নির্বাচনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।সংলাপ ও শপথবাক্য পাঠের মাধ্যমে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জনগণের সামনে শান্তিপূর্ণ স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল নির্বাচনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা আশ্বাস দিয়েছেন আসন্ন নির্বাচনে কোনো ধরণের সহিংসতা হবে না এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সক্রিয়ভাবে কাজ করা হবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ডিসেম্বর ২২, ২০২৫ 0
টাঙ্গাইল-২ ও ৫ আসনে দুইভাই পিন্টু–টুকুর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
টাঙ্গাইল-২ ও ৫ আসনে দুইভাই পিন্টু–টুকুর মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল জেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে একই দিনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপি মনোনীত দুই সহোদর প্রার্থী। টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর–গোপালপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে তার ছোট ভাই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। এ সময় জেলা নির্বাচন কার্যালয় এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তবে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সম্পন্ন করা হয়। মনোনয়নপত্র সংগ্রহকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের একাধিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিতদের মধ্যে ছিলেন— টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা। মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাংবাদিকদের বলেন, “নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি মেনেই আমরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছি। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং অভিভাবক দেশনায়ক তারেক রহমান আমার ওপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, তা নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পালনে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।” তিনি আরও বলেন, “টাঙ্গাইল সদরকে একটি শান্তিপূর্ণ, উন্নয়নবান্ধব ও নিরাপদ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমার প্রধান লক্ষ্য। দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মাধ্যমে আগামীর টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই।” এ সময় তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম পিন্টু ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর–গোপালপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগ করেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। অন্যদিকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন। ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে তাকে একজন সংগঠক ও সক্রিয় নেতা হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।

নাদিম তালুকদার ডিসেম্বর ২১, ২০২৫ 0
টাঙ্গাইল–৫ আসন: সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে বিএনপি নেতাদের ঐক্যের বার্তা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে দলীয় ঐক্যের সুস্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন স্থানীয় নেতারা। দলীয় ঐক্য অটুট রেখে জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার আহ্বান জানানো হয়। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিন্যাফৈর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা এবং দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা। রফিকুল ইসলাম ফারুক স্মৃতি সংঘের সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। উল্লেখ্য, তিনি নিজেও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি প্রকাশ্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। দলীয় ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরে হাসানুজ্জামিল শাহীন বলেন, ‘আপনার ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাওয়া কি উচিত নয়? অবশ্যই উচিত। আমি আপনাদের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল সদরে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে জনগণের কাছে ভোট প্রার্থনা করবেন। আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে টুকু সাহেব বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু বলেন, ‘টাঙ্গাইলের আটটি আসনের মধ্যে দল অত্যন্ত যাচাই-বাছাই করে আমাদের প্রিয় নেতাকে মনোনয়ন দিয়ে আপনাদের কাছে পাঠিয়েছে। এখন আপনাদের দায়িত্ব হলো—টাঙ্গাইলের অন্য সব আসনের তুলনায় সদর আসনে সর্বোচ্চ ভোটে তাকে নির্বাচিত করা।’ অন্যান্য বক্তারা বলেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে টাঙ্গাইল-৫ আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে মনোনয়ন দিয়েছেন, তা দলের ঐক্য ও দায়িত্ববোধের প্রতিফলন। দল ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে অতীতের সব বিভেদ ভুলে গিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানো এবং নেতাকর্মীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তারা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী। এছাড়াও জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ. কে. এম. মনিরুল হক (ডিপি মনির)সহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষের আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল দলীয় সিদ্ধান্তকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। দায়িত্ববোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দলের প্রতি গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তিনি মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে তাঁর সঙ্গে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল ডিসেম্বর ২০, ২০২৫ 0
ভারতে বসে হাদিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা: সালাউদ্দিন টুকু
ভারতে বসে হাদিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা: সালাউদ্দিন টুকু

বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু অভিযোগ করে বলেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করা, অরাজকতা সৃষ্টি এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচন বানচাল করার উদ্দেশ্যে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা হাদিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, যারা দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়, তারাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিন্যাফৈর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা এবং দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। টুকু বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। বিএনপি এসব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে রাজপথে থেকে গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘সঠিক সময়েই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাবাদী। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরলে দেশজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইবে।’ তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত এবং বিএনপি সরকার গঠন করবে। দোয়া মাহফিলে রফিকুল ইসলাম ফারুক স্মৃতি সংঘের সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠান শেষে প্রয়াত রফিকুল ইসলাম ফারুকের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

MD.JAHIRUL ISLAM ডিসেম্বর ২০, ২০২৫ 0
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শীর্ষ সপ্তাহ

জাতীয়

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে টাঙ্গাইলে শোকের ছায়া চলছে কোরআন খতম

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫ 0