রাজনীতি

বিএনপি থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন চান টাঙ্গাইলের নাজমা পারভীন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য হতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনয়ন দাবি করেছেন টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা মহিলা দলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজমা পারভীন। দলের জন্য তার ত্যাগের মূল্যায়ন করে মনোনয়ন প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি দলের নীতিনির্ধারকদের প্রতি আহ্বান জানান। সোমবার (২ মার্চ) বেলা ১২টায় গোপালপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি। স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং গত ১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার নির্যাতনের শিকার হওয়ার কথাও উল্লেখ করেন। সুযোগ পেলে নারী নেতৃত্বের বিকাশ ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন নাজমা পারভীন। দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ও আন্দোলনে অংশ নিয়ে একাধিকবার বিগত সরকার কর্তৃক নির্যাতিত হওয়ার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুকে বিজয়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ সময় বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার সুসম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। নাজমা পারভীন আরও বলেন, দলের জন্য তার যে ত্যাগ স্বীকার, সেটার মূল্যায়ন অবশ্যই দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান করবেন। ইতিমধ্যেই টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এবং কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে এ বিষয়ে পরামর্শ করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলা দলের সম্পাদক মমতাজ, সহ-সভাপতি ফরিদা বেগম, পৌর মহিলা দলের সভাপতি মমতাজ বেগম, সহ-সভাপতি লাবনীসহ মহিলা দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মার্চ ২, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল
টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল

টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ অব্যাহত রেখেছেন এড. ফরহাদ ইকবাল। নির্বাচন শেষ হলেও তিনি থেমে থাকেননি; বরং এলাকার জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিচ্ছেন নিয়মিতভাবে। ৯ম রমজানে তিনি বাঘিল ইউনিয়নের ধরের বাড়ি হাট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বাগত জানান। তিনি সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, চলমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি ছিলাম, আছি, থাকবো আপনাদেরই মাঝে ইনশাআল্লাহ।” ভবিষ্যতেও যে কোনো ধরনের বিপদ-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুবসমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন ধারাবাহিক যোগাযোগ এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে জানান অনেকেই।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র পক্ষ থেকে কাতুলীতে বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র পক্ষ থেকে কাতুলীতে বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ’র পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিএনপির উদ্যোগে এক দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ আজগর আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব। ১১ নং কাতুলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেওয়ান সুমন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি কাতুলী ইউনিয়নের মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুল সংখ্যক রোজাদার অংশগ্রহণ করেন। ইফতার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা পবিত্র রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করেন এবং দলের চেয়ারপারসনসহ সকল নেতাকর্মীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা বলেন, দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। পরিশেষে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করা হয় এবং উপস্থিত সবার মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, পবিত্র রমজান উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন-পরবর্তী গণসংযোগে ব্যস্ত অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন-পরবর্তী গণসংযোগে ব্যস্ত অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করে যাচ্ছেন । নির্বাচনের পর থেকেই তিনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে গিয়ে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় পবিত্র রমজানের ৭ম দিনে তিনি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। উপস্থিত এলাকাবাসীও তাদের প্রত্যাশা ও দাবি তুলে ধরেন। পরে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ইউনিয়নটিতে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন তিনি। ইফতার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, “আমি ছিলাম, আছি, থাকবো আপনাদেরই মাঝে ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও করবো।” তিনি আরও বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, নির্বাচন শেষ হলেও তিনি নিয়মিত মাঠে থেকে মানুষের পাশে থাকার যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। আগামীতেও এ ধরনের গণসংযোগ অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, সদর আসনের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিকভাবে জনসংযোগ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
মন্ত্রিসভায় আহমেদ আজমকে দেখতে চায় বাসাইল–সখীপুরের মানুষ
মন্ত্রিসভায় আহমেদ আজমকে দেখতে চায় বাসাইল–সখীপুরের মানুষ

টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন এডভোকেট আহমেদ আজম খান। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে মন্ত্রিসভায় তাঁকে দেখতে চায় টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল–সখীপুর) আসনের জনগণ। স্থানীয় রাজনৈতিক মহল মনে করছে, তাঁর নেতৃত্বে অবহেলিত এ অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। স্থানীয়রা জানান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল–এর দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় থাকা এবং নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে আহমেদ আজম খান ইতোমধ্যে তৃণমূলের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর মেধা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতি দিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মামুন অর রশীদ খান বলেন, “আমরা গর্বিত যে আমাদের নেতা তারেক রহমান অত্যন্ত দূরদর্শিতার সঙ্গে আহমেদ আজম খান ভাইয়ের অবদানকে মূল্যায়ন করেছেন। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁকে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দিলে বাসাইল–সখীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে।” বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ওয়াদুদ হোসেন খান বলেন, “তিনি একজন তৃণমূলের নেতা। মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকেন। আমরা চাই তিনি মন্ত্রিসভায় স্থান পান, যাতে এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।” তরুণ উদ্যোক্তা তানভীর ইসলাম রিপনের মতে, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে নারী সংগঠক সুমনা ইসলাম রিলি আশা প্রকাশ করে বলেন, দায়িত্ব পেলে নারীশিক্ষা, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে। বাসাইল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর বলেন, “শত বছরের পুরনো থানা বাসাইল থেকে আজ পর্যন্ত কেউ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব বা মন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পায়নি। দলের দুঃসময়ে পাশে থাকা আহমেদ আজম খান বাসাইল-সখীপুরবাসীর দীর্ঘদিনের আশা ও ভরসার প্রতীক। তাঁকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করা হলে অবহেলিত এই অঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে।” স্থানীয়দের মতে, সখীপুরসহ পুরো এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন এখন সময়ের দাবি। তাদের বিশ্বাস, আহমেদ আজম খান মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হলে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং টাঙ্গাইলের সামগ্রিক অগ্রগতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আহমেদ আজম খান ১ লাখ ১৪ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর পান ৭৭ হাজার ১৩০ ভোট। এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি এলাকায় শক্ত রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেন, যা এখন তাঁকে জাতীয় পর্যায়ের দায়িত্ব পাওয়ার আলোচনায় সামনে নিয়ে এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আলোচনায় আফরোজা খন্দকার (নিপু)
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আলোচনায় আফরোজা খন্দকার (নিপু)

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নকে ঘিরে টাঙ্গাইল জেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-সমর্থকদের মধ্যে জোরালো আলোচনায় উঠে এসেছেন ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ও আফরোজা খন্দকার (নিপু)। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেত্রী দীর্ঘদিন ধরে দলের প্রতি নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয় নেতাকর্মীদের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মহলের মতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময় রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তিনি নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে তাকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল বলে তার ঘনিষ্ঠরা দাবি করেন। তবে এসব চাপের মধ্যেও তিনি দলীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি। ছাত্রজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ অধ্যয়নকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং কুয়েত মৈত্রী হল ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নেতৃত্বের গুণাবলি ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি দ্রুতই জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা তার রাজনৈতিক পরিচিতিকে আরও শক্তিশালী করে। সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এই নেত্রী রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন। নিজ এলাকা মির্জাপুরসহ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থানে দলীয় সংগঠন শক্তিশালীকরণ, নারী নেতৃত্ব বিকাশ এবং জনসেবামূলক উদ্যোগে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর পক্ষে জনসংযোগ কার্যক্রমেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। বনানী-ভাসানটেক এলাকায় গঠিত জনসংযোগ উপকমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। তার পারিবারিক পরিচয়ও রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ। তার স্বামী মো. সাইদুর রহমান (সাইদ সোহরাব) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হল ছাত্র সংসদের সাবেক নির্বাচিত জিএস এবং বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আফরোজা খন্দকার (নিপু)কে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদ সদস্য মনোনয়ন দেওয়া হলে দল উপকৃত হবে। তাদের মতে, তিনি মনোনয়ন পেলে দলীয় রাজনীতি ও জনসেবায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
বিএনপি নেতা ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

টাঙ্গাইলে রাজনৈতিক উত্তেজনা: সাবেক বিএনপি নেতা ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, পাল্টা অভিযোগটাঙ্গাইলে রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়ের করা একটি মামলায় সাবেক বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ দুপুরআনুমানিক ১টার দিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর দোয়া মাহফিল উপলক্ষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দাওয়াত দিতে যান আবু নাসের আল আমিন পাপন ও তার সহযোগীরা। এ সময় শান্তিকুঞ্জ রোডস্থ সিএনজি শ্রমিক অফিসের সামনে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাদের পথরোধ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।এজাহারে উল্লেখ করা হয় ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে কাজ না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও হকিস্টিক দিয়ে হামলার অভিযোগ তুলে কয়েকজনকে গুরুতর জখম করার কথা বলা হয়েছে। আহতদের মধ্যে সাব্বির আহম্মেদ সাদী ও বিপ্লব আরেফিন খানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানানো হয়েছে। তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।মামলায় প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে সাবেক বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমের নাম উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া আরও ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা ও আসামিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহে ব্যস্ত থাকায় মামলা দায়েরে বিলম্ব হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এদিকে মামলা দায়েরের পর অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দিয়ে বিএনপির দুর্দিনের নেতাকর্মীদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে এবং এতে টাঙ্গাইল সদরের জনগণ তাদের থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনে জয়লাভের উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করা হয়েছে এবং তাদের দিয়ে রাজনৈতিকভাবে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়তে পারে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে পরাজয়ের পরও উন্নয়নের অঙ্গীকার হারুনুর রশীদের

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনে পরাজিত হলেও এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদ।  শুক্রবার, (১৩ই ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকায় হারুনুর রশিদ তার অফিসিয়াল ফেসবুক আইডি থেকে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে লিখিত বার্তায় তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও জনগণ যে সমর্থন ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তা তিনি আজীবন স্মরণ রাখবেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদ বলেন, দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া’র সুযোগ্য পুত্র তারেক রহমান-কে দেশনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশ এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তার ভাষ্য মতে, “আমরা একটি আসনের লড়াই হেরেছি, কিন্তু মহাযুদ্ধে জয়ী হয়েছি। দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে—এটাই আমাদের বড় শক্তি।” উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকার ঘোষণায় হারুনুর রশীদ বলেন, তিনি বর্তমান সংসদ সদস্য না হলেও ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন সক্রিয় সিনিয়র নেতা হিসেবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করবেন। তিনি তার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোর কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে—বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদী উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা, যুব কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়ন। পাশাপাশি দলীয়ভাবে ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার দাবি, দল ক্ষমতায় থাকায় এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথ এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। ফেসবুক পোস্টের লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দেন। তার অভিযোগ, নির্বাচনের পর থেকেই জামায়াত, বিএনপির নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং এই হুমকির বিষয়টি জামায়াতের নেতৃবৃন্দদের নজরে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রক্ষমতায় না থেকেও ভয়ভীতি প্রদর্শন জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান। চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো ধরনের হুমকি বা অস্থিরতা বরদাশত করা হবে না। আইনের বাইরে গেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ যাতে কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন এবং কোনো বৈষম্যের শিকার না হন—সেটি নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, “আমার লক্ষ্য ব্যক্তি ক্ষমতা নয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ তথা বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠা।” একই সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের অবস্থানকে জনগণের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। সবশেষে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মহান আল্লাহর সহায়তা কামনা করেন।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীর বাজিমাত

 চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ৩টি সংসদীয় আসনেই  জামায়াতের   প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে প্রাথমিক ফলাফলে তাদের বিজয়ী ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহাদাত হোসেন মাসুদ।   ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–১ (শিবগঞ্জ) আসনে বিজয়ী হয়েছেন রাজশাহী মহানগর জামায়াতে আমীর ড. কেরামত আলী। পোস্টালসহ তিনি মোট ভোট পেয়েছেন ২০৬৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ১৬২৫১৫ ভোট।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ–২ (নাচোল, গোমস্তাপুর, ভোলাহাট) আসনে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ড. মিজানুর রহমান। তিনি পেয়েছেন ১৭১২২৭। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিনুল ইসলাম পেয়েছেন ১৫৫১১৯ ভোট।  এছাড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–৩ (সদর) আসনে নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও ঢাকা দক্ষিণ মহানগর জামায়াতের আমীর নুরুল ইসলাম বুলবুল। পোস্টালসহ ১৭৩টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১৮৯৬৪০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনত প্রার্থী হারুনুর রশীদ পেয়েছেন ১২৬৯৯৭ ভোট।  চাঁপাইনবাবগঞ্জ  জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং  কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন মাসুদ বলেন, জেলার ৩ টি সংসদীয় আসনেই   শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখন পর্যন্ত  কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।   

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৫ আসনে শেষ হাসি কার—নির্ধারণ করবে ভোটের অঙ্ক

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক উত্তাপ ততই বাড়ছে। নির্বাচনী মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন স্পষ্ট। দিন দিন জমে উঠছে লড়াই; গণসংযোগ, পথসভা, জনসভা ও মিছিলের মাধ্যমে উভয় পক্ষই নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিচ্ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনের নির্বাচনী ফলাফল নির্ভর করছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—বিএনপি-সমর্থিত ভোট কতটা একমুখী থাকে, নাকি কোনো কারণে বিভক্ত হয়। দলীয় প্রতীক থাকায় বিএনপি প্রার্থী স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, দীর্ঘদিনের স্থানীয় যোগাযোগ ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে শক্ত চ্যালেঞ্জ তৈরি করছেন। বিশেষ করে শহর ও গ্রামাঞ্চলের ভোটের প্রবণতা এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শহর এলাকায় উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা ও রাজনৈতিক সচেতনতা যেখানে মুখ্য, সেখানে গ্রামাঞ্চলে প্রার্থী পরিচিতি, ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও স্থানীয় সমীকরণ বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। এ ছাড়া শেষ মুহূর্তে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের তৎপরতা, কেন্দ্রভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী রাখা এবং ভোটার উপস্থিতি (টার্নআউট) চূড়ান্ত ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলবে। অতীতে দেখা গেছে, টাঙ্গাইল সদর আসনে কম ব্যবধানের ফলও নির্বাচনের চিত্র পাল্টে দিতে পারে। সব মিলিয়ে, টাঙ্গাইল-৫ আসনের ভোটের লড়াই এখন টানটান উত্তেজনায় ভরা। শেষ পর্যন্ত ভোটের অঙ্ক কার পক্ষে যাবে, আর কার মুখে উঠবে বিজয়ের শেষ হাসি—তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ভোটের দিন পর্যন্ত।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের নেতৃত্বে সরিষাবাড়িতে জয়লাভের প্রত্যয়

জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ি-১৪১) সংসদীয় আসনের নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের প্রার্থী জনাব ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম সক্রিয়ভাবে ভোটারদের সাথে সংযোগ স্থাপন করে চলেছেন। সরিষাবাড়ির প্রতিটি গ্রামে তিনি ভোটারদের কাছে পৌঁছে তাদের হৃদয় জয় করেছেন। জনাব শামীম নির্বাচনী প্রচারণার সময় বলেন, "আমার লক্ষ্য সরিষাবাড়িকে শাসক নয়, সেবক হিসাবে আধুনিক ও উন্নত শহরে পরিণত করা।" তিনি সাধারণ জনগণকে কেবলই নয়, আসনের সকল নির্বাচনী প্রার্থীদের সঙ্গে হাত মেলিয়ে কাজ করারও অঙ্গীকার করেছেন। তিনি এবং তার সমর্থকরা এই শপথবাক্য ঘোষণা করেছেন: ১২ তারিখের পর সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা হবে। নতুন, সমৃদ্ধ ও ন্যায়বিচারভিত্তিক দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। ভেদাভেদ নয়, হিংসা নয়, আমাদের শক্তি হবে ঐক্য। সকলের প্রচেষ্টায় পথ হবে উন্নয়ন। ন্যায় ও ইনছাবভিত্তিক সমাজ গড়ার চেষ্টা। জামালপুরের মধ্যে সরিষাবাড়িকে উন্নয়নের সর্বোচ্চ শীর্ষে পৌঁছানোর প্রত্যয়। সরিষাবাড়ির সাধারণ জনগণ জানিয়েছেন, জনাব শামীম তাদের কাছে এক নয়নের মনি হয়ে উঠেছেন। তার উদার মানবতা এবং সেবামূলক মনোভাবের কারণে জনগণ তাকে গভীর শ্রদ্ধা ও সমর্থন প্রদান করছেন। অনেক ভোটার আশা প্রকাশ করেছেন, তার নেতৃত্বে সরিষাবাড়ি দেশের উন্নয়নের একটি রোল মডেল হয়ে উঠবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর আখেরি মিছিল ও জনসভা

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর আখেরি মিছিল ও জনসভা স্টাফ রিপোর্টার : এস কে শিপন ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর-ভুয়াপুর এলাকায় গত রোববার বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হলো নির্বাচনী প্রচারণার আখেরি মিছিল ও জনসভা। গোপালপুরের স্থানীয় জনসমুদায়ের উপস্থিতিতে জমকালোভাবে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, যিনি গোপালপুর-ভুয়াপুর এলাকা থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়াও প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ সাফায়ত বিনতে সালাম (সাবা)। নির্বাচনী প্রচারণার এ আখেরি মিছিল ও জনসভায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক দিয়ে শুরু হয়ে জনসভা সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষের সমাগম লক্ষ্য করা যায়। নির্বাচনী প্রচারনায় প্রার্থী এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু তার পরিকল্পনা এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড এবং জনগণের জন্য নতুন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য প্রদান করেন।ডাঃ সাফায়ত বিনতে সালাম (সাবা) তার বক্তব্যে এলাকাবাসীর একক সমর্থনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং আগামী নির্বাচনে এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর বিজয় নিশ্চিত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।স্থানীয় বাসিন্দারা মিছিল ও জনসভা সমাপ্তির পরও প্রার্থীর প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করতে থাকেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে প্রশংসা করেন।এই আখেরি মিছিল ও জনসভা গোপালপুর-ভুয়াপুর এলাকার নির্বাচনী প্রচারণার চূড়ান্ত ধাপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে, যা প্রার্থীর জনপ্রিয়তা এবং এলাকার জনগণের মধ্যে সমর্থন বৃদ্ধির দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
কালিহাতীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থক এবং ধানের শীষ প্রতীক সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

কালিহাতীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থক এবং ধানের শীষ প্রতীক সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে বিএনপির (ধানের শীষ) প্রতীকের প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে স্বতন্ত্র (হাঁস) প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল বের করে কালিহাতী থানা গেট অবরোধ করেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের লুহুরিয়া বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বিএনপির অন্তত পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।হামলায় আহতরা হলেন—নারান্দিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নারান্দিয়া ইউনিয়ন ধানের শীষের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলাউদ্দিন আল আজাদ পালিমা গ্রামের নজরুল ইসলাম কামাল কাজিম উদ্দিন ও আব্দুল কুদ্দুস।ঘটনার প্রতিবাদে ওই রাতেই কালিহাতী উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি কালিহাতী থানা এলাকা থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানার সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে নেতাকর্মীরা হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।বিএনপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, রাতে লুহুরিয়া বাজার এলাকায় বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিনের কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করছিলেন। এ সময় তারা বাজারে অবস্থিত বিএনপির অফিসে অবস্থান নিলে হঠাৎ করে স্বতন্ত্র (হাঁস) প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর সমর্থকরা অতর্কিত হামলা চালায়।এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী লুৎফর রহমান মতিন বলেন ঘটনাটি আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনের সব কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাই। হামলার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা একটি সুষ্ঠু অবাধ ও স্বাভাবিক নির্বাচনী পরিবেশ প্রত্যাশা করি।তবে এ ঘটনায় স্বতন্ত্র (হাঁস) প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বা তার পক্ষের কোনো নেতাকর্মীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জে.এ.এম.তৌফিক আজম বলেনহামলার ঘটনায় আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0
ঢাকা-৫ এ বিএনপির গণমিছিলে জনতার ঢল; পরিবর্তনের ডাক আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবীর

ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আজ এক বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফেরদৌস হোসেন রনির নেতৃত্বে এই গণমিছিলটি দুপুর ২টায় যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়ক থেকে শুরু হয়। গণমিছিলে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, যুবক, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ ভোটার অংশগ্রহণ করেন। মিছিলটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এসময় নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। গণমিছিলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলহাজ্ব নবী উল্লাহ নবী বলেন, “ঢাকা-৫ এর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও বঞ্চিত। জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট, বেকারত্ব ও নাগরিক সেবার দুরবস্থায় জনগণ আজ দিশেহারা। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হচ্ছে সৎ, যোগ্য ও জনবান্ধব নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।” তিনি আরও বলেন, “ধানের শীষ কোনো দলের প্রতীক নয়, এটি জনগণের মুক্তির প্রতীক। আপনারা যদি ভোট দিয়ে আমাদের নির্বাচিত করেন, তাহলে ঢাকা-৫ কে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও জনকল্যাণমুখী এলাকায় রূপান্তর করা হবে—ইনশাআল্লাহ।” এসময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ফেরদৌস হোসেন রনি বলেন, “এই গণমিছিল প্রমাণ করে ঢাকা-৫ এ বিএনপির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। জনগণ পরিবর্তন চায়, জনগণ তাদের ভোটের অধিকার ফিরে পেতে চায়।” গণমিছিল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং শেষে নেতৃবৃন্দ জনগণের প্রতি ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে শহর বিএনপির নির্বাচনী মিছিল

টাঙ্গাইল সদর–০৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে শহর বিএনপির নির্বাচনী মিছিল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর–০৫ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু–এর পক্ষে টাঙ্গাইল শহর বিএনপির উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মিছিলটি। মিছিলের শুরুতেই ছিল ধানের শীষ প্রতীকের ব্যানার ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড। নেতাকর্মীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়ন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলে উপস্থিত নেতারা বলেন আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইলের মানুষের পরীক্ষিত নেতা। অতীতে তাঁর নেতৃত্বে এ এলাকার উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে ধানের শীষ এবার বিজয়ী হবে। মিছিলে টাঙ্গাইল শহর বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। পুরো কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ধানের শীষের প্রচারণায় সিলেটে পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার
ধানের শীষের প্রচারণায় সিলেটে পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিতে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান পর্তুগাল বিএনপির আহ্বায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার। এ সময় দেশে অবস্থানরত পর্তুগাল বিএনপির সদস্য সচিব সায়েফ আহমেদ সুইট, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক গিলমান চৌধুরীসহ দেশে অবস্থানরত দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান।

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের নির্বাচনী প্রচারণা

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার মেন্দারবেড় গ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মোঃ ফরিদুল কবীর তালুকদার (শামীম)-এর নির্বাচনী প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রচারণাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেন্দারবেড় গ্রামের সম্মানিত মুরুব্বী বদিউজ্জামান হীরা, আব্দুর রহিম, মোবারক হোসেন, বেলাল হোসেন, গেনদামিয়া, ফটিক মিয়া, মোতালেব হোসেন, রকিবুল ইসলাম চানু সহ আরও অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি। যুব সমাজের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হাসান, সাদ্দাম হোসেনসহ গ্রামের বিপুল সংখ্যক তরুণ যুবক। প্রচারণাকালে বক্তারা এলাকার উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলকে ‘মডেল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার

টাঙ্গাইলকে ‘মডেল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে। উঠান বৈঠক মতবিনিময় সভা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে ভোটারদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন তারা।এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সাংগঠনিক সক্ষমতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তার প্রচারণাকে ঘিরে পুরো আসনজুড়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা।এ প্রেক্ষাপটে বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন ও রূপান্তরের লক্ষ্যে নিজের ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সম্প্রতি এসব অঙ্গীকার প্রকাশের পর ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে নিরাপদ মাদকমুক্ত,চাঁদাবাজমুক্ত ও আধুনিক একটি ‘মডেল টাঙ্গাইল’হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার করেন তিনি।তার ঘোষিত ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যমুনা নদীর স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ মাহমুদনগরে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ টাঙ্গাইলকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তোলা এবং টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর।এর আগে এক নির্বাচনী জনসভায় টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেন টুকু। ওই জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান এসব দাবি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সাত দফা দাবির সঙ্গে ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার যুক্ত হওয়ায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন ইস্যু নতুন মাত্রা পেয়েছে।স্বাস্থ্য খাতে আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টুকু বলেন সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়ন আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং শহর ও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তার অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।যুব সমাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি আইটি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ভাষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং ব্যবসা সহজীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে তিনি বলেন নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি।বিএনপির ৩১ দফার আলোকে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা প্রদান সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ওয়ান কল সার্ভিস চালুর অঙ্গীকারও করেন এই বিএনপি নেতা।চাঁদাবাজমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে তোলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে টাঙ্গাইলকে একটি আধুনিক নিরাপদ ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করা হবে।

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল–৫ আসনে উন্নয়নের ২৩ দফা রূপরেখা তুলে ধরলেনবিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
টাঙ্গাইল–৫ আসনে উন্নয়নের ২৩ দফা রূপরেখা তুলে ধরলেন বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পর থেকেই প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভা করছেন। এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার পাশাপাশি টাঙ্গাইলের উন্নয়নে ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। তাঁর লক্ষ্য টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে একটি নিরাপদ, মাদকমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত ‘মডেল টাঙ্গাইল’ হিসেবে গড়ে তোলা। ২৩ দফার মধ্যে রয়েছে যমুনা নদীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ, মাহমুদনগরে সেতু নির্মাণ, টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং শহর-গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন। এছাড়া যুবকদের কর্মসংস্থান, আইটি খাতে বিনিয়োগ, নারী ক্ষমতায়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সহায়তা, কৃষক ও দরিদ্র পরিবারের জন্য কার্ড চালু, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ‘ওয়ান কল সার্ভিস’ চালুর অঙ্গীকার করেন তিনি। চাঁদাবাজমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী উন্নত ও আধুনিক জনপদ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে ৫ ফেব্রুয়ারি জামায়াত আমীর ডা. শফিকুল রহমানের নির্বাচনী জনসভা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুল রহমান আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা সফরে আসছেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে তিনি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার তিনটি আসনের ভোটারদের উদ্দেশ্যে এ নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে জনসভা আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। নির্বাচনী জনসভা সফল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে—এমন প্রেক্ষাপটে এবার যেন ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন, সে লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী সার্বক্ষণিকভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে সোমবার নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুল। মাঠ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আগামী ৫ ফেব্রুয়ারির বিশাল নির্বাচনী জনসভা সফল করতে মাঠের যাবতীয় কার্যক্রম আমরা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারব বলে আশাবাদী। আমাদের এই জনসভায় জামায়াত আমীরসহ তাঁর সফরসঙ্গী কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।”তিনি আরও বলেন, “এই জনসভায় নারী ও পুরুষ উভয়ের অংশগ্রহণ থাকবে। নারীদের জন্য আলাদা অংশে সার্বিক নিরাপত্তাসহ বসার ব্যবস্থা করা হবে। জনসভা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে জামায়াতে ইসলামীর স্বেচ্ছাসেবকরা সর্বত্র দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছি।”নূরুল ইসলাম বুলবুল আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে এ নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে রূপ নেবে এবং শান্তিপূর্ণ ও নজিরবিহীন একটি সমাবেশ উপহার দিতে পারবে জামায়াতে ইসলামী। মাঠ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর আবু গিফারী, জেলা সেক্রেটারি আবু বক্কর, জামায়াত নেতা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোখলেশুর রহমান, আব্দুল আলীমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
জামায়াতে আমীর ৫ ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনী জনসভায় আগমনে সাংবাদিক সম্মেলন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর জনাব ডা. শফিকুল রহমানের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গঠন, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং একটি বৈষম্যমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, আল্লাহর সাহায্য ও জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনে সরকার গঠন করতে চায়। এ সময় তারা আরও বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, গোয়েন্দা বিভাগ, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা আবুজার গিফারী, রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী জোন পরিচালক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু বকর চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩  সদর আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী জননেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমীর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী ড. কেরামত আলী,  এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী ড. মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

শীর্ষ সপ্তাহ

মুসলিম বিশ্ব

পাকিস্তানের সমালোচনায় আফগান তালেবান: মানবাধিকার ও সীমান্ত নিরাপত্তা ইস্যুতে উত্তেজনা

মুক্তধ্বনি ডেক্স ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0

ভোট জরিপ

নির্বাচনের দিন গণভোট আপনি সমর্থন করেন ?