সারা দেশ

ভূঞাপুরে বাজার মনিটরিং করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার

reporter-icon
বিশেষ প্রতিনিধি: অনলাইন
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ | 0

খায়রুল খন্দকার টাঙ্গাইল:টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাজার মনিটরিং করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আখতার বানু । এ সময় তিনি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে নিয়ম মেনে ব্যবসায়িক কাজ পরিচালনা করার নির্দেশনা দেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে  উপজেলার গোবিন্দাসী বাজার মনিটরিং করেন। 

দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি বাজারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও সরকার নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন। আগামীতে এর ব্যাথ্যয় ঘটলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

ব্যবসায়ী ও সচেতন ক্রেতা সাধারণের অভিমত, বাজারে প্রশাসনের উপস্থিতি নিয়মিত মনিটরিংয়ে থাকলে অসাধু ব্যবসায়ী চক্রের লাগামহীন পণ্য মূল্য থেকে সিয়াম সাধনার এ রমজান মাসে ভোক্তারা রক্ষা পাবে। তাই তারা জনস্বার্থে প্রশাসনের কাছে  নিয়মিত বাজার মনিটরিং কামনা করেছেন। এসময় তাকে সহযোগিতা করেন থানা পুলিশ, ভূঞাপুর রির্পোটার্স ইউনিটির সভাপতি মিজানুর রহমান,  সাংবাদিক, সচেতন নাগরিক বৃন্দ।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে কাঠমিলে ভয়াবহ আগুনঅল্পের জন্য রক্ষা পেলো পুরো এলাকা

নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরশহরে এমপি‘র মোড় এলাকায় একটি কাঠমিল থেকে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে বাসাবাড়ি, বিভিন্ন কাঠের দোকান ও পুরো এলাকা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ মিলের ভেতর থেকে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান প্রতিবেশীরা। মুহূর্তের মাঝে মিলের ভেতরে জমানো কাঠ ও অন্যান্য দাহ্য পদার্থে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আতঙ্কিত স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে, ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার জানান, রাত ৩টার কিছু পর খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই, প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কারণে পার্শ্ববর্তী বসতবাড়ি, কাঠের দোকানপাট সহ পুরো এলাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়েনি। প্রাথমিকভাবে আগুনের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মিলের ভেতরে থাকা মূল্যবান কাঠ ও কিছু যন্ত্রপাতি পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় দোকানপাট ও মিলের আশপাশের বাসাবাড়ী গুলোতে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

ভূঞাপুরে বাজার মনিটরিং করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার

টাঙ্গাইল সদরের কাঁচাবাজারে অস্থিরতানিত্যপণ্যের মুল্য অধিক -তদারকির ঘাটতির অভিযোগ

কালিহাতি থানা বার্ষিক পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার টাংগাইল

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর–২০২৬ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ পরিদর্শনে তিনি এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পর্যন্ত মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। বিশেষ করে ফোর লেন উন্নীতকরণ কাজের অগ্রগতি, সড়কের ভৌত অবস্থা, যানবাহনের চাপ এবং সম্ভাব্য যানজট নিরসনে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ঈদযাত্রা সামনে রেখে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার বিকল যানবাহন দ্রুত অপসারণ অতিরিক্ত টহল ব্যবস্থা ও জরুরি সেবা টিম প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। পরিদর্শনকালে তিনি যমুনা সেতু পূর্ব টোল প্লাজা ও কেপিআই পুলিশ ক্যাম্পে দায়িত্বরত সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্),টাঙ্গাইল মোঃ আদিবুল ইসলাম পিপিএম-সেবা সহকারী পুলিশ সুপার কালিহাতি সার্কেলসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0

টাংগাইলে চাঁদাবাজি সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী বিশেষ মহড়া

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও মানসম্মত শিক্ষার অনন্য দৃষ্টান্ত ডন বস্কো স্কুল এন্ড কলেজ

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৫ বছরেও শেষ হয়নি সল্লা সেতুর নির্মাণ কাজ : দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৫ বছরেও শেষ হয়নি সল্লা সেতুর নির্মাণ কাজ : দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ

জনদুর্ভোগ লাঘবে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার সল্লা ইউনিয়নে লৌহজং নদীর ওপর ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ২৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। চার বছর মেয়াদি প্রকল্পটি ২০২১ সালের মে মাসে শুরু হলেও রহস্যজনক কারণে ২০২৫ সালের জুন মাসেও কাজ শেষ হয়নি। দীর্ঘ পাঁচ বছরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মাত্র প্রায় ৭০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণ কাজ শুরুর দুই বছরের মাথায় সেতুর একটি গার্ডার ধসে পড়ে। এ ঘটনায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করলেও সেই রিপোর্ট আজও প্রকাশ করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে তদন্ত প্রতিবেদনটি ফাইলবন্দি করে রাখা হয়েছে, যাতে দায় এড়াতে পারে সংশ্লিষ্টরা। পরে ধসে পড়া গার্ডার সংস্কার করেই আবার নির্মাণকাজ চালানো হয়। জানা যায়, যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ও ঝুঁকি কমানো এবং কালিহাতী উপজেলার সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর ও ভূঞাপুর উপজেলার মানুষের যাতায়াত সহজ করতে সেতুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রকল্পটি ২০২৪ সালের মে মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও কাজের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। এদিকে সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় স্থানীয় মানুষকে এখনও খেয়া নৌকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। নদী পার হতে প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হয়। এতে শিক্ষার্থীরা সময়মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছাতে পারছে না, রোগী পরিবহনেও তৈরি হচ্ছে ঝুঁকি। পাশাপাশি প্রতিনিয়ত বাড়তি নৌকা ভাড়া গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই শুরুতেই গার্ডার ধসে পড়েছিল। দীর্ঘদিনেও কাজ শেষ না হওয়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের নিবিড় বাজার তদারকি অভিযান

রমজানকে ঘিরে গোপালপুরে বাজার তদারকি জোরদার

এলেঙ্গা বাজারে রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা

0 মন্তব্য