আন্দোলন এবং জুলাই,শহীদদের স্বরনে শহীদ ও আহত যোদ্ধা সহ সর্বক্ষেত্রে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির উদ্যোগে মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচি উপলক্ষ্যে এক প্রতিবাদী বিশাল মিছিল চট্টগ্রাম শহরের কোতোয়ালি থানার মোড় থেকে শুরু হয়। এই কর্মসূচী সফল করার লক্ষে দুপুর দুইটা থেকেই চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আওতাভূক্ত বিভিন্ন উপজেলা পৌরসভা ইউনিয়ন বিএনপি যুবদল ছাত্রদল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সিডিএ ভবন চত্বরে জমায়েত হবে দেখা যায়।

এরপর বিকাল তিনটায় "মার্চ ফর জাস্টিস " কর্মসূচির বিশাল মিছিল শুরু হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক পটিয়ার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ ইদ্রিস মিয়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিঃ যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব লায়ন হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব রেজাউল করিম নেছার, মোঃ জহিরুল ইসলাম চৌধুরী আলমগীর,এস এম মামুন মিয়া,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির, এস এম সুমন, সাবেক চেয়ারম্যান মফজল আহমদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কৃষক দল নেতা মোহসীন চৌধুরী রাণা, বিএনপি নেতা আলহাজ্ব শহীদুল ইসলাম সাজ্জাদ, কৃষক দল নেতা মীর মোঃ জাকের,সাবেক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ আমীর হোসেন, কৃষকদল নেতা আবদুল করিম,হারুন কাকন,চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রদল নেতা মুহাম্মদ তারেক রহমান, সাবেক ছাত্রদল নেতা নুরুল ইসলাম সানু,চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মুহাম্মদ মনির,ছাত্রনেতা মুহাম্মদ হাবিবসহ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলা পৌরসভা বিএনপি যুবদল ছাত্রদল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কোতোয়ালি থানার মোড় থেকে শুরু করে বিশাল মিছিল টি চট্টগ্রাম আদালত চত্বরে গিয়ে শেষ হয়
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
আরএমপি’র বিভিন্ন থানার ওসি ও কর্মকর্তাদের সরেজমিনে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটগ্রহণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)র বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা সরেজমিনে ভোটকেন্দ্রসমূহ পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তারা ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা কেন্দ্রের ভৌত অবকাঠামো প্রবেশ ও বহির্গমন পথ আশপাশের পরিবেশ এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়সমূহ পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয় এবং যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়। আরএমপি কর্তৃপক্ষ জানায় ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে নিরাপদে ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে লক্ষ্যে পুলিশি টহল নজরদারি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনকালীন সময়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আরএমপি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বলেও জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা
টাঙ্গাইল, আজ: আজ টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্টাফ রিপোর্ট : এস কে শিপন নির্ধারিত সময়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানভাবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) পদপ্রার্থী ডক্টর আব্দুল্লাহ কাফি। এছাড়াও টাঙ্গাইল-২ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এদিকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এমপি পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর টাঙ্গাইল জেলা শাখার নায়েবে আমির অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা। তাঁরা প্রতীক বরাদ্দকে কেন্দ্র করে দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি, আগামীর রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং নির্বাচনকেন্দ্রিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। নেতৃবৃন্দ এ সময় বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতীক বরাদ্দ একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের সমর্থন ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনের রাজনীতিতে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে। উল্লেখ্য, আজকের এই প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠানে ঘাটাইল আসন ব্যতীত টাঙ্গাইল জেলার অন্যান্য আসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ মাদক দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর নজরদারী ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ জনগণের জন্য নিরাপদ নিরপেক্ষ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত রয়েছে।টাঙ্গাইল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় একযোগে এ বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক থানা মোড় জেলা প্রবেশপথ বাসস্ট্যান্ড বাজার এলাকা ও জনবহুল স্থানে স্থাপিত চেকপোস্টে জেলা পুলিশের চৌকস সদস্যরা দিন ও রাতব্যাপী দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযান চলাকালে পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার ট্রাক বাস পিকআপ সিএনজি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি চালান। এ সময় যানবাহনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ড্রাইভিং লাইসেন্স রেজিস্ট্রেশন ফিটনেস হেলমেট ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহারের বিষয়গুলো যাচাই করা হয়। পাশাপাশি মাদক পরিবহন অবৈধ অস্ত্র বহন চোরাচালান ছিনতাই ও যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশ সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে একদিকে আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে অন্যদিকে সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ জোরদার হচ্ছে। পুলিশের উপস্থিতি ও তৎপরতায় অপরাধপ্রবণ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহে শৃঙ্খলা ও স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।বিশেষ চেকপোস্ট অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত তল্লাশি কার্যক্রমে মোট ৬৭৪টি যানবাহন পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৪১০টি মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয় এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনানুগ শর্ত পূরণ না করায় ০৪টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। এছাড়া সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের দায়ে ০৪টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছেওযেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনগণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে পুলিশ জনগণের সহযোগিতা কামনা করে আইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা শুধু পুলিশের একক দায়িত্ব নয় বরং পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি নিরাপদ শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।