সারা দেশ

এক যুগ পর চালু হলো সোনালিয়া–করটিয়া রেলস্টেশন, মিলবে কমিউটার ট্রেনের সুবিধা

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ডিসেম্বর ২০, ২০২৫ | 0
এক যুগ পর চালু হলো সোনালিয়া–করটিয়া রেলস্টেশন, মিলবে কমিউটার ট্রেনের সুবিধা
এক যুগ পর চালু হলো সোনালিয়া–করটিয়া রেলস্টেশন, মিলবে কমিউটার ট্রেনের সুবিধা
দীর্ঘ কয়েক বছর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে উদ্বোধন করা হলো টাঙ্গাইলের সোনালিয়া–করটিয়া রেলস্টেশন। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেনে উঠে ফিতা কেটে ও সবুজ পতাকা নেড়ে স্টেশনটির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেলওয়ে মহাপরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে একটি ট্রেন দিয়ে এ স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসসহ আরও কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাবিরতির ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া ভবিষ্যতে টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন চালুরও পরিকল্পনা রয়েছে। এতে টাঙ্গাইলসহ আশপাশের জেলার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নে অবস্থিত এই রেলস্টেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে পাকশী বিভাগের ব্যবস্থাপক লিয়াকত আলী খান শরিফ, বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা গৌতম কুমার কুন্ডু, করটিয়ার জমিদার ও সাবেক সংসদ সদস্য মোর্শেদ আলী খান পন্নী, এইচএম ইনস্টিটিউট অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, অধ্যাপক শহিদুল ইসলামসহ রেলওয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এ সময় সোনালিয়া, করটিয়া ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় আগে রেলস্টেশনটি নির্মাণ করা হলেও নাম জটিলতাসহ নানা প্রশাসনিক কারণে এতদিন চালু করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন পর স্টেশনটি চালু হওয়ায় টাঙ্গাইল সদর, বাসাইল ও সখীপুর উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ সরাসরি রেলসেবার আওতায় আসবে। স্থানীয়রা জানান, এই স্টেশন চালুর ফলে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী সরকারি সা’দত কলেজের শিক্ষার্থী, করটিয়া হাটের ব্যবসায়ীসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবে। এতদিন স্টেশনটি পরিত্যক্ত থাকায় সরকারের কোটি কোটি টাকার সম্পদ কার্যত অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল বলেও তারা মন্তব্য করেন। হাবলা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ফজলুল হক বলেন, স্টেশনটি ২০১০ সালের দিকে বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের সোনালিয়া গ্রামে নির্মিত হয়। এটি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় নাম ও সীমানা জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। দীর্ঘদিনের সেই জটিলতা নিরসন হওয়ায় আজ স্টেশনটি চালু করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, করটিয়া ইউনিয়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা। তাই এই স্টেশনে ধাপে ধাপে সকল আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্টেশনকেন্দ্রিক সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নের দাবি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সোনালিয়া–করটিয়া রেলস্টেশন চালু হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও স্বস্তির অনুভূতি বিরাজ করছে। তারা আশা করছেন, এই স্টেশন টাঙ্গাইল অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করবে।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলের বাসাইলে সিএনজির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী শামীম আল হোসেন নিহত
টাঙ্গাইলের বাসাইলে সিএনজির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী শামীম আল হোসেন নিহত

টাঙ্গাইলের বাসাইলে সিএনজির ধাক্কায় শামীম আল হোসেন (২৬) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের চায়না ফ্যাক্টরির সামনে এ মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শামীম আল হোসেন বাসাইল পৌরশহরের পূর্বপাড়া এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে টাঙ্গাইল থেকে ছেড়ে আসা একটি সিএনজি কাশিল এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহী ছিটকে সড়কের ওপর পড়ে যান। গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত মোটরসাইকেল চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে স্থানীয়রা আহত আরোহীকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ আলমগীর হোসেন জানান, দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা সড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, বাসাইল উপজেলা অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে সচেতন মহলের উদ্বেগ বাড়ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0

রমজান উপলক্ষে টাঙ্গাইলে জোরদার বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট অভিযান

রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং

রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিশেষ বাজার মনিটরিং শুরু

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল এর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জানা গেছে, বাজার মনিটরিং টিম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য—চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর, মাংস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মূল্যতালিকা যাচাই, মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো রমজান মাসজুড়ে এ বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটিগুলোকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা

গোপালপুরে কাহেতার উদ্যোগে ১০০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির বার্ষিক পরিদর্শন

বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির বার্ষিক পরিদর্শন বিশেষ কল্যাণ সভা ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় বরিশাল ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বুধবার: বরিশাল জেলার সার্বিক কার্যক্রম মূল্যায়নে বার্ষিক পরিদর্শন করেছেন বরিশাল রেঞ্জের মান্যবর ডিআইজি জনাব মোঃ মঞ্জুর মোর্শেদ আলম। নির্ধারিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি সকালেই বরিশাল পুলিশ লাইন্সে উপস্থিত হন এবং সেখানে কুচকাওয়াজের অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি রিজার্ভ অফিসের বার্ষিক পরিদর্শন সম্পন্ন করেন।পরিদর্শন শেষে পুলিশ লাইন্সের গ্রাটিটিউট হলে আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন ডিআইজি মহোদয়। সভায় তিনি মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও ফোর্সদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রস্তাব মনোযোগ সহকারে শোনেন। সমস্যাসমূহের দ্রুত ও কার্যকর সমাধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন তিনি।বিশেষ কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন বরিশাল জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব ফারজানা ইসলাম। এসময় ডিআইজি মহোদয় জানুয়ারি ২০২৬ মাসে দায়িত্ব পালনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নির্বাচিত জেলা শ্রেষ্ঠ অফিসারদের মাঝে ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি পুলিশ অফিস, বরিশালের কনফারেন্স রুমে জেলার সকল ইউনিট ইনচার্জদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ দমন কার্যক্রম মাদকবিরোধী অভিযান এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ডিআইজি মহোদয়।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বার্ষিক পরিদর্শনের মাধ্যমে জেলা পুলিশের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং সেবার মানোন্নয়নে কার্যকর দিকনির্দেশনা প্রদানই ছিল এই সফরের মূল উদ্দেশ্য।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

ময়মনসিংহ পুলিশের ফোর্সের সম্মানসূচক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

0 মন্তব্য