সারা দেশ

ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ — মাননীয় ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি ) নিউজ
জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ | 0
ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ — মাননীয় ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ ইতিহাসের সেরা অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা রেঞ্জের মাননীয় ডিআইজি জনাব রেজাউল করিম মল্লিক।(২৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) সকাল ১০টায় গাজীপুর পুলিশ লাইন্সে বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিশেষ কল্যাণ সভায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব রেজাউল করিম মল্লিক গাজীপুর পুলিশ লাইন্সে উপস্থিত হলে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শরিফ উদ্দিন। এ সময় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল ডিআইজি মহোদয়কে গার্ড অব অনার প্রদান করে। ডিআইজি মহোদয়ের গাজীপুর জেলা সফর উপলক্ষে পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার গাজীপুর। সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ফোর্স সদস্য ও সিভিল স্টাফরা তাঁদের পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের প্রতিবন্ধকতা এবং সমসাময়িক নানা বিষয় তুলে ধরেন।ডিআইজি মহোদয় মনোযোগ সহকারে তাঁদের বক্তব্য শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন পুলিশকে অবশ্যই সততা নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার প্রত্যাশা তুলে ধরে ডিআইজি মহোদয় বলেন ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।এছাড়াও জনগণের বন্ধু হিসেবে পুলিশকে সততা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রেখে বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ডিআইজি মহোদয়। এরপর পুলিশ সুপারের কার্যালয়, গাজীপুরের কনফারেন্স রুমে বিশেষ অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায়ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি জনাব রেজাউল করিম মল্লিক। সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জদের উদ্দেশ্যে তিনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ — মাননীয় ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ

ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ — মাননীয় ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ ইতিহাসের সেরা অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা রেঞ্জের মাননীয় ডিআইজি জনাব রেজাউল করিম মল্লিক।(২৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি.) সকাল ১০টায় গাজীপুর পুলিশ লাইন্সে বিশেষ কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিশেষ কল্যাণ সভায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি জনাব রেজাউল করিম মল্লিক গাজীপুর পুলিশ লাইন্সে উপস্থিত হলে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ শরিফ উদ্দিন। এ সময় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল ডিআইজি মহোদয়কে গার্ড অব অনার প্রদান করে। ডিআইজি মহোদয়ের গাজীপুর জেলা সফর উপলক্ষে পুলিশ লাইন্সের ড্রিল শেডে আয়োজিত বিশেষ কল্যাণ সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার গাজীপুর। সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ফোর্স সদস্য ও সিভিল স্টাফরা তাঁদের পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের প্রতিবন্ধকতা এবং সমসাময়িক নানা বিষয় তুলে ধরেন।ডিআইজি মহোদয় মনোযোগ সহকারে তাঁদের বক্তব্য শোনেন এবং সংশ্লিষ্ট সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন পুলিশকে অবশ্যই সততা নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার প্রত্যাশা তুলে ধরে ডিআইজি মহোদয় বলেন ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।এছাড়াও জনগণের বন্ধু হিসেবে পুলিশকে সততা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রেখে বাহিনীর ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ডিআইজি মহোদয়। এরপর পুলিশ সুপারের কার্যালয়, গাজীপুরের কনফারেন্স রুমে বিশেষ অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায়ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিআইজি জনাব রেজাউল করিম মল্লিক। সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জদের উদ্দেশ্যে তিনি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন।

জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল অভিযান অব্যাহত

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকপ্রিজাইডিং অফিসারদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ

তারেক রহমানের টাঙ্গাইল আগমন উপলক্ষে জনসভার প্রস্তুতি ও সমাবেশস্থল পরিদর্শনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল জোরদার

টাঙ্গাইলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল জোরদার ৩০ জানুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ জনগণের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায় পুলিশ সুপার টাঙ্গাইলের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় একযোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রবেশপথ জনবহুল এলাকা ও অপরাধপ্রবণ স্থানগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন তল্লাশি ও নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা পুলিশের সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার ট্রাক, সিএনজি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে তল্লাশি চালান। এ সময় যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র যাচাই চালকের লাইসেন্স পরীক্ষা এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর বিশেষ নজরদারি করা হয়। পুলিশ জানায় অভিযান চলাকালে অবৈধ যানবাহন ও নিয়মভঙ্গকারী মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং একাধিক মামলায় প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্র আরও জানায় মাদক পরিবহন ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে করে অপরাধ দমনে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে বলে দাবি পুলিশের। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায় জনগণের জন্য একটি নিরাপদ, নিরপেক্ষ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অপরাধ দমনে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করে পুলিশ কর্তৃপক্ষ অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0

দেলদুয়ার থানাধীন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকনির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রিজাইডিং অফিসারদের নিরপেক্ষতার নির্দেশ

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার। ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল অভিযান অব্যাহত রয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্র জানায় মাননীয় পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের সার্বিকদিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় নিয়মিতভাবে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, বাসস্ট্যান্ড,বাজার এলাকা ও প্রবেশপথগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।অভিযান চলাকালে পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেল প্রাইভেটকার,ট্রাক সিএনজি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছেন। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ, জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা, মাদকের বিস্তার রোধ এবং জনগণের জন্য নিরপেক্ষ, নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশেষ চেকপোস্টসহ টহল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা পুলিশের সদস্যরা মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, ট্রাক, সিএনজি, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছেন। এ সময় অবৈধ যানবাহন ও মোটরসাইকেল আটকসহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রসিকিউশন দাখিল করা হচ্ছে।এ সময় অবৈধ যানবাহন কাগজ পত্রবিহীন মোটরসাইকেল ও সন্দেহজনক যানবাহন আটক করে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিতভাবে মামলা ওপ্রসিকিউশন দাখিল করা হচ্ছে।জেলা পুলিশ আরও জানায়, অপরাধ দমন ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের চলাচলে যেন কোনো প্রকার হয়রানি না হয়সে বিষয়েও পুলিশ সদস্যদের বিশেষভাবে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং জেলার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে অপরাধ দমন কার্যক্রমে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, অপরাধ বা অপরাধী সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানায় অথবা জেলা পুলিশের নির্ধারিত মাধ্যমে জানালে তা গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করা হবে।

জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতিভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণে দিকনির্দেশনা দিলেন জেলা প্রশাসক

সখিপুরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রস্তুতি পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

গোপালপুরে বিএনপির বিশাল মহিলা সমাবেশ, প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট আব্দুল সালাম পিন্টু

0 মন্তব্য