আইন-অপরাধ

এসআই(নিঃ) মোহাম্মদ বিল্লাল মিয়া পিবিআই চিফ কর্তৃক আর্থিকভাবে পুরস্কার পেলেন

reporter-icon
মকবুল হোসেন: ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
আগস্ট ২৯, ২০২৫ | 0

ময়মনসিংহ পিবিআই এসআই (নিঃ)মোহাম্মদ বিল্লাল মিয়া 
ময়মনসিংহ শহরের ছোট বাজার এলাকায় সংঘটিত একটি ক্লুলেস চুরি মামলার সফল তদন্ত, মূল আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিশ্চিত করার জন্য পিবিআই-এর প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অ্যাডিশনাল আইজিপি) মোঃ মোস্তফা কামাল  কর্তৃক মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই(নিঃ) মোহাম্মদ বিল্লাল মিয়া, পিবিআই ময়মনসিংহ ও তার টিমকে আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি তাঁর পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের প্রতিফলন।

উক্ত আর্থিক পুরস্কার  মোঃ রকিবুল আক্তার পুলিশ সুপার, পিবিআই ময়মনসিংহ তাঁর হাতে তুলে দেন।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), ময়মনসিংহ সব সময় সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

আইন-অপরাধ

আরও পড়ুন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলের চুরি হওয়া ৩টি ৪০ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি উদ্ধার, গ্রেফতার ২

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের অবস্থিত ইউনাইটেড স্ট্যান্ডার্ড স্কুলের চুরি হওয়া ৩টি ৪০ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি উদ্ধার সহ দুই চোরকে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। সোমবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) সুকমল চন্দ্র দেবনাথ।  তিনি জানান, গত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে স্কুল বন্ধ থাকায় স্কুলের তৃতীয় তলায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম থেকে গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ  অজ্ঞাতনামা চোর নিম্নবর্নিত মালামাল চুরি করে এবং অফিস রুমের সরঞ্জামাদী ভেঙ্গে প্রায় ৬০,০০০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি করে। চুরি যাওয়া মালামালের মদ্ধে ৩টি ৪০ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি, ১টি আইপিএস এর ব্যাটারী, ১টি, আইপিএস এর মেশিন সহ অন্যন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস।  এই বিষয়ে ইউনাইটেড স্ট্যান্ডার্ড স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ হাফিজউদ্দিন বাদি হয়ে সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই পলাশ অধিকারী ৩০ মার্চ রাতে শহরের বাতেন খাঁ মোড়ে অভিযান চালিয়ে চোর আব্দুল্লাহকে গ্রেফতার করেন এবং তার দেওয়া তথ্য ভিত্তিতে চুরিকৃত টেলিভিশন গুলি শহরের আরামবাগের রহিম আলীর বাড়ি হতে উদ্ধার করা হয় এবং চুরির মালামাল ক্রয়ের অপরাধে রহিম আলীকেও গ্রেফতার করে পুলিশ।  গ্রেফতারকৃতরা হলো, মো: আব্দুল্লাহ (২৯) পিতা- মো: ইয়াকুব আলী ওরফে টুকান মাতা- মোসা: রুবি বেগম, সাং- রামকৃষ্টপুর বানিপাড়া উপরজন হলেন মো: রহিম আলী (৪৫) পিতা-মো: এলাম হোসেন, সাং- আরামবাগ মাদ্রাসাপাড়া,  উভয় থানা ও জেলা- চাঁপাইনবাবগঞ্জ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই পলাশ অধিকারী বলেন চুরিকৃত ৩টি টেলিভিশন উদ্ধার করা হয়েছে, দ্রুততম সময়ে চুরিকৃত বাকি মালামাল উদ্ধার করা হবে।

এপ্রিল ১, ২০২৬ 0

নাগরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: অবৈধ ইটভাটায় ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৫ জন গ্রেপ্তার

রাতভর অভিযানে অবৈধ মাটি কর্তন রোধ, জরিমানা ৩ লাখ টাকা

মাথাবিহীন লাশ উদ্ধারের পর মিললো বিচ্ছিন্ন মাথা, গ্রেপ্তার ৩

মানিকগঞ্জে অটোরিকশা চালক হত্যা: মাথাবিহীন লাশ উদ্ধারের পর মিললো বিচ্ছিন্ন মাথা, গ্রেপ্তার ৩ মানিকগঞ্জে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার অটোরিকশা চালক রফিক মিয়ার মাথাবিহীন লাশ উদ্ধারের কয়েকদিন পর অবশেষে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ মার্চ) সকালে সদর উপজেলার দিঘুলিয়া এলাকার নদীপাড়ের একটি ভূট্টাখেত থেকে মাথাটি উদ্ধার করে বানিয়াজুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা।এর আগে গত ২৫ মার্চ বিকেলে সদর উপজেলার পাছবারইল গ্রামের কালীগঙ্গা নদীর পাড় থেকে রফিক মিয়ার মাথাবিহীন লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—ঘিওর উপজেলার রাথুরা গ্রামের রিপন মিয়া (৩০), সদর উপজেলার পাছবারইল গ্রামের আরমান হোসেন (২০) এবং সজিব হোসেন (২৫)। পুলিশ ও তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে রফিক মিয়াকে হত্যা করা হয়। একই গ্রামের বন্ধু রিপন মিয়া, যিনি পেশায় নির্মাণ শ্রমিক, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী। ২৪ মার্চ সকালে রফিক মিয়া অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। সন্ধ্যার পর গাঁজা সেবনের কথা বলে রিপন তার সহযোগী আরমান ও সজিবকে সঙ্গে নিয়ে ভাড়া করা অটোরিকশায় রফিককে সদর উপজেলার পাছবারইল এলাকায় কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পর আরমান একটি হাতুড়ি দিয়ে রফিকের মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে রিপন দা দিয়ে তার গলা কেটে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে। এ সময় আরমান ও সজিব তাকে ধরে রাখে। ঘটনার পর হত্যাকারীরা মরদেহ গোপন করার চেষ্টা করে। তারা মাথা ও শরীর নদীতে ফেলে দেয়। তবে শরীরটি ভেসে উঠলে সেটি পুনরায় পেটে কেটে নদীর তীরে মাটিচাপা দেয়। অপরদিকে মাথাটি পানিতে ডুবে যায়, যা পরে ভেসে উঠে পাশের ভূট্টাখেতে গিয়ে পড়ে। হত্যার পরদিন ভোরে রিপন অটোরিকশাটি নিয়ে ঢাকার ধামরাই এলাকায় চলে যায় এবং সেটি বিক্রির চেষ্টা করে। পরে ২৬ মার্চ দুপুরে প্রযুক্তির সহায়তায় ধামরাই উপজেলার কালামপুর বাজার এলাকা থেকে রিপনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআইয়ের একটি দল। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরমান ও সজিবকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কালামপুরের একটি গ্যারেজ থেকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মার্চ ৩০, ২০২৬ 0

জামালপুরে জ্বালানি তেলের মজুদ ও বিক্রি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ভ্রাম্যমাণ অভিযান

নেত্রকোণায় প্রতিবেশীর ঘর থেকে গলাকাটা অবস্থায় শিশুর মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইলে কিশোর হত্যাকাণ্ড: র‍্যাবের অভিযানে দুই আসামি গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ১১০০ পিস ইয়াবা

টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ১১০০ পিস ইয়াবা টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও মাদক ব্যবসায়ীসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট বসানো, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে জোরদার তৎপরতা চালানো হয়।বিশেষ করে মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। এ সময় ১১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয় এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ২ জনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অপরাধ নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ। সন্ত্রাস, মাদক, চুরি-ডাকাতিসহ যেকোনো অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এদিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানায় বা পুলিশের কাছে দ্রুত জানাতে।

মার্চ ৩০, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে অধ্যক্ষের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন

ঢাকা জেলা ডিবি (উত্তর)-এর পৃথক অভিযানে মাদকসহ ৩ জন গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ২১ জন গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা ও চোলাই মদ

0 মন্তব্য