আইন-অপরাধ

সরিষাবাড়ীতে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, দুই চোর আটক

reporter-icon
রুবেল রানা: স্টাফ রিপোর্টার ( জামালপুর )
জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ | 0

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার নির্বাচন অফিসের স্টাফ ফখরুল ইসলামের চুরি হয়ে যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ। এ সময় মোটরসাইকেলসহ দুইজন চোরকে আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাচন অফিসের স্টাফ ফখরুল ইসলামের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি চুরি হয়। ঘটনার পরপরই বিষয়টি থানায় জানানো হলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ চুরি যাওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং এর সঙ্গে জড়িত দুইজনকে আটক করে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ায় সরিষাবাড়ী থানা পুলিশের প্রশংসা করেছেন ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্বজনরা।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

আইন-অপরাধ

আরও পড়ুন
ধনবাড়ীতে কৃষিজমিতে গাঁজা চাষের অভিযোগ: পুলিশি তদন্তে সত্যতা আতঙ্কে এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে কৃষিজমিতে গাঁজা চাষের অভিযোগ: পুলিশি তদন্তে সত্যতা আতঙ্কে এলাকাবাসী টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার (বলি ভদ্র)ইউনিয়নের চর কেরামজানি গ্রামে একটি কৃষিজমিতে অবৈধভাবে গাঁজা চাষের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দেওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় চর কেরামজানি গ্রামের একটি জমিতে সম্প্রতি কিছু অজানা গাছ রোপণ করা হয়। প্রথমদিকে গ্রামের সাধারণ মানুষ বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেননি। তবে কয়েকদিন পর গাছগুলোর আকার-আকৃতি দেখে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে কেউ কেউ ধারণা করেন এগুলো গাঁজা গাছ হতে পারে। এরই প্রেক্ষিতে বিষয়টি গোপনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধনবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় পুলিশেরসাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ বজলুর রহমান সরেজমিনে জমিটি পরিদর্শন করেন। প্রাথমিক তদন্তে সেখানে গাঁজা গাছ রোপণের বিষয়টি সত্য বলে প্রতীয়মান হয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্থানীয়রা জানান চর কেরামজানি গ্রামটি টাঙ্গাইল ও জামালপুর জেলার সীমান্তবর্তী একটি প্রত্যন্ত এলাকা। ভৌগোলিকভাবে দুর্গম হওয়ায় অনেক সময় এই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি কম থাকে। সেই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এখানে বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। মাদক সেবন ও ব্যবসা জুয়া এবং বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানসহ নানা অপরাধমূলক কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে এ এলাকায়।গ্রামের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত নিরীহ হওয়ায় তারা অনেক সময় এসব অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেন না। ফলে অপরাধীরা প্রায়ই এলাকাটিকে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহার করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।জানা গেছে,যে জমিতে গাঁজা চাষের চেষ্টা করা হয়েছে সেটি স্থানীয় বাসিন্দা মো.আমজাদ হোসেনের পৈতৃক সম্পত্তি। পারিবারিক জটিলতার কারণে তিনি জমিটি নিজের তত্ত্বাবধানে রাখতে পারছিলেন না। স্থানীয় এলাকাবাসি হতে জানা যায় জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার বাসিন্দা মোহাম্মদ সুজালের কাছে এই জমিটি বন্ধক রাখেন। স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে জমিটি বন্ধক নেওয়ার পর সুজাল সেখানে চাষাবাদের নামে গাঁজা গাছ রোপণের উদ্যোগ নেন। বিষয়টি জানতে পেরে জমির মালিক আমজাদ হোসেন এতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে কোনো ফল হয়নি। বরং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এরপর জোরপূর্বক ওই জমিতে গাঁজা গাছ রোপণ করা হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন তাদের গ্রামকে যেন অপরাধীদের অভয়ারণ্য হিসেবে ব্যবহার করা না হয়। তারা চান দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হোক।এলাকাবাসীর মতে সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত এই গ্রামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়তে পারে।গ্রামের সাধারণ মানুষের একটাই দাবি—মাদকসহ সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করে এলাকাকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরিয়ে আনা হোক এবং যারা এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

মার্চ ১৩, ২০২৬ 0

মির্জাপুরে চেতনানাশক খাইয়ে অটোচালক হত্যা: প্রধান আসামি র‍্যাবের জালে

ডিউটিরত পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত অস্ত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার গ্রেফতার ১

মধুপুরে পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন

টাঙ্গাইলের সাবালিয়ায় আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবম শ্রেণির ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু চাঞ্চল্য

টাঙ্গাইলের সাবালিয়ায় আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবম শ্রেণির ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু চাঞ্চল্য টাঙ্গাইলের সাবালিয়া এলাকায় অবস্থিত শহীদ ক্যাডেট একাডেমিক আবাসিকে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক ভবনের একটি বেডের নিচ থেকে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।ঘটনার পরপরই বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটির অধিকাংশ শিক্ষক ও দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গেছেন। এতে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে।স্থানীয়রা জানান কীভাবে এবং কোন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত কারণ উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।ঘটনার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছেন বলে জানা গেছে। শিক্ষার্থীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্নেরও জন্ম দিয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

মার্চ ১০, ২০২৬ 0

ঘাটাইলে প্রাইভেটকার চুরি মামলার সন্দেহভাজন গ্রেফতার

পূর্ব শত্রুতার জেরে গোপালপুরে হত্যা মামলার আসামি লাভলু মিয়া গ্রেফতার

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনে জরিমানা

সখিপুরে বেশি দামে তেল বিক্রি: দুই দোকানিকে জরিমানা

সখিপুরে বেশি দামে তেল বিক্রি: দুই দোকানিকে জরিমানা টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার বোয়ালী বাজারে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ভোজ্যতেল বিক্রি করার অভিযোগে দুইটি দোকানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (৯ মার্চ) উপজেলার বোয়ালী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে দেখা যায় বাজারের কয়েকটি দোকানে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ভোজ্যতেল বিক্রি করা হচ্ছে। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৩৯ ধারায় লাভলী মাজম স্টোরকে ২ হাজার টাকা এবং দাদীর দোয়া স্টোরকে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সখিপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুন্নাহার শিলা। অভিযান চলাকালে তিনি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সরকার নির্ধারিত দামের বাইরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষায় বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।এ সময় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে পণ্য বিক্রি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত অভিযান ও তদারকি অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়।স্থানীয় ক্রেতারা জানান রমজানকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রশাসনের এমন অভিযান বাজারে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

মার্চ ১০, ২০২৬ 0

যশোরে খাদ্যে ভেজাল- র‍্যাবের অভিযানে ৪ লাখ টাকা জরিমানা ৪ জনের কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ৮ বছরের শিশু কন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা-আটক ১

টাঙ্গাইলে পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ৩০ জন গ্রেপ্তার

0 মন্তব্য