আইন-অপরাধ

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ জন গ্রেফতার

reporter-icon
কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল: সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
জানুয়ারী ৪, ২০২৬ | 0
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ জন গ্রেফতার মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল। তাঁর দিকনির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত এই অভিযানে প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা মাদক সংক্রান্ত অপরাধ, উদ্ধারজনিত মামলা এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ সর্বমোট ২৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে পুলিশ ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ০৫ জন মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানিয়েছেজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মাদকসহ সকল প্রকার অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই জেলা পুলিশের মূল লক্ষ্য। এ বিষয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সকলকে অপরাধ দমনে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

আইন-অপরাধ

আরও পড়ুন
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধেসংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন আইডি দিয়ে রাজনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে আমি ও আমার পরিবারকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন দুর্গাপুর চন্ডিগড় ইউনিয়নের টানা ৪বারের চেয়ারম্যান ইমাম হাসান আবুচান। সোমবার (০৫ জানুয়ারী) সকালে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এসময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি ও আমার পরিবার আপাদমস্তক একটি জাতীয়তাবাদী স¤্রান্ত মুসলিম পরিবার। আমি চন্ডিগড় ইউনিয়নের টানা ৪বারের সফল চেয়ারম্যান, দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপি‘র সভাপতি, জেলা বিএনপির সহ:সভাপতি ছিলাম। আমার ছেলেরা বাংলাদশে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি‘র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। আমি এবং আমার পরিবারের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল, আমি এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নামে, বে-নামে বিভিন্ন আইডি ব্যবহার করে, নানা রকম অপ-প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে, যাহা আদৌ সত্য নয়। তিনি আরো বলেন, বিগত ০৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর, দুর্গাপুর থানা, উপজেলার বিভিন্ন স্থাপনা এবং সনাতন ও খ্রীষ্ট ধর্ম্মালম্বী বিভিন্ন মন্দির ও গীর্জা আমার নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রক্ষা করেছি। এছাড়া বাজারের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা প্রদান করেছি। মুলত: এ ধরনের কাজে এই কুচক্রী মহল স্বার্থলুটতে পারেনি বিধায় আমার নামে নানা অপ-প্রচার করে যাচ্ছে। আমি এই মিথ্যা ও বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

জানুয়ারী ৫, ২০২৬ 0

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অতিরিক্ত দামে গ্যাস বিক্রি: ডিলারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

অধিক দামে বিক্রি ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির দায়ে মোবাইল কোর্টে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

নাগরপুরে পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন অবৈধ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট

আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

ভুঞাপুরে গোপনে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানোর মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার টাঙ্গাইল জেলার ভুঞাপুর থানায় দায়ের করা আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার মামলার অন্যতম প্রধান আসামি মোঃ আল আমিন (৩২) কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। সিপিসি-৩, র‍্যাব-১৪, টাঙ্গাইল এর একটি আভিযানিক দল তাকে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। এজাহারের বিবরণে জানা যায়, ধৃত আসামি মোঃ আল আমিন (৩২) কৌশলে বাদীর স্ত্রীর গোসলের আপত্তিকর দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে। পরবর্তীতে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উক্ত ভিডিও ছড়িয়ে দিলে বিষয়টি বাদীর নজরে আসে। বাদীর অভিযোগ, সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই আসামি পরিকল্পিতভাবে এই আপত্তিকর ভিডিও ধারণ ও প্রচার করেছে।এ ঘটনায় আইনগত সুরক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশায় ভুক্তভোগী বাদী টাঙ্গাইল জেলার ভুঞাপুর থানায় ২০১২ সালের পর্ণোগ্রাফি আইনের ৮(১)/৮(২)/৮(৩) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি ভুঞাপুর থানার মামলা নং-০৫, তারিখ-২১ জুন ২০২৫ইং খ্রিস্টাব্দ। মামলা রুজুর পর সিপিসি-৩, র‍্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে তৎপরতা চালায়। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এবং র‍্যাব-১০, সদর কোম্পানি, কেরানীগঞ্জ, ঢাকা এর সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ আভিযানিক দল ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ মডেল থানার নয়াবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে পর্ণোগ্রাফি মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মোঃ আল আমিন (৩২), জেলা-টাঙ্গাইলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উক্ত বিষয়ে অতিরিক্ত তথ্যের প্রয়োজন হলে মেজর কাওছার বাঁধন, কোম্পানি কমান্ডার, সিপিসি-৩, র‍্যাব-১৪, টাঙ্গাইল এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া সংবাদটি অনলাইনে প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট লিংক নির্ধারিত ই-মেইলে পাঠানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

জানুয়ারী ৫, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ৪০

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রিতিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৬ জন গ্রেফতার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি গ্রেফতার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল শহরের থানা রোড এলাকায় অবস্থিত তার ভাড়া বাসার নিচ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হাজী আবুল হোসেন পৌর এলাকার পোষ্টকামুরী খলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত কোমর উদ্দিনের ছেলে এবং মির্জাপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের ছররা গুলিতে গুরুতর আহত হন গোড়াই ইউনিয়নের লালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা হিমেল। ওই ঘটনায় ছররা গুলি হিমেলের চোখে লাগলে তার দুই চোখই স্থায়ীভাবে অন্ধ হয়ে যায়। এ মর্মান্তিক ঘটনার পর হিমেলের মা নাছিমা বেগম টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মির্জাপুর আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১০০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাজী আবুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গ্রেফতারকৃত হাজী আবুল হোসেনকে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও গ্রেফতার হতে পারে বলেও জানান তিনি

জানুয়ারী ৪, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ১৪

র‌্যাবের অভিযানে টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার আসামি বাছেদ গ্রেফতার

র‌্যাবের অভিযানে টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার আসামি বাছেদ গ্রেফতার

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তাহরীম হোসেন সীমান্তসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তাহরীম হোসেন সীমান্তসহ ৪৪ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা

0 মন্তব্য