সারা দেশ

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ডিবির সঙ্গে পুলিশ সুপারের গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি ) নিউজ
ডিসেম্বর ১৮, ২০২৫ | 0
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ডিবির সঙ্গে পুলিশ সুপারের গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), টাঙ্গাইলের সকল অফিসার ও ফোর্সদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পুলিশের গোয়েন্দা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।সভা শুরুর আগে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় ডিবির সকল স্তরের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সময়োপযোগী ও অগ্রিম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারে অভিযান জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে মামলা রুজুসহ সন্ত্রাসী ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন তিনি। পুলিশ সুপার আরও বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে পুলিশ সদস্যদের সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য বা পক্ষপাতিত্ব বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন পুলিশ সুপার। তিনি জানান, নির্বাচন ও গণভোট চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ডিবির অফিসার ও ফোর্সরা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেন এবং দায়িত্ব পালনে আরও নিষ্ঠা ও তৎপরতার সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ডিবির সঙ্গে পুলিশ সুপারের গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), টাঙ্গাইলের সকল অফিসার ও ফোর্সদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পুলিশের গোয়েন্দা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। সভা শুরুর আগে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার মহোদয়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় ডিবির সকল স্তরের পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সময়োপযোগী ও অগ্রিম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারে অভিযান জোরদার করতে হবে। একই সঙ্গে মামলা রুজুসহ সন্ত্রাসী ও সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দেন তিনি। পুলিশ সুপার আরও বলেন, জনগণের আস্থা অর্জনে পুলিশ সদস্যদের সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শৈথিল্য বা পক্ষপাতিত্ব বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন পুলিশ সুপার। তিনি জানান, নির্বাচন ও গণভোট চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করবে। এ ক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।তবিনিময় সভায় উপস্থিত ডিবির অফিসার ও ফোর্সরা পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেন এবং দায়িত্ব পালনে আরও নিষ্ঠা ও তৎপরতার সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারী অফিসার ও ফোর্সদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারী অফিসার ও ফোর্সদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব আরও জোরদার করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে বডি-ওর্ন ক্যামেরা (Body Worn Camera) ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনকারী সকল অফিসার ও ফোর্স অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় বডি-ওর্ন ক্যামেরার কার্যকারিতা সঠিক ব্যবহারবিধি রক্ষণাবেক্ষণ তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্ব পালনের সময় এর কার্যকর প্রয়োগ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি নির্বাচনকালে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বডি-ওর্ন ক্যামেরার গুরুত্ব সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত থেকে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের ব্যবহৃত বডি-ওর্ন ক্যামেরার কার্যকারিতা এবং প্রশিক্ষণার্থীদের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করেন জনাব কাজী শাহনেওয়াজ পিপিএম-সেবা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) টাঙ্গাইল। এ সময় তিনি বলেন নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের পরিধেয় বডি-ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের সার্বক্ষণিক ভিডিও ধারণ করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি কার্যক্রম অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারযোগ্য থাকবে এবং ধারণকৃত ভিডিও সংরক্ষণ করা হবে। এসব ভিডিও ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাঅভিযোগের সঠিক তদন্ত ও যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আদনান মুস্তাফিজ সহকারী পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) টাঙ্গাইলসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অফিসারবৃন্দ। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যরা বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারে হাতে-কলমে ধারণা গ্রহণ করেন।

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ — মাননীয় ডিআইজি ঢাকা রেঞ্জ

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল অভিযান অব্যাহত

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকপ্রিজাইডিং অফিসারদের নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ

তারেক রহমানের টাঙ্গাইল আগমন উপলক্ষে জনসভার প্রস্তুতি ও সমাবেশস্থল পরিদর্শনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

তারেক রহমানের টাঙ্গাইল আগমন উপলক্ষে জনসভার প্রস্তুতি ও সমাবেশস্থল পরিদর্শনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আগামী ৩১ জানুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের টাঙ্গাইল আগমন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভার প্রস্তুতি ও সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) দুপুরে তিনি টাঙ্গাইল শহরের নির্ধারিত সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়ে মঞ্চ নির্মাণ, জনসমাগম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যান চলাচল ও সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং জনসভা সফল করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পরিদর্শনকালে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন তারেক রহমানের এই জনসভা টাঙ্গাইলবাসীর জন্য একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এই সমাবেশ নতুন গতি সঞ্চার করবে। তিনি আরও বলেন বিএনপি শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে জনসভা আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর। নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।এ সময় জেলা বিএনপি মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। নেতারা জানান ইতোমধ্যে জনসভাকে ঘিরে টাঙ্গাইলসহ আশপাশের উপজেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।উল্লেখ্য আগামী ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিতব্য এই জনসভায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল জোরদার

দেলদুয়ার থানাধীন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকনির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রিজাইডিং অফিসারদের নিরপেক্ষতার নির্দেশ

নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসকনির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রিজাইডিং অফিসারদের নিরপেক্ষতার নির্দেশ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি ২০২৬) টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা রিটার্নিং অফিসার, টাঙ্গাইল। পরিদর্শনকালে তিনি নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি প্রিজাইডিং অফিসারদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, সততা ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ভোটারদের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে তিনি উপজেলা পর্যায়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন এবং সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার একাধিক ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সকল ভোটকেন্দ্রকে আইপি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসারউপজেলা নির্বাহী অফিসার,নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার,দেলদুয়ারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। প্রশাসনের এ ধরনের তৎপরতায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতিভোটকেন্দ্র পরিদর্শন ও প্রিজাইডিং অফিসারদের প্রশিক্ষণে দিকনির্দেশনা দিলেন জেলা প্রশাসক

সখিপুরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রস্তুতি পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

0 মন্তব্য