সারা দেশ

টাঙ্গাইলে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত

reporter-icon
নাদিম: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
নভেম্বর ২০, ২০২৫ | 0
টাঙ্গাইলে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) ঢাকা-যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়। অভিযানে যানবাহনে অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহারের অভিযোগে ৩ টি গাড়ি থেকে মোট ৬ টি হাইড্রোলিক হর্ণ জব্দ করা হয় এবং দুই হাজার পাঁচশত টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট টি এম এ মুকিত, নুসরাত জাহান এবং শারমিন সুলতানা ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমান আদালতে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পাল। আইন-শৃংখলা রক্ষার দায়িত্বে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে টাঙ্গাইলে র‌্যাবের বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল জোরদার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে টাঙ্গাইলে র‌্যাবের বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল জোরদার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‌্যাব-১৪। জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, নোডাল পয়েন্ট ও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।র‌্যাব-১৪, ময়মনসিংহ-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় সিপিসি-৩, র‌্যাব-১৪, টাঙ্গাইলের একাধিক বিশেষ টহল দল মাঠে কাজ করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাবনা বাইপাস,আশেকপুর বাইপাস,ঘারিন্দা বাইপাস,করটিয়া বাইপাস,পাকুল্ল্যা বাইপাস,মির্জাপুর বাইপাস, বাসাইল বাইপাসসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বাহিরমুখে রোবাস্ট পেট্রোল পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে।র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কিংবা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। এ লক্ষ্যে র‌্যাবের টহল টিম রোবাস্ট পেট্রোল টিম ও গোয়েন্দা ইউনিট সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। সন্দেহজনক চলাচল, অবৈধ সমাবেশ কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। র‌্যাব ফোর্সেসের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কেউ যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বাহিনীটি। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে মধুপুর এলাকায় নির্বাচন ডিউটি উপলক্ষে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে র‌্যাব। সেখান থেকেও টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাচনের আগে ও ভোটগ্রহণের দিন বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।র‌্যাব-১৪,টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক ও সহিংসতামুক্ত রাখতে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম নির্বাচনকালীন পুরো সময়জুড়ে অব্যাহত থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৫৩ বিজিবি'র অভিযানে ০২টি বিদেশী পিস্তল, ০৪ টি ম্যাগজিন ও গুলি ৩ রাউন্ড জব্দ

নির্বাচনী হাওয়ায় গোপালপুর: দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল জনসমাবেশ ও মিছিল

৪৬তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে দেশসেরা শিপন রানা অধ্যবসায় ত্যাগ ও বিশ্বাসে গড়া অনন্য সাফল্যের গল্প

ধনবাড়ীর সকল ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন

ধনবাড়ীর সকল ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে প্রশাসনের কঠোর প্রস্তুতি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার সকল ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন প্রশাসন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা রোধ করা সম্ভব হয়।প্রশাসন সূত্র জানায় ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ফলে ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা যাবে।এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে তারা বদ্ধপরিকর।এ লক্ষ্যে ধনবাড়ীবাসীর সচেতনতা সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। প্রশাসন আশা প্রকাশ করে জানায় সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় ধনবাড়ী উপজেলায় একটি শান্তিপূর্ণ ও আদর্শ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0

নিরাপদ চিকিৎসা ও পরিবেশ সুরক্ষা আন্দোলনের আত্মপ্রকাশ

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল অভিযান অব্যাহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬ উদযাপন

গোপালপুর ও ধনবাড়িতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার

গোপালপুর ও ধনবাড়িতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে গোপালপুর ও ধনবাড়ি থানাধীন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার টাঙ্গাইল জনাব শরীফা হক এবং পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি, ভোটগ্রহণের পরিবেশ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, ভোটাররা যেন শান্তিপূর্ণ ও নির্ভয়ে তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পর্যাপ্ত ও কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ও নিবিড় নজরদারি কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার, টাঙ্গাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোপালপুর ও ধনবাড়ি; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণসহ জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যা অপস্) টাঙ্গাইল জনাব ফৌজিয়া হাবিব খান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গোপালপুর সার্কেল জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার, মধুপুর সার্কেল, টাঙ্গাইল এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0

গোপালপুর ও ধনবাড়ীতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার

টাঙ্গাইলে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী নির্বাচনী প্রচারণা

0 মন্তব্য