সারা দেশ

টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও জনসমাবেশ

reporter-icon
কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি ) নিউজ
জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ | 0
টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও জনসমাবেশ গণভোটে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান মাননীয় উপদেষ্টার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই সভায় অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। মতবিনিময় সভায় জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইলসহ জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসারবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক সমন্বয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় মাননীয় উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে নিরপেক্ষতা পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।তিনি বলেন গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং গণভোট। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন কোনো প্রকার অনিয়ম বিশৃঙ্খলা বা আইনবহির্ভূত কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না এবং এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।মতবিনিময় সভা শেষে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক বৃহৎ জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। জনসমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।জনসমাবেশে মাননীয় উপদেষ্টা বলেন গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। একটি শান্তিপূর্ণ স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোটই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মতামত প্রদানের আহ্বান জানান এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।তিনি আরও বলেন গণভোটে জনগণের মতামতই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি। তাই কোনো প্রকার বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাধারণ জনগণ গণভোট ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত উদ্যোগের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও রেলপথ মন্ত্রণালয়-এর মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান । উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকটাঙ্গাইল পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইলসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল); অফিসার ইনচার্জ (সকল); উপজেলা নির্বাচন অফিসার (সকল) ও জেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলের কর্মকর্তাবৃন্দ ।মতবিনিময় সভা শেষে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান । তিনি গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি স্বচ্ছ শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও জনসমাবেশ

টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও জনসমাবেশ গণভোটে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিতের আহ্বান মাননীয় উপদেষ্টার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত এই সভায় অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। মতবিনিময় সভায় জেলা পর্যায় থেকে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নির্বাচন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইলসহ জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসারবৃন্দ এবং জেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ এবং নির্বাচনকালীন প্রশাসনিক সমন্বয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় মাননীয় উপদেষ্টা সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে নিরপেক্ষতা পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।তিনি বলেন গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এবং গণভোট। জনগণের আস্থা অর্জন করতে হলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন কোনো প্রকার অনিয়ম বিশৃঙ্খলা বা আইনবহির্ভূত কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না এবং এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।মতবিনিময় সভা শেষে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক বৃহৎ জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। জনসমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জনপ্রতিনিধি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ ভোটাররা উপস্থিত ছিলেন।জনসমাবেশে মাননীয় উপদেষ্টা বলেন গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। একটি শান্তিপূর্ণ স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোটই দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করবে। তিনি ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে মতামত প্রদানের আহ্বান জানান এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।তিনি আরও বলেন গণভোটে জনগণের মতামতই হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তি। তাই কোনো প্রকার বিভ্রান্তি বা অপপ্রচারে কান না দিয়ে সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সাধারণ জনগণ গণভোট ও নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের গৃহীত উদ্যোগের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ও রেলপথ মন্ত্রণালয়-এর মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান । উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসকটাঙ্গাইল পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইলসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল); অফিসার ইনচার্জ (সকল); উপজেলা নির্বাচন অফিসার (সকল) ও জেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলের কর্মকর্তাবৃন্দ ।মতবিনিময় সভা শেষে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপদেষ্টা জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান । তিনি গণভোটে জনগণের সক্রিয় ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি স্বচ্ছ শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক গণভোট আয়োজনের লক্ষ্যে সকলকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

জানুয়ারী ১৯, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত

পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান করালেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল

শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যোগে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

গোপালপুরে যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট, ১৫টি মোটরসাইকেল আটক

গোপালপুরে যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট, ১৫টি মোটরসাইকেল আটক টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে কাগজপত্র ও বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় ১৫টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত গোপালপুর থানা মোড় এলাকায় বিজিও নং–৫২৭৪৫ ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ এরশাদ আলীর নেতৃত্বে একটি টহল দল এবং গোপালপুর থানা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে এ চেকপোস্ট পরিচালনা করা হয়। চেকপোস্ট চলাকালে বিভিন্ন মোটরসাইকেল তল্লাশি করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় ১৫টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। পরে আটককৃত মোটরসাইকেলগুলো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোপালপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। অভিযান চলাকালে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা যানবাহন চালকদের সড়ক আইন মেনে চলা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা এবং নিরাপদভাবে যানবাহন পরিচালনার বিষয়ে সচেতন করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0

রাজশাহীতে বিশেষ কল্যাণ সভায় আইজিপিপেশাদারিত্ব ও জনবান্ধব পুলিশিং জোরদারের আহ্বান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যশোরে পুলিশ সুপারের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন

বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অবসরপ্রাপ্ত পুলিশসহ নিহত ২ আহত ২

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার ৭৭ মোটরসাইকেল আটক

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার ৭৭ মোটরসাইকেল আটক জরিমানা আদায় সাড়ে তিন লাখ ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। নগর ও গ্রামীণ গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, প্রবেশপথ এবং জনবহুল এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে বিশেষ চেকপোস্ট। অভিযানে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, ট্রাক, সিএনজি ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে নিবিড় তল্লাশি চালানো হচ্ছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় চলমান অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ অবৈধ অস্ত্র ও মাদক পরিবহন রোধ, যানবাহনের কাগজপত্র যাচাই এবং সাধারণ জনগণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।বিশেষ চেকপোস্ট অভিযানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যানবাহন তল্লাশি করা হয়েছে। নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে একাধিক মোটরসাইকেল আটক করা হয় এবং আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানের সারসংক্ষেপ তল্লাশীকৃত মোট যানবাহন: ৭০৩টি তল্লাশীকৃত মোটরসাইকেল: ১,৫৭৪টি আটককৃত মোটরসাইকেল: ৭৭টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে দাখিলকৃত প্রসিকিউশন: ৮১টি আদায়কৃত মোট জরিমানার পরিমাণ: ৩,৪২,০০০ (তিন লাখ বিয়াল্লিশ হাজার) টাকা জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সাধারণ জনগণকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে অপরাধ ও অপরাধী সম্পর্কে যেকোনো তথ্য নিকটস্থ থানা বা পুলিশের নির্ধারিত নম্বরে জানালে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও বিশেষ চেকপোস্ট ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভুয়াপুরে বিএনপিসহ বিভিন্ন দল থেকে জামায়াতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

টাংগাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপালে রোগীর স্যালাইন ঝুলছে গাছে

0 মন্তব্য