আইন-অপরাধ

বেগমগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোরকে হত্যা ; র‍্যাব-১১ হাতে এজাহারনামীয় আসামি গ্রেফতার

reporter-icon
নিজস্ব প্রতিবেদক: অনলাইন
অক্টোবর ৬, ২০২৫ | 0

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে কিশোর মারওয়ান হোসেন বিজয় হত্যা মামলার এজাহারনামীয় এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১১) সিপিসি-৩, নোয়াখালী।

গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলো,শাফায়েত হোসেন সৈকত (২০)। তিনি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার পূর্ব একলাশপুর গ্রামের শহীদুল্লাহ ও শাহিদা আখতারের ছেলে।

সোমবার (৬ অক্টোবর ) সকালে র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ( ৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বেগমগঞ্জ থানার বাসস্ট্যান্ড এলাকার নূর ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স দোকানের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে, ৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৯টার দিকে বেগমগঞ্জ উপজেলার কল্লা মার্কেট এলাকায় মারওয়ান হোসেন বিজয় (১৭) নামের এক কিশোরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিন শতাধিক বার কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

ভিকটিমের বোন শাহানাজ আক্তার সুবর্ণা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‍্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত সৈকতসহ অন্যান্য আসামীরা স্থানীয় কুখ্যাত ‘দেলোয়ার বাহিনীর’ সদস্য। তারা পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে বিজয়কে রাস্তার ওপর আটকে ধারালো রামদা, কিরিচ, ছোরা ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে। বিজয়ের সঙ্গে থাকা আরেকজনকেও তারা কুপিয়ে আহত করে। পরে স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় বিজয়কে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

র‌্যাব-১১ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু বলেন,ঘটনার পর থেকে মামলার আসামীরা পলাতক ছিল। র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩-এর গোয়েন্দা তৎপরতায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিজের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করেছে। 
 
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

আইন-অপরাধ

আরও পড়ুন
ডিউটিরত পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত অস্ত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার গ্রেফতার ১

ডিউটিরত পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত অস্ত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার গ্রেফতার ১ নারায়ণগঞ্জে ডিউটিরত পুলিশের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া একটি সরকারি পিস্তল দুটি ম্যাগাজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত এক দুষ্কৃতকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ জানায় গত ৯ মার্চ সকাল ৬টা ১০ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই (নিরস্ত্র) এসএম লুৎফর রহমান নগর ভবনের সামনে ডিউটিরত ছিলেন। এসময় মোটরসাইকেলে করে আসা তিন দুষ্কৃতকারী চাপাতিসহ দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে তাকে ভয়ভীতি দেখায় এবং আঘাত করে তার সরকারি ইস্যুকৃত একটি পিস্তল দুটি ম্যাগাজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর এএসআই এসএম লুৎফর রহমানের এজাহারের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা তিনজনকে আসামি করে দস্যুতা মামলা দায়ের করা হয়।এরপর নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সির নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদীর নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক সার্কেল) মো. হাছিনুজ্জামানসহ সদর মডেল থানা ও ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো.ইব্রাহিম হোসেনের নেতৃত্বে গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম যৌথভাবে অভিযান চালায়। এসময় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।অভিযানের এক পর্যায়ে মো. মিশাল ওরফে বিশাল (৩০) নামে এক দুষ্কৃতকারীকে বন্দর থানাধীন সোনাকান্দা ব্যাপারীপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।তিনিনারায়ণগঞ্জের দেওভোগ পানির ট্যাংক এলাকার মৃত মিজানুর রহমানের ছেলে। এসময় ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি চাপাতি একটি ছোরা ও একটি বড় ছুরি উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারকৃত মিশাল পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানায় তার সহযোগী জিয়াম ওরফে রাফি (৩৪) ডাকু জুয়েল (২৬) ও আরহাম (৩২) মিলে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটায়। এদের বিরুদ্ধে The Arms Act1878 আইনে সদর মডেল থানায় একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে।পরে মিশালের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বন্দর থানাধীন রেলী আবাসিক এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের উইলসন রোডে একটি বাড়ির সামনে পরিত্যক্ত সিমেন্টের বস্তার ভেতর লাল কাপড়ের শপিং ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় ছিনতাইকৃত একটি পিস্তল দুটি ম্যাগাজিন ও ১৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত মিশালের বিরুদ্ধে এর আগে একটি ধর্ষণ মামলাও রয়েছে।এ ঘটনায় পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬ 0

মধুপুরে পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন

টাঙ্গাইলের সাবালিয়ায় আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবম শ্রেণির ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু চাঞ্চল্য

ঘাটাইলে প্রাইভেটকার চুরি মামলার সন্দেহভাজন গ্রেফতার

পূর্ব শত্রুতার জেরে গোপালপুরে হত্যা মামলার আসামি লাভলু মিয়া গ্রেফতার

পূর্ব শত্রুতার জেরে গোপালপুরে হত্যা মামলার আসামি লাভলু মিয়া গ্রেফতার পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘটিত টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার আলোচিত আঃ বাছেদ (৬০) হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোঃ লাভলু মিয়া ওরফে লাভু (৪৫) কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।র‍্যাব-১৪ এর টাঙ্গাইল ক্যাম্পের সিপিসি-৩ এর একটি আভিযানিক দল র‍্যাব-১৩ এর নীলফামারী ক্যাম্পের সহায়তায় মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) সকাল আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার একটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।র‍্যাব জানায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নিহত আঃ বাছেদ স্থানীয় আলমনগর বাজার থেকে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে গোপালপুর উপজেলার যুগিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে লাভলু মিয়া ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পথরোধ করে। পরে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর আহত করে। নিহত বাছেদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মোছা. লিমা খাতুন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দায়ের করা হয় (মামলা নং-০৩)। মামলায় পেনাল কোডের ১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬/১১৪ ধারার সঙ্গে ৩০২ ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে। র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, মামলার পর থেকে র‍্যাব-১৪ টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়া তদন্ত চালিয়ে পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে তৎপরতা চালিয়ে আসছিল। এর আগে গত ৫ মার্চ একই মামলার আরেক এজাহারভুক্ত আসামি মোঃ সালমান (৩০) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব।গ্রেফতারকৃত আসামি লাভলু মিয়াকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

মার্চ ১০, ২০২৬ 0

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনে জরিমানা

সখিপুরে বেশি দামে তেল বিক্রি: দুই দোকানিকে জরিমানা

যশোরে খাদ্যে ভেজাল- র‍্যাবের অভিযানে ৪ লাখ টাকা জরিমানা ৪ জনের কারাদণ্ড

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ৮ বছরের শিশু কন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা-আটক ১

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ৮ বছরের শিশু কন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা, আটক ১ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় ৮ বছর বয়সী এক শিশু কন্যাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (তারিখ) বিকেলে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের পোষ্টকামারী গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। নিহত শিশু কন্যার নাম আয়শা আক্তার (৮)। সে উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের পোষ্টকামারী গ্রামের বাসিন্দা মো. হাসেম মিয়ার মেয়ে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে আয়শা বাড়ির পাশেই প্রতিবেশী বাহাদুর মিয়ার বাড়ির পেছনে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। এ সময় বিকেলের দিকে শিশুটির চাচা মো.ফজলু মিয়া মাঠে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে ঘটনাস্থলের কাছে আয়শাকে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি পরিবারের সদস্যদের খবর দিলে স্বজনরা ঘটনাস্থল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।নিহত আয়শার মা জানান ঘটনার সময় তার মেয়ের পায়ে একটি নুপুর ছিল। কিন্তু মরদেহ উদ্ধারের সময় সেই নুপুরটি আর পাওয়া যায়নি। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন নেশার টাকার জন্য প্রতিবেশী মাদকাসক্ত আজমির হোসেন (১৬) তার মেয়েকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে নুপুরটি নিয়ে যেতে পারে।এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে নাগরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজমির হোসেন (১৬) নামে এক কিশোরকে আটক করে।নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.মুরাদ হাসান জানান নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের পর হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে তিনি জানান।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মার্চ ৯, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে পুলিশের অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ৩০ জন গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন মিনি পেট্রোল পাম্প বন্ধ জরিমানা ৩৫ হাজার

র‍্যাবের পৃথক দুই অভিযানে হত্যা মামলার পলাতক দুই আসামি গ্রেফতার

0 মন্তব্য