কায়াকিং করতে গিয়ে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই হ্রদে ডুবে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর)২৫ খ্রিঃ
সকাল ৮ঃ৩০ মিনিটের সময় জেলার বালুখালী ইউনিয়নের "স্বর্ণদ্বীপ আইল্যান্ড"নামের রিসোর্টের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত পর্যটকের নাম মোঃ ইফরাত (২৬)।
তিনি রাজধানীর পুরান ঢাকার নাজিরা বাজার এলাকার মোঃ ওয়াসিমের ছেলে।
ওই রিসোর্টেই তিনি বন্ধুদের সঙ্গে গঘুরতে এসেছিলেন।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, ইফরাত তাঁর ছয় বন্ধুর সঙ্গে হ্রদে কায়াকিং করতে নামেন।
একপর্যায়ে তিনি উল্টে পানিতে পড়ে যায়।
তাঁর পরনে লাইফ জ্যাকেট ছিল না।
খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উদ্ধার অভিযানে নামে ফায়ার সার্ভিস।
পরে বেলা ১১টা ১৫ মিনিটের সময় ইফরাতের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এরপর পুলিশের কাছে লাশ হস্তান্তর করে ফায়ার সার্ভিস।
এ-সময় রাঙ্গামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃজসিম উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজার নামাজে অংশ নিয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রিয়াদ খান। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নিজ গ্রাম এলাকায় জানাজার নামাজ পড়ান তিনি। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবাকে দাফন করা হয়। রিয়াদ খান উয়ার্শী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক। এর আগে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের মল্লিক মার্কেট এলাকার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রিয়াদ খানের বাবা শহীদুজ্জামান খান বার্ধক্যজনিত ও অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে শনিবার সকালে রিয়াদের বড় ভাই অয়ন খান আইনজীবীর মাধ্যমে টাঙ্গাইল আদালতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারকের নির্দেশে পুলিশ সদস্যরা রিয়াদ খানকে হাতকড়া ও দড়ি পরানো অবস্থায় জেল থেকে উয়ার্শী গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে দুপুরে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে তিনি তার বাবার জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। জানাজা শেষে পুলিশ পুনরায় তাকে হেফাজতে নেয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে পুলিশের ছররা গুলিতে গুরুতর আহত হন গোড়াই ইউনিয়নের লালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা হিমেল। এ ঘটনায় হিমেলের দুই চোখ চিরতরে অন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় হিমেলের মা নাছিমা বেগম টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, মির্জাপুর আমলিতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১০০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলার অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পুলিশ রিয়াদ খানকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়।
ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে সন্তোষ প্রকাশ করলেন পুলিশ সুপার ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢাকা জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ অফিসার ও ফোর্সদের অংশগ্রহণে এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।ঢাকা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান সুসজ্জিত অভিবাদন মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সালামি গ্রহণ করেন। পরে তিনি প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী অফিসার ও ফোর্সদের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।মাস্টার প্যারেডে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দোহার সার্কেল) জনাব মোঃ রাকিবুল হাসান ইশান। তার দক্ষ নেতৃত্বে প্যারেডটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।প্যারেড চলাকালে পুলিশ সুপার মহোদয় অফিসার ও ফোর্সদের শারীরিক ফিটনেস, টার্নআউট, কিটের মান এবং সামগ্রিক শৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে জিএস (গুড সার্ভিস) মার্ক প্রদান করেন। প্যারেড শেষে তিনি অংশগ্রহণকারীদের পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলাবোধের প্রশংসা করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।এ সময় পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে সততা, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব পুলিশিং আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্যারেড পরবর্তী সময়ে পুলিশ সুপার মহোদয় রিজার্ভ অফিস, আরআই অফিসসহ পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ খাইরুল আলম, জেলা পুলিশের সকল সার্কেল অফিসারগণ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে মানবিক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতীব্র শীতে ১৫০ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কষ্ট লাঘবে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) টাঙ্গাইল। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক চেতনা থেকে পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় এক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।পিটিসি টাঙ্গাইল ক্যাম্পাসের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম মহোদয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ড.এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান বিপিএম পিপিএম,এডিশনাল ডিআইজি (কারিকুলাম) এবং ডেপুটি কমান্ড্যান্ট জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমান (এডিশনাল ডিআইজি)। এ ছাড়া পিটিসি টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ প্রশিক্ষকবৃন্দ,কর্মরত পুলিশ সদস্য এবং স্টাফগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে পার্শ্ববর্তী ভাতকুড়া, ছাওয়ালী ও মহেড়া এলাকার দুস্থ,অসহায় প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মোট ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জন মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে স্বস্তির ছাপ ফুটে ওঠে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বলেন,পুলিশ শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, মানবিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন,শীত মৌসুমে দরিদ্র মানুষের কষ্ট অনেক বেশি বেড়ে যায়। এ সময় সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। পিটিসি টাঙ্গাইলের এ উদ্যোগ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুপ্রাণিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি শেষে উপকারভোগীরা পিটিসি টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং পুলিশ বাহিনীর মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো—আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও বাংলাদেশ পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।