সারা দেশ

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের গর্ব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মনোনীত

reporter-icon
মকবুল হোসেন: ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি
আগস্ট ৪, ২০২৫ | 0
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের গর্ব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মনোনীত

একজন আলোকিত শিক্ষাবিদের আরও একটি গৌরবময় সাফল্য ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন ডিগ্রিভূমি গ্রামের কৃতি সন্তান,শিক্ষাজগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের প্রখ্যাত অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী (খায়রুল)  সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
ছাত্র জীবনে তিনি গফরগাঁও ইসলামিয়া সরকারি হাইস্কুল এবং নটরডেম কলেজ, ঢাকার মেধাবী প্রাক্তন শিক্ষার্থী ছিলেন। শিক্ষা, গবেষণা ও নেতৃত্ব গুণে তিনি আজ জাতীয় পর্যায়ে উচ্চ মর্যাদায় আসীন।

এই গর্বিত মনোনয়ন রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর কর্তৃক আগামী তিন বছরের জন্য শিক্ষাবিদ কোটা থেকে তাঁকে প্রদান করা হয়েছে—এ যেন পাগলা থানা গফরগাঁও উপজেলার মাটি ও মানুষের জন্য এক বিশাল অর্জন!
এলাকাবাসী, জানান আমরা দোয়া করি— মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাঁকে আরও উচ্চতর দায়িত্ব পালনের তৌফিক দেন, জ্ঞান ও আদর্শের আলো ছড়িয়ে দেন আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে।
আমাদের প্রিয়  খায়রুল এর এই সাফল্যে আমরা গফরগাঁওবাসী তথা পাগলা থানাবাসী অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

এলাকার সর্বজন  তাঁকে জানায় প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। এই অর্জন যেন হোক আগামী প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা।
 

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
ভালুকায় ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ নিখোঁজ, পরিবারের আকুতি

ময়মনসিংহের ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা এলাকায় ৭৫ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজ ব্যক্তির নাম নাজিম উদ্দিন শেখ। তার পিতার নাম আব্দুল গণি শেখ। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হাজির বাজার – মেহরাবাড়ি এলাকা থেকে তিনি নিখোঁজ হন। ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি কোনো সহৃদয়বান ব্যক্তি তাকে দেখে থাকেন বা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জেনে থাকেন, তাহলে অনুগ্রহ করে দ্রুত ০১৬৮৩৬৫৬৭৪৬ অথবা ০১৭২১-৫৪৭৮৩৮ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। পাশাপাশি নিকটস্থ থানায় তথ্য দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, একটি ছোট তথ্যও হতে পারে তাদের প্রিয় মানুষটিকে ফিরে পাওয়ার একমাত্র ভরসা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলের বাসাইলে সিএনজির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী শামীম আল হোসেন নিহত

টাঙ্গাইলের বাসাইলে সিএনজির ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী শামীম আল হোসেন নিহত

রমজান উপলক্ষে টাঙ্গাইলে জোরদার বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট অভিযান

রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং

রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিশেষ বাজার মনিটরিং শুরু

রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিশেষ বাজার মনিটরিং শুরু মূল্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান অব্যাহত পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে দেশব্যাপী জোরদার করা হয়েছে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম। জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর এলাকার কাঁচাবাজার, পাইকারি বাজার এবং খুচরা বিপণিকেন্দ্রে একযোগে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রমজানজুড়ে চাল,ডাল,তেল,চিনি,ছোলা, খেজুর ডিম,মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। বাজারে মূল্য তালিকা প্রদর্শন ক্রয় রসিদ সংরক্ষণ অতিরিক্ত মজুদ এবং কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মূল্য তালিকা না টাঙানো নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ওজনে কারচুপি কিংবা ভেজাল পণ্য বিক্রির অভিযোগে কয়েকজন ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সতর্ক করে ভবিষ্যতে আইন মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়।জেলা প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের পাশাপাশি ভোক্তাদেরও সচেতন হতে হবে। কোনো অনিয়ম চোখে পড়লে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন বা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গেছে, রমজান মাসব্যাপী এ বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারের লক্ষ্য—জনগণ যেন স্বস্তিতে ও ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা

গোপালপুরে কাহেতার উদ্যোগে ১০০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল দিকে তিনি কারাগারে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং বন্দীদের কল্যাণ ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় খতিয়ে দেখেন।পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক কারাগারের আবাসিক সেল রান্নাঘর খাদ্য সংরক্ষণাগার চিকিৎসাকেন্দ্র সাক্ষাৎ কক্ষ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি বন্দীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের থাকা-খাওয়া চিকিৎসা সুবিধা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে খোঁজ নেন। কারাগারের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করা এবং নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন কারাগার শুধু শাস্তির স্থান নয় এটি সংশোধনাগার। বন্দীদের মানবাধিকার রক্ষা স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কার্যক্রম জোরদার করার মাধ্যমে তাদের সমাজে পুনর্বাসনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি কারা কর্তৃপক্ষকে বন্দীদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা এবং পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।পরিদর্শন শেষে তিনি কারাগারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং যেসব বিষয়ে উন্নতির সুযোগ রয়েছে সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন।এ সময় কারা সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির বার্ষিক পরিদর্শন

ময়মনসিংহ পুলিশের ফোর্সের সম্মানসূচক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

0 মন্তব্য