আইন-অপরাধ

গোপালপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবনে এক ব্যক্তির কারাদণ্ড

reporter-icon
গোপালপুর (টাঙ্গাইল): প্রতিনিধি
নভেম্বর ৭, ২০২৫ | 0

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদকসেবনের অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ব্যক্তিকে এক বছর ১১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে।

গত (৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার আনুমানিক রাত ১০টা দিকে, গোপালপুর পৌর এলাকার ডুবাইল গাঙ্গাপাড়া এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

অভিযানের সময় এক ব্যক্তিকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পরে “মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮” এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ০১ (এক) বছর ১১ (এগার) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ (পঞ্চাশ) টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর থানার এসআই নাসির আহম্মেদ ও পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে এবং সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত থাকবে

সর্বাধিক পঠিত
যুবদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতেই যুবককে পেটালেন নেতাকর্মিরা

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াসের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতে মারজান উদ্দিন (২৯) নামে এক যুবক বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে থানা প্রাঙ্গণে মব সৃষ্টির চেষ্টার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মারধরকারীরা উপজেলা বিএনপির অঙ্গও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মি এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াসের অনুসারী। রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও থানা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, হেলাল উদ্দিন, ইমতিয়াজ, ফরিদ উদ্দিন, ওমর ফারুক, কোহিনুর বেগম, উম্মে কুলসুম, নাজিম উদ্দিন, মারজান উদ্দিন, সাইফুজ্জামান, শাহাব উদ্দিন ও মহিমা বেগম। এদের মধ্যে এক নারীসহ দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মারজান উদ্দিন ও তার বড় ভাই উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিনকে থানায় সোপর্দ করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ১৬ অক্টোবর উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের লামছড়ি গ্রামের কামাল উদ্দিনের মেয়ে নিগার সুলতানার পারিবারিক ভাবে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়েতে নিজ গ্রামের হুজুরকে দাওয়াত না দিয়ে অন্য গ্রামের হুজুর দিয়ে বিয়ে পড়ানো হয়। এ নিয়ে সমাজের মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার হেলাল মাঝির সাথে কামালের ছোট ভাই উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিনের বাকবিতন্ডা হয়। রোববার সকালে স্থানীয় রামচরণ বাজার থেকে শাহাব উদ্দিন বাড়ি ফেরার পথে নলচিরা ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের রবিনের দোকানের সামনে হেলাল মাঝির নেতৃত্বে কিছু লোক তাকে মারধর করে। খবর পেয়ে শাহাব উদ্দিনের ভাই মারজান ও নাজিম ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তাদের বেধড়ক মারধর করে তিনজনকে কুপিয়ে আহত করে। পরে তারা বাড়ি চলে গেলে লামছড়ি গ্রামের তাদের দুটি বসতঘরে হামলা ভাংচুর করে নগদ টাকাও স্বর্ণালংকার লুটে নেয় এবং তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ শাহাব উদ্দিন ও মারজানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসকে তার অনুসারীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ডেকে নেয়। সেখানে তার নেতৃত্বে পুলিশের সামনে শাহাব উদ্দিন ও তার ভাই মারজানের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মিরা। পরে হাসপাতাল থেকে থানায় নেওয়ার পথে হাসপাতালের ফটকের সামনে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতে যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মিরা হামলা চালায়। পুলিশের গাড়িতেই পুলিশকে হেনেস্তা করে মারজানকে বেধড়ক মারধর করে তার শরীর থেকে সব ব্যান্ডেজ খুলে নেয়। এরপর তারা থানার সামনে গিয়েও তার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে ব্যাপক হট্রগোল সৃষ্টি করে।     হেলাল মাঝি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, শাহাব উদ্দিনের ভাইয়ের মেয়ের বিয়েতে আমাদের মসজিদের হুজুরকে দাওয়াত না দিয়ে অন্য হুজুরকে দাওয়াত দেওয়া হয়। আমি মসজিদের ক্যাশিয়ার হিসেবে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে শাহাব উদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে হুমকি দেন। রোববার সকালে আমি স্থানীয় রামচরণ বাজারে উঠলে তিনি আমাকে দেখে হামলা চালান। ওই সময় তার আরো ৪ভাই এসে আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং কুপিয়ে আহত করে। এতে আমাদের কয়েকজন গুরুত্বর আহত হয়। এদের মধ্যে কোহিনুর ও ফরিদ উদ্দিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।   থানা প্রাঙ্গণে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুলকে যুবদল নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলতে শুনা যায়, আপনার মত মানুষ যদি....। তাকে আমরা হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসছি, তাকে মারার দরকার আছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হবে। একপর্যায়ে এসআই মিনহাজুল মাটিতে বসে গিয়ে প্রশ্ন করে আমার সামনে আসামিকে মারধর করে কিভাবে। ওই ভিডিওতে ইলিয়াসকে থানা প্রাঙ্গণে দলীয় নেতাকর্মিদের নিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে দেখা যায়।   হাতিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক বাবর আজম বলেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। এতে সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। ইলিয়াসের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের অনুসারী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।     তবে অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াস বলেন, আমার উপস্থিতিতে কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি। উল্টো আমরা আমাদের দলের কয়েকজন নেতা লাঠি-সোটা দিয়ে আমাদের দলের লোকজনকে পিটিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছি। প্রথমে সমস্যা ছিল বিয়ে নিয়ে। পরে এটা এনসিপি বনাম বিএনপি হয়ে গেছে। শাহাব উদ্দিন কৃষি অফিসের একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি ও মূলত ছাত্রলীগের একজন লাঠিয়াল ছিল। তার লোকজনের হামলায় প্রতিপক্ষের ৭জন আহত হয়েছে। আমরা আমাদের দলীয় নেতাকর্মিকে নির্দেশনা দিয়েছি কারো ওপরে যেন কোন আঘাত না হয়। যা হয়েছে, এগুলো দলের বদনাম আসবে, তোমরা যদি দলবদ্ধ হয়ে আঘাত করতে যাও।   জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মন্জুরুল আজিম সুমন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হবে।   জানতে চাইলে হাতিয়ার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুল আবেদীন বলেন, কৃষি কর্মকর্তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে অবহিত করলে আমি আহত অবস্থায় অবরুদ্ধ দুই ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এর মধ্যে প্রথমে কৃষি কর্মকর্তাকে চিকিৎসা দিয়ে থানায় হেফাজতে নেওয়া হয়। তার ভাই মারজানকে চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে আসার পথে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে পুলিশের গাড়িতেই তার সকল ব্যান্ডেজ খুলে নিয়ে তাকে পিটানো হয়। ওই সময় হাসপাতালের ফটকের সামনে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের সবাই ছিল।     হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, দুই গ্রুপই কোপাকুপি করছে। একপর্যায়ে জনগণ কৃষি কর্মকর্তার বাড়ি ঘর ভাংচুর করছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পুলিশ হেফাজতে আছে। দুই পক্ষই মামলা করবে। এটা পলিটিক্যাল কোন বিষয়না। সাহাব উদ্দিন সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর দোসর ছিল, ফ্যাস্টিট ছিল। গত ৮-১০ বছর সে এখানে চাকরি করতেছে। সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার শর্তে তিনি আওয়ামী লীগের সাথে এসে দল ভারি করছে। আগে থেকেই জনগণের তার ওপর একটা রাগ ছিল। ওসি আরও বলেন, পরবর্তীতে অন্য গ্রুপ থানা প্রাঙ্গণে এসে বলে ফ্যাস্টিসকে আমাদের হাতে তুলে দেন, আমরা তাকে নিয়ে যাব। এ নিয়ে থানার প্রাঙ্গণে উচ্চবাচ্য হয়েছে।

সুনামগঞ্জে দু”দিনব্যাপপী শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৮তম জন্মোৎসব উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা

সুনামগঞ্জে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৮তম শুভ জন্মোৎসব উদযাপন উপলক্ষ্যে দুই দিনব্যাপি অনুষ্ঠান চলছে। শহরের সরকারি জুবিলী স্কুল মাঠে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সমবেত বিনতি প্রার্থনা, নাম জপ ও সদ্গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে দুই দিনব্যাপি উৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে ১৩৮ তম জন্ম-মহোৎসব উদযাপন কমিটি ও সৎসঙ্গ বিহার সুনামগঞ্জের উদ্যোগে শহরে সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়(বালুর) মাঠ থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় বালুর মাঠে গিয়ে ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান,কুইজ প্রতিযোগিতা, কর্মী সম্মেলন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, নীলা কীর্ত্তন,ধর্ম সভা ও উপস্থিত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৩৮ তম জন্ম-মহোৎসব উদযাপন কমিটি ও সৎসঙ্গ বিহার সুনামগঞ্জের সভাপতি শ্রী রঞ্জিত কুমার তালুকদার,সাধারন সম্পাদক শ্রী দিবাকর দাসসহ অনেকেই। সবারই প্রত্যাশা বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সুনামগঞ্জ হচ্ছে সম্প্রীতির একটি নিদর্শন। এই জেলায় যুগ যুগ ধরে হিন্দু.মুসলিম,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের মানুষের মাঝে সম্প্রীতির যে একটি মিলবন্ধন রয়েছে তা আগামী প্রজন্ম ও ধরে রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরিষাবাড়ীর কাবারিয়াবাড়ীতে মাদকবিরোধী অভিযান: লিফলেট বিতরণ ও পোস্টারিং, মাদক নির্মূলে গ্রামবাসীর জোর দাবি

জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলা-এর আওনা ইউনিয়ন-এর অন্তর্গত কাবারিয়াবাড়ী গ্রামে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গ্রামকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সচেতন মানুষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং বিভিন্ন দোকানপাট, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনসমাগমস্থলে মাদকবিরোধী পোস্টার লাগানো হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কাবারিয়াবাড়ী এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে মাদকের বিস্তার ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যক্তির কারণে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরিচিত ও সন্দেহভাজন লোকজনের আনাগোনা বেড়ে গেছে। এতে করে গ্রামের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং এলাকার সামাজিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা জানান, আগে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামটি শান্তিপূর্ণ ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মাদকের বিস্তার এবং কিছু অসাধু চক্রের তৎপরতার কারণে গ্রামের পরিবেশ ক্রমেই অশান্ত হয়ে উঠছে। এতে করে গ্রামের সম্মান, মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মাদকের প্রভাবের কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ঝগড়া-বিবাদসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের সামাজিক সমস্যার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এ পরিস্থিতিতে গ্রামের ছোট-বড় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তারা বলেন, মাদক শুধু একজন মানুষের জীবনই ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। তাই কাবারিয়াবাড়ী গ্রামকে মাদকমুক্ত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদকবিরোধী এই কর্মসূচির সময় গ্রামবাসীরা লিফলেটের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেন। লিফলেটে মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হয় এবং মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন দোকান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার লাগিয়ে এলাকাবাসীকে মাদকবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। গ্রামবাসীরা জানান, তারা শুধু সচেতনতা তৈরিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না। প্রয়োজনে গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে সামাজিকভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও ভাবছেন তারা। তবে এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে যারা মাদক ব্যবসা বা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। এদিকে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তারা আশা করছেন, প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গ্রামটিকে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত এলাকায় পরিণত করবে। স্থানীয়দের দৃঢ় বিশ্বাস, সামাজিক সচেতনতা, জনগণের ঐক্য এবং প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা থাকলে খুব শিগগিরই কাবারিয়াবাড়ী গ্রাম থেকে মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে করে আবারও গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সুস্থ ও নিরাপদ সমাজে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।

প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা ও পর্যটন বিকাশে দুর্গাপুরকে ঘিরে বড় পরিকল্পনার কথা জানালেন কায়সার কামাল

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

গোপালপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অটল শরিয়ত উল্লাহর পিতা আর নেই

গোপালপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অটল শরিয়ত উল্লাহর পিতা মো. ছাদরুল উলা ফকির ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার বড়মা মধ্যপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ১০৫ বছর। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। কর্মজীবনে তিনি ব্লক সুপারভাইজার (উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবেও এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন। শুক্রবার বাদ জুমআ মরহুমের নিজ বাড়িতে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে, ২ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের মৃত্যুতে গোপালপুর প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

আইন-অপরাধ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে র‍্যাবের অভিযানে ১০০ বোতল ‘এস্কাফ সিরাপ’সহ মাদককারবারি গ্রেফতার

টাঙ্গাইলে র‍্যাবের অভিযানে ১০০ বোতল ‘এস্কাফ সিরাপ’সহ মাদককারবারি গ্রেফতার ৫ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে ১০০ বোতল নেশাজাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য ‘এস্কাফ সিরাপ’ উদ্ধারসহ এক মাদককারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।র‍্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩,টাঙ্গাইল ক্যাম্প সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (৫ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে ঢাকা-টাঙ্গাইলমহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা বাজার এলাকায় একটি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ‘সাথী এন্টারপ্রাইজ’ নামক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়।তল্লাশিকালে মোঃ রবিউল ইসলাম (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বলে জানা গেছে।র‍্যাব জানায় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেজিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি তার কাছে মাদকদ্রব্য থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তার দেখানো মতে বহনকৃত ব্যাগ থেকে ১০০ বোতল ‘এস্কাফ সিরাপ’ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র‍্যাব জানিয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0

নোয়াখালীতে যৌথ অভিযানে ৩৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদককারবারি গ্রেপ্তার

গ্রামে বেআইনি সালিশ: নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল মাদকসহ আটক ১

সখীপুরে মাকে হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার

সখীপুরে মাকে হত্যার ঘটনায় ছেলে গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিজ মাকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে মুরাদ হোসেন (১৮)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার সিডস্টোর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সখীপুর থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা মুরাদকে আটক করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে সখীপুর থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।উল্লেখ্য গত ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় সখীপুর উপজেলার গজারিয়া পশ্চিম পাড়া এলাকায় কাতার প্রবাসী আলহাজ্ব মিয়ার স্ত্রী মুক্তা বেগম (৩৫) নিজ ঘরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হন। ঘটনার পর থেকেই তার ছেলে মুরাদ হোসেন এলাকা থেকে নিখোঁজ ছিল। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও পারিপার্শ্বিক আলামত বিশ্লেষণে মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় ছেলের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সামনে আসে। এরপর থেকেই তাকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান গ্রেপ্তারকৃত মুরাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলের করটিয়া সা’দত কলেজ-এর অনার্স ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী বুশরা তালুকদারের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে

মির্জাপুরে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: যুবক আটক এলাকায় চাঞ্চল্য

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে বুশরা খাতুন নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

জামালপুরে জ্বালানি তেল বিক্রয় তদারকিতে অভিযান অতিরিক্ত দামে ডিজেল বিক্রিতে জরিমানা

জামালপুরে জ্বালানি তেল বিক্রয় তদারকিতে অভিযান অতিরিক্ত দামে ডিজেল বিক্রিতে জরিমানা জামালপুর,১ এপ্রিল ২০২৬: জ্বালানি তেলের মজুদ, বিক্রয় পরিস্থিতি ও সরকারি নির্দেশনা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে জামালপুর জেলা শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।বুধবার (১ এপ্রিল) পরিচালিত এ অভিযানে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের মজুদ যাচাই, বিক্রয়ের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) কর্তৃক প্রণীত নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হয়। একইসঙ্গে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর আওতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে সদর উপজেলার মহেশপুর এলাকায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ডিজেল বিক্রয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এক ব্যক্তিকে ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না।

এপ্রিল ১, ২০২৬ 0

নাগরপুরে র‍্যাবের অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্কুলের চুরি হওয়া ৩টি ৪০ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি উদ্ধার, গ্রেফতার ২

0 মন্তব্য