রমজান উপলক্ষে টাঙ্গাইলে জোরদার বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট অভিযান টাঙ্গাইল ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ব্যাপক বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়।রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে পরিচালিত এ কার্যক্রমে ব্যবসায়ীদের দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রয় এবং অতিরিক্ত মুনাফা পরিহার করার বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ও প্রচলিত বাজার নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়। অভিযানে বাজারে পণ্যের সরবরাহ, মূল্য তালিকার সঠিকতা এবং নির্ধারিত মূল্যের সাথে বিক্রয়মূল্যের সামঞ্জস্যতা যাচাই করা হয়। অনিয়ম পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সতর্কীকরণসহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে পবিত্র রমজান মাসে নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে পুরো মাস জুড়েই নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে।জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল এর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে প্রতিটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বাজারে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। জানা গেছে, বাজার মনিটরিং টিম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য—চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুর, মাংস, ডিমসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের মূল্যতালিকা যাচাই, মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং অতিরিক্ত মূল্য আদায় বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো রমজান মাসজুড়ে এ বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাজার কমিটিগুলোকে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির আহ্বান জানিয়েছে এবং কোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জামালপুরে জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধচিত্র বিশ্লেষণে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা ৩০ মিনিটে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক। শুরুতেই পূর্ববর্তী মাসিক সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। পরে জানুয়ারি/২০২৬ মাসের খাতভিত্তিক ও থানা-ভিত্তিক মামলার পরিসংখ্যান উপস্থাপন ও বিশদ আলোচনা করা হয়।সভায় বিভিন্ন থানা ও সংস্থার রুজুকৃত মামলা মামলা নিষ্পত্তির হার মুলতবি মামলা অপমৃত্যু সংক্রান্ত পরিসংখ্যান অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার কার্যক্রম মুলতবি গ্রেফতারি পরোয়ানা ও ক্রোকি পরোয়ানা বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারকরণস্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি এবং জেলার চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা নিয়েও আলোচনা হয়।সভায় পুলিশ সুপার জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত ও স্থিতিশীল রাখতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি অপরাধ দমন মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার গ্রেফতারি পরোয়ানা নিষ্পত্তিতে তৎপরতা বৃদ্ধি এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ সোহেল মাহমুদ পিপিএম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোরশেদা খাতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুনঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল) মোঃ সাইফুল ইসলাম পিপিএম সহকারী পুলিশ সুপারবৃন্দ জেলা গোয়েন্দা শাখার কর্মকর্তাগণ সকল থানার অফিসার ইনচার্জ ডিবি-১ ও ডিবি-২ এর ওসি ডিআইও-১ ও ডিআইও-২ তদন্তকেন্দ্র ও ফাঁড়ির ইনচার্জ, ট্রাফিক ও কোর্ট ইন্সপেক্টরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।জেলা পুলিশের নিয়মিত এ ধরনের পর্যালোচনা সভা অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকার মৃত্যু টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একই দিনে দুই আত্মীয়ের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নবগ্রামে একই দিনে দুই আত্মীয়ের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকা রহিমা (৬০) শোকে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নবগ্রাম উত্তরপাড়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব হাফেজ ইউসুফ আলীর পিতা আব্দুল্লাহ (১০০) সোমবার দুপুরে বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী শেষবারের মতো মুখ দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় করেন।সন্ধ্যার পর এশার নামাজ শেষে নবগ্রাম দাখিল মাদরাসা মাঠে মরহুম আব্দুল্লাহর জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। ঠিক সেই সময় হঠাৎ খবর আসে, মরদেহ দেখতে আসা তাঁর শ্যালিকা রহিমা বাড়িতেই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। উপস্থিত স্বজনরা দ্রুত তাঁকে প্রাথমিক সেবার চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান।খবরটি জানাজাস্থলে পৌঁছালে উপস্থিত মানুষজন হতবাক হয়ে পড়েন। পরে আব্দুল্লাহর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করে স্বজনরা দ্রুত রহিমার মরদেহের কাছে ছুটে যান। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমা রহিমা একই গ্রামের পাংকী বাড়ির মৃত জোয়াহের আলীর স্ত্রী।একই দিনে ঘনিষ্ঠ দুই স্বজনের মৃত্যুতে পুরো নবগ্রাম এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা জানান দীর্ঘদিনের পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়তার কারণে ঘটনাটি গ্রামবাসীকে বিশেষভাবে মর্মাহত করেছে।
জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: জেলার পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ, পেশাগত মানোন্নয়ন ও কর্মদক্ষতা মূল্যায়নের লক্ষ্যে জামালপুর জেলা পুলিশ-এর ফেব্রুয়ারি/২০২৬ মাসের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মোঃ যাবের সাদেক।সভায় শুরুতেই বিগত কল্যাণ সভায় উত্থাপিত বিভিন্ন সমস্যা ও আবেদন পর্যালোচনা করে সেগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি চলতি মাসে প্রাপ্ত আবেদনসমূহের আলোকে পুলিশ সদস্যদের নানাবিধ সুবিধা-অসুবিধা নিরসনে প্রয়োজনীয় কল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স প্রণীত অভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে জানুয়ারি/২০২৬ মাসের সার্বিক কর্মমূল্যায়নে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অফিসার ও ফোর্স সদস্যদের পুরস্কৃত করা হয়। এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম পিপিএম (দেওয়ানগঞ্জ সার্কেল) শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে মনোনীত হন। শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হন দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ওসি মনসুর আহাম্মদ এবং বকশীগঞ্জ থানার ওসি মোঃ মকবুল হোসেন। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও যারা পুরস্কার অর্জন করেন তারা হলেন—নারায়নপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ মকবুল হোসেন (শ্রেষ্ঠ আইসি), সরিষাবাড়ি থানার এসআই (নিঃ) মোঃ চাঁন মিয়া (শ্রেষ্ঠ এসআই), জেলা গোয়েন্দা শাখা-১ এর এসআই (নিঃ) মোঃ এহসানুল হক (শ্রেষ্ঠ মামলা নিষ্পত্তিকারী ও শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী), ট্রাফিক বিভাগের টিএসআই রাশেদুল ইসলাম (শ্রেষ্ঠ প্রসিকিউশন দাখিলকারী অফিসার), বকশীগঞ্জ থানার এএসআই (নিঃ) আশরাফুল আলম শান্ত (শ্রেষ্ঠ এএসআই) এবং জামালপুর থানার এসআই (নিঃ) মোঃ সিরাজুল ইসলাম (শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার)। অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) দেবাশীষ চন্দ্র দত্তকে র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন। সভায় জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সদস্যরা তাদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুবিধা-অসুবিধার বিষয় তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার মনোযোগ সহকারে সবার বক্তব্য শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের নির্দেশনা প্রদান করেন এবং পেশাদারিত্ব শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।সভা শেষে জেলা পুলিশের আয়োজনে এক বিশেষ প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ সোহেল মাহমুদ পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোরশেদা খাতুন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন ইসলামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ ইমরুল হাসান মাদারগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁঞাসহ জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ তদন্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রের সদস্য এবং সিভিল স্টাফবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কালিহাতী উপজেলা-এ ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রাইভেটকার-ভ্যান সংঘর্ষে ২ জন নিহত রোববার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা-এ প্রাইভেটকার ও ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক-এর জোকারচর গোহালিয়া বাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।নিহতরা হলেন—গোহালিয়া বাড়ি এলাকার ভ্যানচালক মোহাম্মদ আমির আলী (৪০) এবং তার ভ্যানে থাকা যাত্রী শরীফ উদ্দিন (৪১)। তারা দুজনই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গমুখী একটি প্রাইভেটকার দ্রুতগতিতে মহাসড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। জোকারচর এলাকায় পৌঁছালে রাস্তা পারাপারের সময় একটি যাত্রীবাহী ভ্যানকে সজোরে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। সংঘর্ষের তীব্রতায় ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ভ্যানচালক ও এক যাত্রী ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল-এ নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শরীফ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আমির আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।এ বিষয়ে যমুনা সেতু পূর্ব থানা-র উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান দুর্ঘটনাকবলিত প্রাইভেটকারটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ ব্যস্ত এই মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে যানবাহন চলাচল করছে। পর্যাপ্ত নজরদারি ও কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার অভাবেই প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কপথ। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন চলাচল করায় এখানে সামান্য অসতর্কতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। স্থানীয়দের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি ও কঠোর আইন প্রয়োগই পারে এমন প্রাণহানি রোধ করতে।
পুলিশ লাইনসে প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের অংশগ্রহণ মনোবল সম্প্রীতি ও পেশাগত দায়বদ্ধতা জোরদারে মাসিক আয়োজন জেলা পুলিশ টাঙ্গাইলের উদ্যোগে পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত প্রীতিভোজ (বড়খানা) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি সৌহার্দ্য ও পেশাগত বন্ধন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে প্রতি মাসে পুলিশ লাইন্সে বড়খানা আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন এমন আয়োজন শুধু সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে না বরং বাহিনীর সদস্যদের মনোবল দৃঢ় করে এবং দায়িত্ব পালনে পেশাগত দায়বদ্ধতা শৃঙ্খলাবোধ ও কর্মোদ্দীপনা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।তিনি আরও বলেন একটি সুশৃঙ্খল ও জনবান্ধব পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে সদস্যদের মধ্যে ঐক্য পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহমর্মিতার বিকল্প নেই। নিয়মিত এ ধরনের মিলনমেলা ও প্রীতিভোজ সদস্যদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে এবং কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রবিউল ইসলাম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ আদিবুল ইসলাম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাজী শাহনেওয়াজ-সহ জেলা পুলিশের সকল সার্কেল কর্মকর্তা অন্যান্য অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।উপস্থিত কর্মকর্তারা জানান এ ধরনের আয়োজন বাহিনীর অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক জোরদার ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই তরুণ নিহত গভীর রাতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল পৌর শহরের বটতলা এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছোটকালিবাড়ি এলাকার দুই তরুণের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দিবাগত গভীর রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতরা দুজনই একই এলাকার বাসিন্দা এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দ্রুতগতিতে চলা মোটরসাইকেলটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ দেখতে রাত পৌনে ১টার দিকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল-এ ছুটে যান টাঙ্গাইল-৫ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তরুণদের অকাল মৃত্যু আমাদের জন্য গভীর শোকের বিষয়। পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষতি পূরণ হওয়ার নয়।” তিনি নিহতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।হাসপাতাল সূত্র জানায়, গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় দুই তরুণকে হাসপাতালে আনা হলে তাদের শরীরে জীবনের কোনো স্পন্দন ছিল না। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।এদিকে দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে ছোটকালিবাড়ি এলাকায় নেমে আসে শোকের মাতম। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ। স্থানীয় সচেতন মহল সড়কে বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: নড়াইলে বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নড়াইল জেলায় গ্রহণ করা হয়েছে কঠোর ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে জেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন নড়াইলের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আল মামুন শিকদার।১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এ নির্বাচনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় গড়ে তোলা হয়েছে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়। ভোটের আগের রাতে পুলিশ সুপার স্বয়ং মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে কেন্দ্রগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।পরিদর্শনকালে তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য, আনসার ও গ্রাম পুলিশ, মোবাইল টিম এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্টদের সর্বোচ্চ সতর্কতা,পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার বলেন,নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেন সে বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল সালাম,আর্মি ক্যাম্প নড়াইলের লেঃ কর্নেল (সিও) মোঃ মাসুদ রানা, বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লা,জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আব্দুস ছালেক,জেলা কমান্ড্যান্ট (আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী) মোঃ আল-আমিন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ কামরুজ্জামানসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রস্তুতি ও সক্রিয় তৎপরতায় নড়াইলে একটি শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে টাঙ্গাইলে র্যাবের বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল জোরদার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তা জোরদার করেছে র্যাব-১৪। জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, নোডাল পয়েন্ট ও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ টহল ও রোবাস্ট পেট্রোল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।র্যাব-১৪, ময়মনসিংহ-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসানের সার্বিক নির্দেশনায় সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইলের একাধিক বিশেষ টহল দল মাঠে কাজ করছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এ কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাবনা বাইপাস,আশেকপুর বাইপাস,ঘারিন্দা বাইপাস,করটিয়া বাইপাস,পাকুল্ল্যা বাইপাস,মির্জাপুর বাইপাস, বাসাইল বাইপাসসহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশ ও বাহিরমুখে রোবাস্ট পেট্রোল পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ টহল জোরদার করা হয়েছে।র্যাব সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো ধরনের নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কিংবা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। এ লক্ষ্যে র্যাবের টহল টিম রোবাস্ট পেট্রোল টিম ও গোয়েন্দা ইউনিট সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে। সন্দেহজনক চলাচল, অবৈধ সমাবেশ কিংবা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। র্যাব ফোর্সেসের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কেউ যাতে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বাহিনীটি। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয় এবং সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন—সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে মধুপুর এলাকায় নির্বাচন ডিউটি উপলক্ষে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করেছে র্যাব। সেখান থেকেও টহল ও নজরদারি কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। নির্বাচনের আগে ও ভোটগ্রহণের দিন বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় এ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।র্যাব-১৪,টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক ও সহিংসতামুক্ত রাখতে তাদের অভিযান ও টহল কার্যক্রম নির্বাচনকালীন পুরো সময়জুড়ে অব্যাহত থাকবে।
ধনবাড়ীর সকল ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে প্রশাসনের কঠোর প্রস্তুতি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার সকল ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্বাচন প্রশাসন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা রোধ করা সম্ভব হয়।প্রশাসন সূত্র জানায় ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ফলে ভোটকেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা যাবে।এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে তারা বদ্ধপরিকর।এ লক্ষ্যে ধনবাড়ীবাসীর সচেতনতা সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়। প্রশাসন আশা প্রকাশ করে জানায় সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় ধনবাড়ী উপজেলায় একটি শান্তিপূর্ণ ও আদর্শ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
গোপালপুর ও ধনবাড়িতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে গোপালপুর ও ধনবাড়ি থানাধীন বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার টাঙ্গাইল জনাব শরীফা হক এবং পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি, ভোটগ্রহণের পরিবেশ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের কার্যক্রম খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করেন। এ সময় তিনি নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।পুলিশ সুপার মহোদয় বলেন, ভোটাররা যেন শান্তিপূর্ণ ও নির্ভয়ে তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পর্যাপ্ত ও কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ও নিবিড় নজরদারি কার্যক্রম সার্বক্ষণিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার, টাঙ্গাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোপালপুর ও ধনবাড়ি; অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণসহ জনাব মোঃ আদিবুল ইসলাম পিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যা অপস্) টাঙ্গাইল জনাব ফৌজিয়া হাবিব খান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গোপালপুর সার্কেল জনাব মোঃ আরিফুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার, মধুপুর সার্কেল, টাঙ্গাইল এবং অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
গোপালপুর ও ধনবাড়ীতে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক প্রিজাইডিং অফিসারদের নিরপেক্ষতা ও আন্তরিকতার নির্দেশ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর ও ধনবাড়ী উপজেলা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা রিটার্নিং অফিসার, টাঙ্গাইল। বুধবার (০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়।পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক নির্বাচন উপলক্ষ্যে প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। তিনি নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা পেশাদারিত্ব ও সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য প্রিজাইডিং অফিসারদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।এছাড়াও তিনি উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় তিনি ভোটারদের জন্য শান্তিপূর্ণ সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে জেলা প্রশাসক গোপালপুর ও ধনবাড়ীর একাধিক ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সকল ভোটকেন্দ্রকে আইপি ক্যামেরার আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং অফিসারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করেনপরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (গোপালপুর ও ধনবাড়ী)সহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ।
টাঙ্গাইলে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী নির্বাচনী প্রচারণা বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেনএবারের নির্বাচনে দুটি ভোট রয়েছে। প্রথম ভোটটি হ্যাঁ ভোট—ইনশাল্লাহ। ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ বিজয়ী হবে, আর ‘না’ ভোট বিজয়ী হলে বাংলাদেশ পরাজিত হবে। ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি আর না মানে গোলামী। যারা অতীতে ‘হ্যাঁ’ও বলেনি, নাও বলেনি—আজ যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তাদের অভিনন্দনওমোবারকবাদ।তিনি বলেন যারা ‘হ্যাঁ’ ভোটের সাথে থাকবে তারা প্রমাণ করবে—তারা চাঁদাবাজির সাথে নেই, দুর্নীতির সাথে নেই, মামলাবাজির সাথে নেই এবং মা-বোনদের অপমানের সাথে নেই। তারা থাকবে নতুন বাংলাদেশের সাথে, থাকবে ২০২৪ সালের জনগণের আকাঙ্ক্ষার সাথে। সেই আকাঙ্ক্ষার প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব—ইনশাল্লাহ। দ্বিতীয় ভোটটি দেশ গড়ার ভোট উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামিতে যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবে, তাদের অবশ্যই অতীতে ভালো মানুষ হিসেবে প্রমাণিত হতে হবে। যারা বারবার সুযোগ পেয়েও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে, তাদের আর নতুন করে দেখার কিছু নেই। এমনকি যারা এখনো দুর্নীতিতে লিপ্ত রয়েছে, তাদেরকেও আর নতুন সুযোগ দেওয়ার অবকাশ নেই।ডা.শফিকুর রহমান বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ১১টি রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়েছে। প্রত্যেকটি দল নিজ নিজ সম্মান ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে নিজেদের দলের পক্ষে কাজ করে ইনশাল্লাহ বিজয় নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বহু নির্বাচন হয়েছে, বহু সরকার গঠিত হয়েছে। ভোটের আগে অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও ভোটের পর সেসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। এর ফলে সমাজে বৈষম্য বেড়েছে, অপরাধ চরম আকার ধারণ করেছে এবং দুর্নীতি পুরো সমাজকে গ্রাস করেছে।এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে যুব সমাজ ফুঁসে উঠে ‘উই মাষ্ট জাস্টিস’ স্লোগান নিয়ে রাজপথে নেমেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা ন্যায়বিচার, বাঁচার অধিকার, শিশুর জন্য শিক্ষা, যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান, মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা, ব্যবসায়ীদের জন্য শান্তিপূর্ণ ব্যবসার পরিবেশ, শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য মজুরি এবং কৃষকদের জন্য আধুনিক ও নিরাপদ কৃষি উপকরণের দাবি জানিয়েছিল। এসব দাবি কি কোনো অপরাধ ছিলপ্রশ্ন রাখেন তিনি।এ সময় জামায়াতে ইসলামীর আমীর টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামী ও শরিক দলের প্রার্থীদের হাতে নির্বাচনী প্রতীক তুলে দেন। এর মধ্যে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ি) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. হুমায়ুন কবীর, টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে জেলা আমীর আহসান হাবিব মাসুদ, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে একেএম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন তালুকদার এবং টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে মো. শফিকুল ইসলাম খানকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক প্রদান করা হয়। এছাড়া টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে এনসিপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লা হায়দারকে শাপলাকলি প্রতীক তুলে দেওয়া হয়। টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর আহসান হাবিব মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী ও শরিক দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন।মিরে প্রধান ডা. শফিকুর রহমানের আগমনে পৌর উদ্যানে জনস্রোত ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমিরে প্রধান ডা. শফিকুর রহমান টাঙ্গাইলে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন ইসলামিকেন্দ্রিক দল ও জামায়াতের অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী টাঙ্গাইল শহরে সমবেত হন। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সমর্থক ও দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা.শফিকুর রহমান বলেন জামায়াতে ইসলাম ক্ষমতায় গেলে দেশ থেকে চাঁদাবাজি,দুর্নীতি,সন্ত্রাসসহ সকল প্রকার অনৈতিক কর্মকাণ্ড নির্মূল করা হবে। তিনি বলেন,দেশ আজ নৈতিক অবক্ষয়ের চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসলামের আদর্শ ও ন্যায়নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করা গেলে জনগণের জানমাল ইজ্জত ও অধিকার নিরাপদ থাকবে। তিনি আরও জানান জামায়াতে ইসলাম একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ করছে যেখানে শোষণ বৈষম্য ও দুর্নীতির কোনো স্থান থাকবে না।ডা. শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সৎ,যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্বই পারে দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে। এজন্য তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানান।জনসভা চলাকালে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচি শেষে নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে সভাস্থল ত্যাগ করেন।
পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইলে ৫৭তম টিআরসি ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি), টাঙ্গাইলে ৫৭তম টিআরসি (জুন ২০২৫ ব্যাচ)-এর প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার অনন্য প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে নবীন পুলিশ সদস্যরা তাঁদের দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তি ঘোষণা করেন।সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন জনাব সরদার নূরুল আমিন বিপিএম অ্যাডিশনাল আইজি (ডেভেলপমেন্ট) এবং অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডিশনাল আইজি (এইচআরএম), বাংলাদেশ পুলিশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা। কুচকাওয়াজ শেষে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণে সর্বোচ্চ দক্ষতা ও কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ করেন। এ সময় তিনি নবীন পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং জনগণের আস্থা অর্জনে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও কর্মজীবনে সাফল্য কামনা করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম, কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিটের অ্যাডিশনাল ডিআইজিবৃন্দ জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার পুলিশ সুপার টাঙ্গাইলসহ বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবকবৃন্দ। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে নবীন পুলিশ সদস্যদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা প্রদর্শন দর্শকদের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।
নির্বাচনী প্রস্তুতি তদারকিতে কালিহাতি ও ভুঞাপুরে জেলা প্রশাসকের সরেজমিন পরিদর্শন ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রশাসনিক তৎপরতা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি ও ভুঞাপুর উপজেলা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা রিটার্নিং অফিসার টাঙ্গাইল। মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দিনব্যাপী এই পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক নির্বাচন উপলক্ষে প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় তিনি প্রিজাইডিং অফিসারদের উদ্দেশ্যে বলেন নির্বাচন একটি সাংবিধানিক ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব—এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ নিষ্ঠা সততা ও নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় তিনি নির্বাচনকালীন সময়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও নিরাপদ পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।এছাড়াও জেলা প্রশাসক কয়েকটি ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন এবং নির্বাচন কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ নিরপেক্ষ ও নিরাপদ করতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সকল ভোট কেন্দ্রে আইপি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন।পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার টাঙ্গাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কালিহাতি ও ভুঞাপুরসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
‘সত্য প্রকাশে অবিচল’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের নতুন সংগঠন “টাঙ্গাইল-জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাব” আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। টাঙ্গাইল ও জামালপুর জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে সত্যনিষ্ঠ, পেশাদার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকদের সমন্বয়ে একটি সক্রিয় ও শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলাই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। সংগঠনটির উদ্দেশ্য সম্পর্কে জানানো হয়, সমাজে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকতার দায়িত্বশীল ভূমিকা আরও জোরদার করা এবং পেশাগত মান উন্নয়নের মাধ্যমে গণমাধ্যমকে শক্তিশালী করা। দীর্ঘ ছয় মাসের ধারাবাহিক প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক প্রচেষ্টার পর ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইংরেজি, রোজ সোমবার সংগঠনের একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মশিউর রহমান সজিব-এর দিকনির্দেশনা ও পরামর্শক্রমে এবং উপস্থিত সকল সাংবাদিকের প্রত্যক্ষ ভোটে সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জনাব রফিকুল ইসলাম। একই প্রক্রিয়ায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব এস এম আব্দুর রাজ্জাক। নবগঠিত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় এবং বয়োজ্যেষ্ঠ মুরুব্বী জনাব কে এম তৈয়ব আলী হীরা-র সভাপতিত্বে টাঙ্গাইল-জামালপুর জেলা প্রেস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, লক্ষ্য ও দিকনির্দেশনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে নবগঠিত সংগঠনের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি, সাফল্য ও সাংবাদিক সমাজের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ার মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
কালিহাতীতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে যৌথ বাহিনীর টহল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় যৌথ বাহিনীর টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সহকারী কমিশনার (ভূমি) কালিহাতী টাঙ্গাইল ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ যৌথ টহল পরিচালনা করা হয়। টহল চলাকালে সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সতর্ক অবস্থানে থাকার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ জোরদার করেন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো অনিয়ম বা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে বলে এ সময় জানানো হয়।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মির্জাপুর উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আজ সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা রিটার্নিং অফিসার টাঙ্গাইল।পরিদর্শনকালে তিনি নির্বাচন উপলক্ষে প্রিজাইডিং অফিসারদের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি প্রিজাইডিং অফিসারদের সর্বোচ্চ নিষ্ঠা আন্তরিকতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক উপজেলায় কর্মরত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় তিনি পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্বাচনী সময়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরিদর্শনের অংশ হিসেবে তিনি মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখেন। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সকল ভোটকেন্দ্রে আইপি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রদান করেন। জেলা প্রশাসকের এ পরিদর্শন ও দিকনির্দেশনায় নির্বাচনী প্রস্তুতি আরও সুসংহত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
ঘাটাইলে দুমড়েমুচড়ে যায় সিএনজি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। শনিবার (রাত) আনুমানিক রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইল–ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন—ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের গারোবাজার এলাকার আইয়ুব আলীর ছেলে শহীদুল ইসলাম (৫০) এবং দক্ষিণ গোপালপুর এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে শফিউল ইসলাম (৩৫)। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায় শনিবার রাতে একটি সিএনজি অটোরিকশা টাঙ্গাইল থেকে ঘাটাইলের দিকে যাচ্ছিল। পথে হামিদপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিটি দুমড়েমুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রী নিহত হন। খবর পেয়ে ঘাটাইল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন মহাসড়কে বেপরোয়া ট্রাক চলাচলের কারণেই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা দ্রুত পলাতক ট্রাকচালককে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকসেদুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘাতক ট্রাক ও পলাতক চালককে শনাক্ত করতে অভিযান চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারী অফিসার ও ফোর্সদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব আরও জোরদার করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে বডি-ওর্ন ক্যামেরা (Body Worn Camera) ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার টাঙ্গাইল পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনকারী সকল অফিসার ও ফোর্স অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় বডি-ওর্ন ক্যামেরার কার্যকারিতা সঠিক ব্যবহারবিধি রক্ষণাবেক্ষণ তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্ব পালনের সময় এর কার্যকর প্রয়োগ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি নির্বাচনকালে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বডি-ওর্ন ক্যামেরার গুরুত্ব সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত থেকে নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের ব্যবহৃত বডি-ওর্ন ক্যামেরার কার্যকারিতা এবং প্রশিক্ষণার্থীদের পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ করেন জনাব কাজী শাহনেওয়াজ পিপিএম-সেবা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) টাঙ্গাইল। এ সময় তিনি বলেন নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের সময় পুলিশ সদস্যদের পরিধেয় বডি-ওর্ন ক্যামেরার মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের সার্বক্ষণিক ভিডিও ধারণ করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি কার্যক্রম অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারযোগ্য থাকবে এবং ধারণকৃত ভিডিও সংরক্ষণ করা হবে। এসব ভিডিও ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাঅভিযোগের সঠিক তদন্ত ও যাচাইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আদনান মুস্তাফিজ সহকারী পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) টাঙ্গাইলসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অফিসারবৃন্দ। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যরা বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারে হাতে-কলমে ধারণা গ্রহণ করেন।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।