চাঁপাইনবাবগঞ্জে পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের মাঠ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোঃ ফজলে রাব্বি রেনু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোঃ হারুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ আতাউল হক কমল, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম, পলশা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসলেম উদ্দিন এবং বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আবু বক্করসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ হারুনুর রশীদ বলেন, পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সার্বিক উন্নয়নে যা যা সহায়তা প্রয়োজন, তা যথাযথভাবে ব্যবস্থা করা হবে। তিনি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি স্থানীয়দের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
জেলা পুলিশের কর্ম মূল্যায়ণে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশের সাফল্য অর্জন। চলতি বছরের জানুয়ারী-মার্চ মাসে বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও পরোয়ানাভূক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় আজ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত কল্যান সভায় নোয়াখালী জেলা পুলিশের উদ্যোগে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার টি,এম মোশারফ হোসেন। এছাড়াও উক্ত কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষগনও উপস্থিত। এতে বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন, শ্রেষ্ঠ সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বেগমগঞ্জ সার্কেল আ.ন.ম ইমরান খান। শ্রেষ্ঠ ওসি বেগমগঞ্জ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামান। এছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে পুরুষ্কার প্রাপ্তরা হলেন, শ্রেষ্ঠ গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিলকারী অফিসার এসআই(নিঃ) কুতুব উদ্দিন খান লিয়ন। শ্রেষ্ঠ অস্ত্র উদ্ধার এসআই(নিঃ) পাপেল রায় ও এসআই(নিঃ) মোঃ নুরুজ্জামান। শ্রেষ্ঠ গ্রেফতার পরোয়ানা তামিল কারী অফিসার এএসআই(নিঃ) মোঃ জালাল হোসেন ও এএসআই(নিঃ) মোঃ ইলিয়াছ হোসেন।
বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে তেল সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। অকটেন ও পেট্রোল সংগ্রহ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে অনেককে। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে জনদুর্ভোগ। এই পরিস্থিতিতে যানবাহন চালক, কর্মজীবী মানুষ এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত এই সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিসতা স্বাধীনতা দিবস ফুটভলি চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ফুটভলি এ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমীর যৌথ সহযোগিতায় রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে রংবেরংয়ের বেলুন উড়িয়ে এ খেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমীর সভাপতি গৌতম কুমার বিশ্বাস। তিনি জানান, তরুণ ও যুব সমাজ খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত থাকলে তারা কখনোই মাদক বা অন্যায় পথে জড়িয়ে পড়বে না। এই খেলাটি জনপ্রিয় হয়ে উঠুক। যুব সমাজ এ খেলার প্রতি আগ্রহি হয়ে উঠবে। যুব সমাজকে সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ, বাংলাদেশ ফুটভলি এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী আজম আলী খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. সামিউল ইসলাম লিটন, জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহমুদুজ্জামান, ক্রীড়া সংগঠক বদিউজ্জামান বুধু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজু আহমেদ সহ ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় বৈরন নদীর উপর নির্মিতব্য বহুল প্রতীক্ষিত সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শাহ আলম। পরিদর্শনে এসে তিনি গাড়ি থেকে নেমেই বাংলাদেশ স্কাউট দলের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শোনেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরিদর্শনকালে বৈরন নদীর উপর সেতু নির্মাণের জন্য ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বরাদ্দপত্র টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আব্দুস সালাম পিন্টুর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন তিনি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেতুটি নির্মিত হলে দীর্ঘদিন ধরে নৌকা বা ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প পথে চলাচল করা এলাকাবাসীর ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আসবে। প্রতিমন্ত্রী শাহ আলম বলেন, “সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে গ্রামাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেতু ও সড়ক উন্নত হলে যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।” তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা এবং নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রাখার ওপর জোর দেন। অন্যদিকে, সংসদ সদস্য মো. আব্দুস সালাম পিন্টু এলাকায় বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে বেহাল সড়ক ও সেতুগুলোর অবস্থা সরেজমিনে পরিদর্শন করছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের দ্রুত মেরামত ও সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেন এবং নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তাগিদ দেন। পরিদর্শনকালে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এলজিইডিসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা সরকারের এ উন্নয়ন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান। এলাকাবাসী জানান, বৈরন নদীর উপর সেতু নির্মাণ ও আশপাশের সড়ক উন্নয়ন হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে, রোগীরা দ্রুত চিকিৎসাসেবা পাবে এবং কৃষি ও ব্যবসায়িক পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল হবে। এতে এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। সব মিলিয়ে, বৈরন নদীর উপর সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি গোপালপুর উপজেলাসহ আশপাশের অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বাস্তবায়িত হলে এলাকাবাসীর জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও পৌরসভার প্রশাসক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার, জেলা তথ্য অফিসার রুপ কুমার বর্মনসহ জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা মন্টু, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হোসেন শাহনেওয়াজ, গৌড় বাংলা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক হাসিব হোসেন, চাঁপাই দর্পণ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক ও চ্যানেল আইয়ের জেলা প্রতিনিধি মোঃ আশরাফুল ইসলাম রঞ্জু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ টেলিভিশন এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, সিটি প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল সুকরানা, সিনিয়র সাংবাদিক ডাবলু কুমার ঘোষ, জোনাব আলী, আজিজুল ইসলাম শিশির, মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ফেরদৌস সিহানুক (শান্ত) এবং মহানন্দা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক নাসিমসহ অন্যান্যরা। মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকরা জেলার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। বিশেষ করে অবৈধভাবে মাটি কাটা, মাদক পাচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জনদুর্ভোগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী সাংবাদিকদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। তিনি জেলার উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন। সভাটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ ঘটিকায় রাজধানীর মতিঝিল কিচেন ইয়ার্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্ট “সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন”-এর কেন্দ্রীয় কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন মোঃ দেলোয়ার হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন সংচলনায় করেন, তালুকদার রুমি, সাধারণ সম্পাদক, সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন। প্রধান আলোচক হিসেবে আলোচনা করেন ওমর ফারুক জালাল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট। সভায় সংগঠনের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া, ভাইস প্রেসিডেন্ট, টিকে আজাদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট, নুরুনাহার রিতা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, সোহেলী জামান, রোকেয়া আক্তার কেয়া, মোঃ আসাদুজ্জামান রনি, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, কার্যকরী সদস্য, মাসুদ মজুমদার, মোঃ কামাল হোসেন, গোহেল রানা, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম খোকন, মুক্তার হোসেন সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সাংবাদিকগন। সাধারণ সম্পাদক জনাব তালুকদার রুমি বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হয়ে আসছে। মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম উন্মোচনের সময় সাংবাদিকদের হামলা, মামলা ও ভয়ভীতির মুখোমুখি হতে হয়। এ প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তৃণমূল থেকে শুরু করে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা প্রদানের বিষয়টি সভায় গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব ওমর ফারুক জালাল বলেন অসুস্থ ও দুস্থ সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালুর লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বলেন সাংবাদিকদের তথ্যভিত্তিক একটি জাতীয় ডাটাবেইজ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়। এ ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB) অথবা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল অনুমোদিত প্রশিক্ষণের সনদ বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। এর ফলে প্রকৃত সাংবাদিক সনাক্তকরণ সহজ হবে এবং ভুয়া পরিচয়ে অপকর্ম প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর “সাংবাদিক সুরক্ষা আইন” প্রণয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।এ ধরনের আইন বাস্তবায়িত হলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সভায় নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও সুসংহত হবে এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে। 📄 সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র (Formal Letter) মাননীয় মহোদয়, সশ্রদ্ধ নিবেদন এই যে, “সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন”-এর কেন্দ্রীয় কমিটির এক সভায় সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা, কল্যাণ ও গণমাধ্যমের মানোন্নয়ন বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। বর্তমানে দেশের সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নানাবিধ ঝুঁকি, হুমকি ও হয়রানির সম্মুখীন হচ্ছেন। এ প্রেক্ষাপটে নিম্নোক্ত প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি বলে আমরা মনে করি— ১। তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা। ২। অসুস্থ ও দুস্থ সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা এবং তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালু করা। ৩। একটি জাতীয় সাংবাদিক ডাটাবেইজ প্রতিষ্ঠা করা এবং পেশাগত প্রশিক্ষণ (PIB/প্রেস কাউন্সিল অনুমোদিত) বাধ্যতামূলক করা। ৪। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর “সাংবাদিক সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন করা। ৫) সাংবাদিক দের রাজনৈতিক নিষিদ্ধ করন, ৬) নতুন সাংবাদিক দের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা বাধঅমূলক। উপরোক্ত প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশের গণমাধ্যম আরও শক্তিশালী, দায়িত্বশীল ও পেশাদার হয়ে উঠবে এবং জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন আপনার দেওয়া লেখাটি ভালো, তবে কিছু ভাষাগত সংশোধন, গঠনগত উন্নয়ন ও পেশাদার উপস্থাপনার মাধ্যমে এটিকে আরও পরিশীলিত করা যায়। নিচে সংশোধিত সংবাদ প্রতিবেদন ও আবেদনপত্র দেওয়া হলো: 📰 সংশোধিত সংবাদ প্রতিবেদন ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর মতিঝিলস্থ কিচেন ইয়ার্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টে “সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন”-এর কেন্দ্রীয় কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক তালুকদার রুমি। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ওমর ফারুক জালাল। সভায় সংগঠনের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া, টিকে আজাদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরুনাহার রিতা, সোহেলী জামান, রোকেয়া আক্তার কেয়া, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান রনি, কার্যকরী সদস্য মাসুদ মজুমদার, মোঃ কামাল হোসেন, গোহেল রানা, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম খোকন, মুক্তার হোসেনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। সাধারণ সম্পাদক তালুকদার রুমি বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ কিংবা অনিয়ম উন্মোচনের সময় তাদের হামলা ও মামলার মুখোমুখি হতে হয়। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। ভাইস প্রেসিডেন্ট ওমর ফারুক জালাল বলেন, অসুস্থ ও দুস্থ সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালুর লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভাপতির বক্তব্যে মোঃ দেলোয়ার হোসেন একটি জাতীয় সাংবাদিক ডাটাবেইজ তৈরির প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, এই ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB) অথবা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল অনুমোদিত প্রশিক্ষণের সনদ বাধ্যতামূলক করা হলে প্রকৃত সাংবাদিকদের সনাক্ত করা সহজ হবে এবং ভুয়া পরিচয়ে অপকর্ম প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর “সাংবাদিক সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন জরুরি। এতে হামলা ও হয়রানির ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সভায় নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও সুসংহত হবে এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে। ২ , য়ে সভায় নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও সুসংহত হবে এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে। 📄 সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন আপনার দেওয়া লেখাটি ভালো, তবে কিছু ভাষাগত সংশোধন, গঠনগত উন্নয়ন ও পেশাদার উপস্থাপনার মাধ্যমে এটিকে আরও পরিশীলিত করা যায়। নিচে সংশোধিত সংবাদ প্রতিবেদন ও আবেদনপত্র দেওয়া হলো: 📰 সংশোধিত সংবাদ প্রতিবেদন ২ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় রাজধানীর মতিঝিলস্থ কিচেন ইয়ার্ড চাইনিজ রেস্টুরেন্টে “সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশন”-এর কেন্দ্রীয় কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক তালুকদার রুমি। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ওমর ফারুক জালাল। সভায় সংগঠনের চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মনিরুজ্জামান মিয়া, টিকে আজাদ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নুরুনাহার রিতা, সোহেলী জামান, রোকেয়া আক্তার কেয়া, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান রনি, কার্যকরী সদস্য মাসুদ মজুমদার, মোঃ কামাল হোসেন, গোহেল রানা, মোঃ বাবুল মিয়া, মোঃ নজরুল ইসলাম খোকন, মুক্তার হোসেনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। সাধারণ সম্পাদক তালুকদার রুমি বলেন, বাংলাদেশের সাংবাদিকরা দীর্ঘদিন ধরে সহিংসতা, হুমকি ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। মাঠপর্যায়ে সংবাদ সংগ্রহ কিংবা অনিয়ম উন্মোচনের সময় তাদের হামলা ও মামলার মুখোমুখি হতে হয়। তাই সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। ভাইস প্রেসিডেন্ট ওমর ফারুক জালাল বলেন, অসুস্থ ও দুস্থ সাংবাদিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি চালুর লক্ষ্যে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সভাপতির বক্তব্যে মোঃ দেলোয়ার হোসেন একটি জাতীয় সাংবাদিক ডাটাবেইজ তৈরির প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, এই ডাটাবেইজে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (PIB) অথবা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল অনুমোদিত প্রশিক্ষণের সনদ বাধ্যতামূলক করা হলে প্রকৃত সাংবাদিকদের সনাক্ত করা সহজ হবে এবং ভুয়া পরিচয়ে অপকর্ম প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর “সাংবাদিক সুরক্ষা আইন” প্রণয়ন জরুরি। এতে হামলা ও হয়রানির ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সভায় নেতৃবৃন্দ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও সুসংহত হবে এবং সাংবাদিকদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।
সারাদেশের তুলনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। এমতাবস্থায় সংসদের অধিবেশন শেষ করেই ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ -৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নূরুল ইসলাম বুলবুল। ৩ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১১ টায় তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এবং রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কতৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সামনে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, হামের প্রকোপ সারা দেশের তুলনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সারাদেশের প্রায় ১০ শতাংশ হামের রোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বয়স কম হওয়ায় এর প্রভাবটা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এটি যদি আরো বাড়তে থাকে তাহলে শিশুদের মৃত্যুর হার বেড়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, যারা হামের টিকা গ্রহণ করেছে তাদের আক্রান্তের হার কম। তবে শিশুদের ৯মাসের আগে হামের টিকা প্রদান করা হয় না। তাই তারা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন থেকে ৬মাস বয়স থেকেই শিশুদের হামের টিকা প্রদান করা হবে। এবং আগামী ৫ই এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরো বলেন, হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এখানে যে খাবার পানি সংকট তৈরি হয়েছিল সেই সংকট নিরসনের জন্য জরুরী ভিত্তিতে একটি ফিল্টার বসানোর নির্দেশনা দিয়েছিলাম যা তাৎক্ষণিকভাবে বসানো হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আরো ৮-১০ টি ফিল্টার বসানোর জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করা যায় আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে সেগুলো বসানো হবে এবং এর মাধ্যমে হাসপাতালে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দূর হবে। এছাড়াও হাসপাতালে বিভিন্ন ধরনের সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নানান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই কঠিন সময়ে একটু অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে হলেও রোগীদের যথাযথ সেবা প্রদান করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এমনিতেই একটি অবহেলিত জনপদ। এখানে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও ১০০ বেডের খাবার, ডাক্তার, স্টাফসহ অন্যান্য ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধা ছিল। ২৫০ শয্যার সকল সুযোগ সুবিধা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় অফিশিয়াল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এখন অফিশিয়াল চিঠির অপেক্ষায় আছি। আশা করছি, শীঘ্রই আমরা সেটা পেয়ে যাবো। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ মশিউর রহমান, হাসপাতালের আরএমও ডাঃ মোঃ আব্দুস সামাদসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক লতিফুর রহমান, পৌরসভা আমীর হাফেজ গোলাম রব্বানী, ১০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তোহরুল ইসলাম সোহেল, সহ জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজন মিডিয়া সেল, জেলা পুলিশ জামালপুর ২৬ মার্চ ২০২৬ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬ খ্রি.) সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জামালপুর বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং মনোমুগ্ধকর সম্মিলিত কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক জনাব মুহাম্মদ ইউসুপ আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার জনাব মোছাঃ ফারহানা ইয়াসমিন।পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও চিত্তাকর্ষক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিত দর্শনার্থীদের মধ্যে দেশাত্মবোধ ও গৌরবের অনুভূতি জাগ্রত করে।অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দসহ সর্বস্তরের জনগণ উপস্থিত ছিলেন।মহান স্বাধীনতা দিবসের এ আয়োজন জাতির বীর সন্তানদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেম জাগ্রত করার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিগণিত হয়।
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন পিটিসি,টাঙ্গাইল মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি)-এ যথাযোগ্য মর্যাদা ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে। ২৬ মার্চ সকাল ৯টায় পিটিসি টাঙ্গাইলের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি কমান্ড্যান্ট জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমান (অতিরিক্ত ডিআইজি), জনাব ড.এএইচএম কামরুজ্জামান, বিপিএম, পিপিএমসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পুলিশ সদস্য এবং সিভিল স্টাফগণ।দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরতে পিটিসি টাঙ্গাইলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বর্ণিল আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়।এছাড়া ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যা দিবসের স্মরণে প্রতীকী‘ব্ল্যাক-আউট’কর্মসূচি পালন করা হয়।একই সঙ্গে জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও দেশের অব্যাহত উন্নয়ন কামনায় এবং মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় পিটিসি টাঙ্গাইল জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।বিভিন্ন আয়োজনে কর্মকর্তা প্রশিক্ষণার্থী ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দিবসটিকে করে তোলে আরও তাৎপর্যমণ্ডিত।
টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাযথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটির সূচনায় ২৬ মার্চ সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে একাত্তরের বীর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক। এ সময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।দিবসটি উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন কুচকাওয়াজ আলোচনা সভা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ আয়োজন। এসব কর্মসূচির মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বক্তারা বলেন মহান স্বাধীনতা দিবস বাঙালি জাতির গৌরব ও অহংকারের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।শহীদদের এই আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।স্বাধীনতার এই মাহেন্দ্রক্ষণে জাতি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে সেই সকল বীর সন্তানদের যাদের ত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই স্বাধীনতা। একই সঙ্গে দেশকে আরও সমৃদ্ধ ও উন্নত করার প্রত্যয়ে নতুন প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান সংশ্লিষ্টরা।
আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। এ প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২০ মার্চ ২০২৬) জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, টাঙ্গাইল ময়দান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে ঈদগাহ মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা অজুখানা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশ-বহির্গমন পথ সুসংগঠিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।জেলা প্রশাসক জানান আগামীকাল শনিবার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, টাঙ্গাইল ময়দানে পবিত্র ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় ২০ হাজার মুসল্লীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে।পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুসল্লিদের জন্য একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জরুরি সেবাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য প্রতিবছরের মতো এবারও টাঙ্গাইলের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লীর সমাগম ঘটে।
টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপন “নিরাপদ পণ্য, আত্মবিশ্বাসী ভোক্তা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে।শনিবার (১৫ মার্চ ২০২৬) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা শিক্ষার্থী ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্ট সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।র্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক। বক্তারা বলেন ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে বাজার তদারকি জোরদার করা ভেজাল ও নকল পণ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি।আলোচনা সভায় বক্তারা আরও বলেন নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করা হলে ভোক্তাদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং একটি সুস্থ বাজার ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ ভোক্তাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি গণমাধ্যমকর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়বো তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়বো—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক মহড়া ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্ত ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স রেড ক্রিসেন্ট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।সচেতনতামূলক সভায় বক্তারা বলেন প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশে দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের বিকল্প নেই।সভায় দুর্যোগ মোকাবিলায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি আগাম প্রস্তুতি জোরদার এবং সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বক্তারা তরুণ সমাজকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আরও সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতিমূলক মহড়া প্রদর্শন করা হয় যেখানে অগ্নিকাণ্ড ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্যোগ পরিস্থিতিতে করণীয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
"আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার"। এই প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে উপজেলা পরিষদ মলিনায়তনে রবিবার (৮মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এ দিবস পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ উপলক্ষে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ইসলাম মীম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এমএ জিন্নাহ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বজলুর রহমান আনসারী, দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল হাসান, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক কবি সজিম সাইন, পারি ডেভেলপমেন্ট ট্রাষ্ট্রের ম্যানেজার প্রিন্স কোরাইয়া ও নারী উদ্যোক্তা কবিতা দত্ত প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ১৯১১ সালে প্রথমবারের মতো কয়েকটি দেশে এ দিবস পালিত হয়। পরে ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। তখন থেকেই দিনটি বিশ্বব্যাপী নারীর অধিকার ও সমতার প্রতীক হয়ে উঠে। বিশ্বজুড়ে আজকের দিনটি কেবল উদযাপনের নয়, আত্মসমালোচনা ও অঙ্গীকারেরও। আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সমতার পথে অগ্রগতি হলেও এখনো অসংখ্য নারী তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তাই শুধু প্রতীকী সম্মান নয়, প্রয়োজন বাস্তব পরিবর্তন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে নারীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করণে সকলকে আহবান জানানো হয়। আলোচনা শেষে, পারি ডেভেলপমেন্ট ট্রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নয়জন সফল নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। এতে দায়িত্ব কমানো হয়েছে ৮ জন প্রতিমন্ত্রীর। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এতদিন কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু-কে এখন থেকে শুধু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে তার অধীনে থাকা দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইভাবে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা নুরুল ইসলাম নুর-এর দায়িত্ব কমিয়ে কেবল প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সীমিত করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করা ববি হাজ্জাজ-কে এখন থেকে শুধু প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মো. শরীফুল আলম-কে কেবল বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা হাবিবুর রশিদ-এর দায়িত্ব পুনর্বিন্যাস করে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারের এই পুনর্বণ্টন সিদ্ধান্তকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা এবং মন্ত্রণালয়ভিত্তিক কাজের সমন্বয় জোরদারের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দায়িত্ব পুনর্গঠনের মাধ্যমে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে আরও বেশি মনোযোগ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
দেশে ১ লাখ ৩৬ হাজার টন জ্বালানি মজুদ দাম বাড়ার শঙ্কা নেই বিপিসি চেয়ারম্যান দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)-এর চেয়ারম্যান মো.রেজানুর রহমান। তিনি বলেন বর্তমান মজুত পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কোনো শঙ্কা নেই। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিপিসি ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। বিপিসি চেয়ারম্যান বলেন আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা ও চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে তেলের বিকল্প বাজার খোঁজার বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে। তবে দেশে যে পরিমাণ মজুত রয়েছে তাতে আপাতত সরবরাহ বা দামের ক্ষেত্রে কোনো চাপ তৈরি হবে না। কত দিনের মজুত আছে?তিনি জানান নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ বজায় রাখতে ইতোমধ্যে ৭টি জাহাজের এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে মজুত পরিস্থিতি হলো— ডিজেল: ১৪ দিনের অকটেন: ২৮ দিনের পেট্রোল: ১৫ দিনের ফার্নেস অয়েল: ৯৩ দিনের জেট ফুয়েল: ৫৫ দিনের চেয়ারম্যান বলেনবাআমরা পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যাপ্ত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সরকারবিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে সরকার নিবিড়ভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের ধাক্কা না এলে দেশের বাজারে তাৎক্ষণিক মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা কম।এদিকে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল বিপিসির সর্বশেষ ঘোষণায় তা কিছুটা প্রশমিত হবে বলে মনে করছেন
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর রেলস্টেশন দিনে নীরবতা আর রাতে অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, রাতের অন্ধকারে স্টেশন চত্বরে মাদকসেবী ও জুয়াড়ুরা জমায়েত করে এবং পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ পতিতাবৃত্তির ঘটনাও ঘটে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র জানায়, যমুনা সার কারখানার সরবরাহ ও যোগাযোগ সুবিধার জন্য ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০০০ সালে ঢাকা–যমুনা সেতু–জামালপুর রেললাইন নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১১ সালে ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথের নির্মাণ শেষ হয়। এই লাইনে ৫২টি ব্রিজ-কালভার্ট ও চারটি রেলস্টেশন তৈরি করা হয়, যার একটি হেমনগর স্টেশন। উদ্বোধনের পর প্রথম আড়াই থেকে তিন বছর স্টেশনটি স্বাভাবিকভাবে চালু ছিল। কিন্তু এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এটি বন্ধ। বর্তমানে কোনো স্থায়ী জনবল নেই। স্টেশন মাস্টার, টিকিট ক্লার্ক ও নিরাপত্তাকর্মী অনুপস্থিত থাকায় অফিস কক্ষ, আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম নষ্ট বা চুরি হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দিনের বেলায় স্টেশন ফাঁকা থাকলেও রাতের অন্ধকারে এটি অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। স্টেশনের আবাসিক ভবন ও চত্বরে আগাছা, ঝোপঝাড় এবং ময়লা জমে আছে। পর্যাপ্ত আলো না থাকার কারণে রাতে পরিবেশ ভুতুড়ে মনে হয়। হেমনগর ও আশপাশের গ্রামবাসী দাবি করছেন, স্টেশনটি পুনরায় চালু হলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সুবিধা হবে। একই সঙ্গে এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমেও তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি আজ (২৭-০২-২০২৬) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমবায় সমিতির সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সমবায় সদস্যরা। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সমিতির বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুমোদন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে সমবায় সমিতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে সমবায় খাত আরও গতিশীল হবে। কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যায়ক্রমে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, বাসস্টেশন এবং দূরপাল্লার বাসে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ও ডিজিটাল সেবা সহজলভ্য করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের আইসিটি খাতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ উদ্যোগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু-র সঙ্গে পরামর্শক্রমে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় আইসিটি পার্ক স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের বিদ্যমান তিনটি বড় টেকপার্কে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব টেকপার্কে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আইটি রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মতবিনিময় সভায় তিনি সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এজন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুব হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষানবীশ) লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীনসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ দপ্তরের চলমান কার্যক্রম উপস্থাপন করেন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন, ই-সেবা সম্প্রসারণ ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, “প্রযুক্তিনির্ভর সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা ও সামগ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে এক জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর জেলা বিএনপির বিপ্লবী ও সফল সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ১৪১ নম্বর আসন জামালপুর–৪ (সরিষাবাড়ী) থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম (MP)। সভায় বক্তৃতাকালে প্রধান অতিথি বলেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা একটি সম্মিলিত দায়িত্ব। জনগণের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।” তিনি মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মতবিনিময় সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি আসন্ন সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভা শেষে উপস্থিত সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরিষাবাড়ীতে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।