বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক জতির সামনে সাম্য,মানবিক মূল্যবোধ,ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাতা,গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সকল ধর্মের মানুষের স্ব-অবস্থান নিশ্চিতসহ ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুনামগঞ্জ-৫(ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনবারের সাবেক এমপি ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলনের সমর্থনে দোয়ারাবাজার উপজেলায় লিফলেট বিতরণ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে উপজেলা সদরের পশ্চিমবাজারে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দরা মিছিল সহকারে সভাস্থলে এসে সভাস্থল লোকে লোকারন্য হয়ে উঠে।
দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আরতাবুর রহমান খসরুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এড. সালেহ আহমদের সঞ্চালনায় লিফলেট বিতরণ ও জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-৫(ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনবারের সাবেক এমপি ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন। সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক একলাছুর রহমান,হারুনুর রশিদ,সুনামগঞ্জ জলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নরসিংপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল হক নমু,দোয়ারাবাজারের সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আব্দুল বারি, দোয়ারাবাজার উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মাদব রায়,উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শাহাব উদ্দিন শিহাব,সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ-৫(ছাতক ও দোয়ারাবাজার) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী কলিম উদ্দিন মিলন বলেছেন এই ছাতক ও দোয়ারাবাজার আসনের মানুষ সব সময়ই আমাদের দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভালবেসে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করে আসছেন। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ও ধানের শীষের প্রার্থীকে জনগন নির্বাচিত করবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন বিগত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার আমলে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। ফলে দীর্ঘ ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনে দেশের ছাত্রজনতার বিজয় অর্জিত হয়েছিল।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আজ ১১/০১/২০২৬ তারিখ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল-এর কার্যালয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয় । জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ র্যাব বিজিবি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা আনসার কমান্ডান্ট, টাঙ্গাইলসহ ১২টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ।টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক।সভায় টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতা সততা পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে জেলার সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ অপরাধ দমন কার্যক্রম এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি তিনি জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি র্যাব বিজিবি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা আনসার কমান্ডান্ট বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেড।শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় যমুনা সেনানিবাসের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১০ জন শিশুর মধ্যেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের স্টাফ অফিসার মেজর নাজমুস সালেহীন সৌরভ, যমুনা সেনানিবাসের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রতি বছরের মতো চলতি শীত মৌসুমেও অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের সেনাসদস্যরা দুর্গম ও চরাঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন মানবিক সহায়তা ওজনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত কার্যক্রম যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এ ধরনের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা বলেন শীতের এই সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়তা তাদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
বিনিময় বাসে সাদত কলেজ শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ করটিয়ায় বাস আটক দোষীদের শাস্তির দাবি টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে করটিয়া আসার পথে বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে সরকারি সাদত কলেজের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে করটিয়া এলাকায় ওই বাসটি আটক করা হয়।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ যাত্রাপথে বাসটির চালক ও স্টাফরা তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং একপর্যায়ে তার কাছ থেকে টিকিট কেড়ে নেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সরকারি সাদত কলেজের একটি অনলাইন শিক্ষার্থী গ্রুপে জানালে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।ঘটনার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সংগঠিত হয়ে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়া হাট বাইপাস এলাকায় অভিযুক্ত বাসটি আটক করেন। এ সময় তারা বাসে থাকা চালক ও স্টাফদের আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।শিক্ষার্থীরা বলেন একজন নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রকাশ্যে এমন অশালীন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও পথচারীরাও ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগ নেন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।