সারা দেশ

জনগণের প্রত্যাশা ও তারুণ্যের চাহিদা অনুযায়ী ইশতেহার পাল্টানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ | 0

জনগণের প্রত্যাশা ও তারুণ্যের চাহিদা অনুযায়ী ইশতেহার পাল্টানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে রাজনীতি কোনো স্থির বিষয় নয় এটি সময় সমাজ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে পরিবর্তনশীল—এমন মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা আকাঙ্ক্ষাসময় ও তারুণ্যের চাহিদা অনুসারে রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচনি ইশতেহার পরিবর্তন করতে হবে। শুধু ইশতেহার নয় দলগুলোর লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও ঘোষণাপত্রও হতে হবে সময়োপযোগী ও জনমুখী।শনিবার রাজধানীর ধানমন্ডি আবাহনী ক্লাব মাঠে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন গণতান্ত্রিক অঙ্গনে এনসিপির যাত্রা শুরুর দিন থেকেই তিনি আশাবাদী হয়েছেন। তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ রাজনীতিকে মর্যাদাবান ও গতিশীল করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন তারুণ্যের চাহিদা ধারণ করেই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপি ইতোমধ্যে অনেক দূর অগ্রসর হয়েছে। তিনি আরও বলেন নির্বাচনি সমঝোতার মাধ্যমে জোটগতভাবে অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপি ছয়টি আসন লাভ করেছে। এই ছয়টি আসন বৃদ্ধি পেতে পেতে একসময় রাষ্ট্রক্ষমতায় আরোহণ করাও অসম্ভব নয় —বলেন তিনি।রাজনীতির উত্থান-পতন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন রাজনীতির কণ্টকাকীর্ণ মাঠে উত্থান-পতন মেনে নিতে হয়। যারা তা মানেনি তারা টিকে থাকতে পারেনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন জনগণের চাহিদাকে ধারণ করে মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে যা বর্তমান ও আগামী প্রজন্ম প্রত্যাশা করে।২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণআন্দোলনে ছাত্র-জনতার প্রত্যাশার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন যে রাজনীতি জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবে সেই রাজনীতিই টেকসই হবে।এনসিপির নির্বাচনি ম্যানিফেস্টো তিনি মনোযোগ সহকারে পড়েছেন জানিয়ে বলেন দলটির কর্মপরিকল্পনা তাকে উৎসাহিত করেছে। জাতীয় স্বার্থে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন জাতীয় সংসদে তর্ক-বিতর্ক হবে মতপার্থক্য থাকবে কিন্তু জাতীয় স্বার্থে আমরা এক থাকবো।তিনি সংসদকে কার্যকর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং বলেন সকল ইস্যুতে গঠনমূলক বিতর্কের মাধ্যমে জাতিকে সমাধান দিতে হবে।পরে মন্ত্রী রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র-এ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
গোপালপুরে ৪৩ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সৌদি সরকারের উপহার খেজুর বিতরণ

গোপালপুরে ৪৩ মাদ্রাসা ও এতিমখানায় সৌদি সরকারের উপহার খেজুর বিতরণ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সৌদি আরব সরকারের উপহার হিসেবে প্রাপ্ত খেজুর উপজেলার ৪৩টি মাদ্রাসা ও এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে এসব খেজুর বিতরণ করা হয়।সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে গোপালপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেওয়া হয়। সৌদি সরকারের পাঠানো মোট ২০ কার্টুন খেজুর (প্রায় ১৬০ কেজি) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন,সৌদি আরব সরকার প্রতিবছর বাংলাদেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এতিমখানাগুলোর পাশে দাঁড়াচ্ছে। এই সহায়তা রমজানের পবিত্রতা ও মানবিক মূল্যবোধকে আরও শক্তিশালী করে।”বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন এ ধরনের সহযোগিতা দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।”অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান, গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলামসহ উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও শিক্ষকবৃন্দ এবং বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা মাদ্রাসা প্রধানদের হাতে খেজুর তুলে দেন। খেজুর পেয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিনিধিরা সৌদি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মার্চ ২০, ২০২৬ 0

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক করতে পুলিশের নিরলস তৎপরতা

লঞ্চ দুর্ঘটনায় পিতা-পুত্রের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

দেশের আকাশে তাণ্ডব: শক্তিশালী কালবৈশাখী ও বজ্রবৃষ্টিতে কাঁপছে দেশ

কাঁদায় নেমে গোপালপুরে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী ও এমপি দুই ভাই

কাঁদায় নেমে গোপালপুরে খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী ও এমপি দুই ভাই কৃষি ও জনজীবনে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে খাল পুনঃখননের গুরুত্ব তুলে ধরে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের রাজ গোলাবাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন একটি খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী মুহূর্তে প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য কাঁদার মধ্যেই নেমে কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন, যা স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হক, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেলসহ উপজেলাপৌরসভা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন,কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিন অবহেলায় অনেক খাল ভরাট হয়ে গেছে, ফলে কৃষি উৎপাদন ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে সরকার সারাদেশে ব্যাপক আকারে খাল পুনঃখনন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।” তিনি আরও জানান, এই কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকদের সেচ সুবিধা বাড়বে, জলাবদ্ধতা কমবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর খাল পুনঃখননের ফলে এ অঞ্চলের কৃষিজমিতে পানি নিষ্কাশন ও সেচ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তারা সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার দাবি জানান।খাল পুনঃখননের এই উদ্যোগ গোপালপুর উপজেলার কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

মার্চ ১৮, ২০২৬ 0

টাংগাইল মেডিকেলে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়ক পরিদর্শন করেন

ইফতার মাহফিলে উত্তেজনা চেয়ারম্যানের প্রাইভেটকারে আগুন

ইফতার মাহফিলে উত্তেজনা চেয়ারম্যানের প্রাইভেটকারে আগুন টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নে ইফতার মাহফিলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন চকদারের ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকারে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিলে দুলাল হোসেন চকদার দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে অংশ নেন। ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে হঠাৎ করে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়যা দ্রুত উত্তেজনায় রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা চেয়ারম্যানের প্রাইভেটকারে আগুন ধরিয়ে দেয়।ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করে এবং পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুনে প্রাইভেটকারটির আংশিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় ঘটনাটি পূর্ব বিরোধের জের ধরে ঘটতে পারে। তবে এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

সারাদেশের ন্যায় জ্বালানি তেল বিক্রিতে রেশনিং প্রত্যাহার

দেলদুয়ার থানায় নবনির্মিত ব্যারাকের উদ্বোধন ইফফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু

0 মন্তব্য