ynetnews-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ভোরে তেহরানের একাধিক স্থানে সমন্বিত সামরিক হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে ইরানের ঊর্ধ্বতন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা সমাবেশ করছিলেন। ইসরায়েলি সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, হামলায় কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হয়ে থাকতে পারেন—যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ মেলেনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সকাল প্রায় ৮টা ১০ মিনিটে প্রথম হামলাটি শুরু হয়। একই সময়ে তেহরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আঘাত হানা হয়। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে Operation Roaring Lion।
ynetnews-এর প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যাদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী শামখানি, ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কমান্ডার জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আজিজ নাসিরজাদেহ, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল আবদোলরহিম মুসাভি এবং গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খতিব।
সংবাদমাধ্যমটি দাবি করেছে, কয়েক মাস ধরে এই অভিযানের পরিকল্পনা চলছিল। গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে এমন একটি সময় চিহ্নিত করা হয়, যখন শীর্ষ কর্মকর্তারা একত্রিত থাকবেন। কৌশলগত চমক তৈরি করতে রাতের পরিবর্তে সকালে হামলা চালানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ynetnews-এর ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং ইসরায়েলই সরাসরি ইরানের নেতৃত্বের ওপর হামলা চালিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টনের অংশ হিসেবেই এমনটি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এখনো লক্ষ্যবস্তু ব্যক্তিদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। তারা জানিয়েছেন, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চলছে। ইরানের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

