জাতীয়

নোয়াখালীতে যুবদলের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় মিলাদ ; দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ

reporter-icon
সাইফুল ইসলাম: নোয়াখালী সংবাদাতা
ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫ | 0

নোয়াখালীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে উপজলার চৌমুহনীর সুগন্ধা কমিউনিটি সেন্টারে নোয়াখালী জেলা যুবদলের উদ্যোগে ও বেগমগঞ্জ উপজেলা যুবদল, পৌর যুবদলের আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ- সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মন্জুরুল আজিম সুমন।

তিনি বলেন, আজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংকটময় অসুস্থতার জন্য দায়ী বিগত ফ্যাসিষ্ট হাসিনার সরকার। ফ্যাসিষ্ট সরকার খালেদা জিয়াকে যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে যেতে দেয়নি।

দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সুস্থতা দেশ ও জাতির জন্য একান্ত প্রয়োজন, তিনি খালেদা জিয়ার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মফিজুর রহমান দীপু, জেলা যুবদলের সহসভাপতি কুতুব উদ্দিন মিলন , জেলা যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন,

৮নং বেগমগঞ্জ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান শাহেদুর রহমান শাহিন,

উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সুমন, যুগ্ম-আহ্বায়ক সায়েম হোসেন সুমন, আব্দুর রশিদ মাসুদ, জামাল উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব জিএস নিজাম উদ্দিন প্রমুখ।

পরে দোয়া মোনাজাত দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
 

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

জাতীয়

আরও পড়ুন
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত।

"আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায় বিচার সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার"। এই প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে উপজেলা পরিষদ মলিনায়তনে রবিবার (৮মার্চ) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এ দিবস পালিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস। এ উপলক্ষে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জান্নাতুল ইসলাম মীম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এমএ জিন্নাহ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাস, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বজলুর রহমান আনসারী, দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল হাসান, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক কবি সজিম সাইন, পারি ডেভেলপমেন্ট ট্রাষ্ট্রের ম্যানেজার প্রিন্স কোরাইয়া ও নারী উদ্যোক্তা কবিতা দত্ত প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ১৯১১ সালে প্রথমবারের মতো কয়েকটি দেশে এ দিবস পালিত হয়। পরে ১৯৭৫ সালে জাতিসংঘ ৮ মার্চকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়। তখন থেকেই দিনটি বিশ্বব্যাপী নারীর অধিকার ও সমতার প্রতীক হয়ে উঠে। বিশ্বজুড়ে আজকের দিনটি কেবল উদযাপনের নয়, আত্মসমালোচনা ও অঙ্গীকারেরও। আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সমতার পথে অগ্রগতি হলেও এখনো অসংখ্য নারী তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তাই শুধু প্রতীকী সম্মান নয়, প্রয়োজন বাস্তব পরিবর্তন। নিজ নিজ অবস্থান থেকে নারীদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করণে সকলকে আহবান জানানো হয়। আলোচনা শেষে, পারি ডেভেলপমেন্ট ট্রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নয়জন সফল নারী উদ্যোক্তাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

মার্চ ৮, ২০২৬ 0
দায়িত্ব কমলো প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর

দায়িত্ব কমলো প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর

দেশে ১ লাখ ৩৬ হাজার টন জ্বালানি মজুদদাম বাড়ার শঙ্কা নেই

টাঙ্গাইলের হেমনগর রেলস্টেশন বন্ধ এক দশক, রাতে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়া

টাঙ্গাইলের হেমনগর রেলস্টেশন বন্ধ এক দশক, রাতে মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়া

টাঙ্গাইল সদর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
টাঙ্গাইল সদর কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি আজ (২৭-০২-২০২৬) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমবায় সমিতির সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সমবায় সদস্যরা। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সমিতির বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুমোদন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে সমবায় সমিতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে সমবায় খাত আরও গতিশীল হবে। কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফ্রি ওয়াইফাই প্রদান করা হবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন

গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফ্রি ওয়াইফাই প্রদান করা হবে: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন

সরিষাবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের আইন-শৃঙ্খলা কমিটির জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

খুব শিগগিরই ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ: সালাহউদ্দিন আহমদ

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি স্বল্পমেয়াদি প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে সরকার দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের তাৎক্ষণিক চাহিদা ও প্রত্যাশা পূরণে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।আজ রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়-এ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর কার্যালয়ে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখা সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত না হলে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য কাঙ্ক্ষিত গতিতে এগোতে পারে না। তাই সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে কাজ করছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অসাধু সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মূল্য বৃদ্ধি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অস্বচ্ছ বাণিজ্যিক চক্র ভেঙে দিতে সরকার নতুন কৌশল ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করছে। প্রয়োজন হলে প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে গিয়ে সৃজনশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পরিবহন খাতের অনিয়ম ও চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন সড়ক ও গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সারাদেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। প্রথম ধাপে বিভাগীয় শহর ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকাগুলোতে কার্যক্রম শুরু করে ধাপে ধাপে তা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বিস্তৃত করা হবে। এ উদ্যোগ সফল করতে প্রশাসন, পুলিশ, ব্যবসায়ী সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন। বৈঠকে ডিসিসিআই’র প্রেসিডেন্ট তাসকীন আহমেদ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন চাঁদাবাজি প্রতিরোধ এবং পরিবহন খাতে সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকারের সক্রিয় সহায়তা কামনা করেন। তিনি বলেন ব্যবসাবান্ধব নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত হলে দেশীয় ও বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে এবং অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। এ সময় ডিসিসিআই’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাজীব এইচ চৌধুরী ভাইস প্রেসিডেন্ট মো.সালেম সোলায়মান এবং সচিব ড.একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারীসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে দুই দিনের সরকারি সফরে আসছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন

টাঙ্গাইলে দুই দিনের সরকারি সফরে আসছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে মাঠে টাঙ্গাইল পুলিশ, মহাসড়ক ঘুরে দেখলেন পুলিশ সুপার

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে মাঠে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ, মহাসড়ক ঘুরে দেখলেন পুলিশ সুপার

সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের

সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের

0 মন্তব্য