সারা দেশ

লাল বানুর জীবনরক্ষায়,পাশে দাঁড়ালেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

reporter-icon
আল আমিন হাওলাদার: নেত্রকোনা প্রতিনিধি
ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫ | 0
আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী এই প্রতিপাদ্যে এবং মানবতার কল্যাণে রাজনীতি এই নীতিকে বাস্তব রূপ দিয়ে আবারও দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের সাকুয়া ইন্দ্রপুর গ্রামের অসহায় নারী লাল বানু খালার জীবনরক্ষাকারী অপারেশনের সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। ব্যারিস্টার কায়সার কামালের আয়োজনে লেঙ্গুরা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে চিকিৎসা নিতে এসে নিজের মরণব্যাধির কথা জানতে পারেন লাল বানু খালা। প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন, তিনি Thyroid Goiter রোগে আক্রান্ত এবং দ্রুত অপারেশন ছাড়া তার বেঁচে থাকার কোনো বিকল্প নেই। এই দুঃসংবাদ শুনে মুহূর্তেই ভেঙে পড়েন তিনি। মাথায় হাত দিয়ে ক্রন্দনরত অবস্থায় ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে খুঁজে বের করে অসহায় কণ্ঠে বলেন, অপারেশন না করলে আমি বাঁচবো না। সেই করুণ মুহূর্তে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা দেন লাল বানু খালার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব তিনি নিজেই নেবেন। তাঁর এই আশ্বাস যেন, অসহায় নারী লাল বানু খালা নতুন করে বেঁচে থাকার আশার আলো হয়ে আসে। এরপর ধারাবাহিকভাবে প্রয়োজনীয় সকল মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। অবশেষে আজ সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) লাল বানু কে ময়মনসিংহের একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, আগামী ১ থেকে ২ দিনের মধ্যেই লাল বানু খালার Thyroidectomy অপারেশন সম্পন্ন করতে পারবে ইনশাআল্লাহ। স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, একজন জাতীয় পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতা হয়েও সাধারণ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। তারা মনে করেন, এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম সমাজে সহমর্মিতা ও মানবিক রাজনীতির ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিবে। এ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, রাজনীতি যদি মানুষের দুঃখে পাশে না দাঁড়ায়, তবে সে রাজনীতির কোনো মূল্য নেই। আমরা কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। মানবতার কল্যাণেই আমাদের পথচলা। তিনি দেশবাসী ও শুভানুধ্যায়ীদের কাছে লাল বানুর সফল অপারেশন ও দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন। তিনি আরো বলেন, মানুষের পাশে থাকার এই দায়িত্ববোধ আগামীতেও অব্যাহত থাকবে। অসহায় মানুষের চিকিৎসা, শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে আমি ও আমার দল সর্বদা পাশে থাকব।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
দেলদুয়ারে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পরিচিতি সভাসাংবাদিকতার মানোন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

দেলদুয়ারে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার পরিচিতি সভাসাংবাদিকতার মানোন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান সাংবাদিকতার পেশাগত মান উন্নয়ন,সংগঠনের কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চা জোরদারের লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার উপজেলা ইউনিটের পরিচিতি ও সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ সভায় জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা দেলদুয়ার উপজেলা ইউনিটের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. বাবলু মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের আহ্বায়ক এম. মাছুদুর রহমান মিলন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম. মাছুদুর রহমান মিলন বলেন,সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে সমাজের অনিয়ম-দুর্নীতি তুলে ধরাই একজন সাংবাদিকের প্রধান দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের যুগ্ম আহ্বায়ক বোরহান উদ্দিন তালুকদার। তিনি বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও নৈতিকতার চর্চা নিশ্চিত করতে সংগঠনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা জরুরি।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সদস্য সাইদুর রহমান পলাশ।সভায় আলোচনায় অংশ নেন দেলদুয়ার উপজেলা ইউনিটের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এ. কে. এম. রাজু আহমেদ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান মিয়া,সহ-সাধারণ সম্পাদক মোবারক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন মিয়া অর্থ সম্পাদক রফিক মিয়া, প্রচার সম্পাদক বাবলু মিয়া দপ্তর সম্পাদক সৈকত হোসেন সাগর এবং কার্যনির্বাহী সদস্য আরিফুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান আরিফুল ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।সভায় বক্তারা দেলদুয়ার উপজেলায় সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান

নির্বাচনী দায়িত্ব সফল করতে পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে টাঙ্গাইলে TOT কোর্স উদ্বোধন

আরএমপি’র বিভিন্ন থানার ওসি ও কর্মকর্তাদের সরেজমিনে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন

কালিহাতীতে পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

জ্বালানি বিক্রয়ে ওজন ও পরিমাপে অনিয়ম রোধ এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষায় টাঙ্গাইলের কালিহাতি ও এলেঙ্গা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি পরিচালিত এ অভিযানে কালিহাতি ও এলেঙ্গা এলাকার একাধিক ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রম তদারকি করা হয়। পরিদর্শনকালে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ এর বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুইটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।কালিহাতি ও এলেঙ্গায় ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ।ওজন ও পরিমাপে অনিয়ম দুই প্রতিষ্ঠানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা।ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ এবং জ্বালানি বিক্রয়ে ওজন ও পরিমাপে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইলের কালিহাতি ও এলেঙ্গা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। ২২ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে কালিহাতি উপজেলা ও এলেঙ্গা পৌর এলাকার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন ২০১৮ এর বিধান লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়ায় দুইটি ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মেসার্স কালিহাতি ফিলিং স্টেশন এবং মেসার্স পার্টনার্স ফিলিং স্টেশন এলেঙ্গা এর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলায় মোট ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড আরোপ ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।অভিযানটি পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কালিহাতি টাঙ্গাইল। এ সময় ফিলিং স্টেশনগুলোর মিটার পরিমাপক যন্ত্র এবং বিক্রয় কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করা হয়।প্রশাসন সূত্রে জানানো হয় জ্বালানি বিক্রয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা কিংবা আইন অমান্য করার সুযোগ দেওয়া হবে না। জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।জনস্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জানুয়ারী ২৩, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান জোরদার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নজরদারি

টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা ও প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে ডিসি অফিসে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতীক বরাদ্দ অনুষ্ঠিত

কালিহাতীতে ছাত্রদলের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি শাস্তির দাবি স্থানীয়দের
কালিহাতীতে ছাত্রদলের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি শাস্তির দাবি স্থানীয়দের

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অনুসারী ও আত্মীয়স্বজনদের প্রভাব এখনো সক্রিয় রয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের মাধ্যমে একাধিক ব্যক্তি এখন বিএনপির অঙ্গসংগঠন ছাত্রদলের ব্যানারে প্রভাব বিস্তার করছেন। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সোলায়মান আকন্দ। স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক নেতা-কর্মীর ভাষ্যমতে, সোলায়মান আকন্দ দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি অতীতে ছাত্রলীগের পদ পেতে ব্যর্থ হয়ে পরে ছাত্রদলে যোগ দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর ঢাকা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন সোলায়মান আকন্দ। যমুনা নদী তীরবর্তী বাণিজ্যিক এলাকায়—বিশেষ করে বালুর ঘাট, গাড়ি পারাপার ও লোড-আনলোড পয়েন্টগুলোতে—চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এ কাজে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এম এ বাতেন ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ঝলকের সহযোগিতার কথাও অভিযোগে উঠে এসেছে। এছাড়া, সোলায়মান আকন্দের পরিবারের সদস্য ও আওয়ামী লীগ-সমর্থিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল হাই আকন্দ বেনজির আহমেদ টিটুর নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত প্রায় ১২টি বালু উত্তোলন পয়েন্ট থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন, আবদুল মোনায়েম লিমিটেডের বালু পরিবহনের রাস্তা বন্ধ করে প্রায় ১০ লাখ টাকা আদায় করা হয়। এসব ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা থানা ও ডিবিতে ১০ থেকে ১২টি অভিযোগ দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি তাদের। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। এরই মধ্যে গোহালিয়াবাড়ীতে নতুন একটি প্রভাববলয় গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নতুন নেতৃত্ব হিসেবে আলোচনায় এসেছেন লুৎফর রহমান মতিনপন্থী আলম আকন্দ। স্থানীয় বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানান, আলম আকন্দের অতীতে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত থাকার কোনো প্রামাণ্য তথ্য তাদের জানা নেই। এতসব অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দলীয় ও প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের প্রবীণ বিএনপি নেতারা বলেন, “আমাদের জানামতে এসব ব্যক্তি আগে কখনো বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। হঠাৎ করেই তাদের আবির্ভাব ঘটেছে।” এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পাওয়া যায়নি। দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি , যুবদল ও ছাত্রদলের একাংশ।

জানুয়ারী ২১, ২০২৬ 0

ভোট/গণভোট প্রচার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও জনসমাবেশ

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট অভিযান অব্যাহত

0 মন্তব্য