আগামী সংসদ নির্বাচনের আগেই খুনি শেখ হাসিনার বিচার নি:শেষ করতে হবে এবং আওয়ামীলীগ ফ্যাসিস্টদের আইনের আওতায় এনে তাদের বিচার সম্পন্ন করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নোয়াখালী জেলা শাখার সেক্রেটারি ও নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা বোরহান উদ্দিন।
শুক্রবার বিকেলে বেগমগঞ্জ উপজেলার ১০নং নরোত্তমপুর ইউনিয়নের পন্ডিত বাজারে ইউনিয়ন জামায়াতে সহ-সভাপতি আবদুল আহাদের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নরোত্তমপুর ইউনিয়নের সভাপতি হাসান পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ইউনিয়ন কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এইসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাসিমুল গনি চৌধুরী মহল, বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আবু জায়েদ, সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহিম, উপজেলা সূরা ও কর্ম পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
এইসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইউনিয়ন সেক্রেটারি মনির হোসেন মনির, সাবেক ওয়ার্ড শ্রমিক কল্যান সভাপতি মোহাম্মদ খলিল সহ ইউনিয়ন ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মীবৃন্দ সহ আরো অনেকে।
সম্মেলনে বক্তব্যে তারা বলেন, আগামীতে কোরআন ও ইসলামের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা করা হবে ইনশাআল্লাহ। ইসলাম ও কোরআন এর আলোকে পরিচালনা হলে দেশে থাকবেনা কোন ফ্যাসিবাদী, জুলুমবাদী৷ দল। এইছাড়া অতি দ্রুত পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন দেওয়ার আহবান জানান
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই ঘোষণা দিয়েছিল বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। তবে নির্বাচন থেকে দূরে না থেকে সারা দেশে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের পক্ষে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে দলীয়ভাবে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌর শহরে নিজস্ব বাসভবনে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী। কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘হানাদারদের চেয়েও খারাপ এই আসনের বিএনপি প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান। সে আসিফ চেয়ারম্যানকে জেলে ঢুকিয়েছে, আবার সেই জামিন করিয়েছে। আমরা একাত্তর সালে যেভাবে নেমেছিলাম, সেভাবেই এবারও নামবো। তবে জামায়াতের পক্ষেও না, বিএনপির পক্ষেও না—আমরা নামবো স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের পক্ষে। তার মার্কা যেটাই হোক, আমরা তার সঙ্গেই থাকবো।’ টাঙ্গাইল-৮ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় তোমাদের নেতারা যে অপরাধ করেছে, তারা যদি আল্লাহর কাছে মাফ চায় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করে জাতির কাছে ক্ষমা চায়, তাহলে আমি তোমাদের সবচেয়ে বড় পক্ষের লোক হতাম। কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের পক্ষে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা—দেশকে স্বাধীন করেছি, স্বাধীনতাকে বুকে নিয়েই কবরে যেতে চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংসদে যেন “জয় বাংলা” বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা যায়—এই চিন্তা থেকেই আমি আমার বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়াতে বলেছি। এতে আমার রাজনীতি থাকুক বা না থাকুক, তাতে কিছু আসে যায় না। আমি “জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু” বলার জন্যই কালিহাতীতে দলীয়ভাবে প্রচারে নেমেছি।’ সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি সবুর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—দলের গাজীপুর মহানগর সভাপতি আব্দুর রহমান, সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম সরকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস সিকদার, বাসাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নেতা রাহাত খান টিপু, আবু জাহিদ রিপনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন—বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও দলীয় মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খান, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা শফিকুল ইসলাম খান, স্বতন্ত্র প্রার্থী লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল এবং জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী নাজমুল হাসান রেজা।
বিজয়নগরে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আচরণবিধি ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ সভা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নির্বাচনী আচরণ বিধি, গণভোট ও পোস্টাল ভোট বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অবহিত করতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ১০-০১-২০২৬ ইং তারিখে দুপুরে বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শারমিন আক্তার জাহানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ ফাতেমার সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোছাম্মাৎ ফারহানা রহমান নির্বাচনী আচরণ বিধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সকলকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানান এবং গণভোটে ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জনগণকে উৎসাহিত করেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাছিবুর রহমান, জেলা তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাস বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে ফজলুল হক এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদমান সাকিব। বক্তারা নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের কর্মী গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেউ যদি অশুভ শক্তি প্রয়োগ বা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে তাহলে তাদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক উৎসব। এ উৎসব সফল করতে সকলের সহযোগিতা অপরিহার্য।
ঘরে ঘরে জনে জনে মানবতার দীপ জ্বালাচ্ছেন কায়সার কামাল-জনকল্যাণের বার্তা নিয়ে তৃণমূলে ছুটে চলেছে উপজেলা যুবদল মানুষের পাশে দাঁড়ানোর রাজনীতিকে মূল দর্শন হিসেবে সামনে রেখে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল—কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিবের সুদৃঢ় নির্দেশনায় নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা গাওকান্দিয়া ইউনিয়নে বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা যুবদলের উদ্যোগে চলছে ব্যাপক গণসংযোগ ও জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম। ঘরে ঘরে, জনে জনে—এই মানবিক ও হৃদয়ছোঁয়া স্লোগানকে ধারণ করে যুবদলের নেতাকর্মীরা প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ও মহল্লায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। এ সময় তারা ব্যারিস্টার কায়সার কামালের মানবিক, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তৃণমূল মানুষের সামনে তুলে ধরছেন। রাজনীতির সীমা ছাড়িয়ে একজন মানবদরদী অভিভাবক হিসেবে তিনি যে নিরবচ্ছিন্নভাবে মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাঘবে কাজ করে যাচ্ছেন—তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। গণসংযোগকালে বিশেষভাবে তুলে ধরা হচ্ছে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বহুমাত্রিক জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। এর মধ্যে রয়েছে— সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা,ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প,হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রোগীদের জন্য হার্টের চিকিৎসা ও চিকিৎসা সহায়তা, কিডনি রোগে আক্রান্ত দরিদ্র রোগীদের সহায়তা, হাজারেরও বেশি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের সফল চোখের অপারেশন, গৃহহীন ও অসহায় পরিবারের জন্য ঘর নির্মাণ, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে কাঠের সেতু নির্মাণসহ নানা মানবিক ও উন্নয়নমূলক কাজ। এছাড়াও কৃষকবান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসেবে কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগ এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও পারিবারিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মহিলাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনার বিষয়টিও প্রচারণায় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুরক্ষা জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।এই গণসংযোগ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন উপজেলা যুবদলের নিবেদিতপ্রাণ নেতাকর্মীরা। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মোঃ হান্নান শাহ, মাহামুদুল হক সানি, কামরুল ইসলাম, বাদশা মিয়া ও রনি। পাশাপাশি গাওকান্দিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সার্বিক সহযোগিতায় আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন সেলিম, যুগ্ম আহ্বায়ক তূষার ইমরান প্রান্ত, ইলিয়াস হোসেন,সিদ্দিক, নিজাম, তূষার, শামীম, শাকিল, জলিল, আলম, জবেদ এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা নিরলসভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। যুবদল নেতারা বলেন,ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি মানবতার প্রতীক। কৃষক, শ্রমজীবী, অসহায় রোগী ও নারীদের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই তার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে একটি ন্যায্য ও মানবিক সমাজ গড়ার বার্তা তৃণমূল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এই প্রচার কার্যক্রম।