রাজনীতি

টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ | 0
টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল
টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল

টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ অব্যাহত রেখেছেন এড. ফরহাদ ইকবাল। নির্বাচন শেষ হলেও তিনি থেমে থাকেননি; বরং এলাকার জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিচ্ছেন নিয়মিতভাবে। ৯ম রমজানে তিনি বাঘিল ইউনিয়নের ধরের বাড়ি হাট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বাগত জানান। তিনি সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, চলমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি ছিলাম, আছি, থাকবো আপনাদেরই মাঝে ইনশাআল্লাহ।” ভবিষ্যতেও যে কোনো ধরনের বিপদ-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুবসমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন ধারাবাহিক যোগাযোগ এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে জানান অনেকেই।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল
টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল

টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ অব্যাহত রেখেছেন এড. ফরহাদ ইকবাল। নির্বাচন শেষ হলেও তিনি থেমে থাকেননি; বরং এলাকার জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিচ্ছেন নিয়মিতভাবে। ৯ম রমজানে তিনি বাঘিল ইউনিয়নের ধরের বাড়ি হাট এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে স্বাগত জানান। তিনি সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, চলমান সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। স্থানীয়দের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি ছিলাম, আছি, থাকবো আপনাদেরই মাঝে ইনশাআল্লাহ।” ভবিষ্যতেও যে কোনো ধরনের বিপদ-আপদে সাধারণ মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাকে শক্তি হিসেবে নিয়ে এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার প্রত্যয়ও পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যুবসমাজ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে এমন ধারাবাহিক যোগাযোগ এলাকার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে জানান অনেকেই।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র পক্ষ থেকে কাতুলীতে বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র পক্ষ থেকে কাতুলীতে বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন-পরবর্তী গণসংযোগে ব্যস্ত অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন-পরবর্তী গণসংযোগে ব্যস্ত অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল

মন্ত্রিসভায় আহমেদ আজমকে দেখতে চায় বাসাইল–সখীপুরের মানুষ

মন্ত্রিসভায় আহমেদ আজমকে দেখতে চায় বাসাইল–সখীপুরের মানুষ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আলোচনায় আফরোজা খন্দকার (নিপু)
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আলোচনায় আফরোজা খন্দকার (নিপু)

সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নকে ঘিরে টাঙ্গাইল জেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-সমর্থকদের মধ্যে জোরালো আলোচনায় উঠে এসেছেন ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় অংশগ্রহণকারী ও আফরোজা খন্দকার (নিপু)। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেত্রী দীর্ঘদিন ধরে দলের প্রতি নিষ্ঠা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয় নেতাকর্মীদের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। রাজনৈতিক মহলের মতে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের সময় রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে তিনি নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে তাকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল বলে তার ঘনিষ্ঠরা দাবি করেন। তবে এসব চাপের মধ্যেও তিনি দলীয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াননি। ছাত্রজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ অধ্যয়নকালে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং কুয়েত মৈত্রী হল ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নেতৃত্বের গুণাবলি ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি দ্রুতই জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৯০-এর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা তার রাজনৈতিক পরিচিতিকে আরও শক্তিশালী করে। সমাজকল্যাণ বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী এই নেত্রী রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত রয়েছেন। নিজ এলাকা মির্জাপুরসহ টাঙ্গাইলের বিভিন্ন স্থানে দলীয় সংগঠন শক্তিশালীকরণ, নারী নেতৃত্ব বিকাশ এবং জনসেবামূলক উদ্যোগে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর পক্ষে জনসংযোগ কার্যক্রমেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। বনানী-ভাসানটেক এলাকায় গঠিত জনসংযোগ উপকমিটির যুগ্ম সমন্বয়ক হিসেবে মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। তার পারিবারিক পরিচয়ও রাজনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ। তার স্বামী মো. সাইদুর রহমান (সাইদ সোহরাব) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হল ছাত্র সংসদের সাবেক নির্বাচিত জিএস এবং বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আফরোজা খন্দকার (নিপু)কে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদ সদস্য মনোনয়ন দেওয়া হলে দল উপকৃত হবে। তাদের মতে, তিনি মনোনয়ন পেলে দলীয় রাজনীতি ও জনসেবায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0

বিএনপি নেতা ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে পরাজয়ের পরও উন্নয়নের অঙ্গীকার হারুনুর রশীদের

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীর বাজিমাত

টাঙ্গাইল-৫ আসনে শেষ হাসি কার—নির্ধারণ করবে ভোটের অঙ্ক

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজনৈতিক উত্তাপ ততই বাড়ছে। নির্বাচনী মাঠে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন স্পষ্ট। দিন দিন জমে উঠছে লড়াই; গণসংযোগ, পথসভা, জনসভা ও মিছিলের মাধ্যমে উভয় পক্ষই নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিচ্ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনের নির্বাচনী ফলাফল নির্ভর করছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—বিএনপি-সমর্থিত ভোট কতটা একমুখী থাকে, নাকি কোনো কারণে বিভক্ত হয়। দলীয় প্রতীক থাকায় বিএনপি প্রার্থী স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, দীর্ঘদিনের স্থানীয় যোগাযোগ ও প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে শক্ত চ্যালেঞ্জ তৈরি করছেন। বিশেষ করে শহর ও গ্রামাঞ্চলের ভোটের প্রবণতা এবারের নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শহর এলাকায় উন্নয়ন, নাগরিক সুবিধা ও রাজনৈতিক সচেতনতা যেখানে মুখ্য, সেখানে গ্রামাঞ্চলে প্রার্থী পরিচিতি, ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও স্থানীয় সমীকরণ বড় ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করছে। এ ছাড়া শেষ মুহূর্তে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের তৎপরতা, কেন্দ্রভিত্তিক সংগঠন শক্তিশালী রাখা এবং ভোটার উপস্থিতি (টার্নআউট) চূড়ান্ত ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলবে। অতীতে দেখা গেছে, টাঙ্গাইল সদর আসনে কম ব্যবধানের ফলও নির্বাচনের চিত্র পাল্টে দিতে পারে। সব মিলিয়ে, টাঙ্গাইল-৫ আসনের ভোটের লড়াই এখন টানটান উত্তেজনায় ভরা। শেষ পর্যন্ত ভোটের অঙ্ক কার পক্ষে যাবে, আর কার মুখে উঠবে বিজয়ের শেষ হাসি—তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ভোটের দিন পর্যন্ত।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের নেতৃত্বে সরিষাবাড়িতে জয়লাভের প্রত্যয়

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর আখেরি মিছিল ও জনসভা

কালিহাতীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী সমর্থক এবং ধানের শীষ প্রতীক সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ

0 মন্তব্য