জাতীয়

সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ | 0
সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের
সন্ত্রাস, মাদক ও অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের

টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অবৈধ দখলদারিত্ব ও মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পুলিশের উদ্যোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অপরাধ দমনে জনসম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা। বাংলাদেশ পুলিশ-এর টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার-এর নির্দেশে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাঠে নামে পুলিশের একটি বিশেষ টিম। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (টাঙ্গাইল সদর সার্কেল) এইচ.এম. মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী এবং ডিবি (উত্তর) টাঙ্গাইলের অফিসার ইনচার্জ এ.বি.এম.এস দোহার সার্বিক তত্ত্বাবধানে দিনব্যাপী এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মহড়ার অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল পৌর শহরের পার্কের বাজার, পাঁচ আনি ও ছয় আনি বাজার, ভিক্টোরিয়া রোড, নতুন বাসস্ট্যান্ড ও পুরাতন বাসস্ট্যান্ডসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক এলাকায় পুলিশের সদস্যরা হ্যান্ড মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতামূলক বার্তা প্রদান করেন। চাঁদাবাজি বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের শিকার হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে জানাতে ব্যবসায়ী ও পথচারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসা ও সেবনের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। দিনব্যাপী মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ভিক্টর ব্যানার্জি, সেকেন্ড অফিসার রাফিউল করিম, ডিবি (উত্তর) ও ডিবি (দক্ষিণ) টাঙ্গাইলের অন্যান্য কর্মকর্তা ও ফোর্স সদস্যরা। সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও এতে অংশগ্রহণ করেন, যা কর্মসূচিকে আরও জনমুখী করে তোলে। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, অবৈধ দখলদারিত্ব ও মাদকসংক্রান্ত যেকোনো তথ্য জানাতে জনসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ কন্ট্রোলরুম, টাঙ্গাইল (০১৩২০০৯৭২৯৮), টাঙ্গাইল সদর থানা অথবা ডিবি টাঙ্গাইলের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের বিশেষ মহড়া ও অভিযান ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করা হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়। পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের টিম সার্বক্ষণিক মাঠে সক্রিয় রয়েছে। কেউ চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িত থাকলে কিংবা এমন তথ্য পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পুলিশের সব ইউনিট প্রধান, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি ও জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল সভায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়। সেই নির্দেশনার অংশ হিসেবেই মাঠপর্যায়ে এই বিশেষ মহড়া পরিচালিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

জাতীয়

আরও পড়ুন
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিসতা স্বাধীনতা দিবস ফুটভলি চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিসতা স্বাধীনতা দিবস ফুটভলি চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ফুটভলি এ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমীর যৌথ সহযোগিতায় রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে রংবেরংয়ের বেলুন উড়িয়ে এ খেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমীর সভাপতি গৌতম কুমার বিশ্বাস। তিনি জানান, তরুণ ও যুব সমাজ খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত থাকলে তারা কখনোই মাদক বা অন্যায় পথে জড়িয়ে পড়বে না। এই খেলাটি জনপ্রিয় হয়ে উঠুক। যুব সমাজ এ খেলার প্রতি আগ্রহি হয়ে উঠবে। যুব সমাজকে সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ, বাংলাদেশ ফুটভলি এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী আজম আলী খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. সামিউল ইসলাম লিটন, জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহমুদুজ্জামান, ক্রীড়া সংগঠক বদিউজ্জামান বুধু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজু আহমেদ সহ ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন  জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।

এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0

গোপালপুরে বৈরন নদীর উপর সেতু নির্মাণে ৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকার বরাদ্দ, পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী শাহ আলম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সাথে গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধিতে জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল
হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধিতে জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এমপি নূরুল ইসলাম বুলবুল

সারাদেশের তুলনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। এমতাবস্থায় সংসদের অধিবেশন শেষ করেই ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ -৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নূরুল ইসলাম বুলবুল। ৩ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১১ টায় তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এবং রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কতৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সামনে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, হামের প্রকোপ সারা দেশের তুলনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সারাদেশের প্রায় ১০ শতাংশ হামের রোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বয়স কম হওয়ায় এর প্রভাবটা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এটি যদি আরো বাড়তে থাকে তাহলে শিশুদের মৃত্যুর হার বেড়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, যারা হামের টিকা গ্রহণ করেছে তাদের আক্রান্তের হার কম। তবে শিশুদের ৯মাসের আগে হামের টিকা প্রদান করা হয় না। তাই তারা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন থেকে ৬মাস বয়স থেকেই শিশুদের হামের টিকা প্রদান করা হবে। এবং আগামী ৫ই এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরো বলেন, হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এখানে যে খাবার পানি সংকট তৈরি হয়েছিল সেই সংকট নিরসনের জন্য জরুরী ভিত্তিতে একটি ফিল্টার বসানোর নির্দেশনা দিয়েছিলাম যা তাৎক্ষণিকভাবে বসানো হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আরো ৮-১০ টি ফিল্টার বসানোর জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করা যায় আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে সেগুলো বসানো হবে এবং এর মাধ্যমে হাসপাতালে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দূর হবে। এছাড়াও হাসপাতালে বিভিন্ন ধরনের সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নানান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই কঠিন সময়ে একটু অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে হলেও রোগীদের যথাযথ সেবা প্রদান করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এমনিতেই একটি অবহেলিত জনপদ। এখানে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও ১০০ বেডের খাবার, ডাক্তার, স্টাফসহ অন্যান্য ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধা ছিল। ২৫০ শয্যার সকল সুযোগ সুবিধা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় অফিশিয়াল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এখন অফিশিয়াল চিঠির অপেক্ষায় আছি। আশা করছি, শীঘ্রই আমরা সেটা পেয়ে যাবো। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ মশিউর রহমান, হাসপাতালের আরএমও ডাঃ মোঃ আব্দুস সামাদসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক লতিফুর রহমান, পৌরসভা আমীর হাফেজ গোলাম রব্বানী, ১০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তোহরুল ইসলাম সোহেল, সহ জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জামালপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজন

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন পিটিসি,টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি

আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইলে কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতকে ঘিরে জোর প্রস্তুতি চলছে। এ প্রেক্ষিতে শুক্রবার (২০ মার্চ ২০২৬) জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, টাঙ্গাইল ময়দান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে ঈদগাহ মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে নামাজ আদায়ের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতা অজুখানা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও প্রবেশ-বহির্গমন পথ সুসংগঠিত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।জেলা প্রশাসক জানান আগামীকাল শনিবার সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদগাহ, টাঙ্গাইল ময়দানে পবিত্র ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রায় ২০ হাজার মুসল্লীর অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করা হয়েছে।পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুসল্লিদের জন্য একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশ নিশ্চিত করতে সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি জরুরি সেবাও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।উল্লেখ্য প্রতিবছরের মতো এবারও টাঙ্গাইলের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলার সর্ববৃহৎ ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যেখানে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লীর সমাগম ঘটে।

মার্চ ২০, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৬ উদযাপন

টাঙ্গাইলে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত।

0 মন্তব্য

শীর্ষ সপ্তাহ

সারা দেশ

যুবদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতেই যুবককে পেটালেন নেতাকর্মিরা

মুক্তধ্বনি ডেক্স মার্চ ৩১, ২০২৬ 0

ভোট জরিপ

নির্বাচনের দিন গণভোট আপনি সমর্থন করেন ?