খেলাধুলা

৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে মাগুরাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী টাঙ্গাইল জেলা দল

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ | 0
৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে মাগুরাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী টাঙ্গাইল জেলা দল
৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে মাগুরাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী টাঙ্গাইল জেলা দল
৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুভ সূচনা করেছে টাঙ্গাইল জেলা দল। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত প্রতিযোগিতার জামালপুর ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মাগুরা জেলাকে ৬১ রানে পরাজিত করে তারা। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় জামালপুর স্টেডিয়াম মাঠে। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় টাঙ্গাইল জেলা দল। উদ্বোধনী জুটিতে জিম্বাবুয়ের মাঠে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলে আসা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান রিফাত বেগ ও লিমন দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। তাদের জুটিতে আসে ৫৫ রান। পরে লিমন ও জয়রাজ শেখ ইমনের জুটি দলীয় স্কোরকে ৮৭ রানে পৌঁছে দেয়। অধিনায়ক মেহেদী মারুফকে সঙ্গে নিয়ে লিমন স্কোরকে ১৩৩ পর্যন্ত নিয়ে গেলেও মধ্যক্রমে হঠাৎ ধস নামে। রুবেল মিয়া, প্রিতম ও রাকিব দ্রুত ফিরে গেলে ৭ উইকেটে দলীয় রান দাঁড়ায় ১৪৬। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ দলের স্ট্যান্ডবাই অলরাউন্ডার দেবাশীষ সরকার দেবা দারুণ দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। মাত্র ৩৬ বলে ৬টি ছক্কা ও ৩টি চারে অপরাজিত ৬৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে তিনি দলকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন। লোয়ার অর্ডারে ইমতিয়াজ আহমেদ, জহিরুল ও আলী ওমর আবিরের কার্যকর ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে টাঙ্গাইলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫২ রান। প্রতিপক্ষ মাগুরা জেলার হয়ে মিনহাজুল ইমন ৪১ রানে ৬টি উইকেট শিকার করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে মাগুরা জেলা দল। টাঙ্গাইলের স্পিনার জহিরুল, ইমতিয়াজ, রাকিব ও প্রীতমের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ৩০ ওভারে ৯৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় মাগুরা। তবে মিনহাজুল ইমন (৫১) ও মেহেদী হাসান (৩৩) অষ্টম উইকেটে ৮৩ রানের জুটি গড়ে পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমান। শেষ পর্যন্ত ৪৬.২ ওভারে ১৯১ রানে অলআউট হলে টাঙ্গাইল ৬১ রানের জয় নিশ্চিত করে। বোলিংয়ে টাঙ্গাইলের জহিরুল ৪২ রানে ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া প্রীতম ও রাকিব দুটি করে উইকেট শিকার করেন। আগামী ২৬ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে নারায়ণগঞ্জ ও গোপালগঞ্জ জেলা দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে টাঙ্গাইল জেলা দল। এদিকে একই দিনে টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত অপর ম্যাচে ফরিদপুর জেলা ৭৪ রানে বরিশাল জেলা দলকে হারিয়েছে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ফরিদপুর ৩৮.৪ ওভারে ১৭৫ রানে অলআউট হয়। জবাবে বরিশাল ৩৯.৪ ওভারে ১০১ রানে গুটিয়ে গেলে সহজ জয় পায় ফরিদপুর।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

খেলাধুলা

আরও পড়ুন
৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে মাগুরাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী টাঙ্গাইল জেলা দল
৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে মাগুরাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসী টাঙ্গাইল জেলা দল

৪৪তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুভ সূচনা করেছে টাঙ্গাইল জেলা দল। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড আয়োজিত প্রতিযোগিতার জামালপুর ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মাগুরা জেলাকে ৬১ রানে পরাজিত করে তারা। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় জামালপুর স্টেডিয়াম মাঠে। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় টাঙ্গাইল জেলা দল। উদ্বোধনী জুটিতে জিম্বাবুয়ের মাঠে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলে আসা বাঁহাতি ব্যাটসম্যান রিফাত বেগ ও লিমন দলকে শক্ত ভিত এনে দেন। তাদের জুটিতে আসে ৫৫ রান। পরে লিমন ও জয়রাজ শেখ ইমনের জুটি দলীয় স্কোরকে ৮৭ রানে পৌঁছে দেয়। অধিনায়ক মেহেদী মারুফকে সঙ্গে নিয়ে লিমন স্কোরকে ১৩৩ পর্যন্ত নিয়ে গেলেও মধ্যক্রমে হঠাৎ ধস নামে। রুবেল মিয়া, প্রিতম ও রাকিব দ্রুত ফিরে গেলে ৭ উইকেটে দলীয় রান দাঁড়ায় ১৪৬। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ দলের স্ট্যান্ডবাই অলরাউন্ডার দেবাশীষ সরকার দেবা দারুণ দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। মাত্র ৩৬ বলে ৬টি ছক্কা ও ৩টি চারে অপরাজিত ৬৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে তিনি দলকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দেন। লোয়ার অর্ডারে ইমতিয়াজ আহমেদ, জহিরুল ও আলী ওমর আবিরের কার্যকর ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেটে টাঙ্গাইলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৫২ রান। প্রতিপক্ষ মাগুরা জেলার হয়ে মিনহাজুল ইমন ৪১ রানে ৬টি উইকেট শিকার করেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে মাগুরা জেলা দল। টাঙ্গাইলের স্পিনার জহিরুল, ইমতিয়াজ, রাকিব ও প্রীতমের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। ৩০ ওভারে ৯৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় মাগুরা। তবে মিনহাজুল ইমন (৫১) ও মেহেদী হাসান (৩৩) অষ্টম উইকেটে ৮৩ রানের জুটি গড়ে পরাজয়ের ব্যবধান কিছুটা কমান। শেষ পর্যন্ত ৪৬.২ ওভারে ১৯১ রানে অলআউট হলে টাঙ্গাইল ৬১ রানের জয় নিশ্চিত করে। বোলিংয়ে টাঙ্গাইলের জহিরুল ৪২ রানে ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া প্রীতম ও রাকিব দুটি করে উইকেট শিকার করেন। আগামী ২৬ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে নারায়ণগঞ্জ ও গোপালগঞ্জ জেলা দলের বিপক্ষে মাঠে নামবে টাঙ্গাইল জেলা দল। এদিকে একই দিনে টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত অপর ম্যাচে ফরিদপুর জেলা ৭৪ রানে বরিশাল জেলা দলকে হারিয়েছে। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ফরিদপুর ৩৮.৪ ওভারে ১৭৫ রানে অলআউট হয়। জবাবে বরিশাল ৩৯.৪ ওভারে ১০১ রানে গুটিয়ে গেলে সহজ জয় পায় ফরিদপুর।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল ভেন্যুতে শুরু জাতীয় ক্রিকেটের ৪৪ তম চ্যাম্পিয়নশিপ, প্রথম ম্যাচেই কুষ্টিয়ার দাপট

টাঙ্গাইল ভেন্যুতে শুরু জাতীয় ক্রিকেটের ৪৪ তম চ্যাম্পিয়নশিপ, প্রথম ম্যাচেই কুষ্টিয়ার দাপট

টাঙ্গাইলে ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ১৫ কিলোমিটার ম্যারাথন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে ৪ শহীদদের স্মরণে ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা থেকে চার শহীদের স্মরণে এক ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বিরিশিরি জিবিসি মাঠে এ খেলা উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপি‘র সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দিন মাস্টার।  কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায়, সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে উদ্বোধনী ম্যাচের মুখোমুখি হয় দুর্গাপুর ইউনিয়ন একাদশ বনাম বাকলজোড়া ইউনিয়ন একাদশ। নির্ধারিত সময়ে গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে ৫-৪ গোলে জয় লাভ করে বাকলজোড়া ইউনিয়ন একাদশ।   এ সময় উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ হাজারো ফুটবল প্রেমীদর্শক উপস্থিত ছিলেন। নকআউট সিষ্টেম অংশগ্রহনমুলক এই খেলা চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত। পরবর্তিতে সেমিফাইনাল এবং পরবর্তিতে ফাইনাল খেলার মধ্যদিয়ে এ খেলা শেষ হবে।  বিএনপি‘র নেতাকর্মীরা জানান, দুর্গাপুরের ৪ শহীদ উমর ফারুক, জাকির হোসেন, সাইফুল ইসলাম সেকুল ও মাসুম বিল্লাহর আত্মত্যাগকে স্মরণ করে এবং সমাজ থেকে মাদক কে চিরতরে বিতারিত করতে, তরুণ প্রজন্মের মাঝে খেলাধুলার চেতনা জাগিয়ে তুলতেই এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।  

অক্টোবর ২০, ২০২৫ 0

তাহিরপুরের বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয় মঠে ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধন করেন সুনামগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের মিনিবার ফুটবল মেগা ফাইনাল অনুষ্ঠিত

গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলের ১,১৫২ সৈন্য নিহত—ইসরায়েলি আর্মি রেডিওর স্বীকারোক্তি

এশিয়া কাপ সুপার ফোরে রোমাঞ্চকর জয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারাল বাংলাদেশ

দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ সুপার ফোরের উদ্বোধনী ম্যাচে রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারাল বাংলাদেশ। শেষ ওভারের টানটান উত্তেজনায় এক বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা। সাইফ হাসানের দুর্দান্ত ৬১ রান, তৌহিদ হৃদয়ের সুনিয়ন্ত্রিত ৫৮ রান এবং মুস্তাফিজুর রহমানের দারুণ বোলিং (৩ উইকেটে ২০ রান) ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠেন। শ্রীলঙ্কার ইনিংস প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা তোলে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন দাসুন শানাকা। ৩৭ বলে ৩টি চার ও ৬টি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস লঙ্কানদের ভরসা জোগায়। কুশল মেন্ডিস করেন ৩৪ রান এবং পাথুম নিসাঙ্কা ২২ রান। তবে বাংলাদেশের বোলাররা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নেন। মাহেদী হাসান ২টি উইকেট নেন, আর মুস্তাফিজ শেষদিকে অসাধারণ বোলিং করে শ্রীলঙ্কার রান আটকে দেন। বাংলাদেশের ইনিংস ১৬৯ রানের টার্গেটে ব্যাটিং শুরু করে টাইগাররা শুরুতে বিপাকে পড়লেও সাইফ হাসান ও লিটন দাস (২৩) দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়ে দলকে স্থিতি দেন। পরে সাইফ ও হৃদয় মিলে আরও ৫৪ রানের পার্টনারশিপ গড়ে জয়ের ভিত তৈরি করেন। শেষদিকে উত্তেজনা তৈরি হয় যখন দুশমন্থা চামিরা হৃদয়কে আউট করেন এবং শানাকা শেষ ওভারে দুটি উইকেট তুলে নেন। তবে বাংলাদেশ ঠাণ্ডা মাথায় খেলেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেয়। ম্যাচের সেরা পারফর্মার ব্যাটে: সাইফ হাসান – ৬১ রান সহায়তা: তৌহিদ হৃদয় – ৫৮ রান বলে: মুস্তাফিজুর রহমান – ৩/২০ এই জয়ে শ্রীলঙ্কার অপরাজিত ধারা ভাঙল এবং সুপার ফোরে মূল্যবান ২ পয়েন্ট সংগ্রহ করল বাংলাদেশ।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৫ 0

ভারত এশিয়া কাপে ওমানের বিপক্ষে ২১ রানে জয় পেয়ে অঘটন এড়াল

সরিষাবাড়িতে বার্ষিক ইন্টার স্কুল ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

সূচনা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫ কালিহাতী আর এস পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ,

0 মন্তব্য