আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে সুনামগঞ্জ-১(জামালগঞ্জ,তাহিরপুর,মধ্যনগর ও ধর্মপাশা) আসনে ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এবং তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনিসুল হকের সমর্থনে মোটর শোভাযাত্রা,মিছিলসহ জামালগঞ্জ উপজেলার সাচনা বাজারে এক বিশাশ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের আয়োজনে সাচনা বাজারে এক বিশাল জনসভায় অনুষ্ঠিঠত হয়। এ্ জন সভাটি যেনা জনসমুদ্রে পনিরণত হয়।
জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হক আফিন্দির সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপিরসিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সুনামগঞ্জ -১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব আনিসুল হক।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন,জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবুল কালাম আজাদ, জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ইকবাল হোসেন,তাহিরুর উপজেলা বিএনরি যুগ্ম আহবায়ক মোজাম্মেল হোসেন,জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য আলী আহমদ মুরাদ,আলীম উদ্দিন হেলাল,আলী আক্তার মুরাদ,নুরে আলম,জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নাজিম উদ্দিন,বাবুল মিয়া,মালিক বড়ূয়াসহ জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপি,যুবদল,ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ¦ আনিসুল হক বলেছেন, বিগত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের আমলে আমাদের দলের চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে বিনা কারণে কারাবন্দি করে রাখা হয়েছি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর অন্যায়ভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। কিন্ত তারা দেশের জন্য দেশের মাুনষের কথা চিন্তা করে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে শেখ হাসিসনার মতো পালিয়ে যাননি । দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত জনগনের কল্যাণে ৩১ দফার বিষয়বস্তুগুলো সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে জনগনকে জানিয়ে আগামীতে ধানের শীষের পক্ষে গনজোয়ার সৃষ্টি করতে চাই। তিনি বলেন এই আসনে হিন্দু,মুসলিম ,বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সবাই আমরা একে অপরের ভাই। এখানে কোন ধর্মীয় জাতিগোষ্ঠি বিবেচনায় নিয়ে আমাদের দল রাজনীতি করে না
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সদস্য সচিব বাবু বহিষ্কার দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবুকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার স্থলে জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মালাকে ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনের আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তৌহিদুল ইসলাম বাবুর বিরুদ্ধে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে শূন্য পদে জাহিদ হোসেন মালাকে ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।এতে আরও বলা হয় যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের অনুমোদনে এ সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।যুবদলের কেন্দ্রীয় সূত্র জানায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের দলীয় মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিপক্ষে অবস্থান নেন তৌহিদুল ইসলাম বাবু। দলীয় মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণাসহ শৃঙ্খলাভঙ্গের একাধিক সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দলীয় সূত্র আরও জানায় ভবিষ্যতে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যুবদল কঠোর অবস্থানে থাকবে।
টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী আপিলে তার প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়াম (বেজমেন্ট-২)-এ অনুষ্ঠিত আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন এ সিদ্ধান্ত দেন। এর আগে, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় মোহাম্মদ আলীর দাখিল করা এক শতাংশ ভোটারের তালিকার মধ্যে একজন ভোটারের তথ্যগত অসংগতি পাওয়া যায়। ওই একজন ভোটারের তথ্য যাচাই করা সম্ভব না হওয়ায় প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী। তিনি বলেন, “আমি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করি। এক শতাংশ ভোটারের মধ্যে নয়জন ভোটার যাচাই-বাছাইয়ে সঠিক পাওয়া যায়। মাত্র একজন ভোটারের তথ্যগত ত্রুটির কারণে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। পরে যথাসময়ে আমি আপিল করি।” তিনি আরও বলেন, “শনিবার সকালে নির্বাচন কমিশন আমার আপিল শুনানি গ্রহণ করেন এবং বিষয়টি বিবেচনা করে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এতে আমি ন্যায়বিচার পেয়েছি।” মোহাম্মদ আলীর আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফ শুনানি প্রসঙ্গে বলেন, “একজন ভোটারের নম্বর ভুল থাকায় সরাসরি যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি। অথচ নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী সরেজমিনে যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ রয়েছে। ওই ভোটারের ঠিকানা ও ফোন নম্বর মনোনয়নপত্রে উল্লেখ ছিল। কিন্তু তাকে ডেকে বা উপস্থিত করে যাচাই করা হয়নি।” তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করার পর শুনানির একেবারে শুরুতেই কমিশন আমাদের যুক্তি গ্রহণ করেন এবং আপিল মঞ্জুর করেন।” ব্যারিস্টার আশরাফ আরও জানান, “এই সিদ্ধান্তের ফলে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর নির্বাচনে অংশগ্রহণে আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা রইল না। তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা হওয়ায় তিনি এখন টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনের একজন বৈধ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিতে পারবেন।”
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বিরকে গুলি করে নৃশংসভাবে হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রস্থল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হবিবুর রহমান প্লাজার সামনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এ সময় তিনি বলেনআজিজুর রহমান মোসাব্বির হত্যাকাণ্ড শুধু একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয় এটি গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। অবিলম্বে এই হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রৌফ টাঙ্গাইল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম খান ঝলক সদস্য সচিব সালেহ আহমেদ শাফী ইথেনসহ জেলা সদর উপজেলা ও শহর শাখা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।বিক্ষোভ চলাকালে নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে আমার ভাই মরলো কেন প্রশাসন জবাব চাই সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙে দাওআমরা সবাই মুসাব্বির হবো সহ নানা প্রতিবাদী স্লোগান দেন। এতে পুরো শহরজুড়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ থাকে।সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন আজিজুর রহমান মোসাব্বির ছিলেন একজন ত্যাগী ও সাহসী রাজনৈতিক নেতা। তাঁর হত্যাকাণ্ড একটি নির্মম ন্যাক্কারজনক ওপরিকল্পিত সন্ত্রাসী ঘটনা। অবিলম্বে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করা হলে স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দেশব্যাপী কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।বক্তারা আরও বলেন রাজনৈতিক সহিংসতা ও খুন-খারাবির মাধ্যমে ভিন্নমত দমন করা যাবে না। জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে এসব হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে।