রাজনীতি

টাঙ্গাইল-১ এ মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর পক্ষে নজিরবিহীন মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
নভেম্বর ৩০, ২০২৫ | 0
টাঙ্গাইল-১ এ মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর পক্ষে নজিরবিহীন মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা
টাঙ্গাইল-১ এ মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর পক্ষে নজিরবিহীন মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীর সমর্থনে সহস্রাধিক মোটরসাইকেলের শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে মধুপুর উপজেলা বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই শোভাযাত্রা। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা হাততালি, শ্লোগান ও মোটরসাইকেলের হর্নে মুখরিত হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীরা বলেন—এই শোডাউনই প্রমাণ করে মধুপুর-ধনবাড়ীতে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীই তৃণমূলে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী। শোভাযাত্রায় অংশ নেন—মধুপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জয়নাল আবেদীন খান বাবল,সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদ সরকার, সদস্য আনোয়ার হোসেন,শোলাকুড়ি ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান হবিবর রহমান,পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ পান্না,উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক আব্দুল মান্নান, ধনবাড়ী উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শাজাহান আলী,মধুপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশীদ,মধুপুর কলেজ ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক মিয়া। এছাড়াও দলীয় বিভিন্ন স্তরের হাজারো নেতাকর্মী শোভাযাত্রায় যোগ দেন।শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, “ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এই এলাকার সন্তান নন। তিনি শুধু নির্বাচনের সময়েই এলাকায় আসেন। দলের মনোনয়ন পেয়ে দুইবার নির্বাচনে অংশ নিয়েও পরাজিত হয়েছেন।” বক্তারা বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় টাঙ্গাইল-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত করতে হলে স্থানীয়ভাবে গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষিত নেতা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলীকেই মনোনয়ন দিতে হবে। এজন্য তারা দলীয় হাইকমান্ডের কাছে স্বপন ফকিরের পরিবর্তে মোহাম্মদ আলীকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার জোর দাবি জানান।সমাবেশে আরও বলা হয়—অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি তৃণমূলে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলেছেন। তার নেতৃত্বে মধুপুর-ধনবাড়ীতে বিএনপি সুসংগঠিত হয়েছে। ফলে আসন্ন নির্বাচনে এ আসন পুনরুদ্ধারের জন্য তিনিই সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
জামায়াতে আমীর ৫ ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনী জনসভায় আগমনে সাংবাদিক সম্মেলন

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর জনাব ডা. শফিকুল রহমানের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গঠন, যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং একটি বৈষম্যমুক্ত কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, আল্লাহর সাহায্য ও জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনে সরকার গঠন করতে চায়। এ সময় তারা আরও বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সিভিল প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, সেনাবাহিনী, র‍্যাব, গোয়েন্দা বিভাগ, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা আবুজার গিফারী, রাজশাহী অঞ্চলের সহকারী জোন পরিচালক অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক আবু বকর চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩  সদর আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী জননেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমীর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী ড. কেরামত আলী,  এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী ড. মিজানুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে আজ দেশে আসছেন পর্তুগাল বিএনপির আহবায়ক আবু ইউসুফ তালুকদার ও সদস্য সচিব সায়েফ আহমেদ সুইট।

জামায়াতের মাল্টিমিডিয়া বাস উদ্বোধন

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে লতিফ সিদ্দিকী–হালিম ইঞ্জিনিয়ার যোগসাজশে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন? বিএনপির ভেতরে তীব্র অস্বস্তি

জামালপুর-৪: আওনা ইউনিয়নে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা ও আলোচনা সভা

জামালপুরের ০৪ আসনের ১৪০ সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ডে বিএনপি প্রার্থী ফরিদুল কবির তালুকদার শামিমের নির্বাচনী প্রচারণা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ০৪ নং ওয়ার্ডের সকল নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন। সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন সুরুজ উদ্দিন মেম্বার। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিএনপি দেশের মুক্তির স্বপক্ষে ছিল, জনগণের সঙ্গে এক হয়ে দেশ স্বাধীন করার জন্য লড়াই করেছে। অন্যদিকে জামাত স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল এবং আজও দেশের অস্থিতিশীলতার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম চালাচ্ছে। তাই বিএনপি’র সকল স্তরের নেতৃবৃন্দ সর্বদা তৎপর থাকতে হবে।” কামাল তরফদার বলেন, “এ আসনে নির্বাচনী উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে এবং ভোটের মাধ্যমে ধানের শীষ প্রতীককে জয়ী করতে হবে।” সভায় উপস্থিত ছিলেন: মো: সুরুজ উদ্দিন, সরিষাবাড়ি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও আওনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো: কামাল তরফদার, সিনিয়র সহ-সভাপতি, ০৪ নং আওনা ইউনিয়ন বিএনপি মো: আবুল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক, ০৪ নং আওনা ইউনিয়ন বিএনপি মো: আব্দুল খালেক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আওনা ইউনিয়ন ছাত্রদল ও সহ-সভাপতি আওনা ইউনিয়ন যুবদল মো: আতিকুর রহমান আতিক, ০৪ নং আওনা ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাটি মো: আব্দুল খালেকের তত্ত্বাবধানে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0

ভুয়াপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিশাল রেলি ও নির্বাচনী প্রচারণা

টুকু নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে গণসংযোগ চালাচ্ছেন বিএনপির টুকু

টাঙ্গাইলে প্রচারণায় মুখর স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী সৈয়দ খালেদ মোস্তফা

টাংগাইল-০২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জামায়াতের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু

টাংগাইল-০২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে জামায়াতের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু স্টাফ রিপোর্টার : এস কে শিপন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাংগাইল-০২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এমপি প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীরের পক্ষে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বাদ আসর নামাজের পর গোপালপুর পৌর শহরের সূতী পলাশ কেন্দ্রীয় গোরস্থান মাঠ থেকে মাওলানা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বে এক বিশাল ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি গোপালপুর পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে গোপালপুর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে এসে এক সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। শোভাযাত্রা চলাকালে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন বয়সী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। শোভাযাত্রায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্ল্যাকার্ড ব্যানার ও বিভিন্ন রঙের দলীয় পতাকা বহন করতে দেখা যায়। রাস্তার দুই পাশের দোকানদার বাড়ির বাসিন্দা ও পথচারীরা হাত নেড়ে করতালি দিয়ে শোভাযাত্রাকে স্বাগত জানান।সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন দেশ ও জাতির কল্যাণে ইসলামী আদর্শের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। জনগণের মৌলিক অধিকার ন্যায়বিচার সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা আগামী নির্বাচনে গোপালপুর–ভূঞাপুরের জনগণকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গোপালপুর উপজেলা জামায়াতের আমির হাবিবুর রহমান তালুকদার।এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাংগাইল জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড.আতাউর রহমান জেলা কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস ছালাম খান ভূঞাপুর উপজেলা আমির আব্দুল্লাহ আল মামুন উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা ইদ্রিস হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা রাফিউল আলম রুমু উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক উবাইদুল্লাহসহ উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী। নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সমর্থনের মাধ্যমে আগামী নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হবে এবং টাংগাইল-০২ আসনে একটি ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।

জানুয়ারী ২২, ২০২৬ 0

সোনামুই বাজারে বিএনপির গণসংযোগে জনসমাগম

আদিবাসীদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই ধানের শীষে ভোট দেবো

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের ৫ নেতা বহিষ্কার

সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের ৫ নেতা বহিষ্কার

0 মন্তব্য