সাজিদ পিয়াল: টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অগ্নি-নিরাপত্তা জোরদারে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের বিশেষায়িত টিমের অংশগ্রহণ, পুলিশ সদস্যদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্স ব্যারাক প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় অগ্নি মহড়া’। শনিবার সকালে এ মহড়ার উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমানটাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণের লক্ষ্যে “অগ্নি মহড়া” অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স ব্যারাক প্রাঙ্গণে ““অগ্নি মহড়া”-এর শুভ উদ্বোধন করেন জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল। কর্মশালা ও মহড়ায় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করেন টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ৭ সদস্যের একটি বিশেষায়িত টিম। কর্মশালায় অগ্নিকাণ্ডজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে জনগণের জান–মাল ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় করণীয় বিষয়ে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। কর্মশালায় অগ্নি নির্বাপক (Fire Extinguisher) যন্ত্রের ব্যবহার ও পরিচিতি, আহত ব্যক্তিদের সেবা ও উদ্ধার কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান, উৎসুক জনতা নিয়ন্ত্রণ, এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিরাপদে স্থানান্তরসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বাড়ির অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ড, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যায়—তা হাতে-কলমে প্রদর্শন করা হয়। এ সময় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ পুলিশ লাইন্স, টাঙ্গাইলে কর্মরত সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্যগণ কর্মশালা ও মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। এ কর্মশালা ও মহড়ায় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ৭ সদস্যের একটি বিশেষায়িত টিম। আগুন লাগার মুহূর্তে কীভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, জনগণের জান–মাল রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা কী—এসব বিষয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয় প্রশিক্ষণে।আগুন নেভানোর আধুনিক কৌশল শেখানো হয় ।মহড়ায় অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের অগ্নি নির্বাপক (Fire Extinguisher) যন্ত্রের ব্যবহার, বিভিন্ন ধরণের আগুন চিহ্নিতকরণ, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা, রুমের ভেতরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি—সরকারি নথিপত্র নিরাপদে স্থানান্তর,—এসব বিষয়েও বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষক (সরাসরি) আগুন নেভানোর বিভিন্ন কৌশল হাতে-কলমে প্রদর্শন করেন, যাতে বাস্তব পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ও নিরাপদ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।উপস্থিত ছিলেন পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মহড়ায় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ পুলিশ লাইন্সে কর্মরত সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অগ্নি-নিরাপত্তা বিষয়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলমান রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন পুলিশ সুপার।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াসের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতে মারজান উদ্দিন (২৯) নামে এক যুবক বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে থানা প্রাঙ্গণে মব সৃষ্টির চেষ্টার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মারধরকারীরা উপজেলা বিএনপির অঙ্গও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মি এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াসের অনুসারী। রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও থানা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, হেলাল উদ্দিন, ইমতিয়াজ, ফরিদ উদ্দিন, ওমর ফারুক, কোহিনুর বেগম, উম্মে কুলসুম, নাজিম উদ্দিন, মারজান উদ্দিন, সাইফুজ্জামান, শাহাব উদ্দিন ও মহিমা বেগম। এদের মধ্যে এক নারীসহ দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মারজান উদ্দিন ও তার বড় ভাই উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিনকে থানায় সোপর্দ করা হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ১৬ অক্টোবর উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের লামছড়ি গ্রামের কামাল উদ্দিনের মেয়ে নিগার সুলতানার পারিবারিক ভাবে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়েতে নিজ গ্রামের হুজুরকে দাওয়াত না দিয়ে অন্য গ্রামের হুজুর দিয়ে বিয়ে পড়ানো হয়। এ নিয়ে সমাজের মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার হেলাল মাঝির সাথে কামালের ছোট ভাই উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিনের বাকবিতন্ডা হয়। রোববার সকালে স্থানীয় রামচরণ বাজার থেকে শাহাব উদ্দিন বাড়ি ফেরার পথে নলচিরা ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের রবিনের দোকানের সামনে হেলাল মাঝির নেতৃত্বে কিছু লোক তাকে মারধর করে। খবর পেয়ে শাহাব উদ্দিনের ভাই মারজান ও নাজিম ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তাদের বেধড়ক মারধর করে তিনজনকে কুপিয়ে আহত করে। পরে তারা বাড়ি চলে গেলে লামছড়ি গ্রামের তাদের দুটি বসতঘরে হামলা ভাংচুর করে নগদ টাকাও স্বর্ণালংকার লুটে নেয় এবং তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ শাহাব উদ্দিন ও মারজানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসকে তার অনুসারীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ডেকে নেয়। সেখানে তার নেতৃত্বে পুলিশের সামনে শাহাব উদ্দিন ও তার ভাই মারজানের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মিরা। পরে হাসপাতাল থেকে থানায় নেওয়ার পথে হাসপাতালের ফটকের সামনে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতে যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মিরা হামলা চালায়। পুলিশের গাড়িতেই পুলিশকে হেনেস্তা করে মারজানকে বেধড়ক মারধর করে তার শরীর থেকে সব ব্যান্ডেজ খুলে নেয়। এরপর তারা থানার সামনে গিয়েও তার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে ব্যাপক হট্রগোল সৃষ্টি করে। হেলাল মাঝি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, শাহাব উদ্দিনের ভাইয়ের মেয়ের বিয়েতে আমাদের মসজিদের হুজুরকে দাওয়াত না দিয়ে অন্য হুজুরকে দাওয়াত দেওয়া হয়। আমি মসজিদের ক্যাশিয়ার হিসেবে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে শাহাব উদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে হুমকি দেন। রোববার সকালে আমি স্থানীয় রামচরণ বাজারে উঠলে তিনি আমাকে দেখে হামলা চালান। ওই সময় তার আরো ৪ভাই এসে আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং কুপিয়ে আহত করে। এতে আমাদের কয়েকজন গুরুত্বর আহত হয়। এদের মধ্যে কোহিনুর ও ফরিদ উদ্দিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। থানা প্রাঙ্গণে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুলকে যুবদল নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলতে শুনা যায়, আপনার মত মানুষ যদি....। তাকে আমরা হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসছি, তাকে মারার দরকার আছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হবে। একপর্যায়ে এসআই মিনহাজুল মাটিতে বসে গিয়ে প্রশ্ন করে আমার সামনে আসামিকে মারধর করে কিভাবে। ওই ভিডিওতে ইলিয়াসকে থানা প্রাঙ্গণে দলীয় নেতাকর্মিদের নিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে দেখা যায়। হাতিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক বাবর আজম বলেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। এতে সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। ইলিয়াসের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের অনুসারী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তবে অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াস বলেন, আমার উপস্থিতিতে কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি। উল্টো আমরা আমাদের দলের কয়েকজন নেতা লাঠি-সোটা দিয়ে আমাদের দলের লোকজনকে পিটিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছি। প্রথমে সমস্যা ছিল বিয়ে নিয়ে। পরে এটা এনসিপি বনাম বিএনপি হয়ে গেছে। শাহাব উদ্দিন কৃষি অফিসের একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি ও মূলত ছাত্রলীগের একজন লাঠিয়াল ছিল। তার লোকজনের হামলায় প্রতিপক্ষের ৭জন আহত হয়েছে। আমরা আমাদের দলীয় নেতাকর্মিকে নির্দেশনা দিয়েছি কারো ওপরে যেন কোন আঘাত না হয়। যা হয়েছে, এগুলো দলের বদনাম আসবে, তোমরা যদি দলবদ্ধ হয়ে আঘাত করতে যাও। জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মন্জুরুল আজিম সুমন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হবে। জানতে চাইলে হাতিয়ার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুল আবেদীন বলেন, কৃষি কর্মকর্তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে অবহিত করলে আমি আহত অবস্থায় অবরুদ্ধ দুই ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এর মধ্যে প্রথমে কৃষি কর্মকর্তাকে চিকিৎসা দিয়ে থানায় হেফাজতে নেওয়া হয়। তার ভাই মারজানকে চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে আসার পথে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে পুলিশের গাড়িতেই তার সকল ব্যান্ডেজ খুলে নিয়ে তাকে পিটানো হয়। ওই সময় হাসপাতালের ফটকের সামনে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের সবাই ছিল। হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, দুই গ্রুপই কোপাকুপি করছে। একপর্যায়ে জনগণ কৃষি কর্মকর্তার বাড়ি ঘর ভাংচুর করছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পুলিশ হেফাজতে আছে। দুই পক্ষই মামলা করবে। এটা পলিটিক্যাল কোন বিষয়না। সাহাব উদ্দিন সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর দোসর ছিল, ফ্যাস্টিট ছিল। গত ৮-১০ বছর সে এখানে চাকরি করতেছে। সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার শর্তে তিনি আওয়ামী লীগের সাথে এসে দল ভারি করছে। আগে থেকেই জনগণের তার ওপর একটা রাগ ছিল। ওসি আরও বলেন, পরবর্তীতে অন্য গ্রুপ থানা প্রাঙ্গণে এসে বলে ফ্যাস্টিসকে আমাদের হাতে তুলে দেন, আমরা তাকে নিয়ে যাব। এ নিয়ে থানার প্রাঙ্গণে উচ্চবাচ্য হয়েছে।
সুনামগঞ্জে শ্রীশ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের ১৩৮তম শুভ জন্মোৎসব উদযাপন উপলক্ষ্যে দুই দিনব্যাপি অনুষ্ঠান চলছে। শহরের সরকারি জুবিলী স্কুল মাঠে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সমবেত বিনতি প্রার্থনা, নাম জপ ও সদ্গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে দুই দিনব্যাপি উৎসব শুরু হয়েছে। শুক্রবার সকালে ১৩৮ তম জন্ম-মহোৎসব উদযাপন কমিটি ও সৎসঙ্গ বিহার সুনামগঞ্জের উদ্যোগে শহরে সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়(বালুর) মাঠ থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় বালুর মাঠে গিয়ে ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান,কুইজ প্রতিযোগিতা, কর্মী সম্মেলন, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা, নীলা কীর্ত্তন,ধর্ম সভা ও উপস্থিত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ১৩৮ তম জন্ম-মহোৎসব উদযাপন কমিটি ও সৎসঙ্গ বিহার সুনামগঞ্জের সভাপতি শ্রী রঞ্জিত কুমার তালুকদার,সাধারন সম্পাদক শ্রী দিবাকর দাসসহ অনেকেই। সবারই প্রত্যাশা বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সুনামগঞ্জ হচ্ছে সম্প্রীতির একটি নিদর্শন। এই জেলায় যুগ যুগ ধরে হিন্দু.মুসলিম,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের মানুষের মাঝে সম্প্রীতির যে একটি মিলবন্ধন রয়েছে তা আগামী প্রজন্ম ও ধরে রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলা-এর আওনা ইউনিয়ন-এর অন্তর্গত কাবারিয়াবাড়ী গ্রামে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। গ্রামকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সচেতন মানুষদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং বিভিন্ন দোকানপাট, গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও জনসমাগমস্থলে মাদকবিরোধী পোস্টার লাগানো হয়। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কাবারিয়াবাড়ী এলাকায় কিছু অসাধু ব্যক্তির মাধ্যমে মাদকের বিস্তার ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব ব্যক্তির কারণে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরিচিত ও সন্দেহভাজন লোকজনের আনাগোনা বেড়ে গেছে। এতে করে গ্রামের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং এলাকার সামাজিক শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামবাসীরা জানান, আগে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামটি শান্তিপূর্ণ ও সামাজিক সম্প্রীতির জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে মাদকের বিস্তার এবং কিছু অসাধু চক্রের তৎপরতার কারণে গ্রামের পরিবেশ ক্রমেই অশান্ত হয়ে উঠছে। এতে করে গ্রামের সম্মান, মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মাদকের প্রভাবের কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ঝগড়া-বিবাদসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের সামাজিক সমস্যার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এ পরিস্থিতিতে গ্রামের ছোট-বড় সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। তারা বলেন, মাদক শুধু একজন মানুষের জীবনই ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবার এবং পুরো সমাজকেও বিপদের মুখে ঠেলে দেয়। তাই কাবারিয়াবাড়ী গ্রামকে মাদকমুক্ত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মাদকবিরোধী এই কর্মসূচির সময় গ্রামবাসীরা লিফলেটের মাধ্যমে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করেন। লিফলেটে মাদকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হয় এবং মাদক থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন দোকান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার লাগিয়ে এলাকাবাসীকে মাদকবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। গ্রামবাসীরা জানান, তারা শুধু সচেতনতা তৈরিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চান না। প্রয়োজনে গ্রামকে মাদকমুক্ত করতে সামাজিকভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও ভাবছেন তারা। তবে এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয়দের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে যারা মাদক ব্যবসা বা মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। এদিকে কাবারিয়াবাড়ী গ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। তারা আশা করছেন, প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গ্রামটিকে একটি নিরাপদ ও মাদকমুক্ত এলাকায় পরিণত করবে। স্থানীয়দের দৃঢ় বিশ্বাস, সামাজিক সচেতনতা, জনগণের ঐক্য এবং প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা থাকলে খুব শিগগিরই কাবারিয়াবাড়ী গ্রাম থেকে মাদকের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে করে আবারও গ্রামে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি সুস্থ ও নিরাপদ সমাজে বেড়ে ওঠার সুযোগ পাবে।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশকে সামনে রেখে একটি সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, দুর্গাপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নদী, পাহাড়ঘেরা জনপদ এবং পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করা সম্ভব। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা এবং পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলার মতো কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, দুর্যোগে ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই জনগণের নিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে নদী ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে বিজ্ঞানভিত্তিক ও বৈধ উপায়ে বালু উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হবে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, অন্যদিকে তেমনি অর্থনৈতিক উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্গাপুরের অপার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কুল্লাগড়া, দুর্গাপুর সদর, লেংগুরা, খারনৈ এবং রংছাতি—এই পাঁচটি ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ‘ট্যুরিজম হাব’ বা পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, পরিবহন খাত, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র-বৃহৎ ব্যবসায়ীরা এর মাধ্যমে সরাসরি উপকৃত হবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা দুর্গাপুরের নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ অঞ্চলে আসবেন। এর ফলে দুর্গাপুরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হবে। একই সঙ্গে আধুনিক হাসপাতাল, উন্নত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন সুবিধা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক নাগরিক সেবারও প্রসার ঘটবে। ফলে দুর্গাপুর শুধু একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবেই নয়, বরং একটি আধুনিক, সম্ভাবনাময় ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে উঠবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সুখময় সরকার, পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবক ড. দিবালোক সিংহ। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপালনকারী গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সবার উপস্থিতিতে দুর্গাপুরের সম্ভাবনা, পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন এবং পর্যটন খাতের বিস্তার নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। স্থানীয়দের মতে, পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে দুর্গাপুরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন খাতকে বিকশিত করা গেলে এই অঞ্চল শুধু নেত্রকোনাতেই নয়, সারাদেশের কাছে একটি অনন্য মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
গোপালপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অটল শরিয়ত উল্লাহর পিতা মো. ছাদরুল উলা ফকির ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার বড়মা মধ্যপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ১০৫ বছর। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। কর্মজীবনে তিনি ব্লক সুপারভাইজার (উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি একজন হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক হিসেবেও এলাকায় চিকিৎসাসেবা দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন। শুক্রবার বাদ জুমআ মরহুমের নিজ বাড়িতে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি ৪ ছেলে, ২ মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মরহুমের মৃত্যুতে গোপালপুর প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত টাঙ্গাইলের গোড়াই-সখীপুর সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মোজাম্মেল নামে একস্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে যা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।নিহত মোজাম্মেল সখীপুর উপজেলার হাতিবান্ধা উত্তর পাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি রতনপুর খোশবাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হলেপথিমধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থহাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এই অকাল মৃত্যুর খবরেপরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে আসে শোকের মাতম।একমাত্র সন্তানের এমন মৃত্যুতে বাবা-মা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।সহপাঠী ও এলাকাবাসীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনার কারণে দুর্ঘটনার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব এ ধরনের দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।তারা আরও বলেনঅতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতা একটি তাজা প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এখনই সময় সচেতন হওয়ার নইলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আরও বাড়বে।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলা ও নিরাপদে যানবাহন চালানোর আহ্বান জানিয়েছে।
টাঙ্গাইল ৩ এপ্রিল ২০২৬ ইং আগামী ১৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইল জেলায় কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে জেলায় শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। এ লক্ষ্যে আজ শুক্রবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। তিনি বলেন কৃষকদের ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে ‘কৃষক কার্ড’ একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ, যা কৃষি খাতকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করে তুলবে। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে আন্তরিকতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রণালয়ের সচিব স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।সভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার অনুষ্ঠানস্থল নির্ধারণ ও প্রস্তুত কৃষকদের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং কার্ড বিতরণের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এছাড়া যানবাহন নিয়ন্ত্রণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং গণমাধ্যম ব্যবস্থাপনা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান,কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের কৃষকরা সহজে সরকারি প্রণোদনা,ভর্তুকি ও বিভিন্ন কৃষি সহায়তা গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।উল্লেখ আগামী ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইল জেলায় আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক কৃষকের উপস্থিতি প্রত্যাশা করা হচ্ছে এবং ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ডিবি (উত্তর/দক্ষিণ), টাঙ্গাইলের বিশেষ অভিযান জোরদার টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) তাদের বিশেষ কার্যক্রম জোরদার করেছে। জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং ডিবি (উত্তর), টাঙ্গাইলের অফিসার ইনচার্জ এ.বি.এম.এস দোহা,বিপিএম-এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে ডিবি (উত্তর/দক্ষিণ)টাঙ্গাইলের সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স অংশগ্রহণ করেন। টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে ব্যাপক তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং বিভিন্ন প্রকার যানবাহনের ওপর কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। একই সঙ্গে কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ অপরাধ দমন এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে যা জেলারআইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সাধারণ মানুষেরনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।