সারা দেশ

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অগ্নি-নিরাপত্তা জোরদারে মহড়া অনুষ্ঠিত

reporter-icon
কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল: সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
নভেম্বর ২৫, ২০২৫ | 0
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অগ্নি-নিরাপত্তা জোরদারে মহড়া অনুষ্ঠিত
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অগ্নি-নিরাপত্তা জোরদারে মহড়া অনুষ্ঠিত
সাজিদ পিয়াল: টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অগ্নি-নিরাপত্তা জোরদারে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের বিশেষায়িত টিমের অংশগ্রহণ, পুলিশ সদস্যদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষন টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্স ব্যারাক প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় অগ্নি মহড়া’। শনিবার সকালে এ মহড়ার উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমানটাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারকরণের লক্ষ্যে “অগ্নি মহড়া” অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স ব্যারাক প্রাঙ্গণে ““অগ্নি মহড়া”-এর শুভ উদ্বোধন করেন জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল। কর্মশালা ও মহড়ায় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করেন টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ৭ সদস্যের একটি বিশেষায়িত টিম। কর্মশালায় অগ্নিকাণ্ডজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনা থেকে জনগণের জান–মাল ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় করণীয় বিষয়ে উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। কর্মশালায় অগ্নি নির্বাপক (Fire Extinguisher) যন্ত্রের ব্যবহার ও পরিচিতি, আহত ব্যক্তিদের সেবা ও উদ্ধার কার্যক্রম, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান, উৎসুক জনতা নিয়ন্ত্রণ, এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিরাপদে স্থানান্তরসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বাড়ির অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ড, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যায়—তা হাতে-কলমে প্রদর্শন করা হয়। এ সময় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ পুলিশ লাইন্স, টাঙ্গাইলে কর্মরত সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্যগণ কর্মশালা ও মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন। এ কর্মশালা ও মহড়ায় কারিগরি সহযোগিতা প্রদান করে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ৭ সদস্যের একটি বিশেষায়িত টিম। আগুন লাগার মুহূর্তে কীভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, জনগণের জান–মাল রক্ষায় পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা কী—এসব বিষয় বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয় প্রশিক্ষণে।আগুন নেভানোর আধুনিক কৌশল শেখানো হয় ।মহড়ায় অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের অগ্নি নির্বাপক (Fire Extinguisher) যন্ত্রের ব্যবহার, বিভিন্ন ধরণের আগুন চিহ্নিতকরণ, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা, রুমের ভেতরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি—সরকারি নথিপত্র নিরাপদে স্থানান্তর,—এসব বিষয়েও বিশেষ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষক (সরাসরি) আগুন নেভানোর বিভিন্ন কৌশল হাতে-কলমে প্রদর্শন করেন, যাতে বাস্তব পরিস্থিতিতে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ও নিরাপদ সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।উপস্থিত ছিলেন পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মহড়ায় টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ পুলিশ লাইন্সে কর্মরত সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। অগ্নি-নিরাপত্তা বিষয়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলমান রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন পুলিশ সুপার।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকা পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের ফোর্সদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং চলমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক দিক পর্যালোচনা করেন। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে জেলা পুলিশের সকল ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” পুলিশ সুপার আরও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় পুলিশ জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিদর্শনকালে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0

পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া

জেলা পুলিশ যশোরের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় বিভিন্ন মন্দিরে প্রার্থনা

টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

টাঙ্গাইলে তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত টাঙ্গাইল, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ ইং14°C মেঘলা 15°বাতাস উঃ-পঃ 2 km/hঝড়ো হাওয়ার দমকা 19 km/hআর্দ্রতা 88%ডিউ পয়েন্ট12° C চাপ 1018 mbমেঘে ঢাকা 100%দৃষ্টিগ্রাহ্যতা 15 কিমি মাটি থেকে মেঘের উচ্চতা (Cloud Ceiling)500 মি সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইল জেলাতেও জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার প্রভাবে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নেমে এসেছে চরম দুরবস্থা। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের অনুভূতি আরও বেড়েছে। শীতের প্রকোপে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও খেটে খাওয়া মানুষজন। অনেকেই পর্যাপ্ত শীতবস্ত্রের অভাবে কাজে বের হতে পারছেন না। ফলে দৈনন্দিন আয়-রোজগার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জেলার গ্রামাঞ্চলে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে সর্দি-কাশি, জ্বরসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষেরা খোলা আকাশের নিচে কিংবা অপ্রতুল বস্ত্রেই রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। এদিকে ঘন কুয়াশার কারণে টাঙ্গাইলের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কোথাও কোথাও দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চালকদের সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালানোর আহ্বান জানিয়েছে। শীতের এই দুর্দশা মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা চাহিদার তুলনায় এখনও অপর্যাপ্ত বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে,শীতের এই তীব্রতা আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

জানুয়ারী ৫, ২০২৬ 0

জিয়া পরিষদ কর্মসংস্থান ব্যাংকের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

নেত্রকোনা দুর্গাপুর পুবালী ব্যাংক উপশাখার হ্যাপি নিউ ইয়ার উদযাপন

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

বছরের মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা,শীত আরও বাড়ার আভাস

এই বছরের মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, শীত আরও বাড়ার আভাস ৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ রাজধানী ঢাকায় আজ রোববার মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী কয়েকদিন সারাদেশে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকালের তুলনায় সামান্য কম। শনিবার ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে, আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে, যেখানে তাপমাত্রা নেমে এসেছে ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যদিও গতকাল নওগাঁর বদলগাছী, পাবনা ও রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সে তুলনায় আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা রোববার দুপুরে জানান, রাজধানীতে শীতের অনুভূতি গতকালের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে এবং এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। তিনি বলেন, দিনের তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা আবার কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও জানান, আজ রোববার থেকে আগামী দুই-এক দিন সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে পারে। তবে আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার এবং ১০ জানুয়ারি থেকে দুই থেকে তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানান, কুয়াশার পরিমাণের ওপর তাপমাত্রা অনেকাংশে নির্ভর করে। কুয়াশা বেশি হলে তাপমাত্রা কমে যায় এবং শীতের অনুভূতিও তীব্র হয়। আগামী কয়েকদিন সারাদেশে কুয়াশা বাড়তে পারে। আজ সকাল ৯টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা কোথাও কোথাও দুপুর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ সাময়িকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়,পাবনা,সিরাজগঞ্জ, যশোর কুষ্টিয়া,কুমিল্লা মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারাদেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে সারাদেশেই শীতের অনুভূতি বজায় থাকবে। এ ছাড়া সারাদেশের আবহাওয়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বর্তমানে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। চলতি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, জানুয়ারি মাসে দেশের ওপর দিয়ে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। উল্লেখ্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু, ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি হলে মাঝারি, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি হলে তীব্র এবং ৪ ডিগ্রির নিচে নামলে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

জানুয়ারী ৪, ২০২৬ 0

যমুনা সেতুসহ টাঙ্গাইল মহাসড়কের চার স্থানে দুর্ঘটনা,দুই ঘণ্টা বন্ধ ছিল টোল আদায়

পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের র‍্যাংক ব্যাজ পরালেন পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ফাঁকা স্থান থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ফাঁকা স্থান থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

0 মন্তব্য