রাজনীতি

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা বিএনপির শীর্ষ ৪ নেতা সহ ২৭০ জনের পদত্যাগ || ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে সখীপুর উপজেলা বিএনপি

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
নভেম্বর ২৫, ২০২৫ | 0
উপজেলা বিএনপির শীর্ষ ৪ নেতা সহ ২৭০ জনের পদত্যাগ || ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে সখীপুর উপজেলা বিএনপি
উপজেলা বিএনপির শীর্ষ ৪ নেতা সহ ২৭০ জনের পদত্যাগ || ভঙ্গুর হয়ে পড়েছে সখীপুর উপজেলা বিএনপি
টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ সংকট হঠাৎই তীব্র আকার ধারণ করেছে। দল পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর–বাসাইল) আসনের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে ‘আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন’ এবং ‘দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী আচরণ’-এর অভিযোগ এনে উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের চারজন জ্যেষ্ঠ নেতা একযোগে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগকারী নেতারা হলেন— সখীপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ মাস্টার, সহসভাপতি আঃ মান্নান, গজারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রউফ এবং ৮নং বহুরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ মিয়া। পদত্যাগপত্রে নেতারা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনায় দল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার পর অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান তাঁদের প্রতি ‘বিমাতা সুলভ অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ’ করেছেন। পাশাপাশি ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের কর্মীদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত এবং অনুপ্রবেশকারী ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে—যা দলীয় নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী। উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছেদ মাস্টার তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন, পুনর্গঠন নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তাকে অবমাননাকর আচরণের শিকার হতে হয়েছে। সহসভাপতি আঃ মান্নান, আব্দুর রউফ এবং আব্দুল লতিফ মিয়াও একই ধরনের অভিযোগ পেশ করেছেন। এদিকে, ফেসবুকে এই চার নেতার পদত্যাগপত্র ভাইরাল হয়েছে, যা সখীপুর উপজেলা বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভাইরাল পোস্টগুলোতে নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, হতাশা ও বিতর্ক লক্ষ্য করা গেছে। এই ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কারো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগমুহূর্তে এমন গণপদত্যাগ সখীপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ও ঐক্যকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করতে পারে।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলের মানুষের মধ্যে ঈদের মতো উৎসব বিরাজ করছে: টুকু

তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে টাঙ্গাইলে ঈদের আনন্দ বইছে: টুকু টাঙ্গাইলের মানুষের মধ্যে ঈদের মতো উৎসব বিরাজ করছে: টুকু বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইল আগমনকে ঘিরে জেলায় ঈদের মতো উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সন্তোষে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি মাওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত ও দোয়া করেন।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, দেশনায়ক তারেক রহমান আগামী ১১ জানুয়ারি বগুড়ায় যাওয়ার পথে প্রথমবারের মতো টাঙ্গাইলে আসছেন। তিনি মজলুম জননেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেবেন। এটি তাঁর টাঙ্গাইলে প্রথম সফর। আমরা সৌভাগ্যবান যে তাঁর রাজনৈতিক সফরের সূচনা হচ্ছে টাঙ্গাইল থেকে এবং তা আবার ভাসানীর কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে।তিনি বলেন, মাওলানা ভাসানী কাগমারী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার আন্দোলনের বীজ রোপণ করেছিলেন। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া উভয়েই এই মাজার জিয়ারত করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার দেশনায়ক তারেক রহমানও মাওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত করতে টাঙ্গাইলে আসছেন ।টুকু বলেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে দল-মত নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশের মির্জাপুর এলাকা থেকেই তাঁকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে টাঙ্গাইলবাসী তাঁকে অভ্যর্থনা জানাবেন। তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর আগমনকে আনন্দের সঙ্গে গ্রহণ করছে। রাজনৈতিকভাবে এই দিনটি টাঙ্গাইলের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকবে। বিশেষ করে টাঙ্গাইল সদরবাসীর মধ্যে ঈদের মতো আনন্দ অনুভূত হচ্ছে।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিন তারেক রহমান যে বক্তব্য দিয়েছেন- আগামীর বাংলাদেশে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে প্রত্যয় তিনি ব্যক্ত করেছেন তা মানুষের মধ্যে ব্যাপক আশাবাদ তৈরি করেছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম তাঁর ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয়েছে।তারেক রহমানের আগমন ও দোয়া মাহফিলকে সফল করতে দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।এ সময় বিএনপির এই কেন্দ্রীয় নেতা মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন এবং উপস্থিত নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুবদলের কেন্দ্রীয় সাবেক সদস্য আবদুল্লাহ হেল কাফি শাহেদ ও সৈয়দ শহিদুল আলম টিটু, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজিদ ইসলাম দিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলে দুই নারী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল আপিলের সিদ্ধান্ত

মানবতার দীপ জ্বালাচ্ছেন কায়সার কামাল-জনকল্যাণের বার্তা নিয়ে তৃণমূলে ছুটে চলেছে উপজেলা যুবদল

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় টাঙ্গাইলে বিএনপির দোয়া মাহফিল

মানুষের পাশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: টাঙ্গাইল-৫ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ
মানুষের পাশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: টাঙ্গাইল-৫ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ

টাঙ্গাইল সদর আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন টুকু ৪ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ তার নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যাপক জনসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। জনসংযোগের অংশ হিসেবে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১০ নং হুগড়া ইউনিয়ন এবং ৯ নং কাকুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, বাজার ও জনবহুল এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করেন। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করার পর ৩ বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও মেজর জেনারেল (অব:) ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হক এর রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করেন। এরপর তিনি এলাকার মেহনতি মানুষের খোঁজখবর নেন, তাদের দুঃখ-কষ্ট মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং এলাকার রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সমস্যার সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “আমি টাঙ্গাইল-০৫ সদর আসনে এমপি হলে এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।” সালাউদ্দিন টুকু সাধারণ মানুষের উদ্দেশে আরও বলেন, “বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে জনগণের পাশে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দেশের মানুষ আজ নানা সংকটে জর্জরিত। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক সরকার গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” জনসংযোগকালে তিনি দলের নেতাকর্মীদেরও নির্দেশ দেন, “মানুষের কাছে যেতে হবে, তাদের কথা শুনতে হবে এবং মানুষের সমস্যাকে নিজের সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থনই রাজনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি।” অভিযানকালে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। জনসংযোগ চলাকালে এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। অনেক সাধারণ মানুষ সালাউদ্দিন টুকুর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তার প্রতি সমর্থন ও প্রত্যাশা প্রকাশ করেন। স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন পর একজন প্রার্থী সরাসরি মানুষের কাছে এসে তাদের কথা শোনায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সালাউদ্দিন টুকু বলেন, “মানুষের পাশে থেকে তাদের সমস্যা ও দাবি নিয়ে কাজ করাই আমার মূল লক্ষ্য। ধারাবাহিকভাবে এই ধরনের জনসংযোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।”

জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ থেকে  সাবেক মেয়র সজীবের পদত্যাগ

টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ থেকে সাবেক মেয়র সজীবের পদত্যাগ

অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডার  নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নির্বাচনে  টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল

অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল

এবার উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে জনগন: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ভোট ডাকাতি রোধে সাহসী পদক্ষেপের আহ্বান, নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ আসন্ন নির্বাচন: টাঙ্গাইলে এটিএম আজহারুল ইসলাম
ভোট ডাকাতি রোধে সাহসী পদক্ষেপের আহ্বান, নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ আসন্ন নির্বাচন: টাঙ্গাইলে এটিএম আজহারুল ইসলাম

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন যেন কোনোভাবেই ভোট ডাকাতির মাধ্যমে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়, সে জন্য এখনই সাহসী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন শুধু ক্ষমতা পরিবর্তনের নয়, বরং একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের ঐতিহাসিক সুযোগ। তাই ন্যায়ের পক্ষে ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ক্ষণস্থায়ী এই জীবনে সৎ কাজ ও নৈতিকতার কোনো বিকল্প নেই। অনেকেই দুনিয়ার ক্ষণিকের স্বার্থ ও জড়বাদী আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী দুনিয়া ও আখিরাত—উভয় জগতেই সফলতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে সংগ্রাম করছে। তিনি বলেন, আদর্শিক রাজনীতিতে টিকে থাকতে হলে আরও সাহসিকতা, ত্যাগ ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচারের বিরুদ্ধে পরিবর্তন চায়। আগামী নির্বাচন সেই পরিবর্তনের পথে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে। এজন্য দায়িত্বশীলদের জনগণের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মতবিনিময় সভায় জেলা আমির ও টাঙ্গাইল সদর আসনের মনোনীত প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা নায়েবে আমির খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল, সাংগঠনিক সেক্রেটারি মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ড. আতাউর রহমান, মাওলানা বুরহানুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুস সালাম এবং শহর আমির অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে টাঙ্গাইলে ৯ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল

টাঙ্গাইলে টুকুর উদ্যোগে আশেকপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ঈদগা মাঠে সমাবেশ

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে

মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেও জমা দেননি বিএনপির দুই হেভিওয়েট নেতা, টাঙ্গাইল-৭ আসনে আলোচনা তুঙ্গে

0 মন্তব্য