রাজনীতি

টাঙ্গাইলকে ‘মডেল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার

reporter-icon
মো: সাজিদ পিয়াল: সিনিয়র রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ | 0

টাঙ্গাইলকে ‘মডেল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে। উঠান বৈঠক মতবিনিময় সভা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে ভোটারদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন তারা।এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সাংগঠনিক সক্ষমতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তার প্রচারণাকে ঘিরে পুরো আসনজুড়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা।এ প্রেক্ষাপটে বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন ও রূপান্তরের লক্ষ্যে নিজের ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সম্প্রতি এসব অঙ্গীকার প্রকাশের পর ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে নিরাপদ মাদকমুক্ত,চাঁদাবাজমুক্ত ও আধুনিক একটি ‘মডেল টাঙ্গাইল’হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার করেন তিনি।তার ঘোষিত ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যমুনা নদীর স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ মাহমুদনগরে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ টাঙ্গাইলকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তোলা এবং টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর।এর আগে এক নির্বাচনী জনসভায় টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেন টুকু। ওই জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান এসব দাবি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে সাত দফা দাবির সঙ্গে ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার যুক্ত হওয়ায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন ইস্যু নতুন মাত্রা পেয়েছে।স্বাস্থ্য খাতে আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টুকু বলেন সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়ন আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং শহর ও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তার অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।যুব সমাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি আইটি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ভাষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং ব্যবসা সহজীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে তিনি বলেন নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি।বিএনপির ৩১ দফার আলোকে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা প্রদান সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ওয়ান কল সার্ভিস চালুর অঙ্গীকারও করেন এই বিএনপি নেতা।চাঁদাবাজমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে তোলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে টাঙ্গাইলকে একটি আধুনিক নিরাপদ ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে ইফতার বিতরণ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ে ইফতার বিতরণ টাঙ্গাইল শহরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর জেলা কার্যালয়ে ইফতার বিতরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দলটির কিছু নেতাকর্মী গোপনে একত্রিত হয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ মে সরকারিভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এবং দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। এ অবস্থায় টাঙ্গাইলে এমন কার্যক্রম ঘিরে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। পূর্বেও জেলার বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির নেতাকর্মীদের ইফতার আয়োজন বা সমাবেশের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মার্চ ১৮, ২০২৬ 0

বিএনপি থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন চান টাঙ্গাইলের নাজমা পারভীন

টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল

টাঙ্গাইল-৫ আসনে নির্বাচনের পর গণসংযোগে ব্যস্ত এড. ফরহাদ ইকবাল

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র পক্ষ থেকে কাতুলীতে বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’র পক্ষ থেকে কাতুলীতে বিএনপির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন-পরবর্তী গণসংযোগে ব্যস্ত অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নির্বাচন-পরবর্তী গণসংযোগে ব্যস্ত অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করে যাচ্ছেন । নির্বাচনের পর থেকেই তিনি নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে গিয়ে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন এবং তাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় পবিত্র রমজানের ৭ম দিনে তিনি বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন তিনি। উপস্থিত এলাকাবাসীও তাদের প্রত্যাশা ও দাবি তুলে ধরেন। পরে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ইউনিয়নটিতে ইফতার মাহফিলে অংশ নেন তিনি। ইফতার পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, “আমি ছিলাম, আছি, থাকবো আপনাদেরই মাঝে ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও করবো।” তিনি আরও বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, নির্বাচন শেষ হলেও তিনি নিয়মিত মাঠে থেকে মানুষের পাশে থাকার যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। আগামীতেও এ ধরনের গণসংযোগ অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, সদর আসনের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে ধারাবাহিকভাবে জনসংযোগ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
মন্ত্রিসভায় আহমেদ আজমকে দেখতে চায় বাসাইল–সখীপুরের মানুষ

মন্ত্রিসভায় আহমেদ আজমকে দেখতে চায় বাসাইল–সখীপুরের মানুষ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আলোচনায় আফরোজা খন্দকার (নিপু)

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে টাঙ্গাইলে আলোচনায় আফরোজা খন্দকার (নিপু)

বিএনপি নেতা ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলীমসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে পরাজয়ের পরও উন্নয়নের অঙ্গীকার হারুনুর রশীদের

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনে পরাজিত হলেও এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমে সক্রিয় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদ।  শুক্রবার, (১৩ই ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকায় হারুনুর রশিদ তার অফিসিয়াল ফেসবুক আইডি থেকে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে লিখিত বার্তায় তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও জনগণ যে সমর্থন ও ভালোবাসা দিয়েছেন, তা তিনি আজীবন স্মরণ রাখবেন। বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদ বলেন, দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া’র সুযোগ্য পুত্র তারেক রহমান-কে দেশনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশ এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তার ভাষ্য মতে, “আমরা একটি আসনের লড়াই হেরেছি, কিন্তু মহাযুদ্ধে জয়ী হয়েছি। দল রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে—এটাই আমাদের বড় শক্তি।” উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকার ঘোষণায় হারুনুর রশীদ বলেন, তিনি বর্তমান সংসদ সদস্য না হলেও ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন সক্রিয় সিনিয়র নেতা হিসেবে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করে চাঁপাইনবাবগঞ্জের উন্নয়নে কাজ করবেন। তিনি তার নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোর কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে—বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নদী উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনা, যুব কর্মসংস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়ন। পাশাপাশি দলীয়ভাবে ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার দাবি, দল ক্ষমতায় থাকায় এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথ এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। ফেসবুক পোস্টের লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দেন। তার অভিযোগ, নির্বাচনের পর থেকেই জামায়াত, বিএনপির নেতাকর্মীদের হুমকি দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং এই হুমকির বিষয়টি জামায়াতের নেতৃবৃন্দদের নজরে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্রক্ষমতায় না থেকেও ভয়ভীতি প্রদর্শন জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান। চাঁপাইনবাবগঞ্জে কোনো ধরনের হুমকি বা অস্থিরতা বরদাশত করা হবে না। আইনের বাইরে গেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ যাতে কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হন এবং কোনো বৈষম্যের শিকার না হন—সেটি নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন সাবেক এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, “আমার লক্ষ্য ব্যক্তি ক্ষমতা নয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ তথা বাংলাদেশের মানুষের উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠা।” একই সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের আরও ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকারের অবস্থানকে জনগণের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান। সবশেষে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মহান আল্লাহর সহায়তা কামনা করেন।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনেই জামায়াত প্রার্থীর বাজিমাত

টাঙ্গাইল-৫ আসনে শেষ হাসি কার—নির্ধারণ করবে ভোটের অঙ্ক

ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের নেতৃত্বে সরিষাবাড়িতে জয়লাভের প্রত্যয়

0 মন্তব্য