রাজনীতি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: টাঙ্গাইলের তিনটি আসনে বিএনপির ৬ বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫ | 0
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: টাঙ্গাইলের তিনটি আসনে বিএনপির ৬ বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: টাঙ্গাইলের তিনটি আসনে বিএনপির ৬ বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের তিনটি আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ছয়জন বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) তারা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন। টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসন: এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন। তবে দলের মনোনয়নবঞ্চিত কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী এবং বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আসাদুল ইসলাম আজাদও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এতে দেখা যাচ্ছে, দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত বা বহিষ্কৃত নেতাদের অংশগ্রহণ এই আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসন: বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী এই আসনে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তবে দলের মনোনয়ন না পাওয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান সাইদ সোরহাব এবং বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ফিরোজ হায়দার খান মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এ নিয়ে মির্জাপুর আসনে দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসন: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। এ আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপির মনোনয়ন দাবি করা সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল, যিনি কোনো দলীয় পরিচয় বহন করেন না। এছাড়া বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সখীপুর উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ শেখ হাবিবও মনোনয়নপত্র তুলেছেন। টাঙ্গাইল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, এ পর্যন্ত মোট ২১ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তাদের মধ্যে ছয়জনকে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত বা বহিষ্কৃত নেতা-সমর্থকদের অংশগ্রহণ নির্বাচনী বৃত্তে দলীয় স্থিতিশীলতা এবং ভোটের ফলাফলের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থীদের প্রচারণা কার্যক্রম ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। নির্বাচনী মাঠে ভোটারদের মনোযোগ মূলত দলীয় প্রার্থী বনাম স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বিভাজিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

রাজনীতি

আরও পড়ুন
বিজয়নগরে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আচরণবিধি ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ সভা

বিজয়নগরে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আচরণবিধি ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ সভা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে নির্বাচনী আচরণ বিধি, গণভোট ও পোস্টাল ভোট বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অবহিত করতে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ১০-০১-২০২৬ ইং তারিখে দুপুরে বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শারমিন আক্তার জাহানের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ ফাতেমার সঞ্চালনায় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোছাম্মাৎ ফারহানা রহমান নির্বাচনী আচরণ বিধির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সকলকে আইন মেনে চলার আহ্বান জানান এবং গণভোটে ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে জনগণকে উৎসাহিত করেন।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাছিবুর রহমান, জেলা তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাস বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে ফজলুল হক এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাদমান সাকিব। বক্তারা নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাধারণ জনগণের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলের কর্মী গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শারমিন আক্তার জাহান বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেউ যদি অশুভ শক্তি প্রয়োগ বা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করে তাহলে তাদের কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন নির্বাচন একটি গণতান্ত্রিক উৎসব। এ উৎসব সফল করতে সকলের সহযোগিতা অপরিহার্য।

জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

বিজয়নগরে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে আচরণবিধি ও গণভোট বিষয়ে অবহিতকরণ সভা

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে টাঙ্গাইলে বিক্ষোভ

টাঙ্গাইলের মানুষের মধ্যে ঈদের মতো উৎসব বিরাজ করছে: টুকু

টাঙ্গাইলে দুই নারী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল আপিলের সিদ্ধান্ত

টাঙ্গাইলে দুই নারী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল, আপিলের সিদ্ধান্ত টাঙ্গাইলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে দুই নারী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আইনিন নাহার নিপা এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী ও জুলাই আন্দোলনের সংগঠক ফাতেমা আক্তার বীথি। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই শেষে মনোনয়নপত্রে কাগজপত্র ও বিধিগত ত্রুটি পাওয়ায় তাদের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়। তবে ঠিক কোন ধরনের ত্রুটির কারণে মনোনয়ন বাতিল হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে উভয় নারী প্রার্থীই আপিল করার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিচার প্রত্যাশা করবেন। উল্লেখ্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।

জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0

মানবতার দীপ জ্বালাচ্ছেন কায়সার কামাল-জনকল্যাণের বার্তা নিয়ে তৃণমূলে ছুটে চলেছে উপজেলা যুবদল

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় টাঙ্গাইলে বিএনপির দোয়া মাহফিল

মানুষের পাশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: টাঙ্গাইল-৫ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ

মানুষের পাশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু: টাঙ্গাইল-৫ আসনে ব্যাপক গণসংযোগ

টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ থেকে  সাবেক মেয়র সজীবের পদত্যাগ
টাঙ্গাইল-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে, কৃষক শ্রমিক জনতালীগ থেকে সাবেক মেয়র সজীবের পদত্যাগ

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির সখীপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব। তিনি সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম)-এর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান। পদত্যাগপত্রে সানোয়ার হোসেন সজীব শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেন। একই রাতে তিনি পদত্যাগপত্রটি নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন, যা স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে। এর আগে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এমন প্রেক্ষাপটে রোববার রাতে সখীপুর উপজেলার সিলিমপুর এলাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সানোয়ার হোসেন সজীব প্রকাশ্যে তার প্রতি সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেন, তিনি কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। তবে এসব দাবি নাকচ করে সানোয়ার হোসেন সজীব বলেন, তিনি শুধু কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে চিঠি প্রেরণ করেছেন।

জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0
অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডার  নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নির্বাচনে  টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল

অ্যান্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডার নাগরিকত্ব ত্যাগ করে নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল

এবার উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেবে জনগন: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

ভোট ডাকাতি রোধে সাহসী পদক্ষেপের আহ্বান, নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ আসন্ন নির্বাচন: টাঙ্গাইলে এটিএম আজহারুল ইসলাম

ভোট ডাকাতি রোধে সাহসী পদক্ষেপের আহ্বান, নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ আসন্ন নির্বাচন: টাঙ্গাইলে এটিএম আজহারুল ইসলাম

0 মন্তব্য