রাষ্ট্র কাঠামো পূর্ণগঠনে বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানিকগঞ্জে শিবালয় উপজেলার টেপড়া শাপলা মার্কেটে ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ ঘটিকায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের জ্যোষ্ঠ পুত্র, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও মানিকগঞ্জ -১ আসনে ধানের শীষ প্রতীক মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রফেসর ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু। ঘিওর সরকারি কলেজের সাবেক জিএস মোঃ সেলিমের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা শিবালয় উপজেলা বিএনপির সহ- সভাপতি কাজী আব্দুর রাজ্জাক। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি অ্যাড: ইউনুস আলী শিকদার, দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শফিউল আলম বিল্টু, দৌলতপুর উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সার্জেন্ট শাহীন, ঘিওর উপজেলা বিএনপির সহ- সভাপতি অ্যাড: আনোয়ার হোসেন, শিবালয় উপজেলা শহীদ জিয়া প্রজন্ম দলের সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন, শিবালয় উপজেলা শহীদ জিয়া প্রজন্ম দলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মাস্টার, শিবালয় উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্মল রাজবংশীসহ জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন বিএনপির সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও নারী - পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার জনসাধারণ
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও প্রাণ ফিরে পেল সরিষাবাড়ি উপজেলার কাবারিয়াবাড়িয়া ফুটবল মাঠ। গত ১৭ এপ্রিল মরহুম গাজী গোলাম মোস্তা ও মরহুম জুলহাস উদ্দিন জামালী স্মরণে আয়োজিত ১৩৮তম ঐতিহ্যবাহী ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০২৬ এর উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী খেলায় মুখোমুখি হয় দেওয়ানগঞ্জ ফুটবল একাদশ ও হেমনগর ফুটবল একাদশ। খেলাটি উদ্বোধন করেন সরিষাবাড়ি উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপি সদস্য লাবিবউদ্দিন তালুকদার লিটন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম খান বাবু (জজ কোর্ট, ঢাকা), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান হবি স্যার (অবসরপ্রাপ্ত শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক ও সভাপতি, কাবারিয়াবাড়ি যুব উন্নয়ন সংস্থা) এবং সুরুজ উদ্দিন সুরুজ মেম্বার (সরিষাবাড়ি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ৪ আওনা ইউনিয়নের সভাপতি)। খেলা শুরুর পর থেকেই ছিল দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা, দর্শকদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। মাঠের চারপাশে জড়ো হওয়া হাজারো ফুটবলপ্রেমী করতালিতে উৎসাহ দেন খেলোয়াড়দের। দুই দলের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে মাঠের লড়াই। তবে ম্যাচের শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে হেমনগর ফুটবল একাদশ ৩-০ গোলের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে। অপরদিকে দেওয়ানগঞ্জ ফুটবল একাদশ কোনো গোল করতে পারেনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লাবিবউদ্দিন তালুকদার লিটন খেলার আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এক সময় কাবারিয়াবাড়িয়া ফুটবল মাঠ ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত। এখানে নিয়মিত বড় বড় খেলা অনুষ্ঠিত হতো। কিন্তু দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে এলাকার তরুণরা মোবাইল নির্ভর হয়ে পড়েছিল। এখন আবার খেলা শুরু হওয়ায় তারা মাঠমুখী হবে এবং এসব আসক্তি থেকে কিছুটা হলেও দূরে থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ক্রীড়াপ্রেমীরা জানান, এই ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্ট শুধু একটি খেলা নয়, এটি এলাকার সংস্কৃতি ও ঐক্যের প্রতীক। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও এমন আয়োজন তরুণদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে বলে তারা মনে করছেন। দীর্ঘদিন পর এমন আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আয়োজকরা জানান, এই প্রতিযোগিতা এলাকার ক্রীড়া সংস্কৃতিকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) ১৪১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থী ফরিদুল কবির তালুকদার শামীমের নির্বাচনী পথসভা সরিষাবাড়ীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরিষাবাড়ী ও আওনা ইউনিয়নের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে এই পথসভা একপর্যায়ে বৃহৎ জনসমাবেশে রূপ নেয়। সমাবেশে শামীম তালুকদার বলেন, নির্বাচিত হলে ফ্যামেলী কার্ড, কৃষিকার্ড চালু করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। নেতাকর্মীরা ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক দিন, কমেন্ট করুন এবং চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।
জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির উদ্যোগে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে অনুষ্ঠিত হয়েছে গণভোজ ও দোয়া মাহফিল। ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ইন্তেকাল করা এই প্রবীণ রাষ্ট্রনায়কের রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত কর্মসূচিতে দল-মত নির্বিশেষে আওনা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ব্যক্তিত্ব এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সকাল থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। নারী-পুরুষ, তরুণ-বৃদ্ধসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ একত্রিত হয়ে প্রয়াত নেত্রীর আত্মার শান্তি কামনায় দোয়ায় শরিক হন। পুরো এলাকাজুড়ে ছিল নীরবতা ও শোকের আবহ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও জামালপুর জেলা বিএনপির সদস্য লাবিবউদ্দিন তালুকদার লিটন। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক আপসহীন নেত্রী। তাঁর ত্যাগ ও সংগ্রাম দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এবং ৪ নম্বর আওনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ সুরুজ মিয়া। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন এ দেশের একজন সাহসী নারী রাষ্ট্রনায়ক। তাঁর নেতৃত্ব ও অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। গণভোজের আগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা প্রয়াত নেত্রীর রাজনৈতিক জীবন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদানের কথা তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, তাঁর আদর্শ ও রাজনৈতিক দৃঢ়তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা। আলোচনা সভা শেষে স্থানীয় আলেমদের মাধ্যমে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত, জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব এবং তাঁর পরিবার-পরিজনের জন্য ধৈর্য কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য প্রার্থনা করা হয়। দোয়া শেষে উপস্থিত সাধারণ জনগণের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। অনেকেই আবেগঘন কণ্ঠে প্রয়াত নেত্রীর জন্য দোয়া করেন। সব মিলিয়ে আওনা ইউনিয়নে অনুষ্ঠিত এই গণভোজ ও দোয়া মাহফিল ছিল এক শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সম্মানজনক স্মরণানুষ্ঠান।