সারা দেশ

টাঙ্গাইলে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে, দাম কমছে না

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
ডিসেম্বর ২, ২০২৫ | 0
টাঙ্গাইলে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে, দাম কমছে না
টাঙ্গাইলে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে, দাম কমছে না

শীতের শুরুতে টাঙ্গাইলের বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা বাজারে প্রতিকেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৫০-৬০ টাকা। একইভাবে ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, আলু, মুলা, শালগমসহ অধিকাংশ সবজি বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, উৎপাদন এলাকাতেই সবজির দাম বেশি। কৃষকেরা আগাম চাষ করা নতুন সবজির ভালো দাম পাচ্ছেন। এছাড়া অক্টোবরের অতিবৃষ্টির কারণে কিছু সবজি নষ্ট হওয়ায় তারা খরচ পুষিয়ে নিতে চায়। সাধারণত শীতের শুরুতে ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩০-৪০ টাকা, শিম ৪০-৬০ টাকা, মুলা ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হয়। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ, করলা ও বরবটি ১০০-১২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৬০-৮০ টাকা, পটোল ৫০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু কেজিতে ১৫০-১৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, পুরাতন আলু ৫ টাকা বেড়ে ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। এক মাস ধরে দাম স্থিতিশীল রয়েছে। খুচরা পর্যায়ে বোতলজাত সয়াবিন তেল ও চালের সরবরাহ কিছুটা কম হয়েছে। বিক্রেতারা জানান, পণ্য আমদানি করলে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। শীতের এই সময়ে বোয়াল, আইর ও শোল মাছের চাহিদা বেড়ে গেছে। কিন্তু দাম কমেনি। ইলিশের দামও বেশি: ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি ১,০০০ টাকা, ৫০০ গ্রামের ১,৬০০ টাকা, ৭০০ গ্রাম ১,৮০০-২,০০০ টাকা, এবং ১ কেজি ওজনের ২,৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।শিং মাছ ৩৫০-৫৫০ টাকা, দেশি শিং ১,০০০-১,২০০ টাকারুই৪০০-৫৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০-১,০০০ টাকা চাষের পাঙ্গাশ ২০০-২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০-১,৪০০ টাকা,বোয়াল ৬০০-৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০-৫৫০ টাকা। গরুর মাংস ৭৫০-৭৮০ টাকা, কলিজা ৭৮০ টাকা, মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, বট ৩৫০-৪০০ টাকা, খাসির মাংস ১,২০০ টাকাব্রয়লার মুরগি ১৭০-১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৮০-৩০০ টাকাডিম প্রতি ডজন ১২০-১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২১০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১১০ টাকা। দেশি আদা ১৪০-১৬০ টাকা, চায়না আদা ২০০ টাকা দেশি রসুন ১০০ টাকা, ইন্ডিয়ান রসুন ১৮০ টাকা দেশি মসুর ডাল ১৬০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, খেসারি ডাল ১৪০ টাকা,মিনিকেট চাল ৮৫-৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪-৯০ টাকা। শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেড়েছে, কিন্তু দাম কমেনি। মাংস, মাছ, ডিম ও ডালের দাম স্থিতিশীল থাকলেও শীতকালীন মাছ ও নতুন সবজির দাম বেড়ে গেছে। খাদ্যদ্রব্যের বাজার পরিস্থিতি টাঙ্গাইলের ভোক্তাদের জন্য এখনও ব্যয়বহুল অবস্থা তৈরি করছে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইল সদরের ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ বাজারে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর ইফতার মাহফিল
টাঙ্গাইল সদরের ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ বাজারে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর ইফতার মাহফিল

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ (২৭-০২-২০২৬) তারিখে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ বাজারে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগদান করেন। ইফতার মাহফিলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবতার শিক্ষা দেয়। সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন। একই সঙ্গে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইলের বর্ষীয়ান রাজনীতিক ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ–এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি জোয়াহের আর নেই

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে বিএনপি‘র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নেত্রকোনা দুর্গাপুরে বিএনপি‘র আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ডুবাইল বাজারে বিকাশ এজেন্টের দোকানে দুঃসাহসিক চুরি লোপাট সাড়ে তিন লাখ টাকা

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ডুবাইল বাজারে বিকাশ এজেন্টের দোকানে দুঃসাহসিক চুরি, লোপাট সাড়ে তিন লাখ টাকা। টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌরসভার ডুবাইল বাজারে একটি বিকাশ এজেন্টের দোকানে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর প্রায় ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। চুরির শিকার দোকানটির নাম শাওন টেলিকম।দোকানের মালিক লুৎফর রহমান জানান, জুমার নামাজের সময় দুর্বৃত্তরা দোকানের পেছনের টিনের বেড়া কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা স্টিলের আলমারি ভেঙে সেখানে সংরক্ষিত প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। নামাজ শেষে দোকানে ফিরে এসে তিনি আলমারি ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় দোকানের মেঝেতে রক্তের দাগও লক্ষ্য করেন তিনি। ভুক্তভোগীর ধারণা টিনের বেড়া অথবা আলমারি ভাঙার সময় চোরের শরীরের কোনো অংশ কেটে গিয়ে রক্তপাত হয়েছে। ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছেন স্থানীয়রা।খবর পেয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।পুলিশ জানায় ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
হ্যারিটেজ কালচার ফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি

হ্যারিটেজ কালচার ফোরামের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির সঙ্গে পরিচিত সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি

টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নবগঠিত কমিটির সঙ্গে পরিচিত সভা ও ইফতার মাহফিলে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি

টাঙ্গাইলে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা

টাঙ্গাইলের যমুনা তীরে সূর্যমুখীর সোনালি হাসি, বদলে যাচ্ছে জেলার কৃষির চিত্র
টাঙ্গাইলের যমুনার তীরে সূর্যমুখীর সোনালি হাসি, বদলে যাচ্ছে জেলার কৃষির চিত্র

সোনালি ফুলের মেলায় যেন নতুন রূপে সেজেছে টাঙ্গাইল। জেলার যমুনা নদী তীরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল জুড়ে ফুটে থাকা সূর্যমুখীগুলো একসঙ্গে মুখ তুলে তাকায় আকাশের দিকে। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সবুজের বুকে কেউ সোনালি চাদর বিছিয়ে দিয়েছে। বাতাসে দুলতে থাকা ফুলের সারি যেন জানান দিচ্ছে—কৃষকের ঘরে ফিরছে আশার আলো। টাঙ্গাইল সদরসহ আশপাশের বিভিন্ন উপজেলায় এবার সূর্যমুখীর বাম্পার ফলন হয়েছে। বিশেষ করে কাকুয়া ইউনিয়ন ও যমুনা তীরবর্তী এলাকাগুলো এখন হলুদ-সবুজের অপূর্ব মেলবন্ধনে ভরপুর। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মৌমাছি আর প্রজাপতির আনাগোনায় মুখর থাকে মাঠ। এই নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। অনেকেই ছবি তুলছেন, কেউবা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন। ফলে কৃষিজমিই যেন পরিণত হয়েছে এক অনানুষ্ঠানিক পর্যটন কেন্দ্রে। স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, ধান বা অন্য ফসলের তুলনায় সূর্যমুখী চাষে খরচ কম এবং লাভের সম্ভাবনা বেশি। কৃষি অফিসের পরামর্শে অনেকেই এবার প্রথমবারের মতো এই আবাদে নেমেছেন। একজন চাষি জানান, আগে ধানে খরচ বেশি হলেও লাভ অনিশ্চিত ছিল। এবার সূর্যমুখী চাষ করে আশাবাদী তিনি। বাজারে ভোজ্য তেলের চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় কয়েকগুণ লাভের আশা করছেন। তার দেখাদেখি আশপাশের আরও অনেক কৃষক আগামী মৌসুমে সূর্যমুখী আবাদে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদরে এ বছর প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষ হয়েছে। কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চরাঞ্চলের বালুময় জমি এই ফসলের জন্য বেশ উপযোগী হওয়ায় স্বল্প সেচ ও পরিচর্যায় ভালো ফলন মিলছে। সারা বছর নানা ফসলের আবাদে ব্যস্ত এই জেলায় সূর্যমুখী এখন সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। যথাযথ সরকারি সহায়তা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অব্যাহত থাকলে এই সোনালি ফুলই হতে পারে কৃষকের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার শক্ত ভিত্তি। যমুনা তীরের মাঠগুলো তাই আজ শুধু ফসলের ক্ষেত নয়—এগুলো হয়ে উঠেছে নতুন স্বপ্নের প্রতীক।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে গড়গড়িয়া লেক সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বন বিভাগের বিরুদ্ধে গারো সম্প্রদায়ের প্রতিবাদ

টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে গড়গড়িয়া লেক সম্প্রসারণকে কেন্দ্র করে বন বিভাগের বিরুদ্ধে গারো সম্প্রদায়ের প্রতিবাদ

টাঙ্গাইলে যুবদের জন্য ফাউন্ডেশন আয়োজন করছে ১০ টাকায় ইফতার

টাঙ্গাইলে যুবদের জন্য ফাউন্ডেশন আয়োজন করছে ১০ টাকায় ইফতার

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু'র পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল সদরের দাইন্যা ইউনিয়নে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু'র পক্ষ থেকে টাঙ্গাইল সদরের দাইন্যা ইউনিয়নে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

0 মন্তব্য