সারা দেশ

টাঙ্গাইলের সখীপুরে লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যানের একসঙ্গে ৩০০ মসজিদে ৭৫ লক্ষ টাকা অনুদান

reporter-icon
নাদিম তালুকদার: স্টাফ রিপোর্টার ( মুক্তধ্বনি )
নভেম্বর ১৫, ২০২৫ | 0
টাঙ্গাইলের সখীপুরে লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের উদ্যোগে একসঙ্গে উপজেলার ৩০০ টি মসজিদে ৭৫ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। আজ শনিবার(১৫ নভেম্বর) বিকেলে সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভ: স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এসব মসজিদের আর্থিক অনুদান তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সখীপুর উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোঃ হাবিবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাবীব গ্রুপের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেল। অনুষ্ঠানে বক্তব্যদানকালে সালাউদ্দিন আলমগীর জানান, আল্লাহ আমাকে যতটুকু দিয়েছেন, তার একটি অংশ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতে পারলেই আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। সখীপুর আমার জন্মভূমি, এই মাটির প্রতি আমার ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা জন্মগত। তাই সমাজের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কিছু করার সুযোগ পেলে আমি তা নিজের সৌভাগ্য মনে করি। এসময় তিনি আরো জানান, আমার এ অনুদান কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বা প্রচারের জন্য নয়। এটি সম্পূর্ণ মানবিক, ধর্মীয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে করা একটি প্রচেষ্টা। আপনাদের দোয়া ও আল্লাহর রহমতেই আমি এই পথ চলা অব্যাহত রাখব, ইনশাআল্লাহ। আগামীতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, গরিব-দুঃখী মানুষের সাহায্যসহ যে কোনো কল্যাণমূলক কাজে জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভুয়াপুরে বিএনপিসহ বিভিন্ন দল থেকে জামায়াতে যোগ দিল শতাধিক নেতাকর্মী

গোপালপুর-ভুয়াপুরে জামায়াতে ইসলামীতে গণযোগদান, বিএনপিসহ বিভিন্ন দল থেকে শতাধিক নেতাকর্মীর অন্তর্ভুক্তি গোপালপুর (টাঙ্গাইল), ১৬ জানুয়ারি ২০২৬: টাঙ্গাইলের গোপালপুর-ভুয়াপুর এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে গণযোগদান উপলক্ষে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আগত প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। স্থানীয় একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে গোপালপুর ও ভুয়াপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। অনুষ্ঠানস্থলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালপুর-ভুয়াপুর আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলটির জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের একাধিক শীর্ষ নেতা, পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী একটি সংগঠন। তিনি বলেন, “জনগণের নৈতিকতা, ন্যায়বিচার ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই আমাদের রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আজ যারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন, তাদের এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক সচেতনতারই প্রতিফলন।” তিনি আরও বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জনগণ একটি সৎ, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছে। সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাংগঠনিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ অতিথিদের বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনে আদর্শভিত্তিক রাজনীতির বিকল্প নেই। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন যোগদানকারীদের মাধ্যমে সংগঠন আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল হবে। অনুষ্ঠান শেষে নবযোগদানকারী নেতাকর্মীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, গোপালপুর-ভুয়াপুর অঞ্চলে এই গণযোগদান আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সাংগঠনিক শক্তিবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে

জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নির্বাচনী কেন্দ্রের নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

টাংগাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপালে রোগীর স্যালাইন ঝুলছে গাছে

বরিশাল জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলা সাভার ট্রাফিক বিভাগ (উত্তর) এর কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলা সাভার ট্রাফিক বিভাগ (উত্তর) এর কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ঢাকা জেলা ট্রাফিক বিভাগ (উত্তর)-এর উদ্যোগে সাভার ট্রাফিক কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সার্বিক উন্নয়ন দায়িত্ব পালনে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে সাভার ট্রাফিক বিভাগের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার জন্য ট্রাফিক পুলিশের সকল সদস্যকে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধান অতিথি বলেন, সড়কে যানবাহন চলাচল নিরাপদ সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন রাখতে আধুনিক ও জনবান্ধব ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে, যাতে সাধারণ জনগণ নিরাপদে ও সময়মতো নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। বক্তব্যের শেষে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিষ্ঠা দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের মাঝে যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন প্রধান অতিথি। এ সময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব আরাফাতুল ইসলাম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অপস্ এন্ড ট্রাফিক উত্তর) জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল)সহ সাভার ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ 0

মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্তে মানুষের আস্থার প্রতীক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

পানির তৃষ্ণায় কেড়ে নিল প্রাণ, স্কুলের পাশেই ডুবে মারা গেল ৮ বছরের জিসান

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় আইন-শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা প্রশাসন কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসমূহ চিহ্নিতকরণ দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ যাতে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় সে লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহিংসতা কিংবা আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।তিনি আরও বলেন নির্বাচনকে ঘিরে গুজব অপপ্রচার ও সহিংসতার আশঙ্কা রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল স্টেকহোল্ডারের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলায় একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নিলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রিয়াদ খান

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নিলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রিয়াদ খান

ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

0 মন্তব্য