দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
বাংলাদেশের বৃহৎ এনজিও সংস্থা "আশা"এর উদ্যোগে হয়ে গেল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন যেখানে ফ্রিতে চিকিৎসা দেওয়া হয় এলাকার বিভিন্ন পেশাজীবী এবং কর্মজীবী মানুষের মধ্যে। ২৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার সোনামুই গ্রামে সকাল থেকে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন করা হয় আশায় এনজিও হেমনগর শাখার উদ্যোগে এটি বাস্তবায়িত করা হয়। উক্ত ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী এবং মেডিকেল অফিসারসহ অন্যান্য সেবিকারা। আশা এনজিও কর্তৃক ক্যাম্পেইনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন "আশা" হেমনগর ব্রাঞ্চের পক্ষথেকে আশা এনজিওর এই ক্যাম্পেইনে গ্রামের সকল পেশাজীবীর মানুষেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্যাম্পেইনটিতে অংশগ্রহণ করেন এবং তারই মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সঠিক ভাবে নিরূপণ করতে সহযোগিতা করেন। আশা এনজিওর মাধ্যমে ক্যাম্পেইন করে মানুষের জন্য সময় উপযোগী এবং প্রয়োজনীয় একটি বিষয় হয়ে দাঁড়াবে যেটি গ্রামের মানুষের মধ্যে সচেতনতা এবং স্বাস্থ্য সঠিকভাবে পর্যালোচনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উদ্যোগে এলাকাবাসী অত্যন্ত প্রাণবন্ত ভাবে উৎফুল্ল প্রকাশ করেছে। উক্ত ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ। এবং তাদের ক্যাম্পেইন ডাক্তার সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে। আশা এনজিও আগামী দিনগুলোর জন্য এইরকম ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি ধাপ হিসাবে গণ্য হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবকদল সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লা পাড়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার স্থানীয় বেতগঞ্জ বাজাএই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবুল কাশেম দুলু সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এডভোকেট দীপংঙ্কর বনিক সুজিতের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মনাজ্জির হোসেন। সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সুহেল মিয়া, শাহজাহান মিয়া, এডভোকেট আব্দুল আহাদ জুয়েল, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মুজাব্বির হোসেন অপু, ইমরান হোসেন শ্যামল, বিপ্লব খান, মো:শামিম আহমদ, সেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক সাদিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আতাউর চৌধুরী শাহীন প্রমুখ। এ ছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার আলম, লিয়াকত আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আতহাব চৌধুরী হাসান, শাখাওয়াত হোসেন পলাশ, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমন আহমেদ, ফয়সাল আহমেদ, মিছবাহ হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মহিম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মঈনুদ্দিন আহমেদ রিপন,সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আব্দুল কাইয়ুম সৌরভ, বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম, ময়না মিয়া,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুজেল আহমেদ, আবুল হাসনাত, জেলা ছাত্রদল নেতা ইয়াহিয়া হাসান প্রমুখ। এ সময় সদর উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন,বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের দুঃসময়ে যারা রাজপথে নির্যাতিত ও নিপিিতড় হয়েছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের ইউনিয়ন কমিটি গঠন করতে হবে। আওয়ামী লীগ ঘেঁষা বা ফ্যাসিস্টদের সাথে সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তিকে কমিটিতে রাখা যাবে না বলেও তারা দাবি জানান। দুর্দিনে যারা আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন তাদেরকে কমিটিতে মুল্যায়ন করা হবে। তারা বলেন,সুনামগঞ্জে জাতীয়তাবাদি শক্তির প্রাণপূরুষ এবং বিগত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে জেল জুলুম,হুলিয়া মাথায় নিয়ে এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা কেবল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তূমান জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৪(সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের নেতৃত্বে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং আগামী নির্বাচনে এই আসনে জনপ্রিয় ধানের শীষের প্রার্থী একমাত্র নুরুল ইসলাম নুরুলকে বিএনপির প্রার্থী করতে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া,ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট তৃণমূলের নেতৃবৃন্দরা জোর দাবী জানান।
(২২ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার পার্ক বাজার সংলগ্ন গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল। তিনি তার বিশেষ মনিটরিং টিম নিয়ে দোকানে থাকা দইয়ের উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকা, বেশ কিছু পরিমাণ পচে যাওয়া দই দোকানে সংরক্ষণ করা এবং মিষ্টান্ন তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল পাওয়ার দায়ে টাঙ্গাইলের গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে, আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবেন। অভিযানে পৌর স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী স্বপ্নন কুমার ঘোষ জানান, সাধারণত তিনি খুচরা ভাবে দধি বিক্রি করে থাকেন। ফলে তৈরিকৃত দধিতে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে এখন থেকে দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত পচে যাওয়া দধিগুলো ফেলে দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল। এছাড়া যে মিষ্টি তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল হাওয়া গেছে, সেটি বর্তমানে মিষ্টি তৈরীর কাজে ব্যাবহার করা হচ্ছে না। আমরা সবসময় চেষ্টাকরি গ্রাহককে সর্বোচ্চ মানের দধি ও মিষ্টান্ন সরবরাহ করার।
সাজিদ পিয়াল: গোপালপুর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে ২৭/১০/২০২৬ইং তারিখে গোপালপুর উপজেলা ও পৌর মৎস্যজীবী দল এর উদ্যোগে বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন উপলক্ষে লিফলেট বিতরণের প্রস্তুতি মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়। উক্ত মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শফিকুল ইসলাম সভাপতি গোপালপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দল সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজিম তালুকদার মোঃ দোলয়ার হোসেন সহ সভাপতি গোপালপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দল যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম মোঃমারুফ হোসেন সাধারণ সম্পাদক পৌর মৎস্যজীবী দল আরো উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলার সকল ইউনিয়ন ওয়ার্ড মৎস্যজীবীদলের নেতৃবৃন্দ।
ভোটকক্ষে সাংবাদিক প্রবেশে দায়িত্বশীলতা জরুরি: নির্বাচনকে ‘হযবরল’ হতে দিতে চাই না — সিইসি নাসির। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, গ্রহণযোগ্য ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে নির্বাচন কমিশন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) মো. নাসির উদ্দিন। শুক্রবার অনুষ্ঠিত নির্বাচন পরিচালনার প্র্যাক্টিক্যাল ডেমনস্ট্রেশন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ভোটকক্ষে প্রবেশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল আচরণ এবং বিবেক প্রয়োগের বিকল্প নেই। ভোটগ্রহণের পরিবেশ অস্থির হয়ে গেলে সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।‘ছোট বুথে বেশি লোক ঢুকলে হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি তৈরি হবে’সাংবাদিকদের ভোটকক্ষে প্রবেশের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন,“সাংবাদিক ভাইয়েরা বলছেন—আমাদের ভেতরে থাকতে দিতে হবে। কিন্তু আপনি যখন ছোট্ট একটা বুথে একসঙ্গে অনেক সাংবাদিক ঢুকবেন, তখন ধাক্কাধাক্কি হবে, জায়গা সংকুলান হবে না। বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকলে ভেতরের পরিবেশ অস্থির হয়ে যাবে। আমরা চাই না ভোটকক্ষে হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতি তৈরি হোক।”তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে এজেন্ট, পোলিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, ভোটার—এত মানুষের উপস্থিতিতে ভিড় তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়। এর মাঝে যদি সাংবাদিক ও দেশি–বিদেশি পর্যবেক্ষকদের বড় দল একসঙ্গে ঢোকে, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।“সাংবাদিকদের আমরা নিষেধ করছি না। আমরা শুধু বলছি—বিবেচনা প্রয়োগ করে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে বেরিয়ে যান।”সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, আগাম নির্বাচনের আগে কেমন পরিবেশ তৈরি হওয়া উচিত এবং আদর্শ পরিস্থিতিতে ভোটের দিন একটি কেন্দ্র কীভাবে পরিচালিত হবে—তা বাস্তবে দেখে নেওয়ার জন্যই আজকের ডেমনস্ট্রেশন আয়োজন করা হয়েছে। “আমরা যে নির্বাচনকে কলঙ্কমুক্ত, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি—সে লক্ষ্যেই এই অনুশীলন। ভোটার আসা–যাওয়া, ব্যালট প্রদানের প্রক্রিয়া, পোলিং অফিসারদের অবস্থান, প্রিজাইডিং অফিসারের ভূমিকা, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের চলাচল—সবকিছু আমরা পর্যবেক্ষণ করেছি।”তিনি বলেন, প্রাপ্ত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও পরিমার্জন আনা হবে। “মোটামুটি সব ঠিক আছে। তবে কোথাও কোথাও উন্নতির জায়গা আছে—আমরা বসে সেগুলো ঠিক করবো।” সিইসি জানান, নির্বাচন কমিশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের চাপ, প্রত্যাশা ও আন্তর্জাতিক নজরদারি সম্পর্কে সচেতন। তাই একটি শান্ত, শ্রদ্ধাশীল ও নিয়মতান্ত্রিক ভোটকেন্দ্র পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। তিনি বলেন, “আমরা একটি সুন্দর, গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন জাতিকে উপহার দিতে বদ্ধপরিকর। এজন্যই বারবার বলছি—কেন্দ্রে যারা যাবেন, সবাই যেন দায়িত্বশীলভাবে কাজ করেন।”সংবাদমাধ্যম নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে উল্লেখ করে সিইসি বলেন— “সাংবাদিকদের উপস্থিতি আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেন কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারের চলাচল বা ভোটগ্রহণে কোনো ব্যাঘাত না হয়, সেটি সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি জানান, কমিশন খুব শিগগিরই সাংবাদিকদের জন্য পৃথক নির্দেশিকা ও গাইডলাইন প্রকাশ করবে, যাতে তারা নির্বাচন কাভার করতে পারেন কোনো প্রতিবন্ধকতা ছাড়াই।
ইউক্রেন–রাশিয়া যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি হলে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতে পারে। ফলে বাজারে সরবরাহ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩৩ সেন্ট কমে ৬২.৮ ডলার, আর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৩২ সেন্ট কমে ৫৮.৩৩ ডলার হয়েছে। মার্কিন থ্যাংকসগিভিং ছুটির কারণে লেনদেন তুলনামূলক ধীর ছিলো। বুধবার তেলের দাম ১ শতাংশ বেড়েছিলো। তবে বাজার এখনো অনিশ্চিত। একদিকে যুদ্ধবিরতির আলোচনা, অন্যদিকে অতিরিক্ত সরবরাহের শঙ্কা রয়েছে। এদিকে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ আগামী সপ্তাহে রাশিয়া সফর করবেন সম্ভাব্য শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করতে। তবে রাশিয়ার এক শীর্ষ কূটনীতিক বলেছেন, মস্কো বড় ধরনের কোনো ছাড় দেবে না। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি হলে ওয়ার প্রিমিয়াম কমে যাবে, অর্থাৎ তেলের দাম আরও নেমে যেতে পারে। শান্তি হলে রাশিয়ার তেল সহজে বাজারে আসবে, যা ইতোমধ্যেই সরবরাহ বহুল বাজারে আরও চাপ বাড়াবে। এ কারণে তেলের দাম মাঝারি মেয়াদে নিচের দিকে ঝুঁকে রয়েছে। বাংলাভিশনের গুগল নিউজ ফলো করতে ক্লিক করুন এদিকে ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমাতে পারে। সুদের হার কমলে অর্থনীতি চাঙা হয় এবং তেলের চাহিদা বাড়ে।
রাজধানীতে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। দুই দিনে টানা তৃতীয়বারের মতো দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সবশেষ শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে রাজধানীতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় এক সেকেন্ডের ব্যবধানে ২ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এরমধ্যে প্রথম ভূ-কম্পনটি অনুভূত হয় সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে। মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৭। এরপর ফের সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে দ্বিতীয় ভূ-কম্পনটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৩। প্রথম ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকার বাড্ডা, আর দ্বিতীয়টির উৎপত্তিস্থল নরসিংদীতে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া সংস্থাটি। এর আগে শনিবার সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটেও দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। মৃদু ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলও ছিল নরসিংদীর পলাশে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩। তারও আগে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দেশে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ওইদিন সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটের দিকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ভূ-কম্পন অনুভূত হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী। শুক্রবারের মাঝারি মানের ওই ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত সারাদেশে ১০ জনের প্রাণহানির তথ্য পাওয়া গেছে। এছাড়াও ভূমিকম্পের সময় ভবন থেকে মাথায় ইট খসে পড়ে ও আতঙ্কে ভবন থেকে লাফিয়ে সারাদেশে অন্তত ৪ শতাধিক মানুষ আহত হন।রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এক সেকেন্ডের ব্যবধানে দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ১২ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে, আর ঠিক ১ সেকেন্ড পর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ১৩ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বারের মতো কম্পন অনুভূত হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প গবেষণা সেল। হঠাৎ কম সময়ের ব্যবধানে টানা দুইবার ঝাঁকুনি অনুভূত হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা—মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা, রামপুরা—এ ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। অনেক মানুষ অফিস, বাসা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে খোলা স্থানে দাঁড়ান। বহু উচ্চ ভবনে বসবাসকারী মানুষ তীব্রভাবে কম্পনটা অনুভব করেন বলে জানান। আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রাথমিক তথ্যমতে, এই দুটি কম্পনের উৎসস্থল ঢাকার নিকটবর্তী ভূখণ্ডে ছিল। ভূমিকম্পগুলোর মাত্রা মাঝারি হলেও কেন্দ্রস্থল কাছাকাছি হওয়ায় তা স্পষ্টভাবে টের পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্বল্প ব্যবধানে দুটি কম্পন হওয়া খুব বিরল নয়। প্রধান কম্পনের সাথে মিলিত কম্পন বা মাইক্রোট্রেমরও ঘটতে পারে। ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোর ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি, হতাহতের ঘটনা বা ভবনের গঠনগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে স্কুল-কলেজের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাময়িকভাবে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই বাইরে বের হয়ে যায়