নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের রামপুর ও মুছাপুর ইউনিয়নের মধ্যে মধ্যরাতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৮জন আহত হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম। এর আগে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের বাঞ্চারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো.আরাফাত (২৫), মো.আশ্রাফ (১৮) মো.সিয়াম (২১), মো.ইমন (২০), মো.সাকিব (২০), মুন্না (১৮), মো.রাহাত (১৮), আরমান (২৩, সোহাগ (৩০) নুরউদ্দিন (৩৩) ও রামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা জিহাদ (২৬), নভেল (২১), শাওন (২২), রাশেদ (২৭)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের বাঞ্চারাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক স্বরণে দিবারাত্রি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করে স্থানীয় বাঞ্চারাম স্পোর্টস সোসাইটি। এ টুর্নামেন্টে অংশ গ্রহণ করে পাশের মুছাপুর ইউনিয়নের মদিনা বাজার উদীয়মান তরুণ সংঘ। খেলার শুরুতেই মদিনা বাজার উদীয়মান তরুণ সংঘের সমর্থকরা খেলার রেফারি রাশেদকে বিতর্কিত দাবি করে প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। খেলার একপর্যায়ে মাঠে একটি থ্রো ফাউল নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। ওই সময় দর্শক সারি থেকে মদিনা বাজার উদীয়মান সংঘ টিমের একজন সমর্থক মাঠে নেমে প্রতিবাদ করলে রেফারি রাশেদ তাকে চড় মারেন। এনিয়ে রামপুর ইউনিয়নের অল স্টার টিম ও মুছাপুর ইউনিয়নের মদিনা বাজার উদীয়মান তরুণ সংঘের লোকজনের মধ্যে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং সংঘর্ষে জড়িতে পড়ে। এতে মুছাপুরের ১০জন ও রামপুর ইউনিয়নের ৮জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে ২জন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৪জন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই ইউনিয়নের লোকজনই পাল্টাপাল্টি মামলা দায়েরের প্রস্ততি নিচ্ছেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মুহাম্মদ ফৌজুল আজিম আরও বলেন, বিষয়টি শুনেছি, ফুটবল খেলা নিয়ে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। লিখিত অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় ২৪ জন গ্রেপ্তার টাঙ্গাইল ১৪ জানুয়ারি ২০২৬জেলায় অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায় সম্মানিত পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের নির্দেশনায় জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের নেতৃত্বে মাঠপর্যায়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ ১৮১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ০৫ গ্রাম হেরোইন ও ২৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত ০৫ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়াও মির্জাপুর থানার দেওহাটা পুলিশ চেকপোস্টে একটি বিশেষ অভিযানে একটি কাভার্ড ভ্যান থেকে MISSE ব্র্যান্ডের ৭০ কার্টুন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সিগারেটের আনুমানিক বাজার মূল্য ৪২ লক্ষ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায় অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অপরাধ সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য পুলিশকে জানানোর জন্য সাধারণ জনগণের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে পুলিশের টানা অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ ২৩ জন গ্রেপ্তার ১২ জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের সমন্বিত অভিযানে এই সাফল্য অর্জিত হয়।টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনায় সকল থানা ও ইউনিট ইনচার্জকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা মাদকবিরোধী অভিযান, পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারসহ বিভিন্ন অভিযানে মোট ২৩ জনকে আটক করা হয়।মাদকদ্রব্য উদ্ধার সংক্রান্ত অভিযানে পুলিশ ০৬ (ছয়) কেজি গাঁজা, ৬০ (ষাট) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১০০০ (এক হাজার) পিস Tapentadol Tablets 100 mg উদ্ধার করে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত ০৫ (পাঁচ) জন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়।জেলা পুলিশ জানায়, অপরাধী ও অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ। সাধারণ জনগণের সহযোগিতা ছাড়া অপরাধ দমন সম্ভব নয় উল্লেখ করে পুলিশ প্রশাসন যে কোনো অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ থানা বা পুলিশের নির্ধারিত মাধ্যমে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ২৪৪ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩২ মাদক ব্যবসায়ী ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতিতে মাঠে পুলিশ টাঙ্গাইল জেলায় মাদক ১১/০১/২০২৬ইং তারিখে সারা দেশের ন্যায় সন্ত্রাস ও বিভিন্ন অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মাদক উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলায় মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে ২৪৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং ৬ জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। জেলা পুলিশের এই টানা অভিযানে অপরাধীচক্রের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র।জেলা পুলিশ জানায়,টাঙ্গাইলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা এবং সাধারণ মানুষের জানমাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার সকল থানা ও ইউনিটকে সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন টাঙ্গাইল জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার। তার সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনায় জেলার সব থানা ফাঁড়ি ও বিশেষ ইউনিট সমন্বিতভাবে মাদকবিরোধী ও অপরাধ দমন অভিযান পরিচালনা করছে।২৪ ঘণ্টার অভিযানে একাধিক মামলায় গ্রেফতারপুলিশ সূত্রে জানা যায়গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে প্রিভেন্টিভ ব্যবস্থা নিয়মিত মামলা মাদক উদ্ধার এবং আদালতের পরোয়ানামূলে মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে বিভিন্ন থানার চিহ্নিত অপরাধী, পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ও মাদক ব্যবসায়ীরা রয়েছে।বিশেষ করে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানে ২৪৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। একই সঙ্গে এই মাদক কারবারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ৬ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট থানায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।পুলিশের কঠোর অবস্থানঅভিযান চলমানজেলা পুলিশ জানায় মাদক ও অপরাধের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। জেলার প্রতিটি থানা ও ইউনিটকে নিয়মিত টহল চেকপোস্ট ও বিশেষ অভিযান জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপরাধীচক্রের গতিবিধি নজরদারিতে গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশ কর্মকর্তারা জানান সমাজ থেকে মাদক নির্মূল ও অপরাধ প্রবণতা কমাতে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাই নয় সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতাও অপরিহার্য। তাই যেকোনো অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানানোর জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।জনসাধারণের প্রতি আহ্বান টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ এক বার্তায় জানায়—অপরাধ ও অপরাধীর তথ্য দিন,টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের সেবা নিন।পুলিশ আরও জানায়,মাদক,সন্ত্রাস চুরি,ছিনতাই ও সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও আরও জোরদার করা হবে।জেলা পুলিশের এই নিয়মিত অভিযানে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তারা আশা করছেন পুলিশের এ ধারাবাহিক কঠোরতায় টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।