সারা দেশ

কাজিম উদ্দিন (প্রায় ৭০+) কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না

আজ সকাল ১০টার দিকে বাসা থেকে বের হন এবং এরপর থেকে কাজিম উদ্দিন (প্রায় ৭০+) কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 🔹 গ্রাম: কুষ্টিয়া পূর্ব পারা (মসজিদ সংলগ্ন) 🔹 বয়স: প্রায় ৭০+ যদি কেউ তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানেন বা তাকে কোথাও দেখেন, অনুগ্রহ করে দ্রুত যোগাযোগ করুন। 📞 যোগাযোগ: +8801339655950 আপনার একটি শেয়ার হয়তো তাকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করতে পারে।

এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
গোপালপুরে তিন দশক পর গোয়ালবাড়ী খাল পুনঃখনন কাজ শুরু

গোপালপুরে তিন দশক পর গোয়ালবাড়ী খাল পুনঃখনন কাজ শুরু ১২ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শাখারিয়া গ্রামের গোয়ালবাড়ী খাল পুনঃখনন কাজ শুরু হয়েছে তিন দশক পর। রবিবার দুপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাখারিয়া আশ্রয়ন প্রকল্প মাঠে এক কৃষক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জিল্লুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম রুবেল পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসান উথান যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম লেলিন এবং হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম রোজ তালুকদার।গোপালপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো.আরিফুল ইসলাম জানান খাল পুনঃখননের জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরেরঅতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)এর মাধ্যমে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খালপুনঃখননের পাশাপাশি খাল দু’পাশে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বৃক্ষরোপণ করা হবে যা স্থানীয় ৩৫০ জন অতিদরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে। স্থানীয় কৃষি অফিস জানায় খাল পুনঃখননের ফলে ভূঞাপুর-তারাকান্দি যমুনা বাঁধের শাখারিয়া স্লুইসগেট কাজে লাগবে যা বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নদীর পানি খালে প্রবেশ এবং শুষ্ক মৌসুমে আশপাশের বিল থেকে নদীতে পানি ফেরাতে সাহায্য করবে।হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম রোজ তালুকদার জানান খালটি ১৯৯৬ সালে একবার পুনঃখনন করা হয়েছিল কিন্তু যমুনার বালি পড়ে খালটি মজে গেছে। পুনঃখননের পর স্লুইসগেট কার্যকর হলে বর্ষার সময় নদীর পানি খালে প্রবেশ করবে যা এলাকার জলাশয় ও বিলঝিলে প্রাকৃতিকভাবে মৎস্যচাষে সহায়ক হবে।স্থানীয় বাসিন্দা এবং ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি জসিম উদ্দীন বলেন খাল সচল হলে বর্ষা মৌসুমে পানি সঠিকভাবে প্রবাহিত হবে, যা কৃষি ও মৎস্যচাষে বিরাট সুবিধা দেবে।স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন খাল পুনঃখননের ফলে এলাকায় ভূ-উপরস্থ সেচের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং বাড়তি রোপা আমন ও বোরো ফসল করার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। খালের কিছু অংশ দখলমুক্ত করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0
নির্মানের ৫ দিন না যেতেই হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে দুর্গাপুর ইউনিয়নের চারিয়া মাসকান্দা থেকে মাকড়াইল বাজার পর্যন্ত নির্মিত হচ্ছে গুরুতপূর্ণ এই সড়কটি। সড়কে অন্যান্য কাজ শেষ হওয়ার পরেই চলমান ছিলো পিচ ঢালাইয়ের কাজ। পাঁচদিন হয় শেষ হয়েছে পিচ ঢালাইয়ের কাজ। এরই মধ্যে হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার পিচ। নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় স¤প্রতি সংস্কার কাজ শুরু হলে খুশি হন এলাকাবাসী। তবে কাজ শেষ না হতেই দেখা দিয়েছে অনিয়ম। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাতের টানেই উঠে যাচ্ছে সড়কের পিচ ঢালাই। এমন চিত্র দেখে হতাশ স্থানীয়রা। তাদের আশঙ্কা, দায়সারাভাবে কাজ করায় সড়কটি বেশিদিন টেকসই হবে না। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল পরিবহনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এমন নিম্নমানের কাজ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এর দায়ভার কার ? এমন প্রশ্নই এলাকাবাসীর। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১ কোটি ৩৮ লাখ ৫ হাজার টাকা ব্যয়ে কাজটি পায় মেসার্স তাজ উদ্দিন ফরাস নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যার কার্য মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা চলতি বছরের আগস্ট মাসে। ইতোমধ্যে চলমান কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে ওই এলাকায় পাওয়া যায়নি। স্থানীয় বাসিন্দা মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, এই রাস্তা দিয়ে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, হাটবাজার সহ সব জায়গায় যাতায়াত করতে হয়। আমরা এতদিন অবহেলিত ছিলাম। কাজ শুরু হওয়ায় খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে কাজের মান অত্যন্ত নিম্নমানের। মাত্র পাঁচ দিন হলো পিচ ঢালাই করা হয়েছে, কিন্ত এখন হাতে টান দিলেই পিচ উঠে যাচ্ছে। তাজ্জত আলী নামের একজন বলেন, এক ধরনের তেল আছে, সেটা (বিটুমিন) সড়কে না দিয়ে ঢালাই দিয়েছে। আমি এমন অনিয়ম দেখে প্রতিবাদ করেছিলাম, কিন্তু ঠিকাদারের লোকজন তা শোনেননি। উল্টো হুমকি-ধমকি দিয়েছেন। আব্দুল হামিদ জানান, ছেপ দিয়া লেপ দিছে এটাকে বলে। আমরা এমন রাস্তা চাই নাই। আগে কাঁদা দিয়ে হেঁটে চলতে হইছে, এখন এই রাস্তা যদি এইভাবে করে তাহলে এক মাসও টিকবে না। চারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জহিরুল হক বলেন, আমাদের এই রাস্তা দিয়ে অনেক কষ্ট করে চলাচল করতে হয়েছে। এই রাস্তা তো বারবার হবে না। যে অবস্থায় রাস্তা নির্মান করা হয়েছে, তাতে অল্পদিনের মাঝেই নষ্ট হয়ে যাবে সড়কটি। সরকার কোটি টাকা ব্যয় করছে, অথচ কাজের মান যদি এমন হয় তবে তা শুধু টাকার অপচয় হওয়া ছাড়া কিছুই না। কাজের বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কার্পেটিং কাজের শুরুর পরদিনই সমস্যা দেখে আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে, যা যা প্রয়োজনীয় তা দিয়ে সুন্দরভাবে কাজ সম্পন্ন করার জন্য। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আফসানা বলেন, রাস্তা কাজে অনিয়মের বিষয়টি জানতে পেরে প্রকৌশলীকে নির্দেশনা দিয়েছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের নজরদারি থাকবে। কোনোভাবেই অনিয়ম করার সুযোগ দেওয়া হবে না।

এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল সদরেও চালু হচ্ছে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড

সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইল সদরেও চালু হচ্ছে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড টাঙ্গাইল, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল সদরসহ সারাদেশে আগামী ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড কার্যকর করা হবে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এই ব্যবস্থার আওতায় মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে হলে কার্ড ব্যতীত তেল দেওয়া হবে না। ফুয়েল কার্ড সিস্টেম চালু করার মূল উদ্দেশ্য হলো তেল বিতরণ নিয়ন্ত্রণ ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করা। এই নতুন নিয়ম অনুসারে তেল সংগ্রহের সময় বৈধ কাগজপত্র দেখানো বাধ্যতামূলক। কার্ড ছাড়া কোনও মোটরসাইকেলে তেল দেওয়া হবে না, যা সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনও ধরনের সমস্যা এড়াতে সাহায্য করবে। জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই মোটরসাইকেল মালিকদের স্মার্ট ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশনা জারি করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্ড সংগ্রহ করবেন না, তারা তেল সরবরাহে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। এছাড়াও, জেলা প্রশাসন সকল ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সিকে কার্ড যাচাই ও নিয়মিত রিপোর্টিং নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রদান করেছে। ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি তেলের বিতরণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত রাখা সম্ভব হবে।জেলা প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, তারা জনসাধারণের নিরাপত্তা ও সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় তেলের চাহিদা নিশ্চিত করা হবে এবং অযথা তেল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রতারনা বা অনিয়ম রোধ করা সম্ভব হবে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও প্রকার ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা হয়েছে।অধিকন্তু, জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যরা

সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহে নিরাপত্তা নিশ্চিত করলো ১০ এপ্রিল ২০২৬ ইং সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ আজ শুক্রবার বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপো থেকে উত্তরবঙ্গমুখী জ্বালানি তেল সরবরাহের সময় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রাজশাহী, রংপুর এবং পার্শ্ববর্তী ১৯টি জেলায় বিতরণের জন্য ২২৫টি ট্যাংকলরি (পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল) নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য পুলিশ এসকর্ট প্রদান করা হয়েছে।এদিনের অভিযান ২৪৮টি পয়েন্টে (ফিলিং স্টেশন ও এজেন্সি) জ্বালানি সরবরাহ কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান,জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জনগুরুত্বপূর্ণ সেবা যেমন জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখা তাদের অগ্রাধিকার।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ বলেছে,“আমাদের লক্ষ্য জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ সেবা কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা।এমন উদ্যোগের মাধ্যমে জেলার প্রতিটি জেলায় তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও প্রকার ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিত করা হয়েছে।অধিকন্তু, জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যরা ট্যাংকলরি গুলোকে সড়ক পথে সুরক্ষিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে প্রতিনিয়ত নজরদারি করেছেন। পুলিশ এসকর্টের সময় যেকোনো সম্ভাব্য ঝুঁকি বা নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা জনগণের সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে বদ্ধপরিকর, এবং এই ধরনের নিরাপত্তা উদ্যোগ নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
লন্ডন স্টাইলে দৃষ্টিনন্দন ভবন, বাংলামোটর।
বাংলামোটরে লন্ডন স্টাইলে দৃষ্টিনন্দন ভবন, নগরবাসীর দৃষ্টি কেড়েছে নতুন স্থাপত্য

রাজধানীর ব্যস্ত এলাকা বাংলামোটরে নির্মিত হয়েছে লন্ডন স্টাইলের একটি দৃষ্টিনন্দন ভবন, যা ইতোমধ্যেই নগরবাসীর আগ্রহ ও প্রশংসা কুড়াচ্ছে। আধুনিক নকশা ও ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে তৈরি এ ভবনটি এলাকার সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এক নগর নান্দনিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ভবনটির বাইরের অংশে ব্যবহার করা হয়েছে ক্লাসিক ব্রিটিশ ডিজাইনের উপাদান, যেমন নান্দনিক বারান্দা, বড় আকারের জানালা এবং আকর্ষণীয় রঙের সমন্বয়। বিশেষ করে এর ফ্যাসাড ডিজাইন পথচারীদের সহজেই আকৃষ্ট করছে এবং অনেকেই ভবনটির সামনে ছবি তুলতে ভিড় করছেন। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের স্থাপত্য রাজধানীর প্রচলিত ভবন ডিজাইনের বাইরে গিয়ে নতুনত্ব নিয়ে এসেছে। এতে করে এলাকাটির সামগ্রিক সৌন্দর্য যেমন বেড়েছে, তেমনি আধুনিক নগর পরিকল্পনার দিক থেকেও এটি একটি ইতিবাচক সংযোজন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক মানের স্থাপত্যশৈলী অনুসরণ করে এ ধরনের ভবন নির্মাণ শহরের নান্দনিকতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পর্যটন সম্ভাবনাও বাড়াতে পারে। সব মিলিয়ে, বাংলামোটরের এই লন্ডন স্টাইলের ভবনটি এখন শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং নগরবাসীর জন্য এক নতুন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
পাম্পে দীর্ঘ লাইন, চরম দুর্ভোগে ক্রেতা

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সরকারি ভাবে সরবরাহে ঘাটতির কারণে দেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যার ফলে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত একটি মাত্র পেট্রোল পাম্পে অনিশ্চয়তা নিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ক্লান্ত হচ্ছেন অনেকে। তবুও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পর মিলছে না চাহিদা মতো পেট্রোল, অনেকে ফিরছেন প্রয়োজনীয় তেল না পেয়েই। এনিয়ে দুর্গাপুর উপজেলার একমাত্র পাম্প মেসার্স খোরশেদ খান ফিলিং স্টেশন সহ বিভিন্ন এলাকার ছোট-খাটো সাব-ডিলার পয়েন্ট গিয়ে দেখা গেছে একই অবস্থা। কোথাও কোথাও মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের লাইন কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হয়েছে। কেউ কেউ পাম্প থেকে সাব-ডিলার পয়েন্টে গিয়েও তেল পাচ্ছেন না। এতে দৈনন্দিন কাজ, যথাসময়ে অফিস যাতায়াত ও জীবিকা নির্বাহে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। কোথাও কোথাও তেল মজুত রেখেও বিক্রি বন্ধ রাখা হচ্ছে বলে মনে করেন তারা। তবে পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম নয়, তবে হঠাৎ অতিরিক্ত চাহিদা ও মটরবাইকে ফুল ট্যাংক’ করার প্রবণতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেক জায়গায় সীমিত পরিমাণে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারে নির্দিষ্ট হারে তেল দেয়ার পরেও নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে। থানার পুলিশ ও সরকারি ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে বিক্রি হচ্ছে তেল। এ নিয়ে কথা হয় মোটরসাইকেল চালক এমদাদুল হক জানান, বাইকের চাকা ঘুরলে আমার ইনকাম, না ঘুরলে না খেয়ে থাকার মতো অবস্থা হয়। এ অবস্থায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলে দিনের প্রায় অর্ধেক সময় চলে যায়। অনেকেই এখান থেকে তেল নিয়ে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছে। অপর এক চালক রুহুল আমীন বলেন, তেলের সংকট যতটা দেখা যাচ্ছে ততটা নয়। তেল হয়ত প্রয়োজনের তুলনায় কিছুটা কম, তবে অনেকে অবৈধভাবে তেল মজুত করার কারণে সংকট প্রকট হচ্ছে। সকালে পাম্প খোলার আগে থেকেই তেলের জন্য লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে সকাল ১১টার দিয়ে ২লিটার তেল পেয়েছি। দিনের অনেকটা সময় তেল সংগ্রহে চলে গেছে, এমন অবস্থা থাকলে ভাড়ায় বাইক চালানো বন্ধ হয়ে যাবে। প্রেসক্লাব মোড়ে অবস্থিত সাব-ডিলার পয়েন্টে এক এনজিও এলিসন ঘাগ্রা বলেন, তেলের জন্য দীর্ঘসময় ধরে দাঁড়িয়ে আছি। আজ তেল নিতেই হবে যত সময়ই লাগুক। কেননা আগামীকাল (শনিবার) অফিসের জরুরী মিটিং আছে। তখন যদি লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করি তাহলে অফিসে দেরি হবে। পাম্পে সরকারি ভাবে নিযুক্ত ট্যাগ অফিসার পাম্প মুহাম্মদ নাসির উদ্দীন জানান এই পাম্পে যতক্ষণ তেল মজুদ থাকে সরকারি দামেই গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়। ডিপো থেকে প্রতিদিন সাড়ে চার হাজার লিটার তেল দেওয়া হয়। এর আগে এই পাম্প থেকে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার লিটার তেলা বিক্রি হতো। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৬টি পয়েন্টে সাব-ডিলার ছিলো। কিন্তু এখন প্রতিদিন সাড়ে চার হাজার লিটারেও চাহিদা মিটছে না। গাড়ীর কাগজ, ড্রাইভিং লাইসেন্স চেকিং করে তেল দেয়ার পরেও চাহিদা মিটছে না। স্থানীয়রা মনে করেন, একটা চক্র তেল মজুত করছে। সামনে তেলের আরো সংকট হবে মর্মে সাধারণ মানুষও তেল মজুত করছেন। ফলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। স্থানীয়রা ছাড়া বাহিরের বাইক চালকগনও তেল নিতে আসছে এই পাম্পে। তেল মজুদ রোধে এ বিষয় গুলো খতিয়ে দেখে, চেকিংয়ের মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়ে তেল সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জোর দাবী জানিয়েছেন তারা।

এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
দুর্গাপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পুকুরে গোসল করতে নেমে পানিতে ডুবে মো. শাওন (১২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শাওন উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের গুজিরকোনা গ্রামের আতিকুর রহমানের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে নামে শাওন। গোসল শেষে জুমার নামাজে যাওয়ার কথা থাকলেও সে বাড়িতে ফিরে আসেনি। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরপাড়ে গিয়ে তার জামা-কাপড় ও সঙ্গে আনা জিনিসপত্র দেখতে পান, তবে শাওনের কোনো খোঁজ মেলেনি। পরে পুকুরে মাছ ধরার জাল ফেলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের চাচা মিজানুর রহমান জানান, সে দাদার সঙ্গে মোটরে গোসল করেনি, পুকুরে গোসল করবে বলে যায়। আমরা জুমার নামাজে চলে যাই। পরে এসে শুনি সে বাড়ি আসেনি। এরপর পুকুরে খোঁজ করে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে চারপাশ ভারী হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়।

এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
নেত্রকোণায় জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে প্রাণবন্ত ভলিবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নেত্রকোণা জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে ভলিবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্যের সঞ্চার হয়। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুর্গাপুর উপজেলার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই মাঠে ভিড় জমাতে থাকেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা। খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকা উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে। জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নয়, মানসিক বিকাশ এবং সামাজিক বন্ধন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান আনছারি, ডনবস্কো স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক ফাদার পাওয়েল কোচিওলেক, ভাইস প্রিন্সিপাল রুমন রাংসা, দুর্গাপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওয়ালী হাসান কলি, সাধারণ সম্পাদক আরিফ খান এবং সাংবাদিক আল আমিন হাওলাদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রতিযোগিতায় দুর্গাপুর উপজেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চারটি দলে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের দারুণ নৈপুণ্য, দলীয় সমন্বয় এবং জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা দর্শকদের মুগ্ধ করে। দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে পুরো মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে। চূড়ান্ত খেলায় ডনবস্কো স্কুল এন্ড কলেজ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অপরদিকে বিরিশিরি পার্সি নল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় লড়াই করে রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। খেলাটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য। খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এসময় বিজয়ীদের উচ্ছ্বাস এবং দর্শকদের করতালিতে পুরো পরিবেশ আনন্দঘন হয়ে ওঠে। সমাপনী বক্তব্যে জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তার প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সবশেষে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হলে উপস্থিত সকলেই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার দাবি জানান।

এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
৭ বছরের শিশু ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগেস্কুলের নৈশপ্রহরী আটক

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার খুজিউড়া গ্রামে সাত বছরের এক অবুঝ শিশুকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনায় ক্ষুব্দ জনতার রোষানল থেকে অভিযুক্ত শাহজাহানকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই গ্রামে তার নানির বাড়িতেই থাকতো। ন্যক্কারজনক এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারসহ এলাকাবাসী অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘটনার দিন শিশুটি স্কুল থেকে ফিরে অন্য এক মেয়ে শিশুর সাথে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে তারা বাড়ির পাশের খেজুর গাছ থেকে খেজুর কুড়াতে যায়। এসময় অভিযুক্ত শাহজাহান ও তার এক সহযোগী শিশু দুটিকে দেখতে পায়। দুরভিসন্ধি নিয়ে তারা শিশুদের ডাকতে থাকে, কিন্তু শিশুরা যেতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর হঠাৎ করেই অভিযুক্ত শাহজাহান শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে পাশের জঙ্গলে শুকনো দিঘির (পুকুর) ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে খামচে ধরে শারীরিক নির্যাতন ও নিপীড়ন শুরু করে সে। এ সময় দুই শিশুর চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে। আমার নাতির সাথে এমন আচরনের উপযুক্ত বিচার চাই। এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত শাহজাহান নিয়মিত মাদকসেবী এবং এলাকায় তার ব্যাপক দুর্নাম রয়েছে। প্রতিবেশী এক নারী জানান, শাহজাহানের নিজের স্ত্রী ও চার সন্তান রয়েছে। নিয়মিত মাদকসেবন ও অমানুষিক নির্যাতনের কারণে মাস খানেক আগে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছে। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারে পক্ষ থেকে এখানো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
আদিবাসী, অসহায় শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পুরণ করলেনব্যারিস্টার কায়সার কামাল

ঘরের প্রায় টিনগুলোই ফুটো। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরদিয়ে পানি পরে, জামাকাপড় সহ বইপত্র ভিজে যায়। ভেজা বই ও আধভেজা স্কুলড্রেস পড়েই প্রতিদিন স্কুলে যায় দশম শ্রেনীর আদিবাসী শিক্ষার্থী সেতু রেমা। প্রায়ই টিনের চালে তার ভেজা বই শুকাতে হতো। এযেনো ঝড় বৃষ্টির সাথে শিক্ষার্থী সেতু রেমার নিত্য দিনের যুদ্ধ। একটি ঘরের অভাবে যেনো পড়াশোনা বন্ধই হয়ে যাবে তার। শিক্ষার্থী সেতু রেমার বাবা সুইজ্জা রেমা নদীতে মাছ ধরে যা আয় করেন তা দিয়েই কোনরকম সংসার পরিচালনা করেন তার পরিবার। তাদের সংসারে নুন আনতে পানতা ফুরোয়, ঘরের চাল মেরামত তো প্রশ্নই ওঠেনা। ছোট ভাই তৃতীয় শ্রেনীতে পড়ে। শিক্ষকদের সহায়তায় চলে তাদের পড়াশোনা। অসহায় এই শিক্ষার্থী সেতু মানখিনের বাড়ী দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চল বনগ্রামে। সেখানেই তার পরিবার নিয়ে বসবাস করেন সেতু। অভাবের কারনে পড়াশোনায় এগুতে না পারলেও পিছিয়েও নেই সে। ওই এলাকায় একমাত্র আদিবাসী পরিবার হলেও আশপাশের পড়শিদের সাথে মিলেমিশে থাকার কারনে এই গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার চিন্তাও করেনি তারা। গেলো জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণায় অত্র এলাকায় নির্বাচনী ক্যাম্পেইন করতে আসেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। গ্রামের সাধারণ মানুষ ওনাকে আপন করে নেন। কায়সার কামাল খুব কাছ থেকে শুনেন মানুষের তাদের চাওয়া-পাওয়ার কথা গুলো। ওই সময় সাক্ষাৎ হয় শিক্ষার্থী সেতু মানখিনের সাথে। সেতু তার অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন ব্যারিস্টার কায়সার কামালের কাছে। কথা শুনে সেতুকে আশ^াস দেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বহুদিন ধরে জরাজীর্ণ একটি ঘরে মানবেতর জীবন কাটানো সেতু মানখিনের চোখে আজ আনন্দঅশ্রু। একটি স্বপ্নপুরণ হলো তার। নিজ অর্থায়নে সুন্দর একটি ঘর নির্মাণ করে দিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি। এসময়, উপজেলা বিএনপি‘র সহ:সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এডভোকেট এম এ জিন্নাহ্, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ¦ জামাল উদ্দীন মাস্টার সহ ইউনিয়ন বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। নতুন ঘর পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শিক্ষার্থী সেতু মানখিন। এক সাক্ষাতে যুগান্তর কে বলেন, আমরা অতি গরীব একটি পরিবার। আমার স্বপ্ন যে এতো তারাতারি পুরণ হবে আমি ভাবতেই পারিনি। এই ঘরটি শুধু একটি আশ্রয় নয়, বরং আদিবাসী অসহায় এক পরিবারের সম্মান ও নিরাপত্তার প্রতীক। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্যারের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না। আমি কথা দিচ্ছি পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হবো। ব্যারিস্টার সারের সহায়তায় আমিও চাকরি করবো, দেশ ও জাতীর কল্যানে এবং আমার মতো অসহায়দের পাশে দাঁড়াবো। এ বিষয়ে প্রতিবেশী আব্দুল কাদির বলেন, “আমি নিজেও অভাবী মানুষ, তবুও সেতুর মা দিপালী মানখিনের অসহায়ত্ব দেখে প্রায়ই সামান্য সহায়তা করেছি। নেত্রকোনা-১ আসনের মানবিক নেতা ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অসহায় পরিবারকে একটি ঘর তৈরী করে দিয়ে তাদের মাথা গোঁজার ঠাই করে দিয়েছেন, আমরা উনার প্রতি কৃতজ্ঞ। স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে, এটি একটি মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
পুকুরে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, কলমাকান্দায় শোকের ছায়া

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পরিবারের সদস্যদের সামান্য অসতর্কতায় পুকুরের পানিতে ডুবে সায়ফা আক্তার নামে দেড় বছর বয়সী এক অবুঝ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের টেঙ্গা গ্রামে হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সায়ফা ওই গ্রামের শাহিন মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে শিশু সায়ফা বাড়ির উঠানেই খেলাধুলা করছিল। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সেসময় দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরই মাঝে সবার অজান্তে চোখের পলকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ির আশপাশে ও সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে বসতঘরের আঙিনার পাশেই থাকা পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান তারা। পুকুর থেকে দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন তাকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টায় কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বনশ্রী বনিক চৈতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশু সায়ফাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল চত্বরে স্বজনদের কান্নায় হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। আদরের সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন শিশুটির বাবা-মা। কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিক হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হৃদয়স্পর্শী। শিশুদের ক্ষেত্রে মুহূর্তের অসতর্কতাও যে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, এটি তারই একটি দৃষ্টান্ত।” এ সময় তিনি স্থানীয় অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “সামনেই বর্ষাকাল আসছে। এ সময় বাড়ির চারপাশের খাল-বিল ও পুকুরগুলো পানিতে ভরে যায়। তাই প্রতিটি পরিবারকে শিশুদের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। শিশুদের কোনোভাবেই একা বাড়ির বাইরে বা জলাশয়ের ধারে যেতে দেওয়া যাবে না।” গ্রামাঞ্চলে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমাতে অভিভাবকদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
জীবনের লড়াইয়ে ছোট্ট আতিফ, পাশে দাঁড়ালেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত দিলুরা গ্রামের চার বছর বয়সী শিশু আতিফ দীর্ঘদিন ধরে জটিল স্নায়বিক রোগে ভুগছে। জীবনের কঠিন এই লড়াইয়ে অবশেষে পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ও কলমাকান্দা-দুর্গাপুর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাঁর সার্বিক সহযোগিতায় আতিফকে ঢাকার বিশেষায়িত নিউরোসাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্মের মাত্র দুই মাস পর থেকেই আতিফ খিচুনিতে আক্রান্ত হয়। ধীরে ধীরে তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হতে থাকে। বর্তমানে সে কথা বলতে পারে না, নিজে হাঁটতে পারে না, এমনকি নিজের ঘাড়ও সোজা করে রাখতে পারে না। প্রতিনিয়ত খিচুনির যন্ত্রণা তাকে কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে, যা তার পরিবারকে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। আতিফের পিতা জুলহাস একজন স্বল্প আয়ের মানুষ এবং মাতা জুলেখা খাতুন গৃহিণী। দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তারা আর্থিকভাবে দারুণ সংকটে পড়েন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছিল না। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন এবং দ্রুত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কায়সার কামাল সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং মানবিক কাজের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন। অসহায় শিশু আতিফের চিকিৎসায় তাঁর এই উদ্যোগ মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন তারা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আতিফের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে এবং তাকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। তবে সঠিক চিকিৎসা পেলে তার অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এদিকে আতিফের পরিবারসহ এলাকাবাসী ডেপুটি স্পিকার মহোদয়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং দেশবাসীর কাছে শিশুটির সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। সবশেষে, মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা— তিনি যেন ছোট্ট আতিফকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার তৌফিক দান করেন। আমিন।

এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
দায়সারা ভাবে পালিত হলো নেত্রকোনা দুর্গাপুরে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস

”স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ” এ প্রতিপাদ্যে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দায়সারা ভাবে পালিত হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। মঙ্গলবার সকালে অভ্যন্তরিন র‌্যালি এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে এদিবস পালিত হয়। সীমিত আয়োজন, জনসচেতনতামুলক কোন কার্য্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি না থাকায় এ নিয়ে সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরলেও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল অনেকাংশেই কম। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন আরও ব্যাপকভাবে পালন করা উচিত ছিল। স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগের অভাব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। আলোচনা সভায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ তানজিরুল ইসলাম রায়হানের সভাপতিত্বে, প্রধান সহকারি আব্দুল লতিফ এর সঞ্চালনায় আলোচনা করেন, মেডিকেল অফিসার শেখ ফারহানা সুলতানা, স্বাস্থ্য পরিদর্শক সুব্রত চক্রবর্তী, ডিএসকের প্রকল্প সমন্বয়কারী রুপন কুমার সরকার, রুসা‘র পরিচালক নুরে আলম সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ।

এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে ডিবির বিশেষ অভিযান জোরদারচেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি নজরদারি

টাঙ্গাইলে ডিবির বিশেষ অভিযান জোরদার চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি নজরদারিতে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহন টাঙ্গাইল জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ডিবি (উত্তর/দক্ষিণ) পুলিশ।টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার-এর নির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ডিবি (দক্ষিণ) টাঙ্গাইলের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আন্ওয়ারুল আজিম এবং ডিবি (উত্তর) টাঙ্গাইলের অফিসার ইনচার্জ এ.বি.এম.এস দোহা, বিপিএম।জানা যায়ডিবি (উত্তর/দক্ষিণ) টাঙ্গাইলের অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত স্থানে বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও বিভিন্ন প্রকার যানবাহনের ওপর কঠোর নজরদারি এবং তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়।পাশাপাশি কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ অপরাধ দমন এবং সার্বিকআইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।পুলিশ জানায় এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং অপরাধ দমনে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।

এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
সদর হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়ায় ২ টি পাক ফ্যান হস্তান্তর করেন নজেকশিস

মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে “মানুষ মানুষের জন্য” এই প্রত্যয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোগীদের সেবার মান উন্নয়নে সহায়তা হিসেবে দুটি পাক ফ্যান প্রদান করেছে নবাবগঞ্জ জেলা কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি “নজেকশিস” রবিবার (৫ এপ্রিল)  সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের হাতে ফ্যান দুটি তুলে দেওয়া হয়। সদর হাসপাতালের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মুহাম্মদ মশিউর রহমান, হাসপাতালের আরএমও ডা.  আব্দুস সামাদ ও হাসপাতালের  শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহাফুজ রায়হান। অন্যদিকে নজেকশিসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহা. তরিকুল আলম সিদ্দিকি, সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল আখতার, সহ-সভাপতি মো. শারওয়ার আলম, সদস্য মো. রানা, মো. ইকবাল হোসেন, মো. শামসুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ কবির এবং সহ-সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম। এসময় বক্তারা বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এগিয়ে এলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া এর উদ্যোগে ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত।

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের অংশগ্রহণে ০৪ এপ্রিল রোজ শনিবার ২০২৬ তারিখে কুয়ালালামপুর বাংছারে আহবায়ক জনাব ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হকের আয়োজনে এক আনন্দঘন ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া এর প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আগত অতিথি ও বক্তারা বলেন, ঈদ মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশীদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা প্রবাস থেকে দেশের উন্নয়ন ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া আহবায়ক জনাব ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হক, সদস্য সচিব জনাব আলম মোঃ রওশন, অর্থ সচিব জনাব আল কামাল আনিসুজ্জামান, যুগ্ন সচিব মুশফিক আহমেদ চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য মোঃ ওয়াসিম আকরাম অনিক, সাইফুল ইসলাম মাসুম, এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রইস আলী, সহ-সমন্বয়ক মোঃ আকবর হোসেন ও সাইদুন ইসলাম হাদিস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মাহমুদ এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক নুরুল আমিন। এছাড়াও সাধারণ সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাজেদুল আলম, তানভীরুল ইসলাম, মোঃ ইয়ামিন এবং প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ফেসবুকের গুজবে উত্তেজনা: জামালপুরে তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ

ফেসবুকের গুজবে উত্তেজনা: জামালপুরে তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালকদের বিক্ষোভ যান চলাচল বন্ধ জামালপুরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি তথ্যকে কেন্দ্র করে জ্বালানি তেল নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন মোটরসাইকেল চালকরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে দেওয়ানগঞ্জ-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কের ইসলামপুরে অবস্থিত মেসার্স ঝর্ণা ফিলিং স্টেশন-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুজব ছড়িয়ে ভিড় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে—এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই শতাধিক মোটরসাইকেল চালক তেল নেয়ার আশায় পাম্পের সামনে ভিড় করেন।তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও পাম্প বন্ধ থাকায় কোনো ধরনের তেল সরবরাহ করা হয়নি, যা অপেক্ষমাণ চালকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে।সড়ক অবরোধ ও যানজটএকপর্যায়ে ক্ষুব্ধ চালকরা সড়কে নেমে অবরোধ গড়ে তোলেন। এতে দেওয়ানগঞ্জ-জামালপুর সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে।পুলিশের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক পরিস্থিতিখবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সড়ক থেকে অবরোধ সরিয়ে দেয়।ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম গাজী জানান,ফেসবুক পোস্ট থেকে এমন ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যা জনদুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।

এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত টাঙ্গাইলের গোড়াই-সখীপুর সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মোজাম্মেল নামে একস্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।শুক্রবার রাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে যা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।নিহত মোজাম্মেল সখীপুর উপজেলার হাতিবান্ধা উত্তর পাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং বাদশা মিয়ার ছেলে। তিনি রতনপুর খোশবাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হলেপথিমধ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থহাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এই অকাল মৃত্যুর খবরেপরিবার ও স্বজনদের মধ্যে নেমে আসে শোকের মাতম।একমাত্র সন্তানের এমন মৃত্যুতে বাবা-মা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।সহপাঠী ও এলাকাবাসীরাও এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।সংশ্লিষ্টরা বলছেন সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনার কারণে দুর্ঘটনার হার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব এ ধরনের দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।তারা আরও বলেনঅতিরিক্ত গতি ও অসতর্কতা একটি তাজা প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত। এখনই সময় সচেতন হওয়ার নইলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আরও বাড়বে।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকলকে ট্রাফিক আইন মেনে চলা ও নিরাপদে যানবাহন চালানোর আহ্বান জানিয়েছে।

এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত

টাঙ্গাইলে তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত টাঙ্গাইল ৪ এপ্রিল ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তীব্র তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রখর রোদ ও অসহনীয় গরমে হাঁসফাঁস করছে জেলার সর্বস্তরের মানুষ। দিনের শুরু থেকেই সূর্যের তীব্রতা বাড়তে থাকায় দুপুরের আগেই জনজীবনে নেমে আসে স্থবিরতা।জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে,প্রয়োজন ছাড়া মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। রাস্তাঘাটে মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম। বিশেষ করে খেটে খাওয়া দিনমজুর, রিকশাচালক ও শ্রমজীবী মানুষ পড়েছেন সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে। তীব্র রোদে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই ক্লান্তি, মাথা ঘোরা ও পানিশূন্যতায় ভুগছেন।শহরের বাজার, সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গরমের প্রভাব স্পষ্ট। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও ক্রেতা উপস্থিতি কমে গেছে। গরমে অতিষ্ঠ মানুষ স্বস্তির খোঁজে ঠাণ্ডা পানীয় ও ফলের দিকে ঝুঁকছেন।এদিকে অতিরিক্ত গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় জেলার কোথাও কোথাও লোডশেডিং দেখা দিয়েছে। এতে করে জনদুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ঘরে-বাইরে কোথাও স্বস্তি মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন সাধারণ মানুষ।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন,এ ধরনের তাপদাহে হিটস্ট্রোক, ডিহাইড্রেশনসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে। শিশু,বয়স্ক ও অসুস্থদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলমান তাপপ্রবাহ আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।তীব্র এই তাপদাহ থেকে মুক্তি পেতে এখন একমাত্র বৃষ্টির অপেক্ষায় মহান আল্লাহতালার কাছে সারা দেশবাসী দোয়া করছে বৃষ্টির জন্য।

এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে ভাইরাল দম্পতি সোহাগ- লামিছা: শ্বশুর বাড়িতে স্থায়ী বসবাসের সিদ্ধান্তে ভেঙে পড়েছেন মা-বাবা এলাকায় তীব্র আলোচনা

টাঙ্গাইলে ভাইরাল দম্পতি সোহাগ- লামিছা: শ্বশুর বাড়িতে স্থায়ী বসবাসের সিদ্ধান্তে ভেঙে পড়েছেন মা-বাবা এলাকায় তীব্র আলোচনা টাঙ্গাইল জেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত দম্পতি সোহাগ ও লামিছাকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। পারিবারিক টানাপোড়ন ও নানা বিতর্কের জেরে সোহাগ নিজের বাবা -মায়ের বাড়ি ছেড়ে শ্বশুরবাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক অশান্তি ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে ছিলেন সোহাগ। ছেলেকে কাছে রাখার জন্য তার বাবা-মা নানা মানসিক চাপ ও অপমান সহ্য করেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছেলের এমন সিদ্ধান্তে তারা গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছেন।প্রতিবেশীরা জানান, ছেলের দূরে সরে যাওয়ার কষ্টে সোহাগের বাবা-মা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। বিশেষ করে মা সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তা ও শোকে প্রায়ই কান্নায় ভেঙে পড়ছেন এবং তার শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটছে বলে জানা গেছে।অন্যদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশ এটিকে সোহাগের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখলে, অনেকেই বাবা-মায়ের প্রতি এমন আচরণকে অমানবিক ও অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। নেটিজেনদের কেউ সোহাগের স্বাধীনতাকে সমর্থন জানাচ্ছেন আবার কেউ বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রশ্ন তুলছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ৪, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শীর্ষ সপ্তাহ

জাতীয়

নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার কতৃক বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশের বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে সফলতা অর্জন।

মুক্তধ্বনি ডেক্স এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

ভোট জরিপ

নির্বাচনের দিন গণভোট আপনি সমর্থন করেন ?