সারা দেশ

টাংগাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপালে রোগীর স্যালাইন ঝুলছে গাছে

টাংগাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপালে রোগীর স্যালাইন ঝুলছে গাছে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চরম অব্যবস্থাপনা গাছের সঙ্গে ঝুলছে রোগীদের স্যালাইন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী সেবার নামে যে চিত্র উঠে এসেছে তা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভয়াবহ অবহেলার দৃষ্টান্ত হিসেবেই দেখছেন সচেতন মহল। হাসপাতালের ভেতরে প্রয়োজনীয় শয্যা ও স্যালাইন স্ট্যান্ডের সংকটের অজুহাতে খোলা আকাশের নিচে এমনকি গাছের ডালের সঙ্গে স্যালাইন ঝুলিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে—যা দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান হাসপাতালে রোগীর চাপ বেশি থাকায় অনেক রোগীকে বাইরে বারান্দা কিংবা খোলা জায়গায় রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও স্যালাইন স্ট্যান্ডের অভাবে গাছের ডাল লোহার রড বা অস্থায়ী কাঠামোর সঙ্গে স্যালাইন ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন রোগীর সম্মান ও মানবিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে, অন্যদিকে সংক্রমণের ঝুঁকিও বহুগুণে বেড়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে একটি সরকারি হাসপাতালে এ ধরনের চিত্র কেবল অব্যবস্থাপনাই নয় এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। স্যালাইন দেওয়ার সময় নির্দিষ্ট উচ্চতা পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও নিরাপদ স্ট্যান্ড ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। গাছের সঙ্গে স্যালাইন ঝুলিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হলে ধুলাবালি জীবাণু ও অন্যান্য দূষণের কারণে রোগীর অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে।এ বিষয়ে রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন সরকারি হাসপাতালে এসে এমন দৃশ্য দেখতে হবে তা কল্পনাও করিনি। যদি বাইরে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে স্যালাইন দিতে হয় তাহলে হাসপাতালের ভেতরের ব্যবস্থাপনা কতটা নাজুক—সেটাই বড় প্রশ্ন।এ ঘটনার পর দেশবাসীর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছবিসহ বিষয়টি ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে অনেকেই দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন টাঙ্গাইলের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় সরকারি হাসপাতালের এ অবস্থা গোটা দেশের স্বাস্থ্যখাতের বাস্তব চিত্রই তুলে ধরে। তারা অবিলম্বে হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়ন পর্যাপ্ত শয্যা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহসহ রোগী সেবার মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ 0
বরিশাল জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

বরিশাল জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত ১২/০১/২০২৬ খ্রি. তারিখ রোজ: সোমবার, ০৯.০০ ঘটিকায় বরিশাল জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।মাস্টার প্যারেডে অভিবাদন গ্রহণ করেন বরিশাল জেলার মান্যবর পুলিশ সুপার জনাব ফারজানা ইসলাম। প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব সৌমেন্দ্র কুমার বাইন, সহকারী পুলিশ সুপার, উজিরপুর সার্কেল, বরিশাল।প্যারেড শেষে পুলিশ সুপার মহোদয় অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি শৃঙ্খলা পেশাদারিত্ব দায়িত্ববোধ ও জনসেবার ন আরও বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আসন্ন দায়িত্বসমূহ নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের আহ্বান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আলাউল হাসান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) অতিরিক্ত দায়িত্বে (প্রশাসন ও অর্থ); জনাব মোঃ মাসুম বিল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাকেরগঞ্জ সার্কেল)সহ বরিশাল জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। উল্লেখ্য এ ধরনের মাস্টার প্যারেড জেলা পুলিশের সদস্যদের শারীরিক সক্ষমতা শৃঙ্খলা ও পেশাগত মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ প্যারেডে অভিবাদন গ্রহণ করেন বরিশাল জেলার মান্যবর পুলিশ সুপার জনাব ফারজানা ইসলাম ।প্যারেড কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব সৌমেন্দ্র কুমার বাইন সহকারী পুলিশ সুপার উজিরপুর সার্কেবরিশাল। সবশেষে পুলিশ সুপার মহোদয় মাস্টার প্যারেডে অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশণামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আলাউল হাসান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস্) অতিরিক্ত দায়িত্বে(প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ মাসুম বিল্লাহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বাকেরগঞ্জ সার্কেল) সহ জেলা পুলিশের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ 0
ঢাকা জেলা সাভার ট্রাফিক বিভাগ (উত্তর) এর কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলা সাভার ট্রাফিক বিভাগ (উত্তর) এর কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ঢাকা জেলা ট্রাফিক বিভাগ (উত্তর)-এর উদ্যোগে সাভার ট্রাফিক কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার সার্বিক উন্নয়ন দায়িত্ব পালনে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে সাভার ট্রাফিক বিভাগের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার জন্য ট্রাফিক পুলিশের সকল সদস্যকে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধান অতিথি বলেন, সড়কে যানবাহন চলাচল নিরাপদ সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন রাখতে আধুনিক ও জনবান্ধব ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে ট্রাফিক পুলিশের প্রতিটি সদস্যকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে, যাতে সাধারণ জনগণ নিরাপদে ও সময়মতো নিজ নিজ গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন। বক্তব্যের শেষে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিষ্ঠা দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের মাঝে যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন প্রধান অতিথি। এ সময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব আরাফাতুল ইসলাম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অপস্ এন্ড ট্রাফিক উত্তর) জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল)সহ সাভার ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ 0
মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্তে মানুষের আস্থার প্রতীক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা–দুর্গাপুর) আসনের মানুষের কাছে মানবিক নেতা হিসেবে সুপরিচিত ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাজনীতির পাশাপাশি নিরলস সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাহী কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক এবং নেত্রকোনা-১ আসনের ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী। তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কলমাকান্দা উপজেলার সদর ইউনিয়নের চত্রংপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া ব্যারিস্টার কায়সার কামাল একজন জনসেবক পরিবারের সন্তান। তার পিতা মরহুম মোস্তফা কামাল মনসুর কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দীর্ঘদিন মানুষের সেবা করেছেন। পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পথ বেছে নেন। দীর্ঘদিন ধরে কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলার অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পরিচালনা করে আসছেন নানামুখী মানবিক কার্যক্রম। জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা, হার্টে ছিদ্র নিয়ে জন্ম নেওয়া শিশুদের অস্ত্রোপচার, ক্যান্সার ও টিউমার আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করে তিনি অসংখ্য পরিবারে নতুন জীবনের আশা ফিরিয়ে দিয়েছেন। তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কলমাকান্দা উপজেলার শিবপুর গ্রামের তাইবা, শুনই গ্রামের মোকাব্বির হোসেন, ঘোষপাড়া গ্রামের মরিয়ম ও আরাফাত, মন্তলা গ্রামের ক্যান্সার আক্রান্ত সজিব সাহা, চেংগ্নী গ্রামের আইয়ুস হাজং, হরিণাকুড়ি গ্রামের রিফাত, পাঁচগাঁও নতুন বাজারের আর্ণিকা হাজং, রানীগাঁও গ্রামের ইসরাত জাহান এবং দুর্গাপুর উপজেলার নিলাখালী গ্রামের আব্দুল্লাহসহ দুই উপজেলার অন্তত ২৫ জন রোগীর সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া ফান্দা গ্রামের সোনিয়া, কুল্লাগড়া গ্রামের কৃষ্ণ হাজং, শৈলাডহর গ্রামের ইয়াসিন, খুজিউড়া গ্রামের রাকিব ও সুতিয়াপাড়া গ্রামের ক্যান্সার আক্রান্ত শুক্কুর আলীর চিকিৎসায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে তার উদ্যোগে কলমাকান্দা পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, নাজিরপুর ঈদগাহ মাঠ ও লেঙ্গুরা স্কুল মাঠে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হয়। এসব ক্যাম্পে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের মাধ্যমে প্রায় ১১ হাজার মানুষকে চিকিৎসাসেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ প্রদান করা হয়েছে। একইভাবে দুর্গাপুর উপজেলার ভাদুয়া স্কুল মাঠ ও গুজিরকোনা স্কুল মাঠে আয়োজিত মেডিকেল ক্যাম্পে আরও প্রায় সাড়ে ৬ হাজার রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি দুই উপজেলার প্রায় এক হাজার চোখের ছানি আক্রান্ত রোগীর বিনামূল্যে অপারেশনের ব্যবস্থা করা হয়। চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নেও ব্যারিস্টার কায়সার কামালের অবদান উল্লেখযোগ্য। তার উদ্যোগে কলমাকান্দা উপজেলার মহাদেও, গণেশ্বরী, মঙ্গলেশ্বরী, বোগাই, উব্দাখালী, কাউবাড়ি, পাগলা, বৈঠাখালী ও নাগেশ্বরী নদীর বিভিন্ন স্থানে বাঁশ ও কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। একইভাবে দুর্গাপুর উপজেলার সুমেশ্বরী নদীসহ দুর্গাপুর–শিবগঞ্জ, দুর্গাপুর–চৈতাটি, গাওকান্দিয়া–বিরিশিরি, গোদারিয়া–নাগপুর ও শুকনাকুড়ি–পুকুরিয়া এলাকায় নির্মিত সেতুগুলো দুর্গম অঞ্চলের মানুষের চলাচল সহজ করেছে এবং দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ অনেকাংশে লাঘব করেছে। এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন—তিনি একজন মানবিক অভিভাবক, যিনি বিপদে-আপদে সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান। তার মানবিক উদ্যোগ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নেত্রকোনা-১ আসনের মানুষের হৃদয়ে তাকে আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।

আল আমিন হাওলাদার জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আজ ১১/০১/২০২৬ তারিখ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সাথে জেলা প্রশাসক টাঙ্গাইল-এর কার্যালয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয় । জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ র‍্যাব বিজিবি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা আনসার কমান্ডান্ট, টাঙ্গাইলসহ ১২টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ।টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শরীফা হক।সভায় টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার মহোদয় জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতা সততা পেশাদারিত্ব ও দৃঢ়তার সঙ্গে জেলার সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্যে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারকরণ অপরাধ দমন কার্যক্রম এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখতে জেলা পুলিশের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। পাশাপাশি তিনি জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কমিটির সদস্যদের পাশাপাশি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।সভায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিনিধি র‍্যাব বিজিবি, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা আনসার কমান্ডান্ট বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0
পানির তৃষ্ণায় কেড়ে নিল প্রাণ, স্কুলের পাশেই ডুবে মারা গেল ৮ বছরের জিসান

পানির তৃষ্ণাই কেড়ে নিল প্রাণ, স্কুলের পাশেই ডুবে মারা গেল ৮ বছরের জিসান স্টাফ রিপোর্টার : এসকে শিপন তারিখ : ১১জানুয়ারি ২০২৬ টাঙ্গাইলের ভাদাই গ্রামে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। স্কুলে পড়াশোনার মধ্যেই পানির খোঁজে বেরিয়ে প্রাণ হারিয়েছে মাত্র ৮ বছরের শিশু জিসান। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা। নিহত জিসান স্থানীয় সোনামুই কেজি এন্ড প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষার্থী। সে তার বাবা-মায়ের ছোট ছেলে। এলাকাবাসীর কাছে সে ছিল শান্ত, ভদ্র ও নম্র স্বভাবের একটি শিশু। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতোই রবিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত স্কুল চলছিল। জিসান তার মায়ের হাত ধরে স্কুলে আসে। স্কুল চলাকালীন হঠাৎ তার তীব্র পানির পিপাসা লাগে। এ সময় সে কাউকে কিছু না জানিয়ে স্কুলের পাশের একটি মসজিদের টিউবওয়েল থেকে পানি পান করতে যায়। পানি খাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত সে পাশেই থাকা একটি হাউস/ট্যাংকে পড়ে যায়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘ সময় স্কুলে ও আশপাশে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। সকাল থেকেই শিশুটির মা ও স্বজনরা ছুটে বেড়াতে থাকেন। স্কুল প্রাঙ্গণ, আশপাশের এলাকা ও পুরো গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা। অনেকেই ধারণা করছিল, শিশুটি হয়তো হারিয়ে গেছে। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে অবশেষে ওই হাউসের ভেতর থেকে জিসানের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে শিশুটির মা। উপস্থিত অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। এলাকাবাসী জানান, এমন একটি ছোট্ট শিশুর অকাল মৃত্যু কেউই মেনে নিতে পারছেন না। গোটা গ্রামজুড়ে এখন শোক আর নীরবতা। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর স্থানীয়রা স্কুল ও আশপাশের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, খোলা হাউস ও ট্যাংক ঢেকে রাখার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে এভাবে প্রাণ হারাতে না হয়।

এস,কে শিপন জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় আইন-শৃঙ্খলা ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা প্রশাসন কিশোরগঞ্জের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সমন্বয় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি ও বিশেষ আমন্ত্রিত হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয়।সভায় আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিকল্পনা ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রসমূহ চিহ্নিতকরণ দায়িত্বপ্রাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ যাতে অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় সে লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সহিংসতা কিংবা আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে।তিনি আরও বলেন নির্বাচনকে ঘিরে গুজব অপপ্রচার ও সহিংসতার আশঙ্কা রোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল স্টেকহোল্ডারের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিবৃন্দ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলায় একটি শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নিলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রিয়াদ খান
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নিলেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রিয়াদ খান

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজার নামাজে অংশ নিয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা রিয়াদ খান। শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নিজ গ্রাম এলাকায় জানাজার নামাজ পড়ান তিনি। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার বাবাকে দাফন করা হয়। রিয়াদ খান উয়ার্শী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক। এর আগে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের মল্লিক মার্কেট এলাকার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রিয়াদ খানের বাবা শহীদুজ্জামান খান বার্ধক্যজনিত ও অসুস্থতাজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যু সংবাদ পেয়ে শনিবার সকালে রিয়াদের বড় ভাই অয়ন খান আইনজীবীর মাধ্যমে টাঙ্গাইল আদালতে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারকের নির্দেশে পুলিশ সদস্যরা রিয়াদ খানকে হাতকড়া ও দড়ি পরানো অবস্থায় জেল থেকে উয়ার্শী গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে দুপুরে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে তিনি তার বাবার জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। জানাজা শেষে পুলিশ পুনরায় তাকে হেফাজতে নেয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে পুলিশের ছররা গুলিতে গুরুতর আহত হন গোড়াই ইউনিয়নের লালবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা হিমেল। এ ঘটনায় হিমেলের দুই চোখ চিরতরে অন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় হিমেলের মা নাছিমা বেগম টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, মির্জাপুর আমলিতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১০০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলার অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গত বছরের ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় পুলিশ রিয়াদ খানকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠায়।

নাদিম তালুকদার জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেড।শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় যমুনা সেনানিবাসের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১০ জন শিশুর মধ্যেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের স্টাফ অফিসার মেজর নাজমুস সালেহীন সৌরভ, যমুনা সেনানিবাসের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রতি বছরের মতো চলতি শীত মৌসুমেও অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের সেনাসদস্যরা দুর্গম ও চরাঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন মানবিক সহায়তা ওজনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত কার্যক্রম যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এ ধরনের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা বলেন শীতের এই সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়তা তাদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

ভূঞাপুরে দুঃস্থ মানুষের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২০০ শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল ও শিশুদের শীতবস্ত্র বিতরণ শীতার্ত দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেড।শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় যমুনা সেনানিবাসের উদ্যোগে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রায় ২০০ জন দুঃস্থ ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি এলাকার দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত ১০ জন শিশুর মধ্যেও শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৯৮ কম্পোজিট ব্রিগেডের স্টাফ অফিসার মেজর নাজমুস সালেহীন সৌরভ, যমুনা সেনানিবাসের অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয় প্রতি বছরের মতো চলতি শীত মৌসুমেও অসহায় ও দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়মিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশেষ করে ১৯ পদাতিক ডিভিশন ও ঘাটাইল অঞ্চলের সেনাসদস্যরা দুর্গম ও চরাঞ্চলের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা আরও বলেন মানবিক সহায়তা ওজনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা সেনাবাহিনীর একটি নিয়মিত কার্যক্রম যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।এ ধরনের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে স্থানীয়রা বলেন শীতের এই সময়ে সেনাবাহিনীর সহায়তা তাদের জন্য বড় আশীর্বাদ হয়ে এসেছে। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত

ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বে সন্তোষ প্রকাশ করলেন পুলিশ সুপার ঢাকা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড ও কিট প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। অদ্য ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢাকা জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ইনচার্জসহ অফিসার ও ফোর্সদের অংশগ্রহণে এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।ঢাকা জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মিজানুর রহমান সুসজ্জিত অভিবাদন মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সালামি গ্রহণ করেন। পরে তিনি প্যারেড পরিদর্শন করেন এবং অংশগ্রহণকারী অফিসার ও ফোর্সদের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করেন।মাস্টার প্যারেডে প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দোহার সার্কেল) জনাব মোঃ রাকিবুল হাসান ইশান। তার দক্ষ নেতৃত্বে প্যারেডটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়।প্যারেড চলাকালে পুলিশ সুপার মহোদয় অফিসার ও ফোর্সদের শারীরিক ফিটনেস, টার্নআউট, কিটের মান এবং সামগ্রিক শৃঙ্খলার ওপর ভিত্তি করে জিএস (গুড সার্ভিস) মার্ক প্রদান করেন। প্যারেড শেষে তিনি অংশগ্রহণকারীদের পেশাদারিত্ব ও শৃঙ্খলাবোধের প্রশংসা করেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।এ সময় পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের সকল সদস্যের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে সততা, শৃঙ্খলা ও জনবান্ধব পুলিশিং আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।প্যারেড পরবর্তী সময়ে পুলিশ সুপার মহোদয় রিজার্ভ অফিস, আরআই অফিসসহ পুলিশ লাইন্সের বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোঃ খাইরুল আলম, জেলা পুলিশের সকল সার্কেল অফিসারগণ এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জলকে দেখতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

গুরুতর অসুস্থ সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জলকে দেখতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ১২ জানুয়ারি হার্টের বাইপাস সার্জারি দোয়া চাইলেন সহকর্মী সাংবাদিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি ও সিনিয়র সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আগামী ১২ জানুয়ারি তার হার্টের বাইপাস সার্জারি নির্ধারিত সহকর্মী এই সাংবাদিকের অসুস্থতার খবর জানার পর আজ সন্ধ্যায় তাকে দেখতে টাঙ্গাইল সদর পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকায় তার নিজ বাসভবনে যান বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে দলীয় মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।এ সময় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জলের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দ্রুত সুস্থতার জন্য আন্তরিক শুভকামনা জানান এবং এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।সাক্ষাৎকালে সাংবাদিক মোল্লা তোফাজ্জল তার সহকর্মী সাংবাদিক শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া কামনা করেন যেন তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও সাংবাদিকতার দায়িত্বে ফিরতে পারেন।এদিকে একজন দায়িত্বশীল ও পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে মোল্লা তোফাজ্জলের অসুস্থতায় টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার সাংবাদিক সমাজ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা তার সফল অস্ত্রোপচার ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া অব্যাহত রেখেছেন।স্থানীয় রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও তার সুস্থতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
বিনিময় বাসে সাদত কলেজ শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ

বিনিময় বাসে সাদত কলেজ শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ করটিয়ায় বাস আটক দোষীদের শাস্তির দাবি টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে করটিয়া আসার পথে বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে সরকারি সাদত কলেজের প্রথম বর্ষের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে করটিয়া এলাকায় ওই বাসটি আটক করা হয়।ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ যাত্রাপথে বাসটির চালক ও স্টাফরা তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন এবং একপর্যায়ে তার কাছ থেকে টিকিট কেড়ে নেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে তিনি সরকারি সাদত কলেজের একটি অনলাইন শিক্ষার্থী গ্রুপে জানালে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।ঘটনার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীরা দ্রুত সংগঠিত হয়ে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের করটিয়া হাট বাইপাস এলাকায় অভিযুক্ত বাসটি আটক করেন। এ সময় তারা বাসে থাকা চালক ও স্টাফদের আচরণের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।শিক্ষার্থীরা বলেন একজন নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রকাশ্যে এমন অশালীন আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা ও পথচারীরাও ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগ নেন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানা গেছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
নির্বাচনী দায়িত্বে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে টাঙ্গাইলে TOT কোর্স উদ্বোধন

নির্বাচনী দায়িত্বে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে টাঙ্গাইলে TOT কোর্স উদ্বোধন থাকবে পুলিশ জনপদে ভোট দিবেন নিরাপদে এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উদ্যোগে ইন্সপেক্টর থেকে কনস্টেবল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।এই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) টাঙ্গাইলের পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি)-এ নির্বাচনী দায়িত্ব সফলভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত TOT কোর্স এর চতুর্থ পর্যায়ের ২৫তম ধাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিকোর্স উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম, ডিআইজি। অনুষ্ঠানে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচন একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব, আইনগত জ্ঞান ও পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা অত্যন্ত জরুরি। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—জনাব কাজী রুবাইয়াত রুমি,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত)জনাব সাকিবুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সুপার নিউমারারি পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) (প্রশাসন ও অর্থ),এছাড়াও পিটিসি টাঙ্গাইলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষকবৃন্দ এবং কোর্স পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।৫০ জন প্রশিক্ষণার্থীর অংশগ্রহণকোর্সটিতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ থেকে মনোনীত মোট ৫০ জন পুলিশ সদস্য অংশগ্রহণ করছেনপ্রশিক্ষণার্থীরা নির্বাচনী আইন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, আচরণবিধি বাস্তবায়ন, ঝুঁকি নিরূপণ, জনশৃঙ্খলা রক্ষা, সংঘাত ব্যবস্থাপনা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন।পুলিশের ভূমিকা তুলে ধরলেন প্রধান অতিথিপ্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,থাকবে পুলিশ জনপদে, ভোট দিবেন নিরাপদে—এই প্রত্যয়ে পুলিশ বাহিনী জনগণের পাশে থেকে দায়িত্ব পালন করবে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত পুলিশ বাহিনীর কোনো বিকল্প নেই।তিনি আরও বলেন, এই TOT কোর্সের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ভবিষ্যতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন যা নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণেরগুরুত্বঅনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথি প্রশিক্ষণার্থীদের মনোযোগ সহকারে কোর্সে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোর্সটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর পেশাগত দক্ষতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুদৃঢ় হবে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
শীতে ১৫০ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার

পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে মানবিক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতীব্র শীতে ১৫০ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কষ্ট লাঘবে মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) টাঙ্গাইল। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক চেতনা থেকে পিটিসি টাঙ্গাইলের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় এক শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।পিটিসি টাঙ্গাইল ক্যাম্পাসের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন পিটিসি টাঙ্গাইলের কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) জনাব মোহাম্মদ আশফাকুল আলম মহোদয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ড.এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান বিপিএম পিপিএম,এডিশনাল ডিআইজি (কারিকুলাম) এবং ডেপুটি কমান্ড্যান্ট জনাব মোঃ মাহফুজুর রহমান (এডিশনাল ডিআইজি)। এ ছাড়া পিটিসি টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ প্রশিক্ষকবৃন্দ,কর্মরত পুলিশ সদস্য এবং স্টাফগণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে পার্শ্ববর্তী ভাতকুড়া, ছাওয়ালী ও মহেড়া এলাকার দুস্থ,অসহায় প্রতিবন্ধী ও সুবিধাবঞ্চিত মোট ১৫০ (একশত পঞ্চাশ) জন মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীদের মুখে স্বস্তির ছাপ ফুটে ওঠে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বলেন,পুলিশ শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নয়, মানবিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও সবসময় অগ্রণী ভূমিকা রাখছে। সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও পিটিসি টাঙ্গাইলের পক্ষ থেকে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন,শীত মৌসুমে দরিদ্র মানুষের কষ্ট অনেক বেশি বেড়ে যায়। এ সময় সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। পিটিসি টাঙ্গাইলের এ উদ্যোগ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও অনুপ্রাণিত করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি শেষে উপকারভোগীরা পিটিসি টাঙ্গাইল কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং পুলিশ বাহিনীর মানবিক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ মানবিক কর্মসূচির মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো—আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও বাংলাদেশ পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
গোপালপুরগামী বাসের ধাক্কায় ঘাটাইলে প্রাণহানি, হাসপাতালে স্বামীহারা স্ত্রী

ঘাটাইলে দ্রুতগামী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, স্ত্রী গুরুতর আহত স্টাফ রিপোর্টার :এস কে শিপন ঘাটাইল (টাঙ্গাইল), ১০ জানুয়ারি ২০২৬: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বিদ্যুৎ অফিসের সামনে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা স্ত্রী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালপুরগামী একটি দ্রুতগামী বাস মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দিলে দুর্ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষের তীব্রতায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং আরোহীরা রাস্তায় ছিটকে পড়েন। এতে স্বামী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত আহত নারীকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে জানা গেছে, মোটরসাইকেলটিতে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গেই চলাচল করছিলেন। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ব-১৪৭৭১৬ বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনটি জব্দের প্রক্রিয়া শুরু করে। পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে এবং নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। এদিকে, এলাকাবাসী দ্রুতগতির যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও সড়ক নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

এস,কে শিপন জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলা সফর স্থগিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয়ভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ১১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে তারেক রহমান দেশের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলা সফর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় নেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং ২০২৪ সালের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদসহ অন্যান্য শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের কবর জেয়ারত করা। পাশাপাশি সফরকালে কিছু পারিবারিক দায়িত্ব পালনেরও পরিকল্পনা ছিল। তবে বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে বিএনপির চেয়ারম্যানের এ সফর স্থগিত ঘোষণা করা হয়। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন পরিবেশ ও কমিশনের নির্দেশনা সম্মান জানিয়ে সফরটি আপাতত বাতিল রাখা হয়েছে।বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না; বরং শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও ব্যক্তিগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যেই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবুও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি সম্মান জানিয়ে দলটি নির্বাচন কমিশনের অনুরোধ মেনে নিয়েছে।দলীয় নেতারা আরও জানান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে অনুমতি বা অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে ভবিষ্যতে সফরের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করে তা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানানো হবে। উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রতিটি কর্মসূচি ও সফর শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে দলটি বরাবরই সচেতন বলে দলীয় বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। — বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ৯, ২০২৬ 0
টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকা পরিদর্শন করেছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার জনাব মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার। পরিদর্শনকালে পুলিশ সুপার মহোদয় সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ কর্মকর্তা ও মাঠপর্যায়ের ফোর্সদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং চলমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক দিক পর্যালোচনা করেন। এ সময় পুলিশ সুপার মহোদয় নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ নজরদারি বৃদ্ধি, মাদক ও সন্ত্রাস দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণ এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, “টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে জেলা পুলিশের সকল ইউনিটকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” পুলিশ সুপার আরও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষায় পুলিশ জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিদর্শনকালে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া

পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অদ্য ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ জেলা পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় ও কার্যকর করার লক্ষ্যে পুলিশ লাইন্স এবং পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স-এর আয়োজনে একটি অগ্নি-নির্বাপন মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।মহড়ার শুরুতে ফায়ার সার্ভিসের প্রশিক্ষিত সদস্যরা অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাব্য কারণ আগুন লাগার পূর্ব লক্ষণ এবং অগ্নিকাণ্ডের সময় তাৎক্ষণিক করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন।পরবর্তীতে পুলিশ লাইন্স ও পুলিশ সুপারের কার্যালয় প্রাঙ্গণে আগুন নেভানোর বিভিন্ন কৌশল সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্র (ফায়ার এক্সটিংগুইশার) সঠিকভাবে ব্যবহার বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটজনিত আগুন নিয়ন্ত্রণ ধোঁয়াচ্ছন্ন পরিবেশে নিরাপদে বেরিয়ে আসার পদ্ধতি এবং আহত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।এ সময় জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে কর্মরত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ মহড়ায় উপস্থিত থেকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মহড়াটি পুলিশ সদস্যদের মধ্যে অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মত প্রকাশ করেন।ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জানান সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরে এ ধরনের অগ্নি-নির্বাপন মহড়া নিয়মিত আয়োজন করা হলে অগ্নিকাণ্ডজনিত ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষও ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রশিক্ষণমূলক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও জনবলকে প্রস্তুত রাখতে ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের এ ধরনের মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
জেলা পুলিশ যশোরের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

জেলা পুলিশ যশোরের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত। ০৭/০১/২০২৬ খ্রিঃ সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে যশোর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব সৈয়দ রফিকুল ইসলাম পিপিএম সেবা মহোদয়ের সভাপতিত্বে জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কল্যাণ সভার শুরুতেই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) বাস্তবায়ন পর্যালোচনা করেন এবং চলতি মাসে পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন আবেদন সমূহ উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে উপস্থিত সকল পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যবৃন্দ সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট তাদের সার্বিক সুবিধা-অসুবিধা উপস্থাপন করেন। পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে তাদের প্রস্তাবিত আবেদন গুলো শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সমাধান দেন। এরপর যশোর জেলা পুলিশে কর্মরত ০৬ (ছয়) জন পুলিশ পুলিশ সদস্যকে অবসর জনিত (পিআরএল) বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়।কল্যান সভা সঞ্চালনা করেন জনাব আবুল বাশার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), যশোর।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জনাব রুহুল আমিনঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), যশো সকল সার্কেল কর্মকর্তাগণ ডাক্তার পুলিশ হাসপাতাল, আরআই পুলিশ লাইন্স, ডিআইও-১ সকল থানার অফিসার ইনচার্জগণ কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই প্রশাসন সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।সভা শুরুর আগে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) চলতি মাসের বাস্তবায়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন কল্যাণমূলক আবেদন উপস্থাপন করেন।পরবর্তীতে সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা তাঁদের পেশাগত ও ব্যক্তিগত সুবিধা-অসুবিধাসহ সার্বিক বিষয়সমূহ পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট তুলে ধরেন। পুলিশ সুপার মহোদয় অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে সকল বক্তব্য শোনেন এবং বেশ কিছু বিষয়ের তাৎক্ষণিক সমাধান প্রদান করেন।এছাড়াও যশোর জেলা পুলিশে কর্মরত ০৬ (ছয়) জন পুলিশ সদস্যকে অবসরজনিত (পিআরএল) বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান ও ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন পুলিশ সুপার মহোদয়। কল্যাণ সভাটি সঞ্চালনা করেন জনাব আবুল বাশার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব রুহুল আমিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি)জেলার সকল সার্কেল কর্মকর্তা পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক আরআই পুলিশ লাইন্স, ডিআইও- সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, কোর্ট ইন্সপেক্টর, টিআই (প্রশাসন)সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সবৃন্দ।

কৌশিক সাজ্জিদ পিয়াল জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
নেত্রকোনা দুর্গাপুরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় বিভিন্ন মন্দিরে প্রার্থনা

বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিভিন্ন মন্দির কমিটির আয়োজনে এক বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৫ জানুয়ারী) সকালে পৌরশহরের সর্বস্তরের সনাতন ধর্ম্মালম্বীদের অংশগ্রহনে এ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থনা পুর্ব আলোচনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট মানেশ সাহা, সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু সরকার বাবুল, উপজেলা পুজা উদযাপন ফন্ট্রের আহবায়ক ও সাবেক মেয়র শুভেন্দু সরকার পিন্টু, যুগ্ন-আহবায়ক উমা প্রসাদ ত্রিবেদী, সদস্য সচিব বিদ্যুৎ সরকার, পুজা উদযাপনের সাবেক সভাপতি ড. অরবিন্দ শেখর রায়, কালী বাড়ী মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল রায়, দশভুজা মন্দির কমিটির সভাপতি ধীরেশ পত্রনবীশ, শিববাড়ী মন্দির কমিটির সদস্য অমিয় কুমার গুপ্ত, অমর নাথ ত্রিবেদী প্রমুখ। প্রার্থনা পুর্ব আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক। বাংলাদেশের মানুষ তাঁর রাজনৈতিক জীবন, ত্যাগ ও অবদান চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি ছিলেন আপোষহীন ও দৃঢ়চেতা একজন রাষ্ট্রনায়ক, যিনি দেশের সংকটময় সময়ে গণতন্ত্র রক্ষায় নিঃস্বার্থভাবে ভূমিকা রেখেছেন, আজকের এই প্রার্থনায় আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

আল আমিন হাওলাদার জানুয়ারী ৫, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শীর্ষ সপ্তাহ

সারা দেশ

টাঙ্গাইল জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0