মুন্সীগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ১৭ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: জেলায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় চালানো অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি মিলিয়ে মোট ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলা পুলিশের সূত্র জানায়, সম্মানিত পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়। মাদক ব্যবসা, চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে কঠোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ। জেলা পুলিশ জানায় জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অপরাধ ও অপরাধীর তথ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর প্রসিকিউটর ও সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্সের সমন্বয়ে টাঙ্গাইলের সখীপুর পৌরসভা এলাকায় দুইটি কসমেটিকস মার্কেটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।অভিযানকালে সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত কসমেটিকস মজুদ রাখা, লাইসেন্স ও আমদানিকারকের অনুমোদনবিহীন নকল প্রসাধনী বিক্রয় এবং পণ্যে যথাযথ সিল না থাকার অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বিএসটিআই আইন, ২০১৮ এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় ৭টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৭টি পৃথক মামলায় মোট ৬০,০০০ (ষাট হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়। এছাড়া, অন্যান্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে পণ্যে আমদানিকারকের যথাযথ সিল ও অনুমোদন সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে সতর্ক করা হয়েছে।অভিযানে জব্দকৃত নিষিদ্ধ কসমেটিকস তাৎক্ষণিকভাবে বিনষ্ট করা হয়।জনস্বার্থে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার খরুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তালা কেটে অফিস কক্ষে চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে বিদ্যালয়ের একটি সরকারি প্রজেক্টর ও নগদ অর্থ চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গতরাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে অফিসে রাখা সরকারি প্রজেক্টর ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। সকালে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এসে তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পেয়ে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানান। ঘটনার পর বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গোপালপুর থানা-এ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেছে।থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে উদ্বেগ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত চুরি হওয়া সরকারি মালামাল উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ টাকাসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিজস্ব সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারে, (১৮ ফেব্রুয়ারি) বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত ডিএনসির এক চৌকস টহল দলের পরিচালিত অভিযানে শিবগঞ্জ থানাধীন নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের একটি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে মো: সুহেল রানা (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নের নয়ালাভাঙ্গা গ্রামের মৃত ফজলার রহমানের ছেলে । এ সময় গ্রেফতারকৃত সুহের রানার কাছ থেকে ৪০০ (চারশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং নগদ ২,০২,১১০ (দুই লক্ষ দুই হাজার একশত দশ) টাকা বাংলাদেশী অর্থ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো: রফিকুল ইসলাম। তিনি বাদী হয়ে শিবগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকবিরোধী চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশের অভিযানে ৪৮ ঘণ্টায় গ্রেফতার ২৯ জন ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ অভিযানে নেমেছে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ। গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা, মাদক উদ্ধার ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত সর্বমোট ২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্র জানায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও জোরদার করতে সম্মানিত পুলিশ সুপার, মুন্সীগঞ্জ জেলার নির্দেশনায় সকল থানা ও ইউনিট ইনচার্জদের মাঠ পর্যায়ে থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় সমন্বিত অভিযান চালিয়ে এসব আসামিকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে প্রিভেন্টিভ আটক, নিয়মিত মামলার আসামি, মাদক ব্যবসায়ী এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা রয়েছে। অভিযানের সময় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশ সুপার জানান, অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি জেলার জনগণকে অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানান এবং নিরাপদ মুন্সীগঞ্জ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
টাঙ্গাইলে র্যাবের পৃথক অভিযানে ১৪৫ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি অভিযানে ১৪৫ বোতল অবৈধ মাদক দ্রব্য ফেনসিডিলসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার এবং একটি অপহরণ মামলার ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প।এলেঙ্গায় চেকপোস্টে ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারর্যাব জানায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টার দিকে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় জমজম পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।আটকরা হলেন— মোঃ আব্দুল লতিফ (৪৩) ও মহাঃ সনু আলী (৩৬)। তাদের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা বাসের বক্সে ফলের কার্টনের ভেতরে বিশেষ কায়দায় ফেনসিডিল লুকিয়ে রাখার কথা স্বীকার করে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তল্লাশি চালিয়ে ১৪৫ বোতল ফেনসিডিল, দুটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৪৭০ টাকা জব্দ করা হয়।উদ্ধারকৃত ফেনসিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধারঅন্যদিকে অপহরণ মামলার এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে র্যাব। মামলা সূত্রে জানা যায় অভিযুক্ত মোঃ নাইম (১৯) প্রতিবেশী হওয়ায় ভিকটিমের সঙ্গে পরিচয়ের সূত্রে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। ভিকটিম অসম্মতি জানালে ১৪ জানুয়ারি বিকেলে স্কুল থেকে ফেরার পথে তাকে জোরপূর্বক সিএনজিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।এ ঘটনায় কালিহাতী থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭/৩০ ধারায় মামলা (নং-২২ তারিখ: ২০ জানুয়ারি ২০২৬) দায়ের করা হয়।পরবর্তীতে ১৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টা ১০ মিনিটে ছয়াবাড়ি এলাকা, ঘাটাইল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপহৃত ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত ভিকটিমকে নিরাপদ হেফাজতে প্রদানের লক্ষ্যে তাদের কালিহাতী থানা-এ হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব জানায় মাদক ও অপরাধ দমনে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের অভিযানে ২৪ জন গ্রেপ্তার প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় ২৪ ঘণ্টায় জোরালো অভিযান ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং অপরাধ দমন ওআইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জোরদার অভিযানপরিচালনা করেছে জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের সমন্বিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ নিয়মিতমামলাপরোয়ানাভুক্ত এবং অন্যান্য উদ্ধারসংক্রান্ত অভিযানে সর্বমোট ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জানা গেছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং পরোয়ানা তামিলের লক্ষ্যে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের কঠোর অবস্থানে থেকে মাঠপর্যায়ে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার। নির্দেশনা অনুযায়ী দিন-রাত ব্যাপক তল্লাশি ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অপরাধ দমনে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সিপিএসসি ও সিপিসি-৩ র্যাব-১৪ এর অভিযানে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং র্যাব-১৪ এর সিপিএসসি, ময়মনসিংহ এবং সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল-এর যৌথ অভিযানে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া থানায় দায়েরকৃত ৫ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি মোঃ এছাহাক আলী (৪১) কে গ্রেফতার করা হয়েছে।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের মা-বাবা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় অবস্থান করায় শিশুটি নানার বাড়িতে থাকত। গত ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকায় ভিকটিমের নানা তাকে সঙ্গে নিয়ে কৃষি জমিতে কাজ করতে যান। ধৃত আসামি মোঃ এছাহাক আলী, যিনি ভিকটিমের পাড়াপ্রতিবেশী, একই দিন আনুমানিক ১১:৩৫ ঘটিকায় শিশুটিকে কৃষিক্ষেত্র থেকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয়।পরবর্তীতে আনুমানিক ১১:৪০ ঘটিকায় সে শিশুটিকে বিভিন্ন খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ঘটনাস্থল ত্যাগের পূর্বে শিশুটিকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বাড়ির নিকটবর্তী স্থানে রেখে পালিয়ে যায়।এ ঘটনায় ভিকটিমের খালা বাদী হয়ে ফুলবাড়ীয়া থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২৫) এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর-০৪, তারিখ-০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। মামলা রুজুর পর থেকেই র্যাব-১৪ এর সিপিএসসি ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং আসামিকে গ্রেফতারে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৪ এর সিপিএসসি ও সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল-এর একটি যৌথ আভিযানিক দল ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৭০০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানার কুতুবপুর বড় চাওনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন গ্রেপ্তার মাদক ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি ধরতে পুলিশের বিশেষ অভিযান ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ইং জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধ দমনে টানা অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্তসহ মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মাদকদ্রব্য উদ্ধার, পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং চলমান মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে জেলার সব থানা ও ইউনিটকে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তার দিকনির্দেশনায় সমন্বিতভাবে এ অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযানে প্রিভেন্টিভ আটক ছাড়াও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং বিভিন্ন নিয়মিত মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, মাদক চুরি-ডাকাতি সন্ত্রাসসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি শহর ও গ্রামীণ এলাকায় টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০ প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিসহ মোট ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে পরিচালিত এ অভিযানে পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনা এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধারে জোরালো তৎপরতা চালানো হয়। পুলিশ সূত্র জানায়, মাদক, সন্ত্রাস, চুরি-ডাকাতি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলার সব থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রিভেন্টিভ আটক ছাড়াও একাধিক নিয়মিত মামলার আসামি এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানায় অভিযানের সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের যাচাই-বাছাই, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্ট স্থাপন এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ টহল জোরদার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
র্যাব-১৪-এর অভিযানে ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতার সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের তৎপরতায় পলাতক দুলাভাই আটক ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর থানায় দায়ের হওয়া এক আলোচিত ধর্ষণ মামলার আসামি মোঃ সাঈদ হাসান সেতু (২৬) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের আভিযানিক দল।র্যাবের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি ভিকটিমের পূর্বপরিচিত এবং সম্পর্কে চাচাত দুলাভাই। পারিবারিক সম্পর্কের সূত্র ধরে ভিকটিমের বাড়িতে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সে ভিকটিমকে অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৫ মার্চ ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে ভিকটিমের শয়নকক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের ফলে ভিকটিম আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে ফুলপুর থানা-এ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২৫) এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৩, তারিখ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬)।মামলার পর থেকেই আসামি পলাতক ছিল। র্যাব-১৪-এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প গোয়েন্দা নজরদারি ও ছায়াতদন্তের মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ সন্ধ্যা ৬টার দিকে টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর থানাধীন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ফুলপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১২ জন গ্রেপ্তার প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় ২৪ ঘণ্টায় জোরদার সাফল্য ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় সর্বমোট ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন থানা ও ইউনিটের সমন্বিত অভিযানে এ সাফল্য অর্জিত হয়।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ পলাতক আসামি গ্রেপ্তার এবং নিয়মিত মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠপর্যায়ে সক্রিয় থেকে অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।পুলিশ সুপার তার নির্দেশনায় বলেন অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল জোরদার গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না। তাঁর নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশ জানায়গ্রেপ্তারদের মধ্যে প্রিভেন্টিভ ধারায় আটক ব্যক্তি ছাড়াও নিয়মিত মামলার আসামি ও আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিরা রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে অপরাধ প্রতিরোধ ও মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি জনগণের সহযোগিতা কামনা করে জেলা পুলিশ তাদের সচেতনতামূলক বার্তায় বলেছে।
পৃথক অভিযানে হত্যা মামলার ৩ আসামিসহ ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার সিপিসি-৩ র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল কর্তৃক পৃথক পৃথক অভিযানে একটি হত্যা মামলার তিনজন এজাহারনামীয় আসামি এবং একটি ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।মামলার বিবরণে জানা যায় নিহত কোরপান আলী (৭০) তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে একই গ্রামে পাশাপাশি বসবাস করতেন। নিহতের স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন।গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. কোরপান আলী ও তার স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের একপর্যায়ে স্ত্রী মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বাড়ির বাইরে কাঁচা রাস্তায় অবস্থান নেন। আনুমানিক বিকাল ৫টার দিকে কোরপান আলী তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে গেলে বিবাদীগণ তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।পরবর্তীতে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে গত ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান (২২) বাদী হয়ে সখিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৫(০১)২৫ তারিখ-২৫/০১/২০২৬ খ্রি.ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড)।মামলাটি রুজুর পর তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে।এরই ধারাবাহিকতায় ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি.সকাল ১০:৪০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল সদর থানাধীন ছোট কালিবাড়ি বিশ্বাস বেতকা এলাকা থেকে ৪নং আসামি রাসেল মিয়া (৩৭),দুপুর ১২:৫০ ঘটিকায় টাঙ্গাইল সদর থানাধীন করোটিয়া এলাকা থেকে ৫নং আসামি মর্জিনা বেগম (৩২)এবংএকই দিন বিকাল ৩:২০ ঘটিকায় গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন মাওনা চকপাড়া এলাকা থেকে এজাহারনামীয় ১নং আসামি মোহাম্মদ আলী (৬০)কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব।মামলার বিবরণে জানা যায়,ধৃত আসামি মিলন (৩৫) অন্যান্য সহযোগীদের সহায়তায় ভিকটিমের নগ্ন ছবি ও ভিডিও কৌশলে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন সময়ে এক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করে। একই সঙ্গে ভিকটিমকে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে মোবাইল ফোনে নিয়মিত হুমকি প্রদান করতে থাকে।গত ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি. সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ভিকটিম তার সন্তানদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দেওয়ার পথে আসামি মিলন ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে গিয়ে ছুরি দিয়ে হত্যার হুমকি প্রদর্শন করে শারীরিক নির্যাতনের মাধ্যমে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে।পরবর্তীতে ভিডিওটি ব্যবহার করে ভিকটিমকে পুনরায় ধর্ষণ ও হয়রানির হুমকি দেওয়া হলে ভিকটিম বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৩৮(১০)২৫, তারিখ-১৮/১০/২০২৫ খ্রি.; ধারা- ৮(১)/৮(২) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১)/৯(৪)(খ); তৎসহ ৩২৩/৩০৭ পেনাল কোড)।মামলাটি রুজুর পর ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত ৩:০০ ঘটিকায় র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প টাঙ্গাইল সদর থানাধীন গালুটিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মিলন (৩৫) কে গ্রেফতার করে।গ্রেফতারকৃত সকল আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গাজীপুরে র্যাবের বড় অভিযান ৩৬৬ বোতল ফেন্সিডিলসহ চার মাদক ব্যবসায়ী আটক জব্দ করা হয়েছে মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ও মোবাইল৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৪ এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল উদ্ধারসহ চারজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। অভিযানে ৩৬৬ বোতল ফেন্সিডিল ছাড়াও একটি নোহা মাইক্রোবাস, একটি মোটরসাইকেল চারটি মোবাইল ফোন এবং মাদক বেচাকেনার নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।র্যাব সূত্র জানায়, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানাধীন কেওয়া নতুন বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ইব্রাহিম বেডিংয়ের সামনে পাকা রাস্তা থেকে চার মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।আটককৃতরা হলেন—মোঃ শহিদুল ইসলাম (৫৫), জেলা: ঠাকুরগাঁও;মোঃ হাদিল (৩৯), জেলা: গাজীপুর; মোঃ নওশাদ (২৯), জেলা: ঠাকুরগাঁও এবং মোঃ শহিদুল ইসলাম ওরফে জুয়েল (৩৩), জেলা: ঠাকুরগাঁও।আটকের পর উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি মাইক্রোবাসে ফেন্সিডিল বহনের কথা স্বীকার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাইক্রোবাসের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৩৬৬ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত ফেন্সিডিলের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। একই সঙ্গে ব্যবহৃত নোহা মাইক্রোবাস, একটি মোটরসাইকেল, চারটি মোবাইল ফোন এবং নগদ তিন হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদের গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-১৪ কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, মাদক নির্মূলে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের অভিযানে গোমস্তাপুর উপজেলায় গাঁজাসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি ) বিকেল ৪টা দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর থানাধীন বোগলা কাঁঠাল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— গোমস্তাপুর থানাধীন সাদেকুল ইসলাম ফিটুর স্ত্রী মোসা: সুলেখা বেগম (৪১), সুলেখা বেগমের স্বামী সাদেকুল ইসলাম, ফিটু (৩৫), পিতা সুলতান বাস্ফোরে ছেলে শ্রী সোহেল বাস্ফোর (৩৬), এই তিনজনই গোমস্তাপুর থানার বাসিন্দা। অভিযানে তাদের কাছ থেকে মোট ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে পৃথকভাবে ২০০ গ্রাম, ৫০ গ্রাম ও ৫০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। পরে গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ প্রসিকিউশন দাখিল করেন। সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব উম্মে সালমা রুমা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। আদালত প্রথম আসামি মোসা: সুলেখা বেগমকে ৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় আসামিকে ১ (এক) মাস ২৫ (পঁচিশ) দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে ৫০০ (পাঁচশত) টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ঘাটাইলে র্যাবের চেকপোস্টে ১৩১ গ্রাম হেরোইনসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় র্যাব-১৪-এর একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইনসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ ১০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে র্যাব।র্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে র্যাব-১৪-এর সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল ঘাটাইল থানার টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কের দক্ষিণাশ্বর এলাকায় ব্রাহ্মণ শাসন মন্দিরের সামনে পাকা সড়কে একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে। এ সময় জামালপুর অভিমুখী ‘সীমান্ত’ নামক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে রাজশাহী জেলার বাসিন্দা মোঃ তৌফিক আহমেদ (৩২) নামের এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ তল্লাশি করে পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে ১ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।পরবর্তীতে আরও গভীর তল্লাশির একপর্যায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিশেষ কৌশলে পায়ুপথে লুকিয়ে রাখা অতিরিক্ত ১৩০ গ্রাম হেরোইন বহন করছিলেন বলে নিশ্চিত হয় র্যাব। এ সময় হেরোইন ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নগদ ২ হাজার ৪৯০ টাকা এবং একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।র্যাব জানায়, উদ্ধারকৃত মোট ১৩১ গ্রাম হেরোইনের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাকে ঘাটাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব-১৪-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
ডিবি (উত্তর), ঢাকা জেলা-০৩/০২/২০২৬ খ্রি. ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) কর্তৃক চোরাই মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তনের সফটওয়্যার, একটি ল্যাপটপ, IMEI নম্বর পরিবর্তিত ০৯ টি চোরাই মোবাইল ফোন, চোরাই মোবাইল ফোনের লক খোলার বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ও নগদ অর্থসহ ০২ জন গ্রেফতার।ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার, ঢাকা মহোদয়ের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ সাইদুল ইসলাম এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ আরিফুল ইসলাম সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ গত ০২/০২/২০২৬ খ্রি. তারিখ ২২:৩০ ঘটিকায় সাভার মডেল থানাধীন সাভার সিমলিম টাওয়ার মার্কেট এর ভিতর হইতে চোরাই মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তন চক্রের সদস্য ১। জালাল (৪০), পিতা-মৃত বাবর আলী, মাতা-রেজিয়া, সাং-উত্তর চাপাইন লালটেক, পোস্ট-সিআরপি, থানা-সাভার, জেলা-ঢাকা, ২। মোঃ ইকরামুল হোসেন (২৫), পিতা-আব্দুল কুদ্দুস, মাতা-জাইদা বেগম, সাং- সুলতানপুর, থানা-দামুড়হুদা, জেলা-চুয়াডাঙ্গা, এ/পি সাং-শাহীবাগ (মুন্সিভবন), থানা-সাভার, জেলা-ঢাকাদ্বয়কে ১। চোরাই মোবাইল ফোনের IMEI নম্বর পরিবর্তনের সফটওয়্যার, ২।০১ (এক) টি ল্যাপটপ, ৩। IMEI নম্বর পরিবর্তিত ০৯ টি চোরাই মোবাইল ফোন, ৪। চোরাই মোবাইল ফোনের লক খোলার বিভিন্ন সরঞ্জামাদি ও ৫। নগদ ৯০০/- (নয়শত) টাকাসহ গ্রেফতার করেন । তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ধৃত ২নং আসামী IMEI নম্বর পরিবর্তন চক্রের মূল হোতা। তাদের দলে ১০-১২ জন সদস্য রয়েছে যারা রাস্তায় চুরি, ছিনতাই ও লুণ্ঠনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মোবাইল ফোন সংগ্রহ করে ১নং আসামীর কাছে হস্তান্তর করতো। পরবর্তীতে তারা IMEI পরিবর্তন করে ঢাকা সাভার ও আশপাশের এলাকায় গোপনে বিক্রি করতো।উক্ত গ্রেফকারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা রুজু পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ৮ জন গ্রেপ্তার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযানে প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত এবং নিয়মিত মামলার মোট ৮ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্র জানায়, মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তারে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের মাঠে থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল। তাঁর নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় গত ২৪ ঘণ্টায় পরিচালিত অভিযানে প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা, অন্যান্য উদ্ধারজনিত মামলা ও পরোয়ানামূলে এসব গ্রেপ্তার সম্পন্ন হয়। জেলা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের টানা অভিযানে ১৮ জন গ্রেপ্তার ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে টাঙ্গাইলের প্রিভেন্টিভ পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিরা আটক অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ, পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্র জানায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার জোরদার করতে জেলার সকল থানা ও ইউনিটের অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের মাঠ পর্যায়ে থেকে কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করেন সম্মানিত পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল।এরই ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রিভেন্টিভ মামলার আসামি ছাড়াও নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত একাধিক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয় টাঙ্গাইলে অপরাধ দমন মাদক নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। যে কোনো ধরনের অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য পেলে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার জন্য সর্বসাধারণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
কালিহাতিতে আচরণবিধিমালা প্রতিপালনে যৌথ পেট্রোলিং জরিমানা ১১ হাজার টাকা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আচরণ বিধিমালা প্রতিপালন নিশ্চিত করতে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতি) আসনের নির্বাচনী এলাকাজুড়ে যৌথ পেট্রোলিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।অদ্য শনিবার (৩১ জানুয়ারি ২০২৬) তারিখে আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনে নিয়োজিত বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ ফোর্স নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ যৌথ পেট্রোলিং পরিচালনা করে। এসময় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর বিধি ৯ (ক) লঙ্ঘনের দায়ে বিধি ২৭ (ক) অনুযায়ী দুইজন প্রার্থীর সমর্থকের বিরুদ্ধে ২টি পৃথক মামলায় মোট ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়।এছাড়াও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর অধীনে ১টি মামলায় ১ জনকে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও আদায় করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন আচরণ বিধিমালা প্রতিপালনে নিয়োজিত বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কালিহাতি টাঙ্গাইল।মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকল সম্মানিত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের নির্বাচন কমিশনের আচরণ বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে প্রচারণা চালানোর জন্য সতর্ক করা হয়।
মুন্সীগঞ্জে পুলিশের টানা অভিযানে ৪৮ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১৯ মাদক পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান মুন্সীগঞ্জ ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ইং তারিখে মুন্সীগঞ্জ জেলায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ মাদক পরোয়ানাভুক্ত ও নিয়মিত মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায় সম্মানিত পুলিশ সুপার, মুন্সীগঞ্জ মহোদয়ের সরাসরি নির্দেশনায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে প্রিভেন্টিভ মামলার আসামি মাদক ব্যবসায়ী পরোয়ানাভুক্ত আসামি এবং নিয়মিত মামলার পলাতক আসামিরা। অভিযানে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনানুগ প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা পুলিশ আরও জানায়, মুন্সীগঞ্জকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ যে কোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।এদিকে জেলা পুলিশের এই অভিযানে সাধারণ জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সচেতন মহল পুলিশের এমন তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।
র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।
মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।