গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ (২৮-০২-২০২৬) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের আয়নাপুর বাজারে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। তিনি সকলকে মানবিক মূল্যবোধ চর্চা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে টেকসই উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের কৃষক ও খামারিদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যার সুফল সাধারণ মানুষ ভোগ করছে। আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালিত হয়। পরে উপস্থিত সবার সঙ্গে ইফতারে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের সরাসরি সম্পৃক্ততা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের সেতুবন্ধন আরও দৃঢ় করবে। অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি আজ (২৭-০২-২০২৬) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমবায় সমিতির সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সমবায় সদস্যরা। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সমিতির বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুমোদন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে সমবায় সমিতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে সমবায় খাত আরও গতিশীল হবে। কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর রেলস্টেশন দিনে নীরবতা আর রাতে অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, রাতের অন্ধকারে স্টেশন চত্বরে মাদকসেবী ও জুয়াড়ুরা জমায়েত করে এবং পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ পতিতাবৃত্তির ঘটনাও ঘটে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র জানায়, যমুনা সার কারখানার সরবরাহ ও যোগাযোগ সুবিধার জন্য ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০০০ সালে ঢাকা–যমুনা সেতু–জামালপুর রেললাইন নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১১ সালে ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথের নির্মাণ শেষ হয়। এই লাইনে ৫২টি ব্রিজ-কালভার্ট ও চারটি রেলস্টেশন তৈরি করা হয়, যার একটি হেমনগর স্টেশন। উদ্বোধনের পর প্রথম আড়াই থেকে তিন বছর স্টেশনটি স্বাভাবিকভাবে চালু ছিল। কিন্তু এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এটি বন্ধ। বর্তমানে কোনো স্থায়ী জনবল নেই। স্টেশন মাস্টার, টিকিট ক্লার্ক ও নিরাপত্তাকর্মী অনুপস্থিত থাকায় অফিস কক্ষ, আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম নষ্ট বা চুরি হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দিনের বেলায় স্টেশন ফাঁকা থাকলেও রাতের অন্ধকারে এটি অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। স্টেশনের আবাসিক ভবন ও চত্বরে আগাছা, ঝোপঝাড় এবং ময়লা জমে আছে। পর্যাপ্ত আলো না থাকার কারণে রাতে পরিবেশ ভুতুড়ে মনে হয়। হেমনগর ও আশপাশের গ্রামবাসী দাবি করছেন, স্টেশনটি পুনরায় চালু হলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সুবিধা হবে। একই সঙ্গে এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমেও তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।
ইরানের আধাসামরিক বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে যে তারা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের "প্রথম ধাপ" চালু করেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে তারা আরও হামলার পরিকল্পনা করছে।
আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে দেশটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে "কিছু" ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আবুধাবির একটি আবাসিক এলাকায় বোমার আঘাতে কিছু বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে এবং একজন এশীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। "মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, বেসামরিক বস্তু, সুযোগ-সুবিধা এবং জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রের স্পষ্ট প্রত্যাখ্যানের উপর জোর দিয়েছে এবং জোর দিয়ে বলেছে যে এই ধরনের কাজ একটি বিপজ্জনক বৃদ্ধি এবং একটি কাপুরুষোচিত কাজ যা বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এবং স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করে," এতে বলা হয়েছে। "মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে এই লক্ষ্যবস্তু হামলা জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, এবং রাষ্ট্র এই উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া জানানোর এবং তার ভূখণ্ড রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করে," বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, এটি "যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং প্রস্তুত"।
🔹কাতারে অবস্থিত ৫,০০০ কিলোমিটার পরিসরের আমেরিকান FP132 রাডারটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে, যার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ট্র্যাক করার জন্য পরিচালিত অনন্য সরঞ্জাম রয়েছে। 🔹এই রাডারটি একটি ওভার-দ্য-হরাইজন (OTH) ধরণের, যা প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কে "প্রাথমিক সতর্কতা" বা প্রারম্ভিক সতর্কতা রাডার হিসাবে পরিচিত। এই সিস্টেমের কার্যকারিতা এমন যে কোনও প্রজেক্টাইল বা ক্ষেপণাস্ত্র ভূমি থেকে উড়ে যাওয়ার সাথে সাথে এটি এটি সনাক্ত করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাধা এবং ধ্বংসের জন্য কমান্ড সেন্টারে গতিবিধির প্রাথমিক দিক এবং পথ প্রেরণ করে। 🔹এই রাডারটি ধ্বংস করার অর্থ হল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য প্রারম্ভিক সতর্কতা স্তরটি নির্মূল করা। এই পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা হারানোর সাথে সাথে, ইহুদিরা আর গুলি চালানোর প্রাথমিক সতর্কতা পেতে সক্ষম হবে না এবং ফলস্বরূপ, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবেলা করার তাদের কার্যকরী সুযোগ মারাত্মকভাবে সীমিত হয়ে যাবে। 🔹প্রযুক্তিগতভাবে, অধিকৃত অঞ্চলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আগে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের প্রতিক্রিয়া জানাতে প্রায় ৭ মিনিট সময় ছিল; কিন্তু এই রাডার ধ্বংসের সাথে সাথে, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি প্রায় ২ মিনিটে কমে গেছে, যা তাদের প্রতিরক্ষা ক্ষমতার জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
প্রথম আলো ও The Daily Star-এ হামলা দুই মাসের মধ্যে চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে দৈনিক প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় আগামী দুই মাসের মধ্যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। শনিবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে প্রথম আলোর পুড়িয়ে দেওয়া ভবনে আয়োজিত প্রথম আলোর আক্রান্ত ও অগ্নিদগ্ধ ভবন নিয়ে একটি শিল্প আয়োজন শীর্ষক বিশেষ প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ নির্দেশনা দেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন চার্জশিট দাখিলের পর মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হবে। আমরা চাই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হোক যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। তিনি আরও বলেন এ ঘটনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। বিশ্ববাসীর কাছে ভুল বার্তা গেছে যে দেশে সংবাদপত্রের ওপর হামলা করা যায়।তিনি মন্তব্য করেন প্রগতিবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদী শক্তি দেশের অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিতে চায়। তবে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—তারা কখনও সফল হয়নি। দৃষ্টান্তমূলক বিচারের মাধ্যমে আমরা বিশ্বকে উল্টো বার্তা দিতে চাইবাংলাদেশের অগ্রগতি কেউ থামাতে পারবে না।মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে স্বাধীন গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসে সরকার সে অঙ্গীকার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড.খলিলুর রহমান বলেন এই হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি বলেন আজ আমরা অঙ্গীকার করতে পারি—এ ধরনের ঘটনা দেশে আর ঘটতে দেওয়া হবে না। এটি শুধু সরকারের নয় সমগ্র সমাজের দায়। প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন কোনো পত্রিকার নিজস্ব মতাদর্শ থাকতে পারে। তার সমালোচনা হতে পারে নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে। কিন্তু হামলা অগ্নিসংযোগ বা সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় তিনি সতর্ক করে বলেন ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটালে সাধারণ নাগরিকদেরও তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্য ডেইলি স্টারের ক্ষতিগ্রস্ত কার্যালয় ও ধ্বংসস্তূপ পরিদর্শন করেন।
ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদির প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া আমাদের সামনে এসেছে, যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক পরোক্ষ আলোচনার মধ্যস্থতাকারী ছিলেন। একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে, আলবুসাইদি বলেছেন যে আজকের হামলায় তিনি "হতাশ"। "সক্রিয় এবং গুরুতর আলোচনা আবারও ক্ষুণ্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বা বিশ্ব শান্তির কারণ কোনটিই ভালোভাবে পূরণ হচ্ছে না। এবং আমি নিরপরাধদের জন্য প্রার্থনা করছি যারা ভুক্তভোগী হবেন," তিনি আরও যোগ করেন। "আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করছি যেন তারা আর এতে জড়িয়ে না পড়ে। এটা তোমাদের যুদ্ধ নয়।"
ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার–এর কমান্ডার মেজর জেনারেল আলি আবদোল্লাহি ঘোষণা দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস–৪’ কোনোভাবেই থামবে না। শনিবার তেহরানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “ইসলামিক ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনের প্রকাশ্য আগ্রাসনের জবাবে, দখলকৃত সব অঞ্চল এবং অঞ্চলে থাকা অপরাধী মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের শক্তিশালী হামলার মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “শত্রুর সম্পূর্ণ পরাজয় না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।” মেজর জেনারেল আবদোল্লাহি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের প্রেক্ষাপটে পুরো অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, সম্পদ ও স্বার্থ এখন থেকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর বৈধ লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি দেশের জনগণকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী দেশ, জাতি ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় ও শক্তিশালী অবস্থান বজায় রাখবে। এর আগে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানায়, ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার একটি বড় ধাপ শুরু হয়েছে। আইআরজিসি জানায়, “ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে শত্রুপক্ষের আগ্রাসনের জবাবে দখলকৃত অঞ্চল লক্ষ্য করে ইরানের বিস্তৃত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রথম ধাপ শুরু হয়েছে।”
নেত্রকোণার দুর্গাপুর-এ ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপজেলা ও পৌর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি এর উদ্যোগে দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় এবং ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভূমি প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় উপলক্ষে এক ধর্মীয় আবহে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, মিলাদ ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা হয় এবং দেশ, জাতি ও নেত্রকোণাবাসীর কল্যাণ কামনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি। তিনি বক্তব্যে আল্লাহর রহমতের কথা স্মরণ করে সবাইকে রমজানের শিক্ষা—সংযম, তাকওয়া ও মানবসেবার আদর্শ—অনুসরণের আহ্বান জানান। ইফতার শেষে এক অনন্য দৃশ্যের অবতারণা হয়। ২৮/২/২৬ তারিখে শনিবার দুপুর ২ টার দিকে যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাতে তুলে নেন ঝাড়ু ও বর্জ্যের ব্যাগ। ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানস্থলকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে তারা সম্মিলিতভাবে বর্জ্য অপসারণে অংশ নেন। যেন ইবাদতের অংশ হিসেবেই তারা পরিচ্ছন্নতার এই কাজটি সম্পন্ন করেন। ইসলামে পরিচ্ছন্নতাকে ঈমানের অংশ বলা হয়েছে—সেই শিক্ষাকে বাস্তবে ধারণ করেই তারা দেখিয়েছেন দায়িত্বশীলতা ও সামাজিক সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। উপস্থিত অনেকেই এই উদ্যোগকে প্রশংসা করেন এবং বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি এমন পরিবেশবান্ধব সচেতনতা সমাজের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করে। বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সদস্য সচিব পৌর যুবদল আল ইমরান সম্রাট গনি, সহ ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক পৌর বিএনপি মাহমুদুল হাসান রুমি, যুগ্ন আহবায়ক পৌর ছাত্রদল সালমান মুক্তাদির, সিনিয়র সহ-সভাপতি সুসং কলেজ ছাত্রদল রুবেল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জনি, মোঃ কামরুল ইসলাম, ইলিয়াস আহমেদ, রিফাত, আরিফ ও রানা প্রমুখ । অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। দেখা গেল এক অনন্য দৃশ্য—যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা , দায়িত্বশীল রাজনীতি মানে শুধু বক্তব্য নয়, কাজের মধ্য দিয়েই তার প্রতিফলন। ইসলামে পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অংশ—এই চেতনাকে ধারণ করেই তারা দেখিয়েছেন সামাজিক দায়বদ্ধতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। শুকরিয়ার ইফতার থেকে পরিচ্ছন্নতার বার্তা—দুর্গাপুর আজ গর্বিত এই সচেতন ও মানবিক উদ্যোগে। খনই তা সমাজে সত্যিকারের ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দেয়।
টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলে কৃষি প্রণোদনা ও সড়ক উন্নয়নে দ্বিমুখী উদ্যোগ ৩৯০ কৃষকের মাঝে সেচযন্ত্র, ৩৫০ জনকে পাটের বীজ-সার বিতরণ ধুলেরচর–আমতলা সংযোগ সড়কের উদ্বোধন ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে বাংলাদেশের চরাঞ্চলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের চলমান কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ একাধিক উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)এর আওতায় ১৩টি কৃষক গ্রুপের ৩৯০ জন উপকারভোগীর মাঝে বিনামূল্যে এলএলপি সেট (লো লিফট পাম্প) ও ক্যানভাস পাইপ বিতরণ করা হয়। একইসঙ্গে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় খরিফ-১ মৌসুমে পাট উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে উন্নতমানের পাটের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক। অনুষ্ঠানে কৃষি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন চরাঞ্চলের কৃষকদের দীর্ঘদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি ব্যবস্থাপনা ও সরাসরি প্রণোদনা সহায়তা জোরদার করেছে। সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ ও মানসম্মত বীজ-সার সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং ফলন বৃদ্ধি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে—এই নীতিতে সরকার কাজ করছে।জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে প্রান্তিক কৃষকের হাতে পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ তৎপর রয়েছে। কৃষি খাতে সরকারের ধারাবাহিক বিনিয়োগ গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।এরপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক বাস্তবায়িত ধুলেরচর মাদ্রাসা মোড় হতে জেলা সদর আমতলা মোড় পর্যন্ত সংযোগ সড়কের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টরা জানান নতুন এ সড়ক চালু হওয়ায় চরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াত সহজতর হবে এবং কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাতকরণে নতুন গতি সঞ্চার হবে। অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় কৃষক ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা ও জনসেবায় জোর দিলেন মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ২৮/০২/২৬ তারিখে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি মহোদয়। এর আগে মাননীয় মন্ত্রী বহুল প্রত্যাশিত সাথীর মোড় থেকে টুটুল ট্রেডার্স পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়।উদ্বোধন শেষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন প্রত্যেক দপ্তরকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ জনসেবা নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি সেবার মান উন্নয়নে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। তিনি কর্মকর্তাদের জনগণের প্রত্যাশা ও আস্থা রক্ষায় আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।মন্ত্রী আরও বলেন একটি মাদকমুক্ত ও দখলবাজমুক্ত মধুপুর গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার। এ লক্ষ্যে প্রশাসনের সকল স্তরে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। যেকোনো অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তর প্রধানদের নির্দেশনা প্রদান করেন। সভায় উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় সভায় প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়।
মার্কিন সিনেটর Edward J. Markey ইরানের বিরুদ্ধে বর্তমান প্রেসিডেন্ট Donald Trump–এর সামরিক হামলাকে “অবৈধ ও অসাংবিধানিক” বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন। এক বিবৃতিতে মার্কি বলেন, এই হামলা কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই পরিচালিত হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল। তার মতে, প্রেসিডেন্টের একতরফা সামরিক পদক্ষেপ শুধু আইনি প্রশ্নই তোলে না, বরং মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়ায়। এতে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত মার্কিন সেনা ও বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। মার্কির অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের পারমাণবিক হুমকিকে অতিরঞ্জিত করেছে। “অপারেশন মিডনাইট হ্যামার” নামের অভিযানে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ‘নিশ্চিহ্ন’ করার দাবি করা হলেও বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio স্বীকার করেছেন যে ইরান বর্তমানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করছে না। মার্কির ভাষায়, সামরিক হামলার আগে কূটনৈতিক সমাধানের যথেষ্ট সুযোগ ছিল এবং এখনও আছে। বিবৃতির শেষাংশে তিনি বলেন, “এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের তৈরি একটি সংকট। আমেরিকান জনগণ মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ চায় না। তারা চায় না তরুণ নারী-পুরুষদের বিদেশে অনির্দিষ্ট যুদ্ধের ময়দানে পাঠানো হোক, যখন দেশের ভেতরে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবার খরচ নিয়ে সংগ্রাম করছে।” মার্কি সতর্ক করে দেন, প্রেসিডেন্ট যদি অবিলম্বে এই সামরিক পদক্ষেপ বন্ধ না করেন, তবে কংগ্রেসকে সাংবিধানিক ক্ষমতা ব্যবহার করে হস্তক্ষেপ করতে হবে। তার স্পষ্ট অবস্থান—ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো যুদ্ধে জড়ানো উচিত নয়।
বাহরাইন জানিয়েছে যে মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম নৌবহরের সদর দপ্তর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। এটি আক্রমণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে অন্য কোনও তথ্য দেয়নি।
শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি অভিযানটি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সমন্বিতভাবে পরিচালিত হয়েছিল, একজন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন। কর্মকর্তা আরও বলেন, অভিযানটি কয়েক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং উৎক্ষেপণের তারিখ কয়েক সপ্তাহ আগে নির্ধারণ করা হয়েছিল।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলাগুলিকে "একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি পূর্বপরিকল্পিত এবং অপ্ররোচনামূলক সশস্ত্র আগ্রাসন" বলে অভিহিত করে, সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করার এবং কূটনীতিতে ফিরে আসার দাবি জানিয়েছে। টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে, মন্ত্রণালয় ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ "আড়ালে" রাখার অভিযোগ করেছে, একই সাথে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করছে, সতর্ক করে দিয়েছে যে এই হামলাগুলি এই অঞ্চলে "মানবিক, অর্থনৈতিক এবং সম্ভবত তেজস্ক্রিয় বিপর্যয়" সৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলকে "মধ্যপ্রাচ্যকে অনিয়ন্ত্রিত উত্তেজনার অতল গহ্বরে নিমজ্জিত করার" অভিযোগ করেছে। মস্কো আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সুরক্ষার অধীনে পারমাণবিক স্থাপনাগুলিতে বোমা হামলাকে "অগ্রহণযোগ্য" বলে অভিহিত করেছে এবং বলেছে যে তারা একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানে মধ্যস্থতা করতে সাহায্য করতে প্রস্তুত, একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের উপর উত্তেজনার সম্পূর্ণ দায় চাপিয়েছে।
শনিবার ইসরায়েলের হামলার পর ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন একজন ইরানি কর্মকর্তা। কর্মকর্তা বলেন, প্রতিক্রিয়া ভয়াবহ হতে চলেছে।
তেহরানে একাধিক বিস্ফোরণের খবরের মধ্যেই ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি একটি “প্রতিরোধমূলক হামলা” এবং সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলজুড়ে সাইরেন বাজানো হয়েছে। শনিবার ভোরে তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলীও দেখা গেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেন। হামলার পর রাজধানীজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালান্ট বলেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি আগেই সতর্ক করে বলেছিলেন, “আগামী সপ্তাহগুলো মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।” এদিকে একটি মার্কিন নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরায়েলের গণমাধ্যম চ্যানেল ১৩ জানিয়েছে, এটি একটি “ইসরায়েলি-আমেরিকান যৌথ অভিযান”, যার পরিকল্পনা কয়েক মাস ধরে চলছিল। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাৎক্ষণিক কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি বিবেচনায় দেশজুড়ে জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নাগরিকদের সুরক্ষিত স্থানের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্কুল, জনসমাবেশ এবং অপ্রয়োজনীয় কর্মক্ষেত্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের মধ্যে উভয় দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ও বিস্তারিত প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা করছে আন্তর্জাতিক মহল। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম স্বপন এমপি বলেছেন, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যায়ক্রমে ফ্রি ওয়াইফাই সেবা চালু করা হবে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর, রেলস্টেশন, বাসস্টেশন এবং দূরপাল্লার বাসে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ও ডিজিটাল সেবা সহজলভ্য করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের আইসিটি খাতে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ উদ্যোগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো শক্তিশালী করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু-র সঙ্গে পরামর্শক্রমে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় আইসিটি পার্ক স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের বিদ্যমান তিনটি বড় টেকপার্কে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব টেকপার্কে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আইটি রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মতবিনিময় সভায় তিনি সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অগ্রগতি নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এজন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি। টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুব হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (শিক্ষানবীশ) লাবিবুজ্জামান মুস্তাবীনসহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অংশগ্রহণকারীরা নিজ নিজ দপ্তরের চলমান কার্যক্রম উপস্থাপন করেন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন, ই-সেবা সম্প্রসারণ ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, “প্রযুক্তিনির্ভর সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ (২৭-০২-২০২৬) তারিখে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের সুরুজ বাজারে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে যোগদান করেন। ইফতার মাহফিলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবতার শিক্ষা দেয়। সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদারে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন। একই সঙ্গে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ (২৮-০২-২০২৬) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের আয়নাপুর বাজারে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। ইফতার পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। তিনি সকলকে মানবিক মূল্যবোধ চর্চা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে টেকসই উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের কৃষক ও খামারিদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যার সুফল সাধারণ মানুষ ভোগ করছে। আলোচনা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালিত হয়। পরে উপস্থিত সবার সঙ্গে ইফতারে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান, প্রতিমন্ত্রীর এ ধরনের সরাসরি সম্পৃক্ততা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরকারের সেতুবন্ধন আরও দৃঢ় করবে। অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি আজ (২৭-০২-২০২৬) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিমিটেড-এর ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমবায় সমিতির সভাপতি, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত সমবায় সদস্যরা। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সমিতির বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয় এবং গত বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুমোদন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমবায়ভিত্তিক উন্নয়ন গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে সমবায় সমিতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন প্রণোদনা ও সহায়তা কর্মসূচি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে সমবায় খাত আরও গতিশীল হবে। কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিনি।
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হেমনগর রেলস্টেশন দিনে নীরবতা আর রাতে অসামাজিক কার্যকলাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, রাতের অন্ধকারে স্টেশন চত্বরে মাদকসেবী ও জুয়াড়ুরা জমায়েত করে এবং পরিত্যক্ত ভবনগুলোতে ভ্রাম্যমাণ পতিতাবৃত্তির ঘটনাও ঘটে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র জানায়, যমুনা সার কারখানার সরবরাহ ও যোগাযোগ সুবিধার জন্য ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। ২০০০ সালে ঢাকা–যমুনা সেতু–জামালপুর রেললাইন নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ২০১১ সালে ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথের নির্মাণ শেষ হয়। এই লাইনে ৫২টি ব্রিজ-কালভার্ট ও চারটি রেলস্টেশন তৈরি করা হয়, যার একটি হেমনগর স্টেশন। উদ্বোধনের পর প্রথম আড়াই থেকে তিন বছর স্টেশনটি স্বাভাবিকভাবে চালু ছিল। কিন্তু এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এটি বন্ধ। বর্তমানে কোনো স্থায়ী জনবল নেই। স্টেশন মাস্টার, টিকিট ক্লার্ক ও নিরাপত্তাকর্মী অনুপস্থিত থাকায় অফিস কক্ষ, আসবাবপত্র ও সরঞ্জাম নষ্ট বা চুরি হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, দিনের বেলায় স্টেশন ফাঁকা থাকলেও রাতের অন্ধকারে এটি অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হয়ে দাঁড়ায়। স্টেশনের আবাসিক ভবন ও চত্বরে আগাছা, ঝোপঝাড় এবং ময়লা জমে আছে। পর্যাপ্ত আলো না থাকার কারণে রাতে পরিবেশ ভুতুড়ে মনে হয়। হেমনগর ও আশপাশের গ্রামবাসী দাবি করছেন, স্টেশনটি পুনরায় চালু হলে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সুবিধা হবে। একই সঙ্গে এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমেও তা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।
ইরানের আধাসামরিক বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে যে তারা ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্রের "প্রথম ধাপ" চালু করেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে তারা আরও হামলার পরিকল্পনা করছে।
আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে দেশটি ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দ্বারা লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল এবং বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে "কিছু" ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আবুধাবির একটি আবাসিক এলাকায় বোমার আঘাতে কিছু বস্তুগত ক্ষতি হয়েছে এবং একজন এশীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। "মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে, বেসামরিক বস্তু, সুযোগ-সুবিধা এবং জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলিকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রের স্পষ্ট প্রত্যাখ্যানের উপর জোর দিয়েছে এবং জোর দিয়ে বলেছে যে এই ধরনের কাজ একটি বিপজ্জনক বৃদ্ধি এবং একটি কাপুরুষোচিত কাজ যা বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এবং স্থিতিশীলতাকে ক্ষুণ্ন করে," এতে বলা হয়েছে। "মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে যে এই লক্ষ্যবস্তু হামলা জাতীয় সার্বভৌমত্ব এবং আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, এবং রাষ্ট্র এই উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া জানানোর এবং তার ভূখণ্ড রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্ণ অধিকার সংরক্ষণ করে," বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে, এটি "যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং প্রস্তুত"।