পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল-এর নির্দেশনায় জেলার অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে জোরালো অভিযান টাঙ্গাইল, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের নিয়মিতমাদকবিরোধী ও অপরাধ দমন অভিযান গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৪ জন মূলত মাদক ব্যবসায়ী যারা ইয়াবা ও গাঁজাসহ নেশা জাতীয় অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।অভিযানে মোট ১,১৭৭ পিস ইয়াবা এবং ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও অন্যান্য নিয়মিত মামলার আসামিরাও আইনের আওতায় আনা হয়েছে।জেলা পুলিশ জানায়, এই অভিযান পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের নির্দেশনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং জেলার অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলের জন্য ধারাবাহিক ও জোরালো পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার খুজিউড়া গ্রামে সাত বছরের এক অবুঝ শিশুকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনায় ক্ষুব্দ জনতার রোষানল থেকে অভিযুক্ত শাহজাহানকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই গ্রামে তার নানির বাড়িতেই থাকতো। ন্যক্কারজনক এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারসহ এলাকাবাসী অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘটনার দিন শিশুটি স্কুল থেকে ফিরে অন্য এক মেয়ে শিশুর সাথে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে তারা বাড়ির পাশের খেজুর গাছ থেকে খেজুর কুড়াতে যায়। এসময় অভিযুক্ত শাহজাহান ও তার এক সহযোগী শিশু দুটিকে দেখতে পায়। দুরভিসন্ধি নিয়ে তারা শিশুদের ডাকতে থাকে, কিন্তু শিশুরা যেতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর হঠাৎ করেই অভিযুক্ত শাহজাহান শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে পাশের জঙ্গলে শুকনো দিঘির (পুকুর) ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে খামচে ধরে শারীরিক নির্যাতন ও নিপীড়ন শুরু করে সে। এ সময় দুই শিশুর চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে। আমার নাতির সাথে এমন আচরনের উপযুক্ত বিচার চাই। এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত শাহজাহান নিয়মিত মাদকসেবী এবং এলাকায় তার ব্যাপক দুর্নাম রয়েছে। প্রতিবেশী এক নারী জানান, শাহজাহানের নিজের স্ত্রী ও চার সন্তান রয়েছে। নিয়মিত মাদকসেবন ও অমানুষিক নির্যাতনের কারণে মাস খানেক আগে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছে। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারে পক্ষ থেকে এখানো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নেত্রকোণা জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে ভলিবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্যের সঞ্চার হয়। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুর্গাপুর উপজেলার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই মাঠে ভিড় জমাতে থাকেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা। খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকা উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে। জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নয়, মানসিক বিকাশ এবং সামাজিক বন্ধন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান আনছারি, ডনবস্কো স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক ফাদার পাওয়েল কোচিওলেক, ভাইস প্রিন্সিপাল রুমন রাংসা, দুর্গাপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওয়ালী হাসান কলি, সাধারণ সম্পাদক আরিফ খান এবং সাংবাদিক আল আমিন হাওলাদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রতিযোগিতায় দুর্গাপুর উপজেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চারটি দলে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের দারুণ নৈপুণ্য, দলীয় সমন্বয় এবং জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা দর্শকদের মুগ্ধ করে। দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে পুরো মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে। চূড়ান্ত খেলায় ডনবস্কো স্কুল এন্ড কলেজ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অপরদিকে বিরিশিরি পার্সি নল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় লড়াই করে রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। খেলাটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য। খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এসময় বিজয়ীদের উচ্ছ্বাস এবং দর্শকদের করতালিতে পুরো পরিবেশ আনন্দঘন হয়ে ওঠে। সমাপনী বক্তব্যে জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তার প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সবশেষে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হলে উপস্থিত সকলেই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার দাবি জানান।
টাঙ্গাইল সদর থানার মাদকবিরোধী অভিযানে বিশাল সফলতা টাংগাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চৌকষ টিমের অভিযানে ৭২০ পিস ইয়াবা গাঁজা ও নগদ অর্থসহ ৬ জন গ্রেফতার মোবাইল কোর্টে ৩ জনের সাজা প্রদান টাঙ্গাইল ৯ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল সদর থানার মাদকবিরোধী অভিযানে শনিবার পুলিশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। অভিযানে ৭২০ পিস ইয়াবা, গাঁজা এবং নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছে।অভিযানের বিস্তারিত পুলিশ সূত্রে জানা যায় সদর থানা পুলিশ বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।পাশাপাশি তাদের থেকে নগদ অর্থও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যা মাদক ব্যবসা থেকে প্রাপ্ত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৩জনকে স্থানীয় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দণ্ড প্রদান করা হয়েছে বাকিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানিয়েছে এই অভিযান টাঙ্গাইল জেলায় মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা দমন ও যুব সমাজকে মাদকের নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা করার অংশ। পুলিশের বক্তব্য,টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই ধরনের অভিযান থেকে জেলায় মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম সীমিত করা সম্ভব হবে। আমরা জনগণকে এই ধরনের অভিযোগ জানাতে সকলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
কালিহাতিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবক হত্যাকাণ্ড: র্যাব গ্রেফতার আসামি নাইম শেখ (১৭) কুপিয়ে হত্যা, মামলার তদন্তে অভিযুক্ত মোঃ ইসমাইল (২১) গ্রেফতার টাঙ্গাইল, ৯ এপ্রিল ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি থানার নাইম শেখ (১৭) কে কুপিয়ে হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মোঃ ইসমাইল (২১)কে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল সফলভাবে গ্রেফতার করেছে।মামলার বিবরণনিহত নাইম শেখ ও আসামিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২৫ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ সকাল আনুমানিক ৭:১৫ ঘটিকায়, শিমুল বাজারের পথে চলার সময় ধৃত ও অন্যান্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নাইম শেখকে আক্রমণ করে গুরুতর জখম করে। নিহতের পরিবারের সদস্যরাও আহত হন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের পিতা, ওসমানি আলী শেখ (৪৪), বাদী হয়ে কালিহাতি থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-২১,তারিখ-২৬মার্চ২০২৬ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/৫০৬(২)/১১৪/৩৪ পেনাল কোড)।র্যাবের অভিযান ও গ্রেফতার র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প এবং র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের যৌথ অভিযানে ৮ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫:২০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার বরপা, মাসাবো এলাকা থেকে মোঃ ইসমাইলকে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে, ২৯ মার্চ ২০২৬ গ্রেফতার করা হয়েছিল মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩২) ও শামীম হোসেন (৩৩)কেগ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঘরের প্রায় টিনগুলোই ফুটো। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরদিয়ে পানি পরে, জামাকাপড় সহ বইপত্র ভিজে যায়। ভেজা বই ও আধভেজা স্কুলড্রেস পড়েই প্রতিদিন স্কুলে যায় দশম শ্রেনীর আদিবাসী শিক্ষার্থী সেতু রেমা। প্রায়ই টিনের চালে তার ভেজা বই শুকাতে হতো। এযেনো ঝড় বৃষ্টির সাথে শিক্ষার্থী সেতু রেমার নিত্য দিনের যুদ্ধ। একটি ঘরের অভাবে যেনো পড়াশোনা বন্ধই হয়ে যাবে তার। শিক্ষার্থী সেতু রেমার বাবা সুইজ্জা রেমা নদীতে মাছ ধরে যা আয় করেন তা দিয়েই কোনরকম সংসার পরিচালনা করেন তার পরিবার। তাদের সংসারে নুন আনতে পানতা ফুরোয়, ঘরের চাল মেরামত তো প্রশ্নই ওঠেনা। ছোট ভাই তৃতীয় শ্রেনীতে পড়ে। শিক্ষকদের সহায়তায় চলে তাদের পড়াশোনা। অসহায় এই শিক্ষার্থী সেতু মানখিনের বাড়ী দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চল বনগ্রামে। সেখানেই তার পরিবার নিয়ে বসবাস করেন সেতু। অভাবের কারনে পড়াশোনায় এগুতে না পারলেও পিছিয়েও নেই সে। ওই এলাকায় একমাত্র আদিবাসী পরিবার হলেও আশপাশের পড়শিদের সাথে মিলেমিশে থাকার কারনে এই গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার চিন্তাও করেনি তারা। গেলো জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণায় অত্র এলাকায় নির্বাচনী ক্যাম্পেইন করতে আসেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। গ্রামের সাধারণ মানুষ ওনাকে আপন করে নেন। কায়সার কামাল খুব কাছ থেকে শুনেন মানুষের তাদের চাওয়া-পাওয়ার কথা গুলো। ওই সময় সাক্ষাৎ হয় শিক্ষার্থী সেতু মানখিনের সাথে। সেতু তার অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন ব্যারিস্টার কায়সার কামালের কাছে। কথা শুনে সেতুকে আশ^াস দেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বহুদিন ধরে জরাজীর্ণ একটি ঘরে মানবেতর জীবন কাটানো সেতু মানখিনের চোখে আজ আনন্দঅশ্রু। একটি স্বপ্নপুরণ হলো তার। নিজ অর্থায়নে সুন্দর একটি ঘর নির্মাণ করে দিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি। এসময়, উপজেলা বিএনপি‘র সহ:সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এডভোকেট এম এ জিন্নাহ্, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ¦ জামাল উদ্দীন মাস্টার সহ ইউনিয়ন বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। নতুন ঘর পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন শিক্ষার্থী সেতু মানখিন। এক সাক্ষাতে যুগান্তর কে বলেন, আমরা অতি গরীব একটি পরিবার। আমার স্বপ্ন যে এতো তারাতারি পুরণ হবে আমি ভাবতেই পারিনি। এই ঘরটি শুধু একটি আশ্রয় নয়, বরং আদিবাসী অসহায় এক পরিবারের সম্মান ও নিরাপত্তার প্রতীক। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্যারের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব হতো না। আমি কথা দিচ্ছি পড়াশোনা করে মানুষের মতো মানুষ হবো। ব্যারিস্টার সারের সহায়তায় আমিও চাকরি করবো, দেশ ও জাতীর কল্যানে এবং আমার মতো অসহায়দের পাশে দাঁড়াবো। এ বিষয়ে প্রতিবেশী আব্দুল কাদির বলেন, “আমি নিজেও অভাবী মানুষ, তবুও সেতুর মা দিপালী মানখিনের অসহায়ত্ব দেখে প্রায়ই সামান্য সহায়তা করেছি। নেত্রকোনা-১ আসনের মানবিক নেতা ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অসহায় পরিবারকে একটি ঘর তৈরী করে দিয়ে তাদের মাথা গোঁজার ঠাই করে দিয়েছেন, আমরা উনার প্রতি কৃতজ্ঞ। স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে, এটি একটি মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
পূর্ব শত্রুতার জেরে টাঙ্গাইলে হত্যা মামলার অন্যতম আসামি গ্রেফতার টাঙ্গাইল, ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ইং পূর্ব শত্রুতার জেরে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার একটি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি মোঃ সুমন (২৬)-কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্পের আভিযানিক দল।মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে নিহত আঃ বাছেদ (৬০) স্থানীয় আলমনগর বাজার থেকে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে গোপালপুর থানার যুগিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে আসামি মোঃ সুমনসহ এজাহারভুক্ত অন্যান্য আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জেরে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার পথরোধ করে। পরবর্তীতে হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। এ সময় তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় আঃ বাছেদ মৃত্যুবরণ করেন। এ ঘটনায় নিহতের কন্যা মোছাঃ লিমা খাতুন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-০৩, তারিখ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ধারা:১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৫/৩০৭/৫০৬/১১৪ সংযুক্ত ৩০২ পেনাল কোড)। মামলা রুজুর পর থেকেই র্যাব-১৪,সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্তের মাধ্যমে পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায়, ০৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল থানার লেকের পাড় এলাকা থেকে আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে উক্ত মামলার অন্যতম আসামি মোঃ সুমন (২৬)-কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।উল্লেখ্য, একই মামলায় এর আগে গত ০৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে আসামি মোঃ সালমান (৩০) এবং ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখে মোঃ লাভলু মিয়া ওরফে লাভু (৪৫)-কে গ্রেফতার করা হয়েছিল। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ইসলামী ফাউন্ডেশন, টাঙ্গাইল জেলা আয়োজিত ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের উপজেলা পর্যায়ের হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় চমকপ্রদ সাফল্য অর্জন করেছে ভূঞাপুর দেওয়ানবাড়ী বাহাতুন্নিছা বাইতুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতায় মাদ্রাসাটির মোট ৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব দেখায়। এতে ১০ পারা গ্রুপে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান, ২০ পারা গ্রুপে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান এবং ৩০ পারা গ্রুপে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে তারা। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিজয়ীদের আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়। এতে মোট ৯টি পুরস্কারের মধ্যে ৮টিই অর্জন করে দেওয়ানবাড়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা, যা প্রতিষ্ঠানটির জন্য গৌরবজনক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মাদ্রাসাটির মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মুফতি শহিদুল্লাহ আন্দিপুরি এবং হিফজ শাখার প্রধান হাফেজ মোহাম্মদ রুহুল আমিনসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ এ সাফল্যে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন। তারা দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করে বলেন, ভবিষ্যতেও যেন শিক্ষার্থীরা আরও বড় সাফল্য অর্জন করতে পারে। স্থানীয়ভাবে এ সাফল্য প্রশংসিত হয়েছে এবং অনেকে মনে করছেন, এটি ভূঞাপুরে দ্বীনি শিক্ষার অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে আনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে বাতিল হয়ে গেছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে উত্থাপিত এ প্রস্তাবটি পর্যাপ্ত সমর্থন পেলেও স্থায়ী সদস্যদের ভেটোর কারণে শেষ পর্যন্ত তা পাস হয়নি। খবর বিবিসির। নিরাপত্তা পরিষদের মোট ১১টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। তবে পাকিস্তান ও কলম্বিয়া ভোটদানে বিরত থাকে। পরিষদের স্থায়ী সদস্য চীন ও রাশিয়া ভেটো দেওয়ায় প্রস্তাবটি কার্যকর হতে পারেনি। জানা যায়, কয়েক সপ্তাহ ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর প্রস্তাবটির খসড়া একাধিকবার সংশোধন করা হয়। প্রথমে এটি ‘চ্যাপ্টার সেভেন’-এর আওতায় ছিল, যেখানে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়। পরে সেই অংশটি বাদ দেওয়া হয়। এমনকি ‘প্রয়োজনীয় সব প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ’-সংক্রান্ত ধারাও চূড়ান্ত প্রস্তাব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবে শুধু প্রতিরক্ষামূলক প্রচেষ্টাকে জোরালোভাবে উৎসাহিত করার কথা রাখা হয়। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রশিদ আল জায়ানি। ভোটের আগে তিনি বলেন, এই প্রস্তাব নতুন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করছে না; বরং এটি ইরানের ধারাবাহিক বৈরী আচরণের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা বন্ধ করা জরুরি। উল্লেখ্য, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়ার যে কোনো একটি দেশ ভেটো দিলে পরিষদের যেকোনো প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়।
টাঙ্গাইলে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার ৩৯মাদক উদ্ধার আটক ১৩ ব্যবসায়ী মো: সাজিদ পিয়াল, জেলা প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল ৭ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় প্রিভেন্টিভ নিয়মিত মামলা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ৩৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্র জানায় অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে জোরদার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলার সব থানা ও ইউনিটকে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সমন্বিত অভিযানে এসব গ্রেফতার সম্পন্ন হয়।এদিকে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে ১২১ পিস ইয়াবা ৮ গ্রাম হেরোইন ২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং ১ কেজি ৭০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ১৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।জেলা পুলিশ আরও জানায় মাদকসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি অপরাধ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দিতে জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
”স্বাস্থ্য সেবায় বিজ্ঞান, সুরক্ষিত সকল প্রাণ” এ প্রতিপাদ্যে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দায়সারা ভাবে পালিত হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। মঙ্গলবার সকালে অভ্যন্তরিন র্যালি এবং সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে এদিবস পালিত হয়। সীমিত আয়োজন, জনসচেতনতামুলক কোন কার্য্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের উপস্থিতি না থাকায় এ নিয়ে সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরলেও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিল অনেকাংশেই কম। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন আরও ব্যাপকভাবে পালন করা উচিত ছিল। স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগের অভাব নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। আলোচনা সভায়, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ তানজিরুল ইসলাম রায়হানের সভাপতিত্বে, প্রধান সহকারি আব্দুল লতিফ এর সঞ্চালনায় আলোচনা করেন, মেডিকেল অফিসার শেখ ফারহানা সুলতানা, স্বাস্থ্য পরিদর্শক সুব্রত চক্রবর্তী, ডিএসকের প্রকল্প সমন্বয়কারী রুপন কুমার সরকার, রুসা‘র পরিচালক নুরে আলম সহ অন্যান্য প্রতিনিধিগণ।
দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র সংঘর্ষের মধ্যেই কিছু কৌশলগত অবস্থান থেকে পিছু হটেছে ইসরায়েলি সেনারা। স্থানীয় সূত্র ও মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। দক্ষিণ লেবাননের টায়ার অঞ্চল থেকে প্রতিবেদক ওবায়দা হিত্তো জানান, সোমবার বিকেলজুড়ে দক্ষিণ-পশ্চিম রণাঙ্গনে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটে। আকাশে যুদ্ধবিমানের তীব্র শব্দ শোনা যায়, যা পরিস্থিতির উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে। তিনি জানান, ইসরায়েলি বাহিনী বিয়াদা শহরের প্রান্তসীমা পর্যন্ত অগ্রসর হলেও, হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা তাদের অবস্থান ধরে রেখেছে। তারা শুধু লেবাননের ভেতরেই নয়, সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলের দিকেও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এক পর্যায়ে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে একটি ড্রোন হামলার ঘটনাও প্রত্যক্ষ করা হয়েছে। দক্ষিণ-মধ্য অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বিন্ট জেবেইল দখলের চেষ্টায় ইসরায়েলি বাহিনী উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। গত কয়েক দিনে তারা যে কয়েকটি এলাকায় প্রবেশ করেছিল, সেখান থেকে আংশিকভাবে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে। এদিকে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য পরিস্থিতি ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। ইসরায়েল নাবাতিয়েহ অঞ্চলের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তারা যেন দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে, অন্যথায় চলমান হামলার ঝুঁকি বহন করতে হবে। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় একটি “বাফার জোন” তৈরির পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। তবে এই বাফার জোনের পরিসর কতটা হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে দক্ষিণ লেবাননে সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে এবং যেকোনো সময় তা আরও বড় সংঘাতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত দিলুরা গ্রামের চার বছর বয়সী শিশু আতিফ দীর্ঘদিন ধরে জটিল স্নায়বিক রোগে ভুগছে। জীবনের কঠিন এই লড়াইয়ে অবশেষে পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ও কলমাকান্দা-দুর্গাপুর আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তাঁর সার্বিক সহযোগিতায় আতিফকে ঢাকার বিশেষায়িত নিউরোসাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্মের মাত্র দুই মাস পর থেকেই আতিফ খিচুনিতে আক্রান্ত হয়। ধীরে ধীরে তার শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হতে থাকে। বর্তমানে সে কথা বলতে পারে না, নিজে হাঁটতে পারে না, এমনকি নিজের ঘাড়ও সোজা করে রাখতে পারে না। প্রতিনিয়ত খিচুনির যন্ত্রণা তাকে কষ্ট দিয়ে যাচ্ছে, যা তার পরিবারকে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। আতিফের পিতা জুলহাস একজন স্বল্প আয়ের মানুষ এবং মাতা জুলেখা খাতুন গৃহিণী। দীর্ঘদিন ধরে সন্তানের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তারা আর্থিকভাবে দারুণ সংকটে পড়েন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়ে উঠছিল না। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহোদয় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন এবং দ্রুত শিশুটির উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কায়সার কামাল সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং মানবিক কাজের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই এলাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেছেন। অসহায় শিশু আতিফের চিকিৎসায় তাঁর এই উদ্যোগ মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন তারা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আতিফের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে এবং তাকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। তবে সঠিক চিকিৎসা পেলে তার অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে। এদিকে আতিফের পরিবারসহ এলাকাবাসী ডেপুটি স্পিকার মহোদয়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং দেশবাসীর কাছে শিশুটির সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেছেন। সবশেষে, মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা— তিনি যেন ছোট্ট আতিফকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার তৌফিক দান করেন। আমিন।
নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পরিবারের সদস্যদের সামান্য অসতর্কতায় পুকুরের পানিতে ডুবে সায়ফা আক্তার নামে দেড় বছর বয়সী এক অবুঝ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের টেঙ্গা গ্রামে হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু সায়ফা ওই গ্রামের শাহিন মিয়ার মেয়ে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে শিশু সায়ফা বাড়ির উঠানেই খেলাধুলা করছিল। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা সেসময় দৈনন্দিন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। এরই মাঝে সবার অজান্তে চোখের পলকেই শিশুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর সন্তানকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজনের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে বাড়ির আশপাশে ও সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে বসতঘরের আঙিনার পাশেই থাকা পুকুরের পানিতে শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান তারা। পুকুর থেকে দ্রুত শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন তাকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টায় কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. বনশ্রী বনিক চৈতি পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশু সায়ফাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতাল চত্বরে স্বজনদের কান্নায় হৃদয়বিদারক এক দৃশ্যের সৃষ্টি হয়। আদরের সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েন শিশুটির বাবা-মা। কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিক হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হৃদয়স্পর্শী। শিশুদের ক্ষেত্রে মুহূর্তের অসতর্কতাও যে কতটা ভয়াবহ রূপ নিতে পারে, এটি তারই একটি দৃষ্টান্ত।” এ সময় তিনি স্থানীয় অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, “সামনেই বর্ষাকাল আসছে। এ সময় বাড়ির চারপাশের খাল-বিল ও পুকুরগুলো পানিতে ভরে যায়। তাই প্রতিটি পরিবারকে শিশুদের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল ও সতর্ক হতে হবে। শিশুদের কোনোভাবেই একা বাড়ির বাইরে বা জলাশয়ের ধারে যেতে দেওয়া যাবে না।” গ্রামাঞ্চলে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর হার কমাতে অভিভাবকদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের অংশগ্রহণে ০৪ এপ্রিল রোজ শনিবার ২০২৬ তারিখে কুয়ালালামপুর বাংছারে আহবায়ক জনাব ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হকের আয়োজনে এক আনন্দঘন ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া এর প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আগত অতিথি ও বক্তারা বলেন, ঈদ মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশীদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা প্রবাস থেকে দেশের উন্নয়ন ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া আহবায়ক জনাব ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হক, সদস্য সচিব জনাব আলম মোঃ রওশন, অর্থ সচিব জনাব আল কামাল আনিসুজ্জামান, যুগ্ন সচিব মুশফিক আহমেদ চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য মোঃ ওয়াসিম আকরাম অনিক, সাইফুল ইসলাম মাসুম, এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রইস আলী, সহ-সমন্বয়ক মোঃ আকবর হোসেন ও সাইদুন ইসলাম হাদিস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মাহমুদ এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক নুরুল আমিন। এছাড়াও সাধারণ সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাজেদুল আলম, তানভীরুল ইসলাম, মোঃ ইয়ামিন এবং প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, মাদক ও সাইবার অপরাধ দমনে জোরালো নির্দেশনাটাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মার্চ ২০২৬ মাসের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনাসভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিট পুলিশিং কার্যক্রম, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, স্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।এছাড়াও সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধ দমনে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। জনবান্ধব পুলিশিংয়ে নির্দেশনাসভায় পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন,দেশপ্রেম পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।তিনি বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা দ্রুত তামিলের জন্য থানার অফিসার ইনচার্জদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। উপস্থিত ছিলেনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রবিউল ইসলামঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ আদিবুল ইসলামঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাজী শাহনেওয়াজএছাড়াও জেলার সকল সার্কেল কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সভা ও কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের মাঠ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোঃ ফজলে রাব্বি রেনু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোঃ হারুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ আতাউল হক কমল, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম, পলশা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসলেম উদ্দিন এবং বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আবু বক্করসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ হারুনুর রশীদ বলেন, পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সার্বিক উন্নয়নে যা যা সহায়তা প্রয়োজন, তা যথাযথভাবে ব্যবস্থা করা হবে। তিনি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি স্থানীয়দের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
কালিগঞ্জ উপজেলায় আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় জনগণের মধ্যে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব বাছাইয়ের আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক শামীমকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চেয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, সাংবাদিক শামীম দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তিনি একজন সৎ, আদর্শবান ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা এবং সমাজের উন্নয়নে কাজ করার জন্য তিনি মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন গুণীজন—কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক, প্রভাষক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, উপদেষ্টা ও মন্ত্রীদের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। সাংবাদিক মহলেও তার একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান রয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে তার সুসম্পর্ক বিদ্যমান। এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, এমন একজন অভিজ্ঞ ও সৎ মানুষ জনপ্রতিনিধি হলে কালিগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নির্বাচনে সাংবাদিক শামীম ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে তিনি ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করবেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, “আমরা এমন একজন মানুষকে নেতৃত্বে দেখতে চাই, যিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবেন। সাংবাদিক শামীম সেই যোগ্যতা রাখেন। তাকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তবে এ বিষয়ে সাংবাদিক শামীমের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তার সমর্থকরা আশা করছেন, জনগণের এই প্রত্যাশাকে তিনি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবেন।
জেলা পুলিশের কর্ম মূল্যায়ণে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশের সাফল্য অর্জন। চলতি বছরের জানুয়ারী-মার্চ মাসে বেগমগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও পরোয়ানাভূক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতারসহ আইন শৃংখলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় আজ জেলা পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত কল্যান সভায় নোয়াখালী জেলা পুলিশের উদ্যোগে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার টি,এম মোশারফ হোসেন। এছাড়াও উক্ত কল্যাণ সভায় জেলা পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষগনও উপস্থিত। এতে বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন, শ্রেষ্ঠ সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, বেগমগঞ্জ সার্কেল আ.ন.ম ইমরান খান। শ্রেষ্ঠ ওসি বেগমগঞ্জ মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুজ্জামান। এছাড়াও বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে পুরুষ্কার প্রাপ্তরা হলেন, শ্রেষ্ঠ গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিলকারী অফিসার এসআই(নিঃ) কুতুব উদ্দিন খান লিয়ন। শ্রেষ্ঠ অস্ত্র উদ্ধার এসআই(নিঃ) পাপেল রায় ও এসআই(নিঃ) মোঃ নুরুজ্জামান। শ্রেষ্ঠ গ্রেফতার পরোয়ানা তামিল কারী অফিসার এএসআই(নিঃ) মোঃ জালাল হোসেন ও এএসআই(নিঃ) মোঃ ইলিয়াছ হোসেন।
টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪০ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, হেরোইন ও চোলাই মদ উদ্ধারটাঙ্গাইল জেলায় অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ব্যাপক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এ সময় প্রিভেন্টিভ, নিয়মিত মামলা, মাদক ব্যবসা ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ৪০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার সকল থানা ও ইউনিটের ইনচার্জদের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে মাঠপর্যায়ে কঠোর তৎপরতা চালানো হয়। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের সার্বিক নির্দেশনায় অপরাধ দমনে জোরালো অবস্থান নেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্যঅভিযানের অংশ হিসেবে মাদক উদ্ধার কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে—৯৪ পিস ইয়াবা,১৩ গ্রাম হেরোইন,৭৩ লিটার ৫০০ গ্রাম চোলাই মদএ ঘটনায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানজেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টাঙ্গাইলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণকে অপরাধ ও অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল-এর নির্দেশনায় জেলার অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে জোরালো অভিযান টাঙ্গাইল, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের নিয়মিতমাদকবিরোধী ও অপরাধ দমন অভিযান গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত হয়েছে। পুলিশের তৎপরতায় মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১৪ জন মূলত মাদক ব্যবসায়ী যারা ইয়াবা ও গাঁজাসহ নেশা জাতীয় অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।অভিযানে মোট ১,১৭৭ পিস ইয়াবা এবং ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়াও, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও অন্যান্য নিয়মিত মামলার আসামিরাও আইনের আওতায় আনা হয়েছে।জেলা পুলিশ জানায়, এই অভিযান পুলিশ সুপার টাঙ্গাইল মহোদয়ের নির্দেশনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং জেলার অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলের জন্য ধারাবাহিক ও জোরালো পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার খুজিউড়া গ্রামে সাত বছরের এক অবুঝ শিশুকে জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে এ ঘটনায় ক্ষুব্দ জনতার রোষানল থেকে অভিযুক্ত শাহজাহানকে আটক করেছে পুলিশ। জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই গ্রামে তার নানির বাড়িতেই থাকতো। ন্যক্কারজনক এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারসহ এলাকাবাসী অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগী শিশুর নানী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘটনার দিন শিশুটি স্কুল থেকে ফিরে অন্য এক মেয়ে শিশুর সাথে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে তারা বাড়ির পাশের খেজুর গাছ থেকে খেজুর কুড়াতে যায়। এসময় অভিযুক্ত শাহজাহান ও তার এক সহযোগী শিশু দুটিকে দেখতে পায়। দুরভিসন্ধি নিয়ে তারা শিশুদের ডাকতে থাকে, কিন্তু শিশুরা যেতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর হঠাৎ করেই অভিযুক্ত শাহজাহান শিশুটির মুখ চেপে ধরে এবং জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে পাশের জঙ্গলে শুকনো দিঘির (পুকুর) ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে শিশুটিকে খামচে ধরে শারীরিক নির্যাতন ও নিপীড়ন শুরু করে সে। এ সময় দুই শিশুর চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে। আমার নাতির সাথে এমন আচরনের উপযুক্ত বিচার চাই। এলাকাবাসী ও প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত শাহজাহান নিয়মিত মাদকসেবী এবং এলাকায় তার ব্যাপক দুর্নাম রয়েছে। প্রতিবেশী এক নারী জানান, শাহজাহানের নিজের স্ত্রী ও চার সন্তান রয়েছে। নিয়মিত মাদকসেবন ও অমানুষিক নির্যাতনের কারণে মাস খানেক আগে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছে। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারে পক্ষ থেকে এখানো লিখিত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নেত্রকোণা জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত পরিবেশে ভলিবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৫-২৬ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে প্রাণচাঞ্চল্যের সঞ্চার হয়। বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দুর্গাপুর উপজেলার সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই মাঠে ভিড় জমাতে থাকেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা। খেলাকে ঘিরে পুরো এলাকা উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে। জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আফরোজা আফসানা। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শুধু শারীরিক সুস্থতাই নয়, মানসিক বিকাশ এবং সামাজিক বন্ধন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান আনছারি, ডনবস্কো স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক ফাদার পাওয়েল কোচিওলেক, ভাইস প্রিন্সিপাল রুমন রাংসা, দুর্গাপুর সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ওয়ালী হাসান কলি, সাধারণ সম্পাদক আরিফ খান এবং সাংবাদিক আল আমিন হাওলাদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রতিযোগিতায় দুর্গাপুর উপজেলার চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা চারটি দলে বিভক্ত হয়ে অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের দারুণ নৈপুণ্য, দলীয় সমন্বয় এবং জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা দর্শকদের মুগ্ধ করে। দর্শকদের করতালি ও উচ্ছ্বাসে পুরো মাঠ মুখরিত হয়ে ওঠে। চূড়ান্ত খেলায় ডনবস্কো স্কুল এন্ড কলেজ দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। অপরদিকে বিরিশিরি পার্সি নল মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় লড়াই করে রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করে। খেলাটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও উপভোগ্য। খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন। এসময় বিজয়ীদের উচ্ছ্বাস এবং দর্শকদের করতালিতে পুরো পরিবেশ আনন্দঘন হয়ে ওঠে। সমাপনী বক্তব্যে জেলা ক্রীড়া অফিসার সেতু আক্তার প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজন ও সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সবশেষে আয়োজনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হলে উপস্থিত সকলেই সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত করার দাবি জানান।
টাঙ্গাইল সদর থানার মাদকবিরোধী অভিযানে বিশাল সফলতা টাংগাইল জেলা পুলিশের বিশেষ চৌকষ টিমের অভিযানে ৭২০ পিস ইয়াবা গাঁজা ও নগদ অর্থসহ ৬ জন গ্রেফতার মোবাইল কোর্টে ৩ জনের সাজা প্রদান টাঙ্গাইল ৯ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইল সদর থানার মাদকবিরোধী অভিযানে শনিবার পুলিশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। অভিযানে ৭২০ পিস ইয়াবা, গাঁজা এবং নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ৩ জনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান করা হয়েছে।অভিযানের বিস্তারিত পুলিশ সূত্রে জানা যায় সদর থানা পুলিশ বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।পাশাপাশি তাদের থেকে নগদ অর্থও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, যা মাদক ব্যবসা থেকে প্রাপ্ত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৩জনকে স্থানীয় মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দণ্ড প্রদান করা হয়েছে বাকিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ জানিয়েছে এই অভিযান টাঙ্গাইল জেলায় মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবসা দমন ও যুব সমাজকে মাদকের নেতিবাচক প্রভাব থেকে রক্ষা করার অংশ। পুলিশের বক্তব্য,টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এই ধরনের অভিযান থেকে জেলায় মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম সীমিত করা সম্ভব হবে। আমরা জনগণকে এই ধরনের অভিযোগ জানাতে সকলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।
কালিহাতিতে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবক হত্যাকাণ্ড: র্যাব গ্রেফতার আসামি নাইম শেখ (১৭) কুপিয়ে হত্যা, মামলার তদন্তে অভিযুক্ত মোঃ ইসমাইল (২১) গ্রেফতার টাঙ্গাইল, ৯ এপ্রিল ২০২৬ টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি থানার নাইম শেখ (১৭) কে কুপিয়ে হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত আসামি মোঃ ইসমাইল (২১)কে সিপিসি-৩, র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল সফলভাবে গ্রেফতার করেছে।মামলার বিবরণনিহত নাইম শেখ ও আসামিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২৫ মার্চ ২০২৬ খ্রিঃ সকাল আনুমানিক ৭:১৫ ঘটিকায়, শিমুল বাজারের পথে চলার সময় ধৃত ও অন্যান্য আসামিরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নাইম শেখকে আক্রমণ করে গুরুতর জখম করে। নিহতের পরিবারের সদস্যরাও আহত হন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।নিহতের পিতা, ওসমানি আলী শেখ (৪৪), বাদী হয়ে কালিহাতি থানায় মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-২১,তারিখ-২৬মার্চ২০২৬ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/৫০৬(২)/১১৪/৩৪ পেনাল কোড)।র্যাবের অভিযান ও গ্রেফতার র্যাব-১৪, টাঙ্গাইল ক্যাম্প এবং র্যাব-১১ নারায়ণগঞ্জের যৌথ অভিযানে ৮ এপ্রিল ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫:২০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার বরপা, মাসাবো এলাকা থেকে মোঃ ইসমাইলকে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে, ২৯ মার্চ ২০২৬ গ্রেফতার করা হয়েছিল মোঃ শরিফুল ইসলাম (৩২) ও শামীম হোসেন (৩৩)কেগ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।