চাঁপাইনবাবগঞ্জে পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের মাঠ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোঃ ফজলে রাব্বি রেনু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোঃ হারুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ আতাউল হক কমল, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম, পলশা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসলেম উদ্দিন এবং বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আবু বক্করসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ হারুনুর রশীদ বলেন, পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সার্বিক উন্নয়নে যা যা সহায়তা প্রয়োজন, তা যথাযথভাবে ব্যবস্থা করা হবে। তিনি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি স্থানীয়দের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কনস্টেবল আলাউদ্দিন ড্রিলশেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার)। কল্যাণ সভায় জেলার সকল থানা, কোর্ট, ফাঁড়ি, ক্যাম্প, ট্রাফিক ও পুলিশ লাইন্সের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসে কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে অর্থ পুরস্কার, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।সভায় পুলিশ সুপার বলেন, জেলার পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি পুলিশের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।কল্যাণ সভা শেষে উল্লাপাড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান শাকিলের পদোন্নতিজনিত বিদায় উপলক্ষে তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব আসাদুজ্জামান।পরবর্তীতে পুলিশ অফিস সম্মেলন কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রুজুকৃত মামলাসমূহের বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় এবং তদন্তের মানোন্নয়ন, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ সার্বিক পুলিশি সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ, সহকারী পুলিশ সুপারগণ এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ ইউনিট ইনচার্জবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া শহরের ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে রবিন (২৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৫ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিন শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকার মো. মিরাজের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে রবিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত রবিনের ভাইয়ের দাবি, এলাকাভিত্তিক আধিপত্য ও পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে রবিনকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নদীর দুই পারের লোকজন মিলে আমার ভাইকে মারছে। এর আগেও ওর ওপর হামলা হয়েছিল, যা নিয়ে মামলাও চলছে। যারা হামলা করেছে তাদের কয়েকজনকে আমরা চিনি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্থানীয় এক কবরস্থানের আতাফল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, খবর পেয়ে আমরা শজিমেক হাসপাতালে গিয়ে রবিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হই। ঘটনাস্থল থেকে একটি ভাঙা হকিস্টিক ও চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি ও পিবিআইয়ের ফরেনসিক টিমকে ডাকা হয়েছে আলামত সংগ্রহের জন্য। তিনি আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজনদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কালিগঞ্জ উপজেলায় আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় জনগণের মধ্যে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব বাছাইয়ের আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক শামীমকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চেয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, সাংবাদিক শামীম দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তিনি একজন সৎ, আদর্শবান ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা এবং সমাজের উন্নয়নে কাজ করার জন্য তিনি মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন গুণীজন—কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক, প্রভাষক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, উপদেষ্টা ও মন্ত্রীদের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। সাংবাদিক মহলেও তার একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান রয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে তার সুসম্পর্ক বিদ্যমান। এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, এমন একজন অভিজ্ঞ ও সৎ মানুষ জনপ্রতিনিধি হলে কালিগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নির্বাচনে সাংবাদিক শামীম ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে তিনি ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করবেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, “আমরা এমন একজন মানুষকে নেতৃত্বে দেখতে চাই, যিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবেন। সাংবাদিক শামীম সেই যোগ্যতা রাখেন। তাকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তবে এ বিষয়ে সাংবাদিক শামীমের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তার সমর্থকরা আশা করছেন, জনগণের এই প্রত্যাশাকে তিনি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), সিরাজগঞ্জ-এঁর বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান, পিপিএম-সেবা মহোদয়ের বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (০৬ এপ্রিল ২০২৬) জেলা পুলিশ সুপারেরকার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার) অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব আসাদুজ্জামান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারবৃন্দ এবং ডিএসবি’র ডিআইও-১ ও ডিআইও-২। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা জনাব মাহবুবুর রহমানের কর্মদক্ষতা সততা ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তাঁর সঙ্গে কাজ করার নানা স্মৃতিচারণ করেন সহকর্মীরা যা উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিদায়ী কর্মকর্তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।উল্লেখ্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান পিপিএম-সেবা সিরাজগঞ্জ জেলায় দায়িত্ব পালনকালে সততা দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি জানানো হয় আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।
মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশীদের অংশগ্রহণে ০৪ এপ্রিল রোজ শনিবার ২০২৬ তারিখে কুয়ালালামপুর বাংছারে আহবায়ক জনাব ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হকের আয়োজনে এক আনন্দঘন ঈদ পূর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া এর প্রবাসী নেতৃবৃন্দ ও কমিটির সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আগত অতিথি ও বক্তারা বলেন, ঈদ মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশীদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং সামাজিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা প্রবাস থেকে দেশের উন্নয়ন ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া আহবায়ক জনাব ইঞ্জিনিয়ার মো. এনামুল হক, সদস্য সচিব জনাব আলম মোঃ রওশন, অর্থ সচিব জনাব আল কামাল আনিসুজ্জামান, যুগ্ন সচিব মুশফিক আহমেদ চৌধুরী, নির্বাহী সদস্য মোঃ ওয়াসিম আকরাম অনিক, সাইফুল ইসলাম মাসুম, এনসিপি ডায়াসপোরা অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর আঞ্চলিক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রইস আলী, সহ-সমন্বয়ক মোঃ আকবর হোসেন ও সাইদুন ইসলাম হাদিস, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সোহেল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মাহমুদ এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক নুরুল আমিন। এছাড়াও সাধারণ সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাজেদুল আলম, তানভীরুল ইসলাম, মোঃ ইয়ামিন এবং প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে আগামী দিনের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা ভবিষ্যতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, মাদক ও সাইবার অপরাধ দমনে জোরালো নির্দেশনাটাঙ্গাইলে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মার্চ ২০২৬ মাসের এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনাসভায় জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পাশাপাশি অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিট পুলিশিং কার্যক্রম, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, স্পর্শকাতর মামলার অগ্রগতি এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।এছাড়াও সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, নিরাপত্তা জোরদার এবং অপরাধ দমনে আধুনিক পদ্ধতির প্রয়োগ নিয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। জনবান্ধব পুলিশিংয়ে নির্দেশনাসভায় পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন,দেশপ্রেম পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে হবে।তিনি বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা, মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখা এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা দ্রুত তামিলের জন্য থানার অফিসার ইনচার্জদের বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। উপস্থিত ছিলেনসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন—অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রবিউল ইসলামঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোঃ আদিবুল ইসলামঅতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) কাজী শাহনেওয়াজএছাড়াও জেলার সকল সার্কেল কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইউনিটের পুলিশ কর্মকর্তারা সভায় অংশগ্রহণ করেন।জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সভা ও কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।
মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে “মানুষ মানুষের জন্য” এই প্রত্যয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে রোগীদের সেবার মান উন্নয়নে সহায়তা হিসেবে দুটি পাক ফ্যান প্রদান করেছে নবাবগঞ্জ জেলা কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি “নজেকশিস” রবিবার (৫ এপ্রিল) সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির পক্ষ থেকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের হাতে ফ্যান দুটি তুলে দেওয়া হয়। সদর হাসপাতালের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ মুহাম্মদ মশিউর রহমান, হাসপাতালের আরএমও ডা. আব্দুস সামাদ ও হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. মাহাফুজ রায়হান। অন্যদিকে নজেকশিসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহা. তরিকুল আলম সিদ্দিকি, সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল আখতার, সহ-সভাপতি মো. শারওয়ার আলম, সদস্য মো. রানা, মো. ইকবাল হোসেন, মো. শামসুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ কবির এবং সহ-সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম। এসময় বক্তারা বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এগিয়ে এলে স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ফেসবুকের গুজবে উত্তেজনা: জামালপুরে তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর ক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালকদের বিক্ষোভ যান চলাচল বন্ধ জামালপুরে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি তথ্যকে কেন্দ্র করে জ্বালানি তেল নিতে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও তেল না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন মোটরসাইকেল চালকরা। এতে গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে পড়ে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে দেওয়ানগঞ্জ-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কের ইসলামপুরে অবস্থিত মেসার্স ঝর্ণা ফিলিং স্টেশন-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুজব ছড়িয়ে ভিড় স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিক্রি করা হবে—এমন খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকেই শতাধিক মোটরসাইকেল চালক তেল নেয়ার আশায় পাম্পের সামনে ভিড় করেন।তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও পাম্প বন্ধ থাকায় কোনো ধরনের তেল সরবরাহ করা হয়নি, যা অপেক্ষমাণ চালকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করে।সড়ক অবরোধ ও যানজটএকপর্যায়ে ক্ষুব্ধ চালকরা সড়কে নেমে অবরোধ গড়ে তোলেন। এতে দেওয়ানগঞ্জ-জামালপুর সড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। সাধারণ যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে।পুলিশের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক পরিস্থিতিখবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সড়ক থেকে অবরোধ সরিয়ে দেয়।ইসলামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম গাজী জানান,ফেসবুক পোস্ট থেকে এমন ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইবিহীন তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে, যা জনদুর্ভোগ বাড়াচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স-এর বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার-এর সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে তিনি এ মন্তব্য করেন। ফোনালাপে আরাঘচি বলেন, চলমান সংকট শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর প্রভাব বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়ছে। এ পরিস্থিতির জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নীতিকেই দায়ী করেন। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরান তার সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা রক্ষায় “সব ধরনের উপায়” অবলম্বন করতে প্রস্তুত এবং এ ক্ষেত্রে তাদের অবস্থান অত্যন্ত দৃঢ়। অন্যদিকে, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যুদ্ধরত পক্ষগুলোকে সামরিক উত্তেজনা কমিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানে পৌঁছানোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, এই লক্ষ্য অর্জনে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন। এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবস্থান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা না যায়, তবে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
গ্রাম পর্যায়ে বিচারব্যবস্থার জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত কাঠামো থাকা সত্ত্বেও কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় ব্যক্তি নিজেরাই সালিশ ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন—এমন অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন এলাকায়। এতে করে আইনসম্মত প্রক্রিয়া উপেক্ষিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে গ্রামীণ বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য গ্রাম আদালত, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, দলীয় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অনেক নেতা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে আলাদা সালিশ বসাচ্ছেন। এসব সালিশে তারা কোনো ধরনের সরকারি নিয়ম-কানুন বা প্রশাসনিক নির্দেশনা তোয়াক্কা করছেন না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এসব বেআইনি সালিশের মাধ্যমে ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তার, পেশীশক্তির প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে করে অনেক ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ বিচার ব্যাহত হচ্ছে এবং ভুক্তভোগীরা সঠিক ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে গ্রামীণ সমাজে আইনের শাসন দুর্বল হয়ে পড়বে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ, সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সচেতন মহল মনে করে, আইন অনুযায়ী নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে কেউ বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করলে তা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি, নচেৎ এর নেতিবাচক প্রভাব পুরো সমাজে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
ওয়াশিংটন ডিসি থেকে প্রতিবেদন—ইরানের ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত একটি মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ ক্রু সদস্যকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মার্কিন সরকারের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, গত রাতে ওই ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে উদ্ধারে একটি সক্রিয় অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। জানা গেছে, উদ্ধার অভিযানের সময় তুমুল গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ওই ক্রু সদস্য এখনও ইরানের ভেতরেই অবস্থান করছেন এবং চলমান সংঘাতের কারণে তার নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সামরিক সূত্র জানায়, ‘এয়ারম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গ নির্দেশ করে না। ফলে নিখোঁজ ওই ব্যক্তির লিঙ্গ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। এদিকে, উদ্ধারকারী দল এখনো তাকে নিরাপদে ইরানের বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি। অভিযানটি এখনও চলমান এবং এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারেনি যে উদ্ধার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে কিনা। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলেও এ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে তেল সংকটের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। অকটেন ও পেট্রোল সংগ্রহ করতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না। পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে অনেককে। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে জনদুর্ভোগ। এই পরিস্থিতিতে যানবাহন চালক, কর্মজীবী মানুষ এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত এই সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন।
টাঙ্গাইলে র্যাবের অভিযানে ১০০ বোতল ‘এস্কাফ সিরাপ’সহ মাদককারবারি গ্রেফতার ৫ এপ্রিল ২০২৬ ইং টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে ১০০ বোতল নেশাজাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য ‘এস্কাফ সিরাপ’ উদ্ধারসহ এক মাদককারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।র্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩,টাঙ্গাইল ক্যাম্প সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার (৫ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৪টা ৩০ মিনিটে ঢাকা-টাঙ্গাইলমহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা বাজার এলাকায় একটি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়। এ সময় চাপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ‘সাথী এন্টারপ্রাইজ’ নামক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়।তল্লাশিকালে মোঃ রবিউল ইসলাম (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় বলে জানা গেছে।র্যাব জানায় উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেজিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি তার কাছে মাদকদ্রব্য থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তার দেখানো মতে বহনকৃত ব্যাগ থেকে ১০০ বোতল ‘এস্কাফ সিরাপ’ উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে উদ্ধারকৃত আলামতসহ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।র্যাব জানিয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভিসতা স্বাধীনতা দিবস ফুটভলি চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ফুটভলি এ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমীর যৌথ সহযোগিতায় রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ নতুন স্টেডিয়ামে রংবেরংয়ের বেলুন উড়িয়ে এ খেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পুলিশ সুপার ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমীর সভাপতি গৌতম কুমার বিশ্বাস। তিনি জানান, তরুণ ও যুব সমাজ খেলাধুলার সাথে সম্পৃক্ত থাকলে তারা কখনোই মাদক বা অন্যায় পথে জড়িয়ে পড়বে না। এই খেলাটি জনপ্রিয় হয়ে উঠুক। যুব সমাজ এ খেলার প্রতি আগ্রহি হয়ে উঠবে। যুব সমাজকে সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম ওয়াসিম ফিরোজ, বাংলাদেশ ফুটভলি এ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী আজম আলী খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো. সামিউল ইসলাম লিটন, জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহমুদুজ্জামান, ক্রীড়া সংগঠক বদিউজ্জামান বুধু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বক্সিং একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাজু আহমেদ সহ ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল।
নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে পৃথক স্থানে অভিযান চালিয়ে ৩৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ আন্তঃজেলা মাদক পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) ও র্যাব-১১ এর যৌথ দল। শনিবার বিকেলে বেগমগঞ্জ উপজেলার তপাদার বাজার এলাকার নোয়াখালীর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বায়তুল আমান জামে মসজিদের সামনে ও লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের মান্দারী পূর্ব বাজারের নোয়াখালীর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর পার্শ্বে নুর হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামনে রাস্তার উপর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়ইতলা এলাকার ধোয়া বাড়ির মৃত আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. হারুন (৩৫), দিলসাতপুর এলাকার নতুনবাড়ির মৃত মো.রুহুল আমিনের ছেলে মো. সুমন ওরফে ইলেকট্রিক সুমন (৪৪) এবং ছিলাদি এলাকার সুলতান মুন্সিবাড়ির মোহাম্মদ দুলালের ছেলে মো. বাবুল হোসেন (২২)। অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেগমগঞ্জের তপাদার বাজার এলাকায় ক্রেতা সেজে অবস্থান নেয় ডিএনসি ও যৌথ বাহিনী। এ সময় ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশ্যে সেখানে আসলে হারুন ও সুমনকে ৩০০০ পিস ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার মান্দারী পূর্ব বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ বাবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা আগে গাড়িচালক হিসেবে কাজ করলেও পরে চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবা এনে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর এলাকায় সরবরাহ করতেন। বাবুল হোসেন অটোরিকশা চালকের ছদ্মবেশে বিভিন্ন এলাকায় খুচরা মাদক বিক্রি করতেন। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সুব্রত সরকার শুভ বলেন,এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বেগমগঞ্জ মডেল থানা ও চন্দ্রগঞ্জ থানায় পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। অভিযানে তাদের কাছ থেকে মোট ৩৭৯৮ পিস ইয়াবা, নগদ ২০ হাজার টাকা, ৪টি মোবাইল ফোন এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নাচোল উপজেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অভিযানে হেরোইন, ইয়াবা ও গাঁজাসহ শ্রী বিশ্বনাথ মন্ডল (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল ১১টা থেকে ১১:৩০ মিনিট পর্যন্ত নাচোল থানাধীন নাসিরাবাদ গুচ্ছগ্রাম এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি নাসিরাবাদ গুচ্ছগ্রামের মৃত ঝাপু মন্ডলের ছেলে। অভিযানে তার কাছ থেকে ১৪ গ্রাম হেরোইন, ১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে নাচোল থানায় আসামির বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকবিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
সারাদেশের তুলনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে হাম ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছে। এমতাবস্থায় সংসদের অধিবেশন শেষ করেই ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ -৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নূরুল ইসলাম বুলবুল। ৩ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১১ টায় তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এবং রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কতৃপক্ষ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সামনে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, হামের প্রকোপ সারা দেশের তুলনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে বেশি। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সারাদেশের প্রায় ১০ শতাংশ হামের রোগী চাঁপাইনবাবগঞ্জে। বয়স কম হওয়ায় এর প্রভাবটা শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এটি যদি আরো বাড়তে থাকে তাহলে শিশুদের মৃত্যুর হার বেড়ে যেতে পারে। তিনি বলেন, যারা হামের টিকা গ্রহণ করেছে তাদের আক্রান্তের হার কম। তবে শিশুদের ৯মাসের আগে হামের টিকা প্রদান করা হয় না। তাই তারা আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখন থেকে ৬মাস বয়স থেকেই শিশুদের হামের টিকা প্রদান করা হবে। এবং আগামী ৫ই এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেই বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরো বলেন, হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এখানে যে খাবার পানি সংকট তৈরি হয়েছিল সেই সংকট নিরসনের জন্য জরুরী ভিত্তিতে একটি ফিল্টার বসানোর নির্দেশনা দিয়েছিলাম যা তাৎক্ষণিকভাবে বসানো হয়েছে। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আরো ৮-১০ টি ফিল্টার বসানোর জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আশা করা যায় আগামী ২/৩ দিনের মধ্যে সেগুলো বসানো হবে এবং এর মাধ্যমে হাসপাতালে বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকট দূর হবে। এছাড়াও হাসপাতালে বিভিন্ন ধরনের সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, নানান সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এই কঠিন সময়ে একটু অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে হলেও রোগীদের যথাযথ সেবা প্রদান করার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি। নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ এমনিতেই একটি অবহেলিত জনপদ। এখানে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল হলেও ১০০ বেডের খাবার, ডাক্তার, স্টাফসহ অন্যান্য ব্যবস্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধা ছিল। ২৫০ শয্যার সকল সুযোগ সুবিধা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় অফিশিয়াল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এখন অফিশিয়াল চিঠির অপেক্ষায় আছি। আশা করছি, শীঘ্রই আমরা সেটা পেয়ে যাবো। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ মশিউর রহমান, হাসপাতালের আরএমও ডাঃ মোঃ আব্দুস সামাদসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি অধ্যাপক লতিফুর রহমান, পৌরসভা আমীর হাফেজ গোলাম রব্বানী, ১০ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর তোহরুল ইসলাম সোহেল, সহ জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইল আগমন ঘিরে জোর প্রস্তুতি, অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর টাঙ্গাইল জেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষ্যে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কৃষি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল মাহবুবুস সামাদ চৌধুরী, মহাপরিচালক, স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ড. রফিকুল ই মোহাম্মদ, সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়।সভায় সভাপতিত্ব করেন শরীফা হক, জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, টাঙ্গাইল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, পুলিশ সুপার, টাঙ্গাইল।সভায় প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, অনুষ্ঠানস্থল প্রস্তুতি, ভিআইপি মুভমেন্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, জনসাধারণের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে সমন্বয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।এ সময় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও ডিজিএফআই-এর কর্মকর্তাগণ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকবৃন্দ কাজী শাহনেওয়াজ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) টাঙ্গাইলসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।সভায় বক্তারা প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের আহ্বান জানান।
টাঙ্গাইলে ভাইরাল দম্পতি সোহাগ- লামিছা: শ্বশুর বাড়িতে স্থায়ী বসবাসের সিদ্ধান্তে ভেঙে পড়েছেন মা-বাবা এলাকায় তীব্র আলোচনা টাঙ্গাইল জেলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত দম্পতি সোহাগ ও লামিছাকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। পারিবারিক টানাপোড়ন ও নানা বিতর্কের জেরে সোহাগ নিজের বাবা -মায়ের বাড়ি ছেড়ে শ্বশুরবাড়িতে স্থায়ীভাবে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই পারিবারিক অশান্তি ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে ছিলেন সোহাগ। ছেলেকে কাছে রাখার জন্য তার বাবা-মা নানা মানসিক চাপ ও অপমান সহ্য করেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছেলের এমন সিদ্ধান্তে তারা গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছেন।প্রতিবেশীরা জানান, ছেলের দূরে সরে যাওয়ার কষ্টে সোহাগের বাবা-মা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। বিশেষ করে মা সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তা ও শোকে প্রায়ই কান্নায় ভেঙে পড়ছেন এবং তার শারীরিক অবস্থারও অবনতি ঘটছে বলে জানা গেছে।অন্যদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একাংশ এটিকে সোহাগের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখলে, অনেকেই বাবা-মায়ের প্রতি এমন আচরণকে অমানবিক ও অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করছেন।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা। নেটিজেনদের কেউ সোহাগের স্বাধীনতাকে সমর্থন জানাচ্ছেন আবার কেউ বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রশ্ন তুলছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ হারুনুর রশীদকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেডের মাঠ প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মোঃ ফজলে রাব্বি রেনু। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোঃ হারুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১নং বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোঃ আতাউল হক কমল, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম, পলশা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসলেম উদ্দিন এবং বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব আবু বক্করসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোঃ হারুনুর রশীদ বলেন, পলশা মহেষপুর পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সার্বিক উন্নয়নে যা যা সহায়তা প্রয়োজন, তা যথাযথভাবে ব্যবস্থা করা হবে। তিনি এলাকার পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি স্থানীয়দের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং শেষে অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে জেলা পুলিশের আয়োজনে মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সিরাজগঞ্জ পুলিশ লাইন্সের শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা কনস্টেবল আলাউদ্দিন ড্রিলশেডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার)। কল্যাণ সভায় জেলার সকল থানা, কোর্ট, ফাঁড়ি, ক্যাম্প, ট্রাফিক ও পুলিশ লাইন্সের ইনচার্জসহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসে কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচজন পুলিশ সদস্যকে অর্থ পুরস্কার, সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।সভায় পুলিশ সুপার বলেন, জেলার পুলিশ সদস্যদের কল্যাণ ও কর্মপরিবেশ উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে এসব পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি পুলিশের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ যথাযথভাবে অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।কল্যাণ সভা শেষে উল্লাপাড়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান শাকিলের পদোন্নতিজনিত বিদায় উপলক্ষে তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।সভাটি সঞ্চালনা করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব আসাদুজ্জামান।পরবর্তীতে পুলিশ অফিস সম্মেলন কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় রুজুকৃত মামলাসমূহের বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় এবং তদন্তের মানোন্নয়ন, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ সার্বিক পুলিশি সেবার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারগণ, সহকারী পুলিশ সুপারগণ এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জসহ ইউনিট ইনচার্জবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বগুড়া শহরের ফুলবাড়ী দক্ষিণপাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে রবিন (২৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৫ এপ্রিল) রাত আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রবিন শহরের উত্তর চেলোপাড়া এলাকার মো. মিরাজের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ফল ব্যবসায়ী ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাতে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র দিয়ে রবিনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহত রবিনের ভাইয়ের দাবি, এলাকাভিত্তিক আধিপত্য ও পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে রবিনকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি বলেন, নদীর দুই পারের লোকজন মিলে আমার ভাইকে মারছে। এর আগেও ওর ওপর হামলা হয়েছিল, যা নিয়ে মামলাও চলছে। যারা হামলা করেছে তাদের কয়েকজনকে আমরা চিনি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্থানীয় এক কবরস্থানের আতাফল ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তবে এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর বলেন, খবর পেয়ে আমরা শজিমেক হাসপাতালে গিয়ে রবিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হই। ঘটনাস্থল থেকে একটি ভাঙা হকিস্টিক ও চাইনিজ কুড়াল উদ্ধার করা হয়েছে। সিআইডি ও পিবিআইয়ের ফরেনসিক টিমকে ডাকা হয়েছে আলামত সংগ্রহের জন্য। তিনি আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজনদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কালিগঞ্জ উপজেলায় আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় জনগণের মধ্যে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব বাছাইয়ের আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে সাংবাদিক শামীমকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চেয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে ব্যাপক সমর্থন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, সাংবাদিক শামীম দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তিনি একজন সৎ, আদর্শবান ও জনবান্ধব মানুষ হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা এবং সমাজের উন্নয়নে কাজ করার জন্য তিনি মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন গুণীজন—কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষক, প্রভাষক, প্রশাসনের কর্মকর্তা, উপদেষ্টা ও মন্ত্রীদের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে বলে জানা গেছে। সাংবাদিক মহলেও তার একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান রয়েছে এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে তার সুসম্পর্ক বিদ্যমান। এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, এমন একজন অভিজ্ঞ ও সৎ মানুষ জনপ্রতিনিধি হলে কালিগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন নির্বাচনে সাংবাদিক শামীম ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে তিনি ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করবেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, “আমরা এমন একজন মানুষকে নেতৃত্বে দেখতে চাই, যিনি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবেন। সাংবাদিক শামীম সেই যোগ্যতা রাখেন। তাকে ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।” তবে এ বিষয়ে সাংবাদিক শামীমের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। তার সমর্থকরা আশা করছেন, জনগণের এই প্রত্যাশাকে তিনি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), সিরাজগঞ্জ-এঁর বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান, পিপিএম-সেবা মহোদয়ের বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সোমবার (০৬ এপ্রিল ২০২৬) জেলা পুলিশ সুপারেরকার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু, বিপিএম (বার) অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব আসাদুজ্জামান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) জনাব মোঃ হাফিজুর রহমান শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারবৃন্দ এবং ডিএসবি’র ডিআইও-১ ও ডিআইও-২। বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা জনাব মাহবুবুর রহমানের কর্মদক্ষতা সততা ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে তাঁর সঙ্গে কাজ করার নানা স্মৃতিচারণ করেন সহকর্মীরা যা উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে পুলিশ সুপার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিদায়ী কর্মকর্তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।উল্লেখ্য, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) জনাব মোঃ মাহবুবুর রহমান পিপিএম-সেবা সিরাজগঞ্জ জেলায় দায়িত্ব পালনকালে সততা দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছেন। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতি জানানো হয় আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভকামনা।