সারা দেশ

যুবদলের আহ্বায়কের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতেই যুবককে পেটালেন নেতাকর্মিরা

reporter-icon
সাইফুল ইসলাম: নোয়াখালী সংবাদাতা
অক্টোবর ২০, ২০২৫ | 0

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াসের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতে মারজান উদ্দিন (২৯) নামে এক যুবক বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে থানা প্রাঙ্গণে মব সৃষ্টির চেষ্টার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মারধরকারীরা উপজেলা বিএনপির অঙ্গও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মি এবং উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াসের অনুসারী।

রোববার (১৯ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও থানা প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে।

আহতরা হলেন, হেলাল উদ্দিন, ইমতিয়াজ, ফরিদ উদ্দিন, ওমর ফারুক, কোহিনুর বেগম, উম্মে কুলসুম, নাজিম উদ্দিন, মারজান উদ্দিন, সাইফুজ্জামান, শাহাব উদ্দিন ও মহিমা বেগম। এদের মধ্যে এক নারীসহ দুইজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় মারজান উদ্দিন ও তার বড় ভাই উপজেলার সুখচর ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিনকে থানায় সোপর্দ করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার ১৬ অক্টোবর উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের লামছড়ি গ্রামের কামাল উদ্দিনের মেয়ে নিগার সুলতানার পারিবারিক ভাবে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়েতে নিজ গ্রামের হুজুরকে দাওয়াত না দিয়ে অন্য গ্রামের হুজুর দিয়ে বিয়ে পড়ানো হয়। এ নিয়ে সমাজের মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার হেলাল মাঝির সাথে কামালের ছোট ভাই উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শাহাব উদ্দিনের বাকবিতন্ডা হয়। রোববার সকালে স্থানীয় রামচরণ বাজার থেকে শাহাব উদ্দিন বাড়ি ফেরার পথে নলচিরা ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের রবিনের দোকানের সামনে হেলাল মাঝির নেতৃত্বে কিছু লোক তাকে মারধর করে। খবর পেয়ে শাহাব উদ্দিনের ভাই মারজান ও নাজিম ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তাদের বেধড়ক মারধর করে তিনজনকে কুপিয়ে আহত করে। পরে তারা বাড়ি চলে গেলে লামছড়ি গ্রামের তাদের দুটি বসতঘরে হামলা ভাংচুর করে নগদ টাকাও স্বর্ণালংকার লুটে নেয় এবং তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ শাহাব উদ্দিন ও মারজানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসকে তার অনুসারীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ডেকে নেয়। সেখানে তার নেতৃত্বে পুলিশের সামনে শাহাব উদ্দিন ও তার ভাই মারজানের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মিরা। পরে হাসপাতাল থেকে থানায় নেওয়ার পথে হাসপাতালের ফটকের সামনে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসের নেতৃত্বে পুলিশের গাড়িতে যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মিরা হামলা চালায়। পুলিশের গাড়িতেই পুলিশকে হেনেস্তা করে মারজানকে বেধড়ক মারধর করে তার শরীর থেকে সব ব্যান্ডেজ খুলে নেয়। এরপর তারা থানার সামনে গিয়েও তার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে ব্যাপক হট্রগোল সৃষ্টি করে।    

হেলাল মাঝি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, শাহাব উদ্দিনের ভাইয়ের মেয়ের বিয়েতে আমাদের মসজিদের হুজুরকে দাওয়াত না দিয়ে অন্য হুজুরকে দাওয়াত দেওয়া হয়। আমি মসজিদের ক্যাশিয়ার হিসেবে বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে শাহাব উদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে হুমকি দেন। রোববার সকালে আমি স্থানীয় রামচরণ বাজারে উঠলে তিনি আমাকে দেখে হামলা চালান। ওই সময় তার আরো ৪ভাই এসে আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং কুপিয়ে আহত করে। এতে আমাদের কয়েকজন গুরুত্বর আহত হয়। এদের মধ্যে কোহিনুর ও ফরিদ উদ্দিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।  

থানা প্রাঙ্গণে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুলকে যুবদল নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলতে শুনা যায়, আপনার মত মানুষ যদি....। তাকে আমরা হাসপাতাল থেকে নিয়ে আসছি, তাকে মারার দরকার আছে। তার বিরুদ্ধে মামলা হবে। একপর্যায়ে এসআই মিনহাজুল মাটিতে বসে গিয়ে প্রশ্ন করে আমার সামনে আসামিকে মারধর করে কিভাবে। ওই ভিডিওতে ইলিয়াসকে থানা প্রাঙ্গণে দলীয় নেতাকর্মিদের নিয়ে প্রভাব বিস্তার করতে দেখা যায়।  

হাতিয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক বাবর আজম বলেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইলিয়াসের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। এতে সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। ইলিয়াসের বিরুদ্ধে আগে থেকেই নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীমের অনুসারী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।    

তবে অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে হাতিয়া উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন ইলিয়াস বলেন, আমার উপস্থিতিতে কোন হামলার ঘটনা ঘটেনি। উল্টো আমরা আমাদের দলের কয়েকজন নেতা লাঠি-সোটা দিয়ে আমাদের দলের লোকজনকে পিটিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছি। প্রথমে সমস্যা ছিল বিয়ে নিয়ে। পরে এটা এনসিপি বনাম বিএনপি হয়ে গেছে। শাহাব উদ্দিন কৃষি অফিসের একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারি ও মূলত ছাত্রলীগের একজন লাঠিয়াল ছিল। তার লোকজনের হামলায় প্রতিপক্ষের ৭জন আহত হয়েছে। আমরা আমাদের দলীয় নেতাকর্মিকে নির্দেশনা দিয়েছি কারো ওপরে যেন কোন আঘাত না হয়। যা হয়েছে, এগুলো দলের বদনাম আসবে, তোমরা যদি দলবদ্ধ হয়ে আঘাত করতে যাও।  


জেলা যুবদলের আহ্বায়ক মন্জুরুল আজিম সুমন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হবে।  

জানতে চাইলে হাতিয়ার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মিনহাজুল আবেদীন বলেন, কৃষি কর্মকর্তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম জাতীয় জরুরি সেবা নম্বরে অবহিত করলে আমি আহত অবস্থায় অবরুদ্ধ দুই ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এর মধ্যে প্রথমে কৃষি কর্মকর্তাকে চিকিৎসা দিয়ে থানায় হেফাজতে নেওয়া হয়। তার ভাই মারজানকে চিকিৎসা দিয়ে থানায় নিয়ে আসার পথে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে পুলিশের গাড়িতেই তার সকল ব্যান্ডেজ খুলে নিয়ে তাকে পিটানো হয়। ওই সময় হাসপাতালের ফটকের সামনে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের সবাই ছিল।    

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আজমল হুদা বলেন, দুই গ্রুপই কোপাকুপি করছে। একপর্যায়ে জনগণ কৃষি কর্মকর্তার বাড়ি ঘর ভাংচুর করছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পুলিশ হেফাজতে আছে। দুই পক্ষই মামলা করবে। এটা পলিটিক্যাল কোন বিষয়না। সাহাব উদ্দিন সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলীর দোসর ছিল, ফ্যাস্টিট ছিল। গত ৮-১০ বছর সে এখানে চাকরি করতেছে। সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার শর্তে তিনি আওয়ামী লীগের সাথে এসে দল ভারি করছে। আগে থেকেই জনগণের তার ওপর একটা রাগ ছিল।

ওসি আরও বলেন, পরবর্তীতে অন্য গ্রুপ থানা প্রাঙ্গণে এসে বলে ফ্যাস্টিসকে আমাদের হাতে তুলে দেন, আমরা তাকে নিয়ে যাব। এ নিয়ে থানার প্রাঙ্গণে উচ্চবাচ্য হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির ঢাকা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ হলেন সাংবাদিক মোঃ মনিরুজ্জামান।

দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”

মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি?

নামাজ, রোজা, জাকাত, হজ, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দর্শকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৯২৯তম পর্বে ই-মেইলের মাধ্যমে কানিজ নাহার দিপা জানতে চেয়েছেন, মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? অনুলিখন করেছেন মোহাম্মদ সাইফ আহমেদ। প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তির জন্য দোয়া-মাহফিল করা জায়েজ কি? উত্তর : না দোয়ার জন্য আলাদা কোনো মাহফিল নেই। এটা আসবে কেন? আমরা একটা জায়গা থেকে বাঁচার জন্য আরেকটি কাজ করছি। কিন্তু সেই কাজটি ভুল করে আরও বড় ভুলের সিদ্ধান্ত নিচ্ছি। আমাদের সমাজে একটি প্রথা একেবারে ছেয়ে গেছে। যেমন—একজন মারা গেলে তার জন্য মিলাদ-মাহফিল করা কিংবা কূলখানি করা। কিন্তু এগুলো সবই বেদআতি কাজ। এগুলো সঠিক কাজ নয়। অনেকে মনে করছে, দোয়া-মাহফিল করা যেতে পারে। কিন্তু সেটা একদমই নয়। এসব ইসলামে অনুমোদন দেয়নি। এইগুলো পুরোটাই বেদআত। মানুষ চাইলে যে কোনো সময় কিংবা যে কোনো জায়গা থেকে দোয়া করতে পারবেন। দোয়ার সঙ্গে মাহফিল কিংবা আলাদা কোনো ধরনের অনুষ্ঠান ঘোষণা করা জায়েজ নেই। আশা করি, আপনি বুঝতে পেরেছেন।

নবী মুহাম্মদ (সাঃ) - নিষ্পাপ চরিত্রের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ

তিনি ছিলেন মানবজাতির আদর্শ। তিনি অত্যন্ত উদার ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক এবং একজন সাহসী যোদ্ধা। এছাড়াও তিনি একজন দক্ষ প্রশাসক, একজন দক্ষ রাষ্ট্রনায়ক এবং একজন সফল প্রচারক ছিলেন। তিনিই উত্তম চরিত্র ও উদারতার একমাত্র উৎস। তিনি সকলের আদর্শহীন এবং প্রিয় ব্যক্তিত্ব। যার প্রেমে, দুনিয়া মাতাল। তিনি আমার আদর্শ, তিনি আমার নেতা। তিনি আমার নবী, আমাদের নবী এবং সকলের নবী। তিনি হলেন হযরত মুহাম্মদ (সা.) তিনি সর্বোত্তম আদর্শ। সমস্ত মানবজাতির জন্য করুণা। অন্ধকারে নিমজ্জিত বিশ্বের মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে। তার অসাধারণ চরিত্র, মাধুর্য এবং অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব সবাইকে অবাক করেছে। মুমিনের চঞ্চল হৃদয় তাকে এক নজর দেখার জন্য আকুল হয়ে থাকে। কবি কাজী নজরুল বলেছেন: “বিচ্ছেদের রাত ছিল একাকার কান্নার ভোর; আমার মনে শান্তি নেই, আমি কাঁদছি। হে মদিনাবাসীর প্রেমিক, আমার হাত ধর।" তার নিষ্কলুষ চরিত্রের স্বীকৃতি দিয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।" (সূরা আল-আহজাব, আয়াত 21)। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে আজ কিছু লোক সেই নবীর সম্মানকে অবমাননা করছে। হৃদয় ভেঙ্গে যায়। আমাদের ক্ষমা করুন, হে নবী! তিনি তার অবিস্মরণীয় ক্ষমা, উদারতা, সততা, নম্রতা প্রভৃতির বিরল মুগ্ধতা দিয়ে বর্বর আরব জাতির আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এজন্য তারা তাকে ‘আল-আমিন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে স্বীকার করেছিল যে তিনি নম্র এবং গুণী ছিলেন। টাকা দিয়ে নয়, ভালো ব্যবহার দিয়ে তিনি বিশ্ববাসীকে জয় করেছেন। আল্লাহ তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই তুমি মহৎ চরিত্রের অধিকারী।’ (সূরা আল কালাম, আয়াত ৪)। তিনি কখনো মানুষকে তুচ্ছ করেননি। আত্মসম্মানবোধে তিনি কাউকে তুচ্ছ মনে করেননি। তিনি বিশ্বের হৃদয়ে উচ্চতর চরিত্রের একটি অনুপম মানদণ্ড স্থাপন করেছেন। নম্রতা তার চরিত্রে সর্বদা উপস্থিত ছিল। পৃথিবীর মানবতার কল্যাণে তাকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়েছিল শ্রেষ্ঠ আদর্শের বাস্তবায়নকারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে। এ প্রসঙ্গে স্বয়ং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আমাকে আমার উত্তম চরিত্র পূর্ণ করার জন্য প্রেরিত করা হয়েছে।’ (মুসনাদে আহমদ, মিশকাত) ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন বিনয়ী এবং আচার-আচরণে অত্যন্ত বিনয়ী। দুর্বল ব্যক্তিকে কড়া কথায় আঘাত করবেন না। তিনি কোন মানুষকে তার সাধ্যের বাইরে অসাধ্য সাধন করতে বাধ্য করেননি। গরিব-অসহায় মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করতেন। তিনি লোকদেরকে তাদের আচরণে অপ্রয়োজনীয় রাগ ও রাগ থেকে সর্বদা বিরত থাকার উপদেশ দিতেন এবং মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, “যে বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উঁচু করে দেন এবং যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে লাঞ্ছিত করেন।” (মিশকাত) কাফেররাও তার কাছ থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে সদয় ও নম্র আচরণ পেয়েছিল। তার অনুসারীরা তাকে উচ্চ সম্মানের সাথে ধরেছিল কারণ তিনি খুব নমনীয় এবং নম্র ছিলেন। হজরত আয়েশা (রা.) তার ভদ্র আচার-আচরণ সম্পর্কে বলেন, ‘নবী (সা.) রূঢ় বক্তা ছিলেন না, প্রয়োজনের সময়ও তিনি কঠোর ভাষা ব্যবহার করতেন না। প্রতিহিংসা তার সাথে ছিল না মোটেও। মন্দের বিনিময়ে ভালোই করেছেন। সব ক্ষেত্রেই তিনি ক্ষমা পছন্দ করতেন। তিনি লোকদেরকে উপদেশ দিয়েছিলেন, “আল্লাহর ইবাদত কর, করুণাময় প্রভু, ক্ষুধার্তকে খাবার দাও, সালাম দাও এবং এসব কাজের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশ কর। তিনি উত্তর দিলেন, "ক্ষুধার্তকে খাওয়ানো এবং অপরিচিত সকলকে সালাম করা।" (বুখারী ও মুসলিম)। মহানবী (সা.)-এর মর্যাদাকে সম্মান করা মুসলমানদের ধর্মীয় কর্তব্য এবং প্রত্যেক মুসলমানের ঈমানের মৌলিক অংশ।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতিযোগিতা: চ্যাটজিপিটি বনাম ডিপসিক?

র্তমান প্রযুক্তি বিশ্বে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে নতুন প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটি ও চীনের ডিপসিকের মধ্যে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুধু প্রযুক্তিগত দক্ষতার নয়, বরং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চ্যাটজিপিটি দীর্ঘদিন ধরে ব্লগ লেখা, গবেষণা, প্রোগ্রামিংসহ নানান কাজে অপরিহার্য টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি চীনের তৈরি ডিপসিক এআই জগতে নতুন আলোড়ন তুলেছে। তারা দাবি করছে, তুলনামূলক কম চিপ ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক এআই সেবা দেওয়া সম্ভব, যেখানে ওপেনএআই-এর বিশাল মডেলগুলোর জন্য ১৬,০০০ বা তারও বেশি চিপ প্রয়োজন হয়, সেখানে মাত্র ২০০০ চিপ দিয়ে ডিপসিক কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম। দুই প্ল্যাটফর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে। ✅ চ্যাটজিপিটি: বিস্তৃত বিশ্লেষণ ও গভীর গবেষণা উপস্থাপন করতে পারে, যা একাডেমিক ও জটিল সমস্যার সমাধানে সহায়ক। ✅ ডিপসিক: দ্রুত এবং সংক্ষিপ্ত উত্তর দিতে পারে, যা তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রত্যাশী ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী। লেখালেখির ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি কেবল ধারণা ও প্লটের কাঠামো গড়ে তোলে, যেখানে ডিপসিক প্রায় পুরো গল্প তৈরি করে দিতে পারে। একইভাবে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রেও ডিপসিক কিছু ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান দিতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। ডিপসিকের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সংরক্ষণ ও তথ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশের সরকার ইতোমধ্যেই ডিপসিকের ডেটা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ওপেনএআই নিজেও অতীতে অনুমতি ছাড়া মানুষের লেখা ডেটা প্রশিক্ষণের জন্য ব্যবহারের অভিযোগের মুখে পড়েছিল, যা এখন ডিপসিকের বিরুদ্ধে উঠছে। ডিপসিকের সাফল্যের ফলে এআই চিপের বাজারেও বড় প্রভাব পড়েছে। এনভিডিয়া, যারা উন্নত চিপ তৈরিতে বিশ্বব্যাপী অগ্রগণ্য, তাদের শেয়ারের মূল্য একদিনে প্রায় ১৭% কমে গেছে। কারণ, কম শক্তিশালী হার্ডওয়্যারেও কার্যকর এআই সম্ভব হলে উচ্চমূল্যের উন্নত চিপের বাজার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতা নতুন কিছু নয়, তবে ডিপসিকের উদ্ভাবন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই চীনে উন্নত চিপ রপ্তানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, কম খরচে ভালো এআই তৈরি হলে মার্কিন প্রযুক্তি খাতেরও লাভ হতে পারে। এই প্রতিযোগিতা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যৎকে আরও উন্নত ও বহুমাত্রিক করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেখানে দ্রুত এবং সাশ্রয়ী সমাধান দরকার, সেখানে হয়তো ডিপসিক এগিয়ে থাকবে, আর যেখানে গবেষণা ও জটিল বিশ্লেষণের প্রয়োজন, সেখানে চ্যাটজিপিটির মতো বৃহৎ মডেলগুলো প্রাধান্য পাবে। শেষ পর্যন্ত, এই প্রতিযোগিতাই হয়তো এআই প্রযুক্তিকে আরও দক্ষ, নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী করবে।

শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে?

মাজ, রোজা, হজ, জাকাত, পরিবার, সমাজসহ জীবনঘনিষ্ঠ ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’। জয়নুল আবেদীন আজাদের উপস্থাপনায় এনটিভির জনপ্রিয় এ অনুষ্ঠানে দ‍র্শকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশিষ্ট আলেম ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। আপনার জিজ্ঞাসার ২৩৩৪তম পর্বে নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে নিয়ামত কমে যাবে কি না, সে বিষয়ে ঢাকা থেকে চিঠির মাধ্যমে জানতে চেয়েছেন একজন দর্শক। অনুলিখন করেছেন জান্নাত আরা পাপিয়া। প্রশ্ন : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করলে কি নিয়ামত কমে যাবে? উত্তর : নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা কুফরি। এটা বড় কুফরি না, ছোট কুফরি। যদি আল্লাহর বান্দারা আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করে থাকেন, তাহলে তাঁরা কুফরি কাজ করে থাকলেন। এ জন্য আল্লাহ কোরআনে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘তোমরা আমার শুকরিয়া আদায় করো, আমার সঙ্গে কুফরি করো না।’ আল্লাহ যে নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন, আল্লাহর নিয়ামত লাভ করে সুন্দর জীবনযাপন করা, এটা যদি কেউ আল্লাহর কাছে সত্যিকার অর্থে তুলে ধরতে না পারে, তাহলে সে ব্যক্তি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া করলেন না, কুফরি করলেন। এই জন্য আল্লাহ সুরা দোহার শেষ আয়াতে বলেছেন, ‘তুমি তোমার রবের নিয়ামত প্রকাশ করো। কারণ, তোমার কাছে যখন নিয়ামত আসছে, তখন আল্লাহ পছন্দ করেন যে তুমি আল্লাহর এই নিয়ামতের বিষয়টি তুলে ধরবে।’ আল্লাহর কাছে বলবে, আল্লাহ আমাকে এই নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন। আল্লাহ নিয়ামতকে বান্দার কাছে তুলে ধরার জন্য বলেছেন, বহিঃপ্রকাশ করার জন্য বলেছেন। বহিঃপ্রকাশ দুই ধরনের হতে পারে। একটি হলো নিয়ামতের ব্যবহারের মাধ্যমে বহিঃপ্রকাশ করা। দ্বিতীয়ত, নিয়ামতের বিষয়টি হলো মানুষের কাছে নিয়ামত তুলে ধরবে। যাতে করে আল্লাহর প্রশংসা প্রকাশ পায়। নিয়ামতের শুকরিয়া যদি কেউ আদায় না করেন, তাহলে কুফরি হবে। আল্লাহ বলেছেন, যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করে থাক, তাহলে আমি আরো বৃদ্ধি করে দেব। বান্দারা যখন নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে, তখন আল্লাহ আরো নিয়ামত দিয়ে সমৃদ্ধ করে দেন। আর যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করা হয়, তাহলে আল্লাহ নিয়ামত কমিয়ে দেবেন এবং সেইসঙ্গে আরেকটি কঠিন বাণী আল্লাহ বলেছেন, ‘জেনে রাখো আল্লাহর কঠিন আজাবও তোমাদের জন্য অবধারিত থাকবে।’ নিয়ামতের শুকরিয়া শুধু মুখে আদায় করা যথেষ্ট নয়। কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর শুকরিয়া আমলের মাধ্যমে আদায় করো।’ সুতরাং বান্দারা শুকরিয়া আদায় করবে। শুকরিয়ার অনেকগুলো দিক রয়েছে, তার মধ্যে আমলের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করা হলো শুকরিয়ার সর্বোচ্চ স্তর।

সারা দেশ

আরও পড়ুন
রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং

রমজান উপলক্ষে কালিহাতিতে বাজার মনিটরিং ৩ মামলায় ৩০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখেনিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলা এলাকায় বিশেষ বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কালিহাতি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ অনুযায়ী বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ০৩ (তিন)টি মামলায় মোট ৩০ হাজার ৫০০ (ত্রিশ হাজার পাঁচশত) টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়। ব্যবসায়ীদের মূল্য তালিকা প্রদর্শন অতিরিক্ত মূল্য আদায় এবং মজুত সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। এ সময় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সচেতন করতে সতর্কতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয় রমজান মাসজুড়ে এ ধরনের বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

রমজানকে সামনে রেখে দেশজুড়ে বিশেষ বাজার মনিটরিং শুরু

রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে টাঙ্গাইলে ১২ উপজেলায় একযোগে বিশেষ বাজার মনিটরিং

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রাণিজ পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতেআলোচনা সভা

গোপালপুরে কাহেতার উদ্যোগে ১০০ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল  ইউনিয়নের  স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নিঃস্বার্থ সংগঠন কাহেতা (সক) এর উদ্যোগে গ্রামের পিছিয়ে পড়া ১০০টি পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি (পহেলা রমজান) সকাল ১১টায়  এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মুড়ি, ছোলা, খেজুর, ডাল, চিনি ও পিয়াজসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২১ সাল থেকে কাহেতা (সক) বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে অসচ্ছল পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, সদস্য সচিব আবু বক্কর সিদ্দিকী মামুন, সহ-সভাপতি শরিফুল ইসলাম মিলনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানান, ভবিষ্যতেও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

টাঙ্গাইল জেলা কারাগার পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক

বাংলাদেশ পুলিশ বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজির বার্ষিক পরিদর্শন

ময়মনসিংহ পুলিশের ফোর্সের সম্মানসূচক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত শ্রেষ্ঠ অফিসারদের ক্রেস্ট প্রদান ও জেলা পুলিশের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা কিশোরগঞ্জ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে সোমবার সকালে অনুষ্ঠিত হলো জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশের সম্মানিত পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন।সভায় জানুয়ারি ২০২৬ মাসের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে শ্রেষ্ঠ অফিসারদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। পুলিশ সুপার উপস্থিত অফিসার ও ফোর্সদের বক্তব্য মনোযোগসহকারে শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং জেলা পুলিশের সকল ইউনিটের বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা। সভার মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীর নৈতিক উদ্দীপনা পেশাদারিত্ব ও সমন্বয় বৃদ্ধির প্রত্যাশা প্রকাশ করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা ও ক্রাইম কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

জামালপুর জেলা পুলিশ-এর মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

দুলাভাইয়ের মরদেহ দেখতে এসে শ্যালিকার মৃত্যু

0 মন্তব্য