টাঙ্গাইল, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহ—এই চার জেলার ২৫টি উপজেলা থেকে মোট ৮ হাজার শিশু শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে এবারের নূরানী স্কলারশিপ বৃত্তি পরীক্ষায়। টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও ধাপে ধাপে বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ বৃত্তি পরীক্ষা।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) গোপালপুরের দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৭০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। এর আগে ভূঞাপুর, কালিহাতী, ঘাটাইল, মধুপুর, ধনবাড়ী এবং জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় বৃত্তি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
হেরাল মডেল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান তালুকদার বলেন,
“টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের স্কলারশিপ বৃত্তি পরীক্ষা নূরানী শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য বয়ে আনবে। এটি বাচ্চাদের পড়ার গতি ও মনোযোগ বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে।”
গোহাটা মসজিদের ইমাম ও ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা মুফতি নাজির সিদ্দিকী বলেন,
“নূরানী শিক্ষা শিশুদের প্রাথমিক ও ভিত্তিমূলক শিক্ষা। আরবি হরফ ও বাংলা বর্ণের সাথে পরিচয়ের প্রথম ধাপ এটি। তাই শিশুদের চরিত্র গঠন ও নৈতিক শিক্ষায় এর ভূমিকা অনন্য।”
ফাউন্ডেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন উপজেলার জিম্মাদাররাও পরীক্ষা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
ঘাটাইল উপজেলা জিম্মাদার মুফতি আব্দুর রশিদ বলেন,
“এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের মাঝে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে এবং তাদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ায়।”
মাওলানা জুবায়ের বলেন,
“শিশুরা সারা বছর যে পরিশ্রম করে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে তার সঠিক মূল্যায়ন হয়। অভিভাবকদের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ে।”
মধুপুর উপজেলা জিম্মাদার মাওলানা ইবরাহিম খলিল জানান,
“নূরানী শিক্ষার প্রসারের জন্য ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ছোট বাচ্চাদের শিক্ষাজীবনে এটি বড় উৎসাহের সৃষ্টি করে।”
গোপালপুর উপজেলা জিম্মাদার মাওলানা নোমান আহমেদ বলেন,
“প্রতিটি কেন্দ্রেই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা ছিল প্রশংসনীয়।”
অভিভাবকরা জানান, নূরানী স্কলারশিপ পরীক্ষা শিশুদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ায় এবং সারা বছরের শেখার মূল্যায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
মাদরাসার শিক্ষকরা বলেন,
“এটি শুধু বৃত্তি পরীক্ষা নয়, বরং শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রতিযোগিতা সৃষ্টি এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। একই সাথে ধর্মীয় শিক্ষায় শিশুদের আগ্রহ বাড়ে।”
টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ মাহদী হাসান শিবলী জানান,
“২০১৭ সাল থেকে এ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে। উত্তীর্ণ মেধাবীদের বাইসাইকেল, শিক্ষা উপকরণ, সম্মাননা ক্রেস্টসহ নানা পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।”
সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, নূরানী শিক্ষার বিস্তারে এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের শিক্ষাজীবনকে আরও উৎসাহিত করবে এবং আলোর পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।
দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির নতুন ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) হলেন মোঃ মনিরুজ্জামান। নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবারে ব্যুরো চিপ (ঢাকা বিভাগ) পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী মোঃ মনিরুজ্জামান। তার দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা অভিজ্ঞতা ও নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠানকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিষ্ঠানটির দায়িত্বশীলরা জানান, দুর্নীতি দমন ও সামাজিক অন্যায়-অবিচার তুলে ধরতে মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার আন্তরিক প্রচেষ্টা ও স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভির কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নেবে। এই উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেনঃ ১️⃣ মোঃ শাহ নেওয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ২️⃣ মোঃ শহিদুল ইসলাম, সম্পাদক ও প্রকাশক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি ৩️⃣ মোঃ মাহমুদুল হাসান, বার্তা সম্পাদক, দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি তারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন— “আমরা মোঃ মনিরুজ্জামান সাহেবের সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। তার প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে দুর্নীতি তালাশ নিউজ টিভি পরিবার অচিরেই আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছাবে।”
বাংলাদেশের বৃহৎ এনজিও সংস্থা "আশা"এর উদ্যোগে হয়ে গেল ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন যেখানে ফ্রিতে চিকিৎসা দেওয়া হয় এলাকার বিভিন্ন পেশাজীবী এবং কর্মজীবী মানুষের মধ্যে। ২৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার সোনামুই গ্রামে সকাল থেকে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন করা হয় আশায় এনজিও হেমনগর শাখার উদ্যোগে এটি বাস্তবায়িত করা হয়। উক্ত ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যকর্মী এবং মেডিকেল অফিসারসহ অন্যান্য সেবিকারা। আশা এনজিও কর্তৃক ক্যাম্পেইনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন "আশা" হেমনগর ব্রাঞ্চের পক্ষথেকে আশা এনজিওর এই ক্যাম্পেইনে গ্রামের সকল পেশাজীবীর মানুষেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্যাম্পেইনটিতে অংশগ্রহণ করেন এবং তারই মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সঠিক ভাবে নিরূপণ করতে সহযোগিতা করেন। আশা এনজিওর মাধ্যমে ক্যাম্পেইন করে মানুষের জন্য সময় উপযোগী এবং প্রয়োজনীয় একটি বিষয় হয়ে দাঁড়াবে যেটি গ্রামের মানুষের মধ্যে সচেতনতা এবং স্বাস্থ্য সঠিকভাবে পর্যালোচনা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উদ্যোগে এলাকাবাসী অত্যন্ত প্রাণবন্ত ভাবে উৎফুল্ল প্রকাশ করেছে। উক্ত ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিকবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ। এবং তাদের ক্যাম্পেইন ডাক্তার সঠিকভাবে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করেছে। আশা এনজিও আগামী দিনগুলোর জন্য এইরকম ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি ধাপ হিসাবে গণ্য হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবকদল সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লা পাড়া ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সদর উপজেলার স্থানীয় বেতগঞ্জ বাজাএই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আবুল কাশেম দুলু সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব এডভোকেট দীপংঙ্কর বনিক সুজিতের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মনাজ্জির হোসেন। সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক সুহেল মিয়া, শাহজাহান মিয়া, এডভোকেট আব্দুল আহাদ জুয়েল, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক মুজাব্বির হোসেন অপু, ইমরান হোসেন শ্যামল, বিপ্লব খান, মো:শামিম আহমদ, সেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক সাদিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আতাউর চৌধুরী শাহীন প্রমুখ। এ ছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক আনোয়ার আলম, লিয়াকত আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আতহাব চৌধুরী হাসান, শাখাওয়াত হোসেন পলাশ, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইমন আহমেদ, ফয়সাল আহমেদ, মিছবাহ হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মহিম উদ্দিন, জেলা যুবদলের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মঈনুদ্দিন আহমেদ রিপন,সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আব্দুল কাইয়ুম সৌরভ, বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম, ময়না মিয়া,স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রুজেল আহমেদ, আবুল হাসনাত, জেলা ছাত্রদল নেতা ইয়াহিয়া হাসান প্রমুখ। এ সময় সদর উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন,বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের দুঃসময়ে যারা রাজপথে নির্যাতিত ও নিপিিতড় হয়েছেন, তাদের যথাযথ মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতের ইউনিয়ন কমিটি গঠন করতে হবে। আওয়ামী লীগ ঘেঁষা বা ফ্যাসিস্টদের সাথে সম্পৃক্ত কোনো ব্যক্তিকে কমিটিতে রাখা যাবে না বলেও তারা দাবি জানান। দুর্দিনে যারা আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন তাদেরকে কমিটিতে মুল্যায়ন করা হবে। তারা বলেন,সুনামগঞ্জে জাতীয়তাবাদি শক্তির প্রাণপূরুষ এবং বিগত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে জেল জুলুম,হুলিয়া মাথায় নিয়ে এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা কেবল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তূমান জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৪(সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের নেতৃত্বে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং আগামী নির্বাচনে এই আসনে জনপ্রিয় ধানের শীষের প্রার্থী একমাত্র নুরুল ইসলাম নুরুলকে বিএনপির প্রার্থী করতে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া,ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট তৃণমূলের নেতৃবৃন্দরা জোর দাবী জানান।
(২২ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার পার্ক বাজার সংলগ্ন গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল। তিনি তার বিশেষ মনিটরিং টিম নিয়ে দোকানে থাকা দইয়ের উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকা, বেশ কিছু পরিমাণ পচে যাওয়া দই দোকানে সংরক্ষণ করা এবং মিষ্টান্ন তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল পাওয়ার দায়ে টাঙ্গাইলের গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে, আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবেন। অভিযানে পৌর স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ প্রসঙ্গে গৌর ঘোষ দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী স্বপ্নন কুমার ঘোষ জানান, সাধারণত তিনি খুচরা ভাবে দধি বিক্রি করে থাকেন। ফলে তৈরিকৃত দধিতে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে এখন থেকে দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, উদ্ধারকৃত পচে যাওয়া দধিগুলো ফেলে দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছিল। এছাড়া যে মিষ্টি তৈরীর বড় কড়াইয়ে টিকটিকির মল হাওয়া গেছে, সেটি বর্তমানে মিষ্টি তৈরীর কাজে ব্যাবহার করা হচ্ছে না। আমরা সবসময় চেষ্টাকরি গ্রাহককে সর্বোচ্চ মানের দধি ও মিষ্টান্ন সরবরাহ করার।
সাজিদ পিয়াল: গোপালপুর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে ২৭/১০/২০২৬ইং তারিখে গোপালপুর উপজেলা ও পৌর মৎস্যজীবী দল এর উদ্যোগে বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন উপলক্ষে লিফলেট বিতরণের প্রস্তুতি মিটিংয়ের আয়োজন করা হয়। উক্ত মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শফিকুল ইসলাম সভাপতি গোপালপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দল সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজিম তালুকদার মোঃ দোলয়ার হোসেন সহ সভাপতি গোপালপুর উপজেলা মৎস্যজীবী দল যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম মোঃমারুফ হোসেন সাধারণ সম্পাদক পৌর মৎস্যজীবী দল আরো উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর উপজেলার সকল ইউনিয়ন ওয়ার্ড মৎস্যজীবীদলের নেতৃবৃন্দ।
টাঙ্গাইলে কুমুদিনী সরকারি কলেজ ছাত্রীনিবাসে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক প্রীতিভোজ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে ছাত্রীনিবাসের মুক্তমঞ্চে আনন্দঘন পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চারদিকে উৎসবমুখরতা ছড়িয়ে পড়ে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন কুমুদিনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর খলিলুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক খান এবং শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোয়াজ্জম হোসেন ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান হোস্টেল সুপার ও সহযোগী অধ্যাপক (ইংরেজি) মোহাম্মদ আকতার হোসেন। বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক উন্নয়ন গঠনে এ ধরনের সৃজনশীল আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তারা ছাত্রীনিবাসের শিক্ষার্থীদের আত্ম-উন্নয়ন, শৃঙ্খলা, সৃজনশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। সাংস্কৃতিক পর্বে ছাত্রীনিবাসের শিক্ষার্থীরা মনোমুগ্ধকর নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি, নাটিকা ও একক পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করেন। শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি ও অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে একটি উৎসবমুখর ও অনুপ্রেরণাদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সবশেষে প্রীতিভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। আয়োজকরা জানান, এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্প্রীতি ও ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে
টাঙ্গাইল, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহ—এই চার জেলার ২৫টি উপজেলা থেকে মোট ৮ হাজার শিশু শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে এবারের নূরানী স্কলারশিপ বৃত্তি পরীক্ষায়। টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতি বছরের মতো এবারও ধাপে ধাপে বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এ বৃত্তি পরীক্ষা। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) গোপালপুরের দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ৭০০ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। এর আগে ভূঞাপুর, কালিহাতী, ঘাটাইল, মধুপুর, ধনবাড়ী এবং জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় বৃত্তি পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। হেরাল মডেল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান তালুকদার বলেন, “টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের স্কলারশিপ বৃত্তি পরীক্ষা নূরানী শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য বয়ে আনবে। এটি বাচ্চাদের পড়ার গতি ও মনোযোগ বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখবে।” গোহাটা মসজিদের ইমাম ও ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা মুফতি নাজির সিদ্দিকী বলেন, “নূরানী শিক্ষা শিশুদের প্রাথমিক ও ভিত্তিমূলক শিক্ষা। আরবি হরফ ও বাংলা বর্ণের সাথে পরিচয়ের প্রথম ধাপ এটি। তাই শিশুদের চরিত্র গঠন ও নৈতিক শিক্ষায় এর ভূমিকা অনন্য।” ফাউন্ডেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন উপজেলার জিম্মাদাররাও পরীক্ষা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ঘাটাইল উপজেলা জিম্মাদার মুফতি আব্দুর রশিদ বলেন, “এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের মাঝে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে এবং তাদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ায়।” মাওলানা জুবায়ের বলেন, “শিশুরা সারা বছর যে পরিশ্রম করে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে তার সঠিক মূল্যায়ন হয়। অভিভাবকদের মধ্যেও সচেতনতা বাড়ে।” মধুপুর উপজেলা জিম্মাদার মাওলানা ইবরাহিম খলিল জানান, “নূরানী শিক্ষার প্রসারের জন্য ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। ছোট বাচ্চাদের শিক্ষাজীবনে এটি বড় উৎসাহের সৃষ্টি করে।” গোপালপুর উপজেলা জিম্মাদার মাওলানা নোমান আহমেদ বলেন, “প্রতিটি কেন্দ্রেই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা ছিল প্রশংসনীয়।” অভিভাবকরা জানান, নূরানী স্কলারশিপ পরীক্ষা শিশুদের পড়াশোনায় আগ্রহ বাড়ায় এবং সারা বছরের শেখার মূল্যায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে। মাদরাসার শিক্ষকরা বলেন, “এটি শুধু বৃত্তি পরীক্ষা নয়, বরং শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রতিযোগিতা সৃষ্টি এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। একই সাথে ধর্মীয় শিক্ষায় শিশুদের আগ্রহ বাড়ে।” টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ মাহদী হাসান শিবলী জানান, “২০১৭ সাল থেকে এ বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হচ্ছে। উত্তীর্ণ মেধাবীদের বাইসাইকেল, শিক্ষা উপকরণ, সম্মাননা ক্রেস্টসহ নানা পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়। ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।” সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাস, নূরানী শিক্ষার বিস্তারে এ ধরনের উদ্যোগ শিশুদের শিক্ষাজীবনকে আরও উৎসাহিত করবে এবং আলোর পথে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।
নূরানী স্কলারশীপ বৃত্তি পরীক্ষায় মেধা যাচাইয়ে টাঙ্গাইল, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহের ২৫টি উপজেলা থেকে এবার ৮ হাজার শিশু শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশন এই বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করেন। ধাপে ধাপে এই ৪ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের শাহ্পুর তাহিরীয়া দারুস্ সুন্নাহ্ হাফিজিয়া ও নূরানী মাদরাসা এবং কালিহাতীর রাজাফৈর কওমীয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও আবু আশরাফ খান (অবঃ জজ) মাদসায় বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে জেলার ভূঞাপুর, মধুপুর, গোপালপুর, ধনবাড়ী ও জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন মাদরাসা এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কালিহাতীর রাজাফৈর কওমীয়া হাফিজিয়া মাদরাসা ও আবু আশরাফ খান (অবঃ জজ) মাদসায় বৃত্তি পরীক্ষা প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিহা, দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আতিয়া ও হাসান বলেন- তারা এর আগে কখনো বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেননি। এবারই প্রথম অংশ নিয়েছেন, পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে তারা আনন্দিত। অভিভাবকরা বলেন- এই স্কলারশীপ বৃত্তি পরীক্ষায় শিশুদের পড়াশোনায় উৎসাহ তৈরি করছে এবং বৃত্তি পরীক্ষার মাধ্যমে সারা বছরের পড়াশোনার মেধার বিকাশ ঘটে। মাদরাসার শিক্ষকরা বলেন- এটি শুধু বৃত্তি পরীক্ষা নয়, এই পরীক্ষার মাধ্যমে পড়ার উন্নয়ন ঘটে এবং পড়াশোনায় ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে প্রতিযোগীতা ও শিক্ষার্থীদের পাঠ্যভাসে আরও আত্মবিশ^াসী হয়। এছাড়াও ধর্মীয় শিক্ষায় শিশুদের আগ্রহ বাড়াতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশন সভাপতি শেখ মাহদী হাসান শিবলী বলেন- টাঙ্গাইল, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ ও ময়মনসিংহের ২৫টি উপজেলা থেকে এবার ৮ হাজার শিশু শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন এবং ধাপে ধাপে পরীক্ষাগুলো বিভিন্ন উপজেলায় বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মাহদী হাসান শিবলী আরও বলেন- ২০১৭ সাল থেকে টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই পরীক্ষার আয়োজন করে আসছেন। উত্তীর্ণ মেধাবী মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল, শিক্ষা উপকরণ ও সম্মাননা ক্রেস্টসহ বিভিন্ন পুরস্কার প্রদান করে থাকেনা। পাশাপাশি ফাউন্ডশন থেকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদেরও সম্মাননা প্রদান করেন। তারা এই ধারাবাহিকতা ভবিষতেও অব্যাহত রাখবেন। ক্যাপশন: টাঙ্গাইল জেলা নূরানী শিক্ষক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নূরানী স্কলারশীপ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত